অর্ডিনারি আইটি https://www.ordinaryit.com/2019/12/seo-tips.html

ব্লগারদের জন্য সেরা ৮ SEO টিপস | গুগল র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর

ব্লগিং টিপসের এই পোস্টটি হলো সেরা SEO টিপস নিয়ে।  ঘরে বসে শুধু লেখালিখি করে টাকা আয়ের একটি অন্যতম পদ্ধতি হলো ব্লগিং। আর একজন সফল ব্লগার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে কিভাবে আপানার ব্লগপোস্টটি সার্চ ইঞ্জিনের সামনের দিকে আনা যায়।


আপনার সেই চেষ্টাকে সফল করতেই আজ আমার এই লেখাটি। আজ আমি আপনাদের জানাবো সেই ৯টি অসাধারণ SEO টিপস সম্পর্কে যেগুলো  মেনে  লিখলে আপনার ব্লগপোস্টটি Search Engine-এর সামনের দিকে থাকবে।

আপনি যদি একজন নতুন ব্লগার হয়ে থাকেন বা হওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন তাহলে আপনার এস.ই.ও. সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরী যা আপনি জানতে পারবেন আমাদের SEO আর্টিকেলটি পড়ে। যারা ব্লগিং সম্পর্কে কিছুই জানেন না তারা আমাদের ব্লগিং কি? থেকে ঘুরে আসতে পারেন।

সঠিক পার্মালিংক নির্বাচন করুন

সার্চ ইঞ্জিনে আপনার পোস্টকে SEO Ranking-এর জন্য পার্মালিংক অনেক গুরুত্ত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্লগপোস্ট পার্মালিঙ্কের জন্য আপনাকে কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত-
  • পার্মালিংকে শব্দ সংখ্যা যেন ১ থেকে ৩ শব্দের মধ্যে হয়।
  • একাধিক শব্দ পার্মালিংকে রাখতে চাইলে ওয়ার্ড সেপারেটর হিসেবে আন্ডারস্ক্রোর (_) চিহ্ন ব্যবহার না করে ড্যাশ (-) চিহ্ন ব্যবহার করুন।
  • স্টোপ ওয়ার্ডগুলো (a, an, the, or, and) পার্মালিঙ্কে ব্যবহার করা যাবে না।
  • যেহেতু আপনি এই ব্লগপোস্টটি লিখছেন সুতরাং আপনি এটির পার্মালিংক পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখেন। সুতরাং আপনার পোস্টে অধিক যেই শব্দটি ব্যবহার করেছেন সেই শব্দ (ফোকাস কিওয়ার্ড) ইংরেজিতে ব্যবহার করুন পার্মালিংকে
উদাহরণস্বরুপ নিচের স্ক্রিনশট দেওয়া আছে।

কীওয়ার্ডের ঘনত্ব বজায় রাখুন

অধিকতর ভালো SEO ranking-এর জন্য কীওয়ার্ড খুব গুরুত্ত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। এজন্য কীওয়ার্ডের ঘনত্ব বজায় রাখা খুব জরুরী। খুব কম ঘনত্ত্ব থাকলে ranking কম হবে আবার বেশি ঘনত্ত্ব থাকলে over optimization সমস্যায় পড়তে পারেন।

আপনার সম্পূর্ণ পোস্ট ভালো করে পড়ে দেখুন পোস্টটিতে কোন শব্দ সবচেয়ে বেশি বার ব্যবহার করা হয়েছে। তখন আপনি নির্ধারণ করতে পারবেন আপনার কীওয়ার্ড কেমন হওয়া উচিত। এস.ই.ও. কীওয়ার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমাদের লেখা পড়ে আসতে পারেন।

ব্লগ লেভেল ও রিলেটেড টপিক

মনে করুন আপনি একটি দোকানে গেছেন এবং একটি খাবার কিনলেন, খাবারের প্যাকেট দেখেই আপনি বুঝতে পারবেন ভেতরে কি খাবার আছে। কিন্তু আপনি যদি দেখেন যে প্যাকেটের গায়ে লেখা আছে কেক কিন্তু প্যাকেট খুলে ভেতরে দেখলেন যে চানাচুর আছে। তখন আপনার দোকান সম্পর্কে একটি খারাপ ধারণা জন্মাবে এবং দ্বিতীয় বার দোকানে কখনও যাবেন না।

ঠিক একই রকম ঘটনা যদি আরো অনেক কাস্টোমারদের সাথে সাথে ঘটে তখন কি হবে বলুন তো? এলাকায় দোকানের র‍্যাংক অনেক নিচে নেমে যাবে। দোকানে লোক কম আসবে। ঠিক একইভাবে বিষয়টা এখানেও প্রযোজ্য। আপনি যদি আপনার লেখার শিরোনাম দেন একরকম আর ভিতরে যদি লিখেন আরেক রকম তাহলে একই ভাবে আপনার পোস্টের পাঠক সংখ্যা কমে যাবে।

সার্চ ইঞ্জিনে আপনার পোস্টের Ranking অনেক নিচে নেমে যাবে। তাই অবশ্যই যথাযথ লেভেল দিতে হবে পোস্টে এবং রিলেটেড লেখা থাকতে হবে ভেতরে। আরো কিছু নিয়ম জানতে আমাদের আর্টিকেল লেখার পদ্ধতি পড়তে পারেন।

