অর্ডিনারি আইটি https://www.ordinaryit.com/2022/10/miladunnabi-date.html

ঈদে মিলাদুন্নবী কত সাল থেকে পালন করা হয় তার বিস্তারিত

বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর অন্যতম একটি উৎসবের দিন হচ্ছে ‘‘ঈদে মীলাদুন্নবী’’। হিজরি বা আরবি রবিউল আউআল মাসের ১২ তারিখে এই ‘‘ঈদে মীলাদুন্নবী’’ বা নবীর জন্মের ঈদ পালন করেন বাংলাদেশসহ বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। আজকের এই পোস্টে আমরা জেনে নেব, ঈদে মিলাদুন্নবী কি, রাসুলুল্লাহ (সা)  এর জন্ম দিবস কবে, ঈদে মিলাদুন্নবী কত সাল থেকে পালন করা হয় ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে।

তাহলে চলুন আর দেরি না করে জেনে নেই, ঈদে মিলাদুন্নবী কি, রাসুলুল্লাহ (সা)  এর জন্ম দিবস কবে, ঈদে মিলাদুন্নবী কত সাল থেকে পালন করা হয় ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে।

পোস্ট সূচিপত্রঃ

ঈদে মিলাদুন্নবী কি?

আমরা সবাই জানি আমাদের মুসলিম উম্মার সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)। আমাদের প্রত্যেকেরই একটি জন্মদিবস রয়েছে। তেমনি আমাদের নবীজির ও জন্মদিবস রয়েছে।সারা বিশ্বের বহু মুসলিম অত্যন্ত জাঁকজমক, ভক্তি ও মর্যাদার সাথে আরবী বৎসরের ৩য় মাস রবিউল আউআল মাসের ১২ তারিখে এই ‘‘ঈদে মীলাদুন্নবী’’ বা নবীর জন্মের ঈদ পালন করেন।এটিকে ঈদে মিলাদুন্নবী বলে।

বাংলাদেশি মুসলমানরা নবীজির জন্মের এই দিনটিকে ঈদে মিলাদুন্নবী নামে অভিহিত করে থাকেন। অপরদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের কাছে এই দিন নবী দিবস নামে পরিচিত।

১২ই রবিউল আউয়াল ও ঈদে মিলাদুন্নবী নিয়ে আরও কিছু পোস্ট

মিলাদ শব্দের অর্থ কি?

মিলাদ শব্দের আভিধানিক অর্থ হল জন্মদিন। অনুরূপ মিসবাহুল লুগাতের ৯৬৬ পৃষ্ঠায় রয়েছে, ‘মিলাদ’ অর্থ জন্মসময়। ‘মাওলেদ’ অর্থ জন্মস্থান অথবা জন্মসময়।ইসলামের পরিভাষায় একমাত্র আমাদের প্রিয়নবী রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্ম সংক্রান্ত কাহিনী ও তদসম্বলিত ঘটনাবলী আলোচনা করা এবং এ অনুষ্ঠানকেই মিলাদুন্নবী বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। সংক্ষেপে বলা হয় মিলাদ শরীফ। 

রাসুলুল্লাহ (সা)  এর জন্ম দিবস কবে?

ঈদে মিলাদুন্নবী কত সাল থেকে পালন করা হয় তা জানার আগে চলুন জেনে নেই রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর জন্ম দিবস কবে? রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর জন্ম সাল জানা থাকলে বুঝতে সুবিধা হবে ঈদে মিলাদুন্নবী কত সাল থেকে পালন করা হয়। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর জন্ম সাল এবং জন্মবার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেলেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্ম তারিখ ও জন্ম মাস নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মতভেদ রয়েছে। তবুও ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আরবী বছরের ৩য় মাস রবিউল আউআল মাসের ১২ তারিখে ‘‘ঈদে মীলাদুন্নবী’’ বা নবীর জন্মের ঈদ পালন করেন। 

