Ordinary IT https://www.ordinaryit.com/2019/11/seo-article-writing-tips-bangla.html

SEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল কিভাবে লিখবেন? এই ১১টি টিপস জেনে নিন

আপনি কি এসইও (SEO) ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট লিখতে আগ্রহী? বেশ, এটা একটা কৌশল যেটা আপনার ব্লগ অথবা আপনার লিখার ক্যারিয়ারকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যেতে পারে। যেকেউ আর্টিকেল লিখতে পারে কিন্তু এসইও অপ্টিমাইজড আর্টিকেল লেখার জন্য বিশেষ অনুশীলন বা চর্চা করা প্রয়োজন। এখানে আমরা আজকে এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার কিছু কৌশল নিয়ে আলোচনা করবো। আর্টিকেল লিখার বেসিক নিয়ম জানতে এই পোস্ট পড়ুন


এজন্য আপনাকে অবশ্যই আপনার পোস্ট লিখা নিয়ে গবেষণা করতে হবে। রিসার্চ বা গবেষণা ছাড়া এসইও ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট লেখা সম্ভব নয়। যদি লিখতে চান, তাহলে সেটা অন্ধকারে হাতড়ানোর মত অবস্হা হবে। তাই আর্টিকেল লেখার আগে কয়েকটি বিষয় নিয়ে চিন্তা করুন-
  • টার্গেট কীওয়ার্ড
  • আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য
  • আর্টিকেলের টাইপ
  • আর্টিকেল বিশ্লেষণ
  • পাঠক জিজ্ঞাসা

টার্গেট কীওয়ার্ড

কীওয়ার্ডের জন্য Ahrefs বা SEMrush থেকে দেখে নিন টার্গেট কীওয়ার্ডগুলো। এই দুইটা টুল আপনাকে ভালো টপিক অনুসন্ধানে সাহায্যে করবে এবং সঠিক কীওয়ার্ড অপ্টিমাইজেশনে সাহায্য করবে। এই টুলগুলো আপনাকে বুঝিয়ে দিবে কিভাবে সঠিক কীওয়ার্ড টার্গেট করবেন।

কনটেন্টের টাইপ

আপনার টার্গেট কীওয়ার্ডকে গুগলসার্চের মাধ্যমে দেখে নিতে পারেন কোন ধরনের আর্টিকেল এখন র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে আছে। এটা অনুসন্ধানের অংশ এবং গুগল আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে কোন ধরনের আর্টিকেল গুগল অনুসন্ধানের জন্য ভালো মনে করে।

আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য

একটি আর্টিকেল এর দৈর্ঘ্য কতটুকু হওয়া প্রয়োজন সেটা জানার জন্য এসইও র‍্যাম্বার (SEO Rambler) ব্যবহার করুন। আপনি বিনামূল্যে এই সেবাটা গ্রহণ করতে পারেন। এটা আপনাকে একটা ধারনা দিবে র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রথম পেজে যাওয়ার জন্য একটা আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য কেমন হওয়া প্রয়োজন।

আর্টিকেল বিশ্লেষণ

আপনার টার্গেট কীওয়ার্ডের টপ টেন রেজাল্ট বিশ্লেষণ  করুন। যদিও এটা কষ্টসাধ্য কিন্তু এসইও রাইটিংয়ে টপ র‍্যাঙ্কিংয়ে যাওয়া কোন সহজ ব্যাপার নয়। এটা আপনার টপ র‍্যাঙ্কে যাওয়া সহজ করে দিবে। আপনার এনালাইসিসের মাধ্যমে আপনার কনটেন্টের একটি রূপরেখা তৈরী করুন।

পাঠক জিজ্ঞাসা

আপনার টার্গেট কীওয়ার্ড অনুসন্ধান করুন গুগলে এবং সেটা আপনাকে একটি সেকশন দেখাবে সার্চ রেজাল্টের নিচে, যেখানে লেখা থাকে, people also ask for (লোকজন আরো জিজ্ঞাসা করে) এই প্রশ্নগুলোকে আপনি আপনার আর্টিকেলের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে এগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। এটা একটা এসইও অপ্টিমাইজড কনটেন্ট লেখার স্মার্ট পদ্ধতি, যেগুলো ব্যবহারকারীরা সচরাচর জানতে চায়।

এখন আমরা জানবো এসইও ফ্রেন্ডলি কনটেন্টের জন্য আপনার পোস্টে কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে।

পোস্ট  টাইটেল এবং মেটা টাইটেল

পোস্ট টাইটেল: এটা হলো পাঠকরা ওয়েবসাইটে আপনার পোস্টের টাইটেল কিভাবে দেখে।

মেটা টাইটেল: মেটা টাইটেল হলো সার্চইঞ্জিন কিভাবে আপনার পোস্ট অনুসন্ধানকারীদের দেখায়।
যদি আপনি এসইও সেটিংসে একটি মেটা টাইটেল স্পেসিফিক করে না দেন তাহলে আপনার পোস্ট টাইটেলই মেটা টাইটেল হিসেবে ধরে নেওয়া হবে।

