অর্ডিনারি আইটি https://www.ordinaryit.com/2022/03/gonohotta.html

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস রচনা – ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস কবিতা

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালিত হয় তা জানতে পুরো পোস্টটি পড়ুন। এছাড়াও থাকবে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস রচনা, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস কবিতা ও ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ভাষণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। 

পেজ সূচিপত্রঃ গণহত্যা দিবস কি । ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস কবিতা । ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ভাষণ 

গণহত্যা দিবস কি - গণহত্যা দিবস কবে পালিত হয়?

গণহত্যা দিবস কি তা জানার আগে আপনাকে জানতে হবে ২৫ মার্চ কি দিবস।  ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কি ঘটেছিল? কি হয়েছিল সেদিন? কেন এই দিন এত গুরুত্বপূর্ন।  ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ সংঘঠিত হয়। সেদিন রাজাকার বাহিনী নিরপরাধ, নিরস্ত্র সাধারণ জনগণের উপর নির্মম হত্যাকান্ড চালায়। 

তারা চেয়েছিল রাতের আধারে বাংলাদেশকে একদম শেষ করে দিতে। তারা চেয়েছিল বাঙালীদের দাবিকে চিরতরে শেষ করে দিতে। এ দিনকে " গণহত্যা দিবস" নামে আখ্যায়িত করা হয় ২০১৭ সালে। এরপর থেকে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস নামে স্মরণ করা হয়। ২৫ মার্চ কি দিবস আশা করি এতক্ষণে বুঝে গিয়েছেন। ২৫ মার্চ কি দিবস যদি কেউ এখন জিজ্ঞেস করে তাহলে উত্তর দিবেন " গনহত্যা দিবস"। আশা করি গণহত্যা দিবস কি তা বুঝতে পেরেছেন। 

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস রচনা

ভূমিকাঃ ১৯৪৭ সালের আগষ্টে ভারতীয় উপমহাদেশের ৩০০ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। ব্রিটিশ ইডিয়া দুইটি স্বাধিন উপমহাদেশে ভাগ হয়ে যায়। দুই ভাগের মধ্যে এক ভাগ ছিল হিন্দু ধর্মাবলী নিয়ে যা আমরা ভারত নামে চিনি এবং অপরটি ছিল মুসলিম ধর্মাবলী নিয়ে যা আমরা পাকিস্তান নামে চিনি। পাকিস্তান দেশটি শুধু ধর্মেই একতাবদ্ধ। অর্থ ,সরকার, সম্পদ সবই পশ্চিম পাকিস্তানের দখলে। অন্যদিকে ভারতের আরেক দিকে হাজার হাজার মাইল দূরের পূর্ব পাকিস্তান জর্জরিত দারিদ্র আর দুঃখ-কষ্টে। এই দুই বিচ্ছিন্ন অংশের মধ্যে সর্বপ্রথম যে বিবাদ দেখা দেয় তা হলো ভাষা নিয়ে। তাদের রাষ্ট্রভাষা নিয়ে। 

স্বাধীনতার পূর্ব ইতিহাসঃ পাকিস্তানের ৫৬% ভাগ মানুষ কথা বলতো বাংলা ভাষাতে যেটা মূলত পুর্ব বাংলার মাতৃভাষা। আর বাকি ৪৪% কথা বলতো উর্দু ভাষাতেযা ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের ভাষা। আর তাই পশ্চিম পাকিস্তান জোরপূর্বক তাদের মাতৃভাষা উর্দু পূর্ব বাংলার মানুষের উপর চাপিয়ে দিতে চাচ্ছিলো। তাদের সবসময় মনে হয়েছে তারা যেন পসচিম পাকিস্তানের উপনিবেশ। ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ঘোষণা করেন পুর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রাভাষা হবে উর্দু। পরবর্তীতে ১৯৫২ সালে পূর্ব বাংলার প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীনের কাছ থেকেও একই ঘোষনা আসে। এর প্রতিবাদে পূর্ব বাংলার সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ ২১শে ফেব্রুয়ারী হরতালের ডাক দেয়।