আরো পড়ুনঃ ঈদে মিলাদুন্নবী ২০২২ কত তারিখে দেখে নিন।

রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর সহাবীগণের কথা, কর্ম বা অনুমোদনকেও হাদীস বলা হয়ে থাকে।প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রন্থে রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর হাদীস ও তাঁর সাহাবাগণের মতামত সনদ বা বর্ণনাসূত্রসহ সংকলিত হয়। তন্মধ্যে ‘‘আল-কুতুবুস সিত্তাহ’’ নামে প্রসিদ্ধ ৬টি অতি প্রচলিত ও নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ সকল হাদীসগ্রন্থের সংকলিত হাদীস থেকে রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্মবার, জন্মদিন ও জন্মতারিখ সম্মন্ধে প্রাপ্ত তথ্য নিম্নরূপঃ

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্ম সালঃ

রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্মসাল সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে,কায়স ইবনে মাখরামা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুজনেই হাতীর বছরে জন্মগ্রহণ করেছি। উসমান ইবন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু কুবাস ইবন আশইয়ামকে প্রশ্ন করেন, আপনি বড় না রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বড়? তিনি উত্তরে বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার থেকে বড়, আর আমি তাঁর পূর্বে জন্মগ্রহণ করেছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাতীর বছরে জন্মগ্রহণ করেন। হাতীর বছর অর্থাৎ যে বৎসর আবরাহা হাতী নিয়ে কাবা ঘর ধ্বংসের জন্য মক্কা আক্রমণ করেছিল। ঐতিহাসিকদের মতে এ বছর ৫৭০ বা ৫৭১ খ্রীষ্টাব্দ ছিল।

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্ম বারঃ 

আমরা সবাই জানি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্ম বার সোমবার। আর এই দিনটিতে অনেকেই রোজা রাখেন। রাসুলুল্লাহ সাঃ এর জন্ম বার সোমবার এটি কোন হাদিস থেকে এসেছে তা আমরা জেনে নেব।হিজরী দ্বিতীয় ও তৃতীয় শতাব্দীতে আবু কাতাদা আল-আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সোমবার দিন রোজা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়। তিনি বলেন, "এই দিনে (সোমবারে) আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং এই দিনেই আমি নবুয়ত পেয়েছি।"

সহীহ সনদে বর্ণনা করা হয়েছে, ইমাম আহমদ তাঁর মুসনাদে ইবনে আববাস বর্ণনা করেছেন,"রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সোমবারে জন্মগ্রহণ করেন, সোমবারে নবুয়ত লাভ করেন, সোমবারে ইন্তেকাল করেন, সোমবারে মক্কা থেকে হিজরত করে মদীনার পথে রওয়ান করেন, সোমবারে মদীনা পৌছান এবং সোমবারেই তিনি হাজারে আসওয়াদ উত্তোলন করেন।" এভাবে আমরা হাদীস শরীফ থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্ম বার জানতে পারি। সহীহ হাদীসের আলোকে প্রায় সকল ঐতিহাসিক একমত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সোমবার জন্মগ্রহণ করেন।

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্মমাস ও জন্ম তারিখঃ

আমাদের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্ম বার সোমবার এবং জন্ম সাল নিয়ে ঐতিহাসিক গন এর মতভেদ না থাকলেও জন্মমাস ও জন্ম তারিখ নিয়ে অনেকের মধ্যেই মতভেদ রয়েছে।

অনেকের মতে তাঁর জন্ম দিন হল ১২ রবিউল আউয়াল। আবার অনেকের মতে ৯ রবিউল আউয়াল। কিন্তু বর্তমানে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে গবেষণা করে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে যে রাসুলুল্লাহ (সা) এর  জন্মদিন আসলে ছিল ৯ রবিউল আউয়াল সোমবার। বর্তমান বিশ্বে সকলের নিকট সমাদৃত, সহিহ হাদিস নির্ভর শুদ্ধতম সিরাতগ্রন্থ হল ‘আর-রাহীক আল-মাখতুম’। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্ম দিবস সম্পর্কে এ গ্রন্থে বলা হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা)  ৫৭১ খৃস্টাব্দে ২০ এপ্রিল মোতাবেক ৯ রবিউল আউয়াল সোমবার প্রত্যুষে জন্ম গ্রহণ করেন। এটা গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যুগের প্রখ্যাত আলেম মুহাম্মাদ সুলাইমান আল-মানসূর ও মিশরের প্রখ্যাত জোতির্বিজ্ঞানী মাহমুদ পাশা।

