অর্ডিনারি আইটি https://www.ordinaryit.com/2022/03/blog-post_16.html

১৭ মার্চ কি দিবস ২০২২ - ১৭ই মার্চ কি সরকারি ছুটি জেনে নিন

১৭ মার্চ কি দিবস ২০২২, ১৭ই মার্চ কি সরকারি ছুটি, ১৭ মার্চ এর রচনা, ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস কেন, শিশু দিবস নিয়ে কিছু কথা জানতে চান? তাহলে আজকের এই পোস্টটি আপনার জন্য। আজ আমরা আলোচনা করব ১৭ মার্চ কি দিবস ২০২২, ১৭ই মার্চ কি সরকারি ছুটি, ১৭ মার্চ এর রচনা, ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস কেন, শিশু দিবস নিয়ে কিছু কথা নিয়ে।

চলুন দেরি না করে জেনে নেই ১৭ মার্চ কি দিবস ২০২২, ১৭ই মার্চ কি সরকারি ছুটি, ১৭ মার্চ এর রচনা, ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস কেন, শিশু দিবস নিয়ে কিছু কথা।

আরও পড়ুনঃ ১৭ মার্চ কি সরকারি ছুটি

পেজ সূচিপত্রঃ ১৭ মার্চ কি দিবস ২০২২ - ১৭ই মার্চ কি সরকারি ছুটি

১৭ মার্চ কি দিবস ২০২২

১৭ মার্চ ২০২২ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস। ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান জন্মগ্রহন করেন। আর বঙ্গবন্ধু শিশুদের খুব ভালবাসতেন ও স্নেহ করতেন তাই ১৯৯৬ সালে ১৭ই মার্চকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে ঘোষনা করা হয় এবং ১৯৯৭ সাল থেকে ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস বলে পালন করা হয়।

১৭ই মার্চ কি সরকারি ছুটি | ১৭ মার্চ কি দিবস ২০২২

হ্যাঁ, ১৭ই মার্চ সরকারি ছুটি। ১৯৯৬ সালে ১৭ই মার্চকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে ঘোষনা করা হয় এবং ১৯৯৭ সাল থেকে ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস বলে পালন করা হয় ও এই দিনকে সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষনা করা হয়। কিন্তু ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লিগ তার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হারানোর পর তৎকালীন বিএনপি সরকার জাতীয় শিশু দিবসে সরকারি ছুটি বাতিল করেন। তারপর ২০০৮ সাল পর্যন্ত আর শিশু দিবসে সরকারি ছুটি পালন করা হয়নি। 

১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস কেন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের শিশুদের প্রতি ভালবাসা ও স্নেহ ছিল অপরিসীম। তিনি ছোট বাচ্চাদের খুব ভালবাসতেন। যার কারনে ১৭ই মার্চকে জাতীয় শিশু দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাই ১৯৯৬ সালে ১৭ই মার্চকে জাতীয় শিশু দিবস পালনের ঘোষনা দেন।

শিশু দিবস নিয়ে কিছু কথা | ১৭ মার্চ কি দিবস ২০২২

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ জন্মগ্রহন করেন। তিনি ছিলেন শেখ লুৎফর রহমান ও সায়েরা খাতুনের ৪ কন্যা ও ২ পুত্রের মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমান তৃতীয়। তিনি শিশুদের খুব স্নেহ করতেন, আদর করতেন ও ভালবাসতেন। তিনি শিশুদের সাথে অনেক খেলা করতেন ও গল্প করতেন। তার এই শিশুদের প্রতি অধিক ভালোবাসা ও স্নেহ থেকেই তিনি তার জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস পালনের ঘোষনা করেন।

