অর্ডিনারি আইটি https://www.ordinaryit.com/2022/03/sadhinotar-rochona.html

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ৫০ বছর রচনা - স্বাধীনতার ৫০ বছর রচনা

আপনি কি স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী ৫০ বছর রচনা ও স্বাধীনতা ৫০ বছর রচনা জানতে চান? তাহলে আমাদের আজকের এই পোস্টটি আপনার জন্য। আজ আমরা আলোচনা করব স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী ৫০ বছর রচনা ও স্বাধীনতা ৫০ বছর রচনা নিয়ে।

চলুন আর দেরি না করে জেনে নেই স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী ৫০ বছর রচনা ও স্বাধীনতা ৫০ বছর রচনাটি কি?

আরও পড়ুনঃ মার্চ মাসের সরকারি ছুটি ২০২২

পেজ সূচিপত্রঃ স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী ৫০ বছর রচনা - স্বাধীনতা ৫০ বছর রচনা

স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী কি? | স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী ৫০ বছর রচনা

১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশকে পাকিস্তানিদের থেকে ছিনিয়ে আনার ও স্বাধীনতা অর্জনের ৫০ বছর পূর্তি পালনের জন্য বাংলাদেশ সরকার  কর্তৃক ঘোষিত বার্ষিক পরিকল্পনা যা বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী নামে পরিচিত।

স্বাধীনতা দিবস কবে পালিত হবে | স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী ৫০ বছর রচনা 

২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। এদিন সারাদেশে স্কুল-কলেজ অফিস-আদালত বন্ধ থাকে। এবছর স্বাধীনতা দিবস ২৬ শে মার্চ রোজ শনিবার ২০২২ পালিত হবে।

স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী ৫০ বছর রচনা

ভূমিকাঃ বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা লাভ করে। ২৫ বছরে কোন কিছু পদার্পন করলে তাকে রজত জয়ন্তী বলা হয়। আর আর সুবর্ণজয়ন্তী বলা হয় ৫০ বছরে পদার্পন করলে। আমাদের এই দেশ বাংলাদেশ ২০২১ সালে ৫০ বছরের অর্থাৎ সুবর্ণ জয়ন্তীতে পদার্পণ করেছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত ও গরিব বাংলাদেশটি এই ৫০ বছরে একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে।

স্বাধীনতার পূর্ব ইতিহাসঃ মোগল সম্রাট নবাব সিরাজ-উ-দ্দৌলার পরাজয়ের মাধ্যমে ১৭৫৭ সালে বর্তমান বাংলাদেশ সহ ভারতীয় উপমহাদেশ স্বাধীনতা হারায়। তারপর থেকে ইংরেজি শাসন শুরু হয়। ইংরেজরা আমাদেরকে প্রায় 200 বছর ধরে শাসন করেছে। পাশাপাশি শোষক ও সম্বলহীন করেছেন। তখন কঠোর আন্দোলন ও যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনে ভারত উপমহাদেশসহ আরও অনেকে। স্বাধীনতা পাওয়ার পর ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয় দ্বিজাতি তত্ত্বের মাধ্যমে। পাকিস্তান ঘুমাবে১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্ট ও ভারত ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা লাভ করে। কিন্তু পাকিস্তান আবার পূর্ব পাকিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তান নামে দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে যায়। পূর্ব পাকিস্তান ছিল আমাদের বর্তমান বাংলাদেশ। তখন পশ্চিম পাকিস্তানের শাসনে চলত পূর্ব পাকিস্তান। কারণ আমরা তখন স্বাধীনতা পাইনি। ১২০০ মাইল দূর থেকে আমাদেরকে শাসন করতে থাকে পশ্চিম পাকিস্তানিরা। পাশাপাশি করতে থাকে শোষণ ও নির্যাতন। প্রথমে তারা আঘাত হানে আমাদের মাতৃভাষা বাংলার উপর। 

তারপর থেকে নানা প্রকার শোষণ ও বঞ্চনা একে কে চালু করে। কিন্তু এসব বাঙালি মেনে নেয়নি। তারা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। বাঙ্গালীদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন এবং সাহস যোগান বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানের বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৯৭১ সালের ৭ ই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ দেন যা বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে ২০১৭ সালের ৩০শে অক্টোবর বর্তমানে ইউনেস্কো ঘোষণা দেন। তিনি বাংলাদেশ শব্দটি ব্যবহার করেছেন ১৮ মিনিটের অলিখিত ভাষণে ও বাঙালি স্বাধীনতায় তুলে ধরেছেন। 