আল্লামা শিবলী নোমানী ও সাইয়েদ সুলাইমান নদভী (রহ) প্রণীত সাড়া-জাগানো সিরাত-গ্রন্থ হল ‘সিরাতুন্নবি’। এ গ্রন্থে তিনি প্রমাণ করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা)  এর পবিত্র জন্ম ৯ রবিউল আউয়াল রোজ সোমবার, মোতাবেক ২০ এপ্রিল ৫৭১ খৃস্টাব্দ। মাহমুদ পাশা যে প্রমাণ-পত্র দিয়েছেন তা কয়েক পৃষ্ঠাব্যাপী বিস্তৃত।তাদের গবেষণা বিষয়ের একটি দিক হল যে আল্লাহর রাসুল (সা)  সহিহ হাদিসে নিজেই বলেছেন তার জন্ম সোমবার দিন হয়েছে। মাহমুদ পাশা গবেষণা ও হিসাব করে দেখিয়েছেন, সে বছর ১২ রবিউল আউয়াল তারিখের দিনটা সোমবার ছিল না ছিল বৃহস্পতিবার। সোমবার ছিল ৯ রবিউল আউয়াল।তাই বলা যায়, জন্ম তারিখ নিয়ে অতীতে যে অস্পষ্টতা ছিল বর্তমানে তা নেই। মাহমুদ পাশার গবেষণার এ ফল প্রকাশিত হওয়ার পর সকল জ্ঞানী ব্যক্তিই তা গ্রহণ করেছেন এবং কেউ তার প্রমাণ খণ্ডন করতে পারেননি। অতএব নবি করিম (সা)  এর জন্ম দিবস হল ৯ রবিউল আউয়াল,১২ রবিউল আউয়াল নয়। তবে সর্বসম্মতভাবে তাঁর ইন্তেকাল দিবস হল ১২ রবিউল আউয়াল।

ঈদে মিলাদুন্নবী কত সাল থেকে পালন করা হয়

'ঈদে মীলাদুন্নবী' বা নবীর জন্মের ঈদ পালন করা নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের মতভেদ রয়েছে। তবে আমরা সেসব মতভেদ নিয়ে এই পোস্টে আলোচনা করব না। আমরা এখন দেখে নেব ঈদে মিলাদুন্নবী কত সাল থেকে পালন করা হয় সেই সম্পর্কে। 

প্রথম যুগগুলোর পরে মীলাদ অনুষ্ঠান বা ঈদে মীলাদুন্নবী উদযাপনের শুরু হয়েছে।কিন্তু কবে থেকে? কে শুরু করলেন? বা ঈদে মিলাদুন্নবী কত সাল থেকে পালন করা হয়  আমরা এখন সেই সম্পর্কে জেনে নেব। ইতিহাসের আলোকে যতটুকু জানতে পারা যায়। 

ঈদে মীলাদুন্নবীর প্রাথমিক উদযাপন শুরু হয় হিজরী ৪র্থ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে মিশরে। এ যুগকে আববাসীয় খেলাফতের দুর্বলতার যুগ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন ঐতিহাসিকগণ। দুই ঈদের বাইরে কোন দিবসকে উদযাপন শুরু হয় হিজরী ৪র্থ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে শিয়াদের উদ্দোগে। সর্বপ্রথম ৩৫২ হিজরীতে (৯৬৩খ্রি:) বাগদাদের আববাসী খলীফার প্রধান প্রশাসক ও রাষ্ট্রের প্রধান নিয়ন্ত্রক বনী বুয়াইহির শিয়া শাসক মুইজ্জুদ্দৌলা ১০ই মুহাররাম আশুরাকে শোক দিবস ও জিলহজ্জ মাসের ৮ তারিখ গাদীর খুম দিবস উৎসব দিবস হিসাবে পালন করার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশে এই দুই দিবস সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদার সাথে পালন করা হয়। যদিও শুধুমাত্র শিয়ারাই এই দুই দিবস পালনে অংশ গ্রহণ করেন, তবুও তা সামাজিক রূপ গ্রহণ করে।