পোস্ট মেটা ডেসক্রিপশন

সার্চইঞ্জিন র‍্যাঙ্কিংয়ে পোস্ট মেটা ডেসক্রিপশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি মেটা ডেসক্রিপশন কে আপনার ব্লগপোস্টের জন্য সেলস কপি হিসেবে বিবেচনা করতে পারেন। ১৫৬ অক্ষরের মধ্যে আপনাকে কীওয়ার্ড সংযুক্ত করতে হবে এবং এমন কিছু বর্ণনা সৃষ্টি করতে হবে যেন সেটা ব্যবহারকারীদের নিকট আকর্ষণীয় হয়। যদি আপনি এখনও মেটা ডেসক্রিপশন সংযুক্তির কাজটা না করে থাকেন তাহলে এখনই করে ফেলুন।

ইমেজ অলটারনেটিভ অ্যাট্রিবিউট

গুগল একটা ইমেজ বা ছবি কে পড়তে পারে না। তাই সার্চইঞ্জিন গুগলকে আপনার সংযুক্ত ছবি কি সম্পর্কিত সেটা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সংযুক্ত ছবির সাথে সঠিক বর্ণনা/ নাম ব্যবহার করতে হবে। এজন্য যখনই আপনি একটি ছবি আপলোড করবেন, আপনি ম্যানুয়ালি HTML অল্টারনেট অ্যাট্রিবিউট ব্যবহার করবেন।

ইন্টারলিঙ্ক এবং  অ্যাঙ্কর টেক্সট

যখন আপনি একটি নতুন পোস্ট লিখবেন তখন অবশ্যই আগের ব্লগপোস্টগুলোর প্রাসঙ্গিক লিঙ্ক নতুন পোস্টে সংযুক্ত করে দিবেন। এটা একটা ভালো চিন্তা, যেটা আপনার পাঠকদের আপনার সাইটে সংযুক্ত রাখবে দীর্ঘ সময়ের জন্য। এর ফলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার আগের পোস্টগুলো পুনরায় চেক করার সুযোগ পাবে। এটা আপনার সাইটের নবায়নযোগ্য হতে সাহায্য করবে যেটা বাউন্স রেট কমিয়ে দিবে এবং এটা আরো একটি এসইও ফ্যাক্টর। যখন আপনি ইন্টারলিঙ্কে যাবেন তখন অ্যাঙ্কর টেক্সট টেকনিক ব্যবহার করুন। তবে আপনার পোস্ট টাইটেলে আপনি যে পোস্ট লিঙ্ক সংযুক্ত করবেন সেটার টাইটেলে অবশ্যই মেইন কীওয়ার্ড সংযুক্ত করবেন।

পার্মালিঙ্কে স্টপওয়ার্ড

একটি ব্লগ পোস্টে A, an, the এবং এরকম কিছু লিস্টেড শব্দ সার্চইঞ্জিন ইগনোর করে। আমরা আমাদের পোস্ট টাইটেলে সাধারণত অনেক স্টপ ওয়ার্ড ব্যবহার করি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আমরা একটি পোস্টের টাইটেল লিখি এভাবে-
3 ways to make a blog business plan. এর জন্য আমাদের পার্মালিঙ্ক হবে-
Domain.com/3-ways-to-make-a-blog-business-plan.html.
এখানে to এবং a স্টপ ওয়ার্ডস। এখন আমরা এটা এডিট করে চেন্জ করবো-
Blog-business-plan যেটা স্টপ ওয়ার্ড এভয়েড করে।
এখানে সতর্কতা হলো, একবার পোস্ট পাবলিশ হয়ে গেলে সেটা আর চেন্জ করা যাবে না।

H1, H2, H3 হেডিংস

সঠিক হেডিং ট্যাগ এসইও কপিরাইটিং এর আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ টপিক। ডিফল্টরূপে, যেকোনো এসইও অপ্টিমাইজড থিমে ,পোস্ট হেডিংগুলো H1 হেডিং ট্যাগ ব্যবহার করে। পরবর্তী সাবহেডিং এর জন্য  আমরা H2 হেডিং ব্যবহার করতে পারি এবং তারপর H3 হেডিং এবং এভাবে চলতেই থাকবে। ইফেক্টিভ এসইও রাইটিং এর জন্য সঠিক হেডিং ট্যাগ ব্যবহার করা একটি ভালো সিদ্ধান্ত হবে আপনার জন্য। বিশেষ করে যখন আপনি একটি দীর্ঘ পোস্ট লিখবেন। এসইও কমিউনিটি অনুযায়ী, কীওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিৎ  H1, H2, H3 ট্যাগের মধ্যে।

পরিশেষে বলা যায়, এসইও ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট রাইটিং এর জন্য উল্লেখিত বিষয়গুলো মাথায় রাখলে আপনি খুব সহজেই আপনার ব্লগ/ সাইটকে র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে নিয়ে আসার মত উপযুক্ত পোস্ট লিখতে পারবেন। এটা একইসাথে আপনার ব্লগিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত অর্থ উপার্জনেও সাহায্য করবে।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

সর্বশেষ আপডেটেড অফার পেতে চান?

অর্ডিনারি আইটি কী?