১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনঃ ১৪৪ দ্বারা ভঙ্গ করে ঢাকা মেডিকেল কলেজের আমতলা চত্ত্বরে ছাত্ররা অবস্থা নেয়। রাষ্ট্রভাষা বাংলা চায় শ্লোগান দিতে দিতে তারা যখন এগিয়ে যাচ্ছিলো তখন পুলিশ মিছিলি এর উপর গুলি বর্ষন শুরু করে। এতে শহীদ হন সালাম, বরকত ,রফিক, জব্বার সহ আরো অনেকে। এরপর ২৩ ফেব্রুয়ারী ভাষা শহীদদের স্মরণে প্রথম শহীদ মিনার উদ্বোধন করা হয়। তখনো পশ্চিম পাকিস্তান থেমে যায় নি। শহীদ মিনারের সেখানেও হস্তক্ষেপ করে। পরেরদিন পুলিশ শহীদ মিনার ভেঙ্গে দেয়। এতে করে আন্দোলন আরো ছড়িয়ে পড়ে। ৪ বছর পর ১৯৫৬ সালে সঙ্ঘঠিত হয় পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র। গণপরিষদ থেকে পাকিস্তান একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্রে গঠিত হয়। পশ্চিম প্রদেশের নাম দেয়া পসচিম পাকিস্তান এবং পূর্ব বাংলার নাম হয় পূর্ব পাকিস্তান। কিন্তু নাম পরিবর্তন করলেই তো শাসকগোষ্ঠীর আচরণ পরিবর্তন হয়ে যায় না। 

১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলনঃ এই প্রেক্ষিতে ১৯৬৬ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিৎ একটি রাজনৈতিক বৈঠকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের সায়িত্ত্বশাসন প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যে ৬ দফা দাবি পেষ করেন। আইয়ুব খানের নির্যাতন নিপিড়ন এর বিপক্ষে যখন এটি পেষ করা হয় তখন এর পক্ষে জনসমর্থন দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। পৃথিবীর ইতিহাসে এটিই একটি ঘটনা যেখানে জনসমবেশের সমর্থন খুব দ্রুত পাওয়া যায়। যখন জনগণ শেখ মুজিবকে আস্তে আস্তে পছন্দ করা শুরু করল তখন শেখ মুজিবর রহমান পশ্চিম পাকিস্তানের অপছন্দের তালিকায় পড়ে যেতে

১৯৬৮ সালের আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাঃ ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার শেখ মুজিবকে প্রধান আসামী করে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আগরতলা মামলা করেন। ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামানকে হত্যা করা হয়। এছাড়া আগরতলা ষড়যন্ত্রের আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হকক কারাবন্দী অবস্থায় হত্যা করা হয়। এভাবে একের পর এক অত্যাচার চালানো শুরু করে পশ্চিম পাকিস্তান। আর এতে করে বৃদ্ধি পেতে থাকে পূর্ব পাকিস্তানের জনগনের আন্দোলন ও। ২৪ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালের গনঅভ্যুত্থান। 

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা আইয়ুন খান সরকারের ক্ষমতায় থাকার সমাপ্তি ঘটে এই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে। ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী প্রধান ইয়াহিয়া খান। শাসকঘোষ্ঠী আগরতলা মামলা তুলে নিতে বাধ্য হয়। শেখ মুজিবুর রহমানেরও কারা মুক্তি মিলে। সে বছরই রেসকোর্স ময়দানে ছাত্র নেতা তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেন। ৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের নামকরণ করেন বাংলাদেশ। এরপর শুরু হয় ১৯৭০ সালের নির্বাচন। আওয়ামী লিগ নির্বাচনে জয় লাভ করলেও ক্ষমতায় আস্তে দেয়নি ইয়াহিয়া খান। ইয়াহিয়া খান তার প্রতিশ্রুতি ভঙ করে । আন্দোলনের হাওয়া ছড়িয়ে পড়ে পুরো দেশে। 

৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়াদানে ভাষণঃ এরপর ৭ই মার্চ রেস্কোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমান ভাষন দেন যা মানুষের মধ্যে আরো উত্তাপ ছড়িয়ে দেয়। এতে করে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। 

২৫ মার্চ এর কালো রাতঃ এর মধ্যে হঠাৎ ২৫ শে মার্চ রাত ১২টায় চালানো হয় নিররীহ নিরস্ত্র বাঙালীর উপর নির্মম অত্যাচার। এসব দেখে বঙবন্ধু টের পান যে হয়ত তাকে খুন করা হবে অথবা তাকে গ্রেফতার করা হবে। ২৬ মার্চ সকালে তিনি গ্রেফতার হওয়ার আগে ধানমন্ডির ৩২ নাম্বার এর বাসা থেকে ওয়্যারলেস যোগে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা দেন। 