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে আমাদের বাংলাদেশের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লে ২৬ শে মার্চের রাতের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র সহ বিভিন্ন মাধ্যমে বাঙালিদের কাছে এই ভাষণ পৌঁছে দেওয়া হয়। তারপর থেকে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ও ৩০ লক্ষ মানুষের শহীদ হওয়ার মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর আমাদের এই দেশ বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর পুনর্গঠনঃ আমাদের এই দেশ ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর স্বাধীন হলেও একটি দেশকে অনেক চাপ সামলাতে হয় দেশটি পূর্ণ গঠন করলে। বাংলাদেশের পুনর্গঠন বলতে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭১ সালের ধসে পড়া প্রশাসন, প্রতিরক্ষা, অর্থনীতি, রাজনীতি, বিচার ব্যবস্থা সহ সমস্ত দিক দিয়ে কি কত করে করে দেশ পরিচালনা ও পুননির্মাণ করতে হয় সে প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থা স্বাধীনতা লাভের পর দুর্ভিক্ষের অবস্থার মত ভয়াবহ ছিল। তাছাড়া প্রায় আড়াই লক্ষ বাঙালি ১৯৭০ সালের বিশাল ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারায়। সেই দুর্যোগ কাকে না উঠতেই শুরু হয়েছিল স্বাধীনতার যুদ্ধ যাতে প্রায় তিরিশ লক্ষ বাঙালির প্রাণ হারায়। সবকিছু মিলিয়ে ভয়াবহ ছিল বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরবর্তী অবস্থা। কৃষি ও শিল্প ক্ষেত্রে ধস নেমে এসেছিল।

আরও পড়ুনঃ ১৭ ই মার্চ কি দিবস ২০২২

তখনই দেশের জনসংখ্যার তুলনায় সবকিছুর যোগান অনেক কম ছিল। এবং বেশিরভাগ নাগরিক নিরক্ষর ছিল। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং সরকার গঠন করেন। এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় যোগদান করেন। গঠন করেন অবকাঠামো উন্নয়ন গণ পরিবহন আইন। 

এছাড়াও অর্থনৈতিক উন্নয়নে উপযুক্ত পদ্ধতি গ্রহণ করেন। যার কারণে আমরা অনেক সাহায্য সহযোগিতা পাই বাহির থেকে। বঙ্গবন্ধু একজন অসাধারণ নেতা ছিলেন। তিনি আমাদের এই দেশ যখন থেকে পুনর্গঠন করে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখন তা পছন্দ হয়নি অনেকেরই। তাদের ষড়যন্ত্রের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিহত হয়। এবং বাংলার উন্নয়ন আবার থেমে যায়।

বাংলাদেশের উন্নয়ন বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যা করা হয় কিন্তু সৌভাগ্যবশত বিদেশে থাকার কারণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। আর দেশরত্ন শেখ হাসিনা তাঁর সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদেরকে স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুরা বলেছিল, আমাদের মাথাপিছু আয় ১০০০ ডলার হবেনা স্বাধীনতা অর্জনের ১০০ বছর পরও। কিন্তু তাদের কথার দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থাৎ বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২০৬৪ ডলারে পরিণত হয়েছে স্বাধীনতার ৫০ বছরেই। এদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ১৯৭০ সালে ছিল মাত্র ১৪০ ডলার। তাছাড়া করোনাকালীন সময়ই এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার কমেনি বরং বেড়েছে। এই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ হেনরি কিসিঞ্জারের কথানুযায়ী "তালা বিহীন ঝুড়ি" নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। কিন্তু শোষণ ও বঞ্চনার পর পেরিয়ে ১৯৭১ সালের পর থেকে আমরা এখন আর তালবিহীন নয়। এখন সাফল্য পরিপূর্ণ সেই ঝুড়ি। কারণ বর্তমানে বাংলাদেশের ৪০ মিলিয়ন ডলার রিজার্ভ।

সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাঃ ২০২১ অনুযায়ী উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রথমে দরিদ্র এবং স্বল্পোন্নত পরবর্তীতে স্বাধীনতার ৫০ বছরের মাথায় আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছি। বাংলাদেশ একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য অর্জন করেছে ভিশন ২০৪১ সালের মধ্যে। বাংলাদেশের বর্তমানে চালু রয়েছে অনেক মেগা উন্নয়ন প্রকল্প। যেমন মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, ও বড় বড় ফ্লাইওভারের মত কাজ। তাছাড়া রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র বাংলাদেশে স্থাপন করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ ৫৭ তম দেশ হিসেবে মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নামে একটি স্যাটেলাইট প্রেরণ করেছেন। এছাড়াও আরো ব্যাপক উন্নয়নের কাজ চলছে।