ঈদে মিলাদুন্নবী কত সাল থেকে পালন করা হয় এটি বিশ্লেষন করতে গিয়ে আরও একটি ঘটনা থেকে জানা যায়, ঈদে মীলাদুন্নবী উদযাপন করার ক্ষেত্রেও শিয়াগণ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। উবাইদ বংশের রাফেযী ইসমাঈলী শিয়াগণ আফ্রিকার উত্তরাংশে রাজত্ব স্থাপন করেন। আরবি ৩৫৮ হিজরীতে (৯৬৯ খ্রি:) তারা মিশর দখল করে তাকে ফাতেমী রাষ্ট্রের কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলেন এবং পরবতী ২ শতাব্দীরও অধিককাল মিশরে তাদের শাসন ও কর্তৃত্ব বজায় থাকে। গাজী সালাহুদ্দীন আইঊবীর মিশরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের মাধ্যমে ৫৬৭ হিজরীতে (১১৭২খ্রি:) মিশরের ফাতেমী শিয়া রাজবংশের সমাপ্তি ঘটে। এই দুই শতাব্দীর শাসনকালে মিশরের ইসমাঈলী শিয়া শাসকগণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ২ ঈদ ছাড়াও আরো বিভিন্ন দিন পালন করতেন, তন্মধ্যে অধিকাংশই ছিল জন্মদিন। তাঁরা অত্যন্ত আনন্দ, উৎসব ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ৫টি জন্মদিন পালন করতেন: ১) রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জন্মদিন, ২) আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর জন্মদিন, ৩) ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহার জন্মদিন, ৪) হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহুর জন্মদিন ও ৫) হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর জন্মদিন। এ ছাড়াও তারা তাদের জীবিত খলীফার জন্মদিন পালন করতেন এবং ‘‘মীলাদ’’ নামে ঈসা আলাইহিস সালামের জন্মদিন (বড়দিন বা ক্রীসমাস), যা মিশরের খ্রিষ্টানদের মধ্যে প্রচলিত ছিল তা আনন্দপ্রকাশ, মিষ্টি ও উপহার বিতরণের মধ্য দিয়ে উদযাপন করতেন।  

আরো পড়ুনঃ রবিউল আউয়াল মাসের ১২ টি ফজিলত সম্পর্কে জেনে নিন।

আহমদ ইবন আলী আল-কালকাশান্দী (৮২১হি:) লিখেছেন,‘‘রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে ফাতেমী শিয়া শাসক মীলাদুন্নবী উদযাপন করতেন। তাদের নিয়ম ছিল যে, এ উপলক্ষে বিপুল পরিমাণে উন্নত মানের মিষ্টান্ন তৈরী করা হত। এই মিষ্টান্ন ৩০০ পিতলের খাঞ্চায় ভরা হতো। মীলাদের রাত্রিতে এই মিষ্টান্ন সকল তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রীয় দায়িত্বশীলদের মধ্যে বিতরণ করা হতো, যেমন প্রধান বিচারক, প্রধান শিয়া মত প্রচারক, দরবারের কারীগণ, বিভিন্ন মসজিদের খতীব ও প্রধানগণ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানদির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ।

ঈদে মিলাদুন্নবী কত সাল থেকে পালন করা হয় এটি বিশ্লেষন করে আমরা দেখতে পাচ্ছি, হিজরী ৪র্থ শতাব্দী থেকেই ঈদে মীলাদুন্নবী উদযাপন শুরু হয়। এখানে আরো একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, ঈদে মিলাদুন্নবী মূলত শিয়াদের মাধ্যমেই শুরু হয়। 

শেষ কথাঃ ঈদে মিলাদুন্নবী কত সাল থেকে পালন করা হয়

প্রিয় পাঠক আমরা এই পোস্টের একদম শেষ দিকে চলে এসেছি। এই পোস্টে আমরা আলোচনা করেছি ঈদে মিলাদুন্নবী কি, রাসুলুল্লাহ (সা)  এর জন্ম দিবস কবে, ঈদে মিলাদুন্নবী কত সাল থেকে পালন করা হয় ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে যেন আপনারা এই একটি পোষ্ট পড়ে ঈদে মিলাদুন্নবী সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ আখেরি চাহার সোম্বা কি জেনে নিন।

আজকের এই পোস্টটি যদি আপনাদের কাছে উপকারী মনে হয় তাহলে শেয়ার করুন আপনার প্রিয়জনের সাথে যেন তারাও ঈদে মিলাদুন্নবী কত সাল থেকে পালন করা হয় সে সম্পর্কে জেনে নিতে পারেন খুব সহজেই।16821

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?