স্বাধীনতা অর্জনঃ এটি চটগ্রামে প্রেরণ করা হয়। চট্রগ্রামের আগরাবাদ থেকে দুপুরবেলা আওয়ামী লিগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান ঘোষনা পত্রটি পাঠ করেন। এদিকে অপারেশন সার্চলাইট এর মূল টার্গেট ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ যুবকদের। ২৫ মার্চ কালরাতের তাদের নীল নকশা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় পরিণত হয় মৃত্যুপুরিতে। ২ দিনে ৫ শতাধিকেরও বেশি ছাত্র, শিক্ষক এবং কর্মচারীকে হত্যা করা হয়। ৯ মাসের ত্যাগ তিতিক্ষার পর অর্জিত হয় আমাদের গৌরাবন্বিত স্বাধীনতা। আর এই সবকিছু শুরু হয়েছিল ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস দিয়ে।  

উপসংহারঃ বাংলাদেশ ৩০ লক্ষ মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়। নানা অত্যাচার নিপিড়ীন সহ্য করে বাংলার মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করে। সকল শহীদ আমাদের জন্য গৌরব। 

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস কবিতা

১। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস কবিতা


দানব নামে রাজপথে, বিভিষিকাময় দানব

ঘুমন্ত নগরী কেঁপে উঠে, বুলেট আর বারুদে

আগুনের লেলিহান শিখায় জ্বলে ঘরবাড়ি।

লাশের স্তুপ চারদিক;

নারী,শিশু,পঙ্গু ,যুবা, পুরুষ।

হায়েনার ছোবলে বাদ যায়নি নিরীহ পথচারি,

আর ফুটপাতের ঘুমন্ত বৃদ্ধা,

রিক্সাওয়ালা। ২৫শে মার্চ,১৯৭১ ঢাকা।

রণহুঙ্কারে কাঁপে মাটি।

১৯৭১ কালো ২৫ শে মার্চ

- মনিরুজ্জামান জীবন

১৯৭১ সালের কালো ২৫শে মার্চ ছিল,

অন্ধকারাচ্ছন্ন এক ভয়াল রাত।

অপারেশন সার্চ লাইটের নামে ১৯৭১,

ওরা বাঙালীদের করেছে নিপাত।

মেরেছে ৩০ লক্ষ মানুষ, করেছে লুটপাট,

নির্বিচারে পাকিস্তানি সৈনিক চালিয়েছে গুলি।

১৪ই ডিসেম্বরে বুদ্ধিজীবীদের নিধন করা হয়েছিল,

নিয়েছে ইজ্জত দুই লাখ মা বোনের, উড়িয়েছে খুলী।

এমনি করে টানা নয় মাস

চলেছে অত্যাচার।

বীর বাঙালীরাও বসে ছিলনা

হাতে তুলে নিয়েছিল হাতিয়ার।

৩০ লক্ষ শহীদের বিনিময়ে

আমাদের হয়েছে জয়।

১৬ই ডিসেম্বর তারা করেছে আত্নসমার্পন,

কারণ মনে ছিল মরনের ভয়।

সেই বাঙালীর উত্তরসরী তুমি,

মাথা নীচু করে কেন হাঁটো।

যুদ্ধাপরাধী - আছে যত বাংলাতে সব যাবে ভেসে,

১৯৭১ এর ন্যায় আবার গর্জে যদি ওঠে।


২।২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ভাষন। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস কবিতা


২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস

--------------------------------------

জাফর সেলিম

"কাল রাত্রীর কালো-শত্রুর

কালো কাহিনী।

একাত্তরের ২৫শে মার্চ

সবাই সেটা জানি।

নিরীহ আর নিরস্ত্র

বাঙালীর উপর।

গুলি বোমা ছুঁড়েছিলো

পাকিস্তানী বর্বর।

নির্মমতার ইতিহাসে

ওই দিনটি আজ গণহত্যা দিবস।

জানাতে চাই বিশ্বকে ফের

ভয়ংকর রাত কতো 'কালো-নিকশ'।"


৩।২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস কবিতা। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস রচনা