বাংলাদেশের অর্জন সুবর্ণজয়ন্তীতেঃ "উদীয়মান ১১" নামে বর্তমানে পৃথিবীর মোট ১১ টি দেশে ভবিষ্যতের উন্নয়নে বলে গণনা করা হয় যার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বর্তমানে অর্থনীতিতে ৪১ তম দেশ বাংলাদেশ যা একসময় একদম শেষের দিকে ছিল। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার গত কয়েক বছরে গড়ে ৭% এর আশপাশে। যেখানে দরিদ্রের হার ১৯৭৮ সালে ছিল ৭৫%, সেখানে বর্তমান হার ২০%। কেবলমাত্র কৃষির উপরেই বাংলাদেশ জিডিপি (Gross Domestic Product) নির্ভরশীল নয়। কৃষিতে মাত্র .১৩% জিডিপিতে অবদান এবং শিল্প ও সেবা খাতের অবদান রয়েছে যথাক্রমে ৩০% ও ৫৭%। অনেক ক্ষেত্রে নিজেদের চাহিদা পূরণ করে বাংলাদেশে তা বিদেশে রপ্তানি করে অর্থ উপার্জন করছে। রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে বাংলাদেশ সপ্তম। অন্যান্য অনেক দেশে বাংলাদেশ থেকে প্রবাসীরা কাজ করছে এবং দেশে টাকা পাঠাচ্ছে। যার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হচ্ছে। ফ্রিল্যান্সাররা ফ্রিল্যান্সিং করে দেশের উন্নতি করছে। পাশাপাশি গড় আয়ু, জন্মকালে মাতৃমৃত্যুর হার ও শিশু মৃত্যুর হার অনেক কমেছে। বাংলাদেশ থেকে সিমেন্ট, সবজি, মাছ, বিভিন্ন ফলমূল, ও পোশাক বিশ্বের প্রায় সব দেশে রপ্তানি হচ্ছে। ইতোমধ্যে এলজিডি (Millennium Development Goals) অত্যন্ত সফলতার সাথে বাংলাদেশ অর্জন করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে ব্যাপক উন্নতি সাধন করেছে সকল ক্ষেত্রে।

উন্নয়নের অন্তরায় বাংলাদেশঃ সাম্প্রতিক সময়ে দুর্নীতি বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়নে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সকলের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নের কাজ করলেও ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে অনেকে নিজেদের ধন-সম্পদ, টাকার কথা চিন্তা করে দেশকে ঠকাচ্ছে। নিজেদের স্বার্থে তারা এ সকল কাজ করছেন। দেশের কোন প্রকার উন্নয়ন এদের দ্বারা সম্ভব না। দুর্নীতি হচ্ছে আমাদের দেশে উন্নয়নের প্রধান সমস্যা। শুধুমাত্র যোগ্য লোকেরাই যেন উপযুক্ত চেয়ারে বসে সেই বিষয়ে আমাদের বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশঃ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী বাংলাদেশের আরেকটি প্রাপ্তি হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ। বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্যে বিশ্বের সকল দেশের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের বাংলাদেশকে চলার জন্য "ডিজিটাল বাংলাদেশের" রূপকল্প ঘোষণা করেছেন। বাংলাদেশ একটি ডিজিটাল দেশ হিসেবে ভিশন ২০২১ অনুসারী বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বলে বলা হয়েছিল। একটি সুখী, সমৃদ্ধ, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলাই ছিল ভিশন ২০২১ এর মূল লক্ষ্য। বর্তমানে প্রায় সফলতার সাথে তা অর্জন করছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে আরও বেশি সফলতা অর্জন করত যদি করনা মহামারীর মতো তেমন কোনো বাধা না আসত।

আমাদের কর্তব্য বাংলাদেশের উন্নয়নেঃ অবশ্যই আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের এই দেশের প্রতি। আমাদের কাজ করতে হবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। সে দেশ ততো বেশি উন্নত যে দেশের লোক যত বেশি শিক্ষিত। সকলকে তাই সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। বিভিন্ন কাজ শিখতে হবে ঘরে বেকার বসে না থেকে। এর ফলে দেশের উন্নয়ন হবে ও নিজেদের অর্থনৈতিক ঘাটতি পূরন হবে।

উপসংহারঃ ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে পেয়েছি আমাদের এই বাংলাদেশ। স্বাধীনভাবে আমাদের এই দেশে তাদের জন্য আমরা বসবাস করতে পারছি। তাই সবসময় আমরা তাদের স্মরণ করব। সোনার বাংলা গড়ে তুলবো। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই দেশের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করব ও উন্নত দেশে পরিণত হব সুবর্ণজয়ন্তী পর ২০৪১ সালের মধ্যে ইনশাআল্লাহ।

আরও পড়ুনঃ বঙ্গবন্ধুর জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস রচনা ২০২২

শেষ কথাঃ স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী ৫০ বছর রচনা - স্বাধীনতা ৫০ বছর রচনা

বন্ধুরা আজ আমরা স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী ৫০ বছর রচনা ও স্বাধীনতা ৫০ বছর রচনা লিখেছি। আমাদের এর স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী ৫০ বছর রচনা ও স্বাধীনতা ৫০ বছর রচনা পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগবে। আশা করি স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী ৫০ বছর রচনা ও স্বাধীনতা ৫০ বছর রচনা পোস্টটি পড়ে আপনারা উপকৃত হবেন। এরকম আরও পোস্ট পেতে আমাদের সঙ্গেই থাকুম। ধন্যবাদ।

আপনার জন্য এই ধরণের আরো কিছু পোস্ট

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?