১৭ মার্চ এর রচনা | ১৭ মার্চ কি দিবস ২০২২

ভূমিকাঃ আন্তজার্তিক পর্যায়ে বিভিন্ন নামে বছরে একাধিকবার শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য শিশু দিবস পালন করা হয়। এছাড়াও জাতীয় শিশু দিবস নিজেদের মত করে বিভিন্ন দেশ পালন করে থাকে। অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ পালন করে।
২০ নভেম্বর জাতিসংঘের ঘোষণা অনুযায়ী বিশ্ব শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়। তাছাড়া ১ জুন আন্তর্জাতিক শিশু দিবস পালন করা হয়। আন্তর্জাতিকভাবে সারা বিশ্বে ১১ অক্টোবর কন্যাশিশু দিবস পালন করা হয়। এছাড়াও এরকম আরো কয়েকটি দিবস আছে শিশুদের জন্য। বাংলাদেশের মত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশ্ব শিশু দিবস ছাড়াও তাদের গুরুত্বপূর্ন দিনে জাতীয় শিশু দিবস পালন করেন। যেমনঃ ১লা জুলাই পাকিস্থানে, ৪ঠা এপ্রিল চীনে ও জুনের ২য় রোববার যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় শিশু দিবস পালন করা হয়।

শিশু দিবসে বঙ্গবন্ধুর অবদানঃ এছাড়াও, ৩০ আগস্ট ব্রিটেনে, ৫ মে জাপানে, ২০ সেপ্টেম্বর পশ্চিম জার্মানিতে শিশু দিবস পালিত হয়। তবে, দেশের শিশুদেরকে তাদের অধিকার ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সচেতনতার বার্তা দেয়া শিশু দিবস পালনের একমাত্র উদ্দেশ্য। 
এদিকে, ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওয়াহের লাল ও শিশুদের প্রিয় চাচা নেহরুর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে ১৪ নভেম্বরকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। ভারত ১৪ নভেম্বর ১৯৬৭ সাল থেকে জাতীয় শিশু দিবস পালন করে আসছে।
আর বাংলাদেশ এই দিবসটি পালন করেন ১৯৯৭ সাল থেকে। বঙ্গবন্ধু ১৭ মার্চের এই দিনকে সাধারন ছুটি হিসেবে ঘোষনা করেন। এইদিন বঙ্গবন্ধু্র জন্মদিন।

শিশুদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভালবাসাঃ আজকের শিশুরা আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশুদের খুব স্নেহ করতেন, আদর করতেন ও ভালবাসতেন। তিনি শিশুদের সাথে অনেক খেলা করতেন ও গল্প করতেন। তার এই শিশুদের প্রতি অধিক ভালোবাসা ও স্নেহ থেকেই তিনি তার জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস পালনের ঘোষনা দেন। আমাদের এই মহান নেতার আদর্শই তরুণ প্রজন্মকে দেশ গড়ার অনুপ্রেরনা দেবে। 
সৈয়দ শামসুল হক বলেছেন- যেখানে ঘুমিয়ে আছো, শুয়ে থাকো বাঙালির মহান জনক তোমার সৌরভ দাও, দাও শুধু প্রিয়কণ্ঠ শৌর্য আর অমিত সাহস টুঙ্গিপাড়া গ্রাম থেকে আমাদের গ্রামগুলো তোমার সাহস নেবে নেবে ফের বিপ্লবের দুরন্ত প্রেরণা।

উপসংহারঃ দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ । এখানে ১৬ কোটি মানুষের বসবাস। এর মধ্যে শিশু প্রায় ৪০ শতাংশ অর্থাৎ ৬ কোটিরও বেশি। তাই শিশুদের এই মৌলিক অধিকারগুলো ফিরিয়ে দিতে হবে এবং তাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে আমাদেরই।

শেষ কথাঃ ১৭ মার্চ কি দিবস ২০২২ - ১৭ই মার্চ কি সরকারি ছুটি

বন্ধুরা আজ আমরা আলোচনা করেছি ১৭ মার্চ কি দিবস ২০২২, ১৭ই মার্চ কি সরকারি ছুটি, ১৭ মার্চ এর রচনা, ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস কেন, শিশু দিবস নিয়ে কিছু কথা নিয়ে। আমাদের এই ১৭ মার্চ কি দিবস ২০২২ - ১৭ই মার্চ কি সরকারি ছুটি পোস্টটিতে সকল তথ্য বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা আছে। আশাকরি আমাদের এই ১৭ মার্চ কি দিবস ২০২২, ১৭ই মার্চ কি সরকারি ছুটি, ১৭ মার্চ এর রচনা, ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস কেন, শিশু দিবস নিয়ে কিছু কথা পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগবে। ধন্যবাদ।

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?