ইয়াহিয়ার দোসর জুলফিকার ভূট্টো,

টিক্কা খান,সেনা কমান্ডার আরবাব

ঢাকায় চালায় গণহত্যা। মানুষ নয়,

মাটি চাই এই তাদের পোড়া মাটি নীতি

অপারেশন সার্চলাইট নামে অন্ধকার রজনীতে

আলোর শিখা যায় দেখা, কামানের স্ফুলিঙ্গে।

মানুষের লাশ পড়ে চাপা, ট্যাঙ্কের তলায়।


৪। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস কবিতা । ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ভাষন - ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস রচনা


রক্তের স্রোতে বহমান বুড়িগঙ্গা

একটা শিশু কেঁদে উঠে,

বেয়ারিশ লাশের সারির পাশে

বারুদের ভেতর জন্মায় প্রতিরোধ, চারদিকে।

ইতারে ভাসে নেতার কন্ঠ,

স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

গর্জে ওঠে বীর বাঙ্গালী, সাহসে, আবেগে, নির্ভিক।

ভূমিষ্ঠ হবে এক নয়া শিশু-জাতি;কান্না, বেদনা,আর মৃত্যুর মাঝে;

অবুঝ শিশুর ক্রন্দন, সাহসী এক উচ্চারণ।


৬। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস কবিতা-২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস রচনা -২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ভাষণ


২৫ শে মার্চ ভয়াল কালো রাত 

লাখো সুর্যসেনার রক্তে 

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী করেছিলো স্নান, 

তা আজও হৃদয়ে গাথা 

স্মৃতিতে থাকবে চির অম্লান। 

অসংখ্য নারী হয়েছিলো সম্মানহানি, 

বহন করে চলছে পাকিস্তানিরা 

আজও সেই গ্লানি। 

সেই রাতে ছাত্র, শিক্ষক, সাংবাদিক

কাউকে ছাড় দেয়নি, 

হাজার সেলিনাপারভিন কেও

আগুনে পুরিয়ে ক্ষান্ত হয়নি। 

কোরআন পাঠরত মানুষকেও 

টেনে হিচঁড়ে নামিয়ে আনেন, 

গুলি দিয়ে হত্যা করেন। 

তেমনি হারিয়েছে অসংখ্য অমূল্য প্রাণ,

বাংলার মানুষ আজ

পেয়েছে স্বাধীনতা, সে তাদেরই প্রতিদান।


৭। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ভাষণ - ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস রচনা - ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস কবিতা


বাংলার হৃদয়ে একটি গভীর রাত আছে

সেই রাতের ইতিবৃত্ত শ্রবণে-

এখনো শরীরের প্রবাহমান রক্ত টগবগিয়ে নাচে

চোখ কেঁপে ওঠে, লোম দাঁড়িয়ে যায় ভয়ার্ত শিহরণে ।


৮। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস কবিতা


চারদিকে চিৎকার আর আর্তনাদ

লাশের স্তুপ আর উত্তেজিত

পৈশাচিক হানাদার

২৫শে মার্চ কালো রাত।


৯। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস কবিতা- ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ভাষণ 


গ্রামগন্জ্ঞ আর লোকালয়,

পুড়ে হচ্ছে চারখার

দাউ দাউ পুড়ে যাচ্ছে দোকানপাট,

লোহা লঙ্করের স্তুপ আর কাঠ

২৫শে মার্চ কালো রাত।

১০। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস কবিতা - ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস রচনা 


হয়তো সেই ভোরের সূর্যও ফুটতে ভয় পেয়েছিল

এই ভেবে,

তার বুকও যে এতো লাল তৈরি করে না

হয়তো সেই সূর্য আনন্দে আত্মহারাও হয়েছিল

এই ভেবে যে,

তার মতোই সেই গভীর রাত লাল তৈরি করেছিল-

বাংলার বুক স্বাধীনতার মনোরম আলোয় ভরিয়ে দিতে ।

বাংলার হৃদয়ে একটি গভীর রাত আছে

সেই রাতের ইতিবৃত্ত শ্রবণে-

এখনো শরীরের প্রবাহমান রক্ত টগবগিয়ে নাচে

চোখ কেঁপে ওঠে, লোম দাঁড়িয়ে যায় ভয়ার্ত শিহরণে ।


১১। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস কবিতা -২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ভাষণ 

জাতি পঙ্গু করে দেয়

পাকিস্তানি সরকার

২৫শে মার্চ কালো রাত।

আপনার জন্য এই ধরণের আরো কিছু পোস্ট

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?