ব্লগ পোস্টের টাইটেল নির্বাচন

ব্লগপোস্ট এস.ই.ও এর ক্ষেত্রে ব্লগের টাইটেলটি অনেক গুরুত্ত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু অনেক সময় হোম পেইজ টাইল অনুসারে ব্লগপোস্টের টাইটেল চেঞ্জ হতে পারে। এজন্য আপনাকে HTML-এ গিয়ে পরিবর্তন করে নিতে হবে। তাহলে পেয়ে যাবেন আপনার  কাঙ্ক্ষিত টাইটেলটি।

এটির কারণে আপনার পোস্টটি SEO ফ্রেন্ডলি হবে ফলে আপনার পোষ্টের র‍্যাঙ্ক অনেক বেড়ে যাবে এবং তখন সার্চ ইঞ্জিনে প্রথম দিকে আপনার পোস্টটি দেখাবে। পাঠক সংখ্যা বেশি হবে। বিজ্ঞাপন প্রচারণা বেশি হবে এবং GOOGLE ADSENSE  থেকে অর্জিত টাকার পরিমান বেশি হবে।
  • টাইটেলে ৫ থেকে ৯টির বেশি শব্দ ব্যবহার করবেন না।
  • ফোকাস কিওয়ার্ড যেন টাইটেলে থাকে।

ফিচার ইমেজ নির্বাচন

আমরা যখন কিছু কেনাকাটা করি তখন অবশ্যই পণ্যের বাহ্যিক দিক আগে দেখি, তারপর অন্যান্য বিষয় দেখি। সুতরাং যেকোনো কিছুর জন্যই বাহ্যিক দিক খুব গুরুত্ত্বপূর্ণ। ঠিক একই ভাবে এখানেও বিষয়টি প্রযোজ্য। আপনার ব্লগপোস্টের গ্রহণযোগ্যতা অনেকটাই নির্ভর করে আপনি কেমন ফিচার ইমেজ ব্যবহার করেছেন তার উপর। ফিচার ইমেজ আকর্ষণীয় হলে পাঠক সংখ্যা বেশি হয়।

অধিকাংশ পাঠক শুধু মাত্র আপনার ফিচার ইমেজ দেখেই লেখা পড়তে আসবে। সেজন্য ফিচার ইমেজ যথাযথ মানসম্পন্ন হওয়া  দরকার এবং সাথে সাথে  SEO ফ্রেন্ডলি হওয়া দরকার। কিভাবে ফিচার ইমেজ SEO ফ্রেন্ডলি করতে হয় তার কিছু টিপস নিচে দেয়া হলোঃ
  • ফিচার ইমেজকে .jpg হতে হবে।
  • ফিচার ইমেজের মধ্যে .png photo ব্যবহার করা উত্তম।
  • ফিচার ইমেজে একদিকে ছবি রাখতে হবে এবং অন্যদিকে ৩ থেকে ৫ শব্দের মধ্যে কিছু লিখে দিতে হবে যাতে পাঠক বুঝতে পারে আর্টিকেটি কোন বিষয়ের উপর লেখা হয়েছে।
  • ফিচার ইমেজের সাইজ ১২৮০ X ৭২০ হলে ভাল হয়।

মেটা ট্যাগের ব্যবহার

আপনার ব্লগপোস্টে আপনি সংশ্লিষ্ট মেটা ট্যাগ সরবরাহ করুন। আপনার পোস্টে অবশ্যই একটি ভালো শিরোনাম দিন, ভেতরে ভালো বর্ণণা দিন এবং ফুটার টেক্সটটি ভালো করে লিখুন কারণ অনেকসময় এগুলোর উপর সার্চ ইঞ্জিন পোস্টের র‍্যাংক নির্ধারণ করে।

নো-ফলো এক্সটার্নাল লিংক

আপনার ব্লগপোস্টে কোন একটি বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর জন্য বিভিন্ন রকম লিংক শেয়ার করা লাগতে পারে। তবে চেষ্টা করবেন অধিকাংশ সময় আপনার নিজের অন্য কোন পোস্টের লিংক শেয়ার করার, তাহলে পুরাতন পোস্টগুলো পাঠকেরা পড়বে।

কখনও যাদি বাইরের লিংক শেয়ার করার দরকার হয় তবে লিংক সেটিংস নো-ফলো করে রাখবেন তাহলে যার লিংক শেয়ার করলেন তার পোস্টের র‍্যাংক বাড়বে না। আরও জানতে পড়তে পারেন আমাদের এই আর্টিকেলটি

কমেন্ট সেকশন ফরম্যাট করুন

কমেন্ট সেকশনে যেন কোন স্পাম কমেন্ট না আসে সেজন্য কমেন্ট সেকশন মডারেট করতে পারেন। আবার বিভিন্ন কমেন্টের রিপ্লাইয়ে আপনি কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন, এতে আপনার কী-ওয়ার্ড ঘনত্ত্ব বাড়বে।

আর্টিকেলটি আপনার ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। কোনো প্রশ্ন থাকলে মন্তব্য করতে পারেন।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

সর্বশেষ আপডেটেড অফার পেতে চান?

অর্ডিনারি আইটি কী?