OrdinaryITPostAd

ফাইভারে নতুনদের জন্য কম সার্ভিস ভলিউম নীশ রিসার্চ

ফাইভারে নতুনদের জন্য কম সার্ভিস ভলিউম নীশ রিসার্চ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়৷ যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজে কাজ পাবেন এবং কাজের মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন৷ এবং কম সময়ে আপনি আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন৷

ফাইভারে-নতুনদের-জন্য-কম-সার্ভিস-ভলিউম-নীশ-রিসার্চ

সাধারণত আপনি যদি একদমই নতুন হয়ে থাকেন যার জন্য প্রথমে আপনাকে সহজ দক্ষতা বা স্কিল বাছাই করে নিতে হবে যা অনেক গুরুত্বপূর্ণ৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ শুধু গ্রাফিক ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখে৷

পেজ সূচিপত্র:ফাইভারে নতুনদের জন্য কম সার্ভিস ভলিউম নীশ রিসার্চ

ফাইভারে নতুনদের জন্য কম সার্ভিস ভলিউম নীশ রিসার্চ

কম ভলিউম নিস রিচার্জ কি? এটি কেনই বা গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজন৷ বর্তমান সময়ে আমরা সকলেই প্রায় ফাইবারে কাজ করা বলতে বেশি আকর্ষণ দিয়ে থাকি গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট৷ আমরা মনে করি যে ফাইবারে যদি আমরা কাজ করতে চাই তাহলে আমাদেরকে এই দুটো কাজ ছাড়া আর কোন কাজ করা উচিত নয়৷ আসলে এটি কোন বাস্তব ভিত্তি কথা নয়৷ আমরা যদি, ফাইবারের নতুন হয়ে থাকি তাহলে আমাদের সকলের উচিত৷ কম সার্ভিস ভলিউম মিস রিসার্চ করা৷ কারণ যখন আমরা কম ভলিউম নিস রিসার্চ করব সে ক্ষেত্রে আমাদের কাজ পাওয়া সম্ভাবনা বেশি থাকে৷

বর্তমানে সময় ফাইবারে প্রায় ৬০০ বেশি ধরনের পদ্ধতির কাজ রয়েছে৷ যা নতুনদের জন্য একটি সুযোগ৷ কারণ এত বেশি কাজ থাকার জন্য নতুনরা খুব সহজে ফাইবারে কাজ পেয়ে থাকে৷ তারা খুব বেশি টেকনিক্যাল স্কিল দিয়ে কাজ করতে চান অথবা তাদের টেকনিক্যালি স্কিল বেশি তারা ডাটা এন্টি,এবং প্রোডাক্ট লিস্টিং এর কাজ করতে পারেন৷ আর যারা একেবারে নতুন তাদের জন্য কিছু জনপ্রিয় ও সহজ কাজ হচ্ছে:-

  • অ্যানিমেশন তৈরি ও ভিডিও এডিটিং
  • সকল প্রকার সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট
  • আর্টিকেল এবং কন্টেন রাইটিং
  • এস ই ও সার্ভিস
  • লোগো ডিজাইন
  • ব্যানার ডিজাইন
আপনি যদি একেবারে ফাইবারে নতুন হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি এই সকল কাজ করতে পারেন৷ বর্তমান সময়ে এই সকল কাজ সহজ ও কম ভলিউম ভিত্তিক কাজ৷ আর এই সকল কাজ করার মাধ্যমে। আপনি খুব সহজে ফাইবারে কাজ পেয়ে থাকবেন। এ সকল কাজ করতে করতে আপনার দক্ষতা ও বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি বড় ও বেশি নিজ যুক্ত কাজ করতে পারবেন৷ কিন্তু নতুন অবস্থায় এই সকল কম সার্ভিস ভলিউম নিস নিয়ে কাজ করা আপনার জন্য উত্তর।

গুরুত্ব ও পরিস্থিতি ফাইবার মার্কেটপ্লেসে

বর্তমান সময়ে কে না চায় অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে৷ আর তাদের চাওয়া হবেই বা না কেন কারণ টাকায় করার জন্য তো অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে৷ যেমন ফাইবার,আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার পিপুল পার আওয়ার ইত্যাদি মত নামকরা অনেক ওয়েবসাইট আছে৷ এটি তো শুধু নাম করা এই সকল ছাড়াও আরো অনেক প্ল্যাটফর্ম হয়েছে। যেখান থেকে খুব সহজে টাকা আয় করা সম্ভব হচ্ছে এখন এবং হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই তো গত কয়েক বছর আগেই সকল মানুষ তাদের অফিসে কাজ করতো কিন্তু এখন আশ্চর্যকর বিষয় হচ্ছে যে এখন মানুষ তার নিজস্ব ঘরে নিজে নিজেই ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করে টাকা আয় করছে৷ মূলত এ সকল কাজকে রিমোট কাজ বলা হয়৷ বর্তমান সময়ে শহরে অনেক জায়গায় এরকম কাজ শেখানোর অফিস রয়েছে৷ এছাড়া বর্তমান আধুনিক যুগে গ্রামে নির্দিষ্ট এলাকায় এরকম প্রতিষ্ঠান পাওয়া যাচ্ছে।
কয়েক বছর আগেই মানুষ তার নিজের কাজ নিজে শিখে তারপরে কাজ করতো৷ কিন্তু আধুনিক যুগে এসে কাজের চাহিদা এত বেড়ে গেছে যে এখন মানুষ নিজের কাজ শেখার পর কাজ করার পাশাপাশি কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আইটি সেন্টার এ সকল কাজের নির্দিষ্ট অ্যামাউন্ট ধরে কোর্স বিক্রি করে থাকছে৷ যাও তাদের একটি আয়ের উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ কোর্স বিক্রয় করার মাধ্যমে যে শুধু আইটি সেন্টার থেকে লাভ হচ্ছে সেটি নয় কোর্স বিক্রির ফলে যেমন তাদের টাকায় হচ্ছে তেমনি যারা কাজ শিখ তার আগ্রহী তাদের অনেক সুবিধা হচ্ছে। কারণ তারা খুব সহজে কাজ শিখতে পারছে কোনরকম ঝামেলা তাদের অত হবে না। আর এর মূল একটি আকর্ষিত দিক হচ্ছে যে যারা স্টুডেন্ট আছে তাদের লেখাপড়া শেষ করার পর চাকরি খোঁজা ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবে তারা৷

আপনার কাছে যদি ইন্টারনেট থাকে এবং সঙ্গে কাঙ্ক্ষিত ডিভাইস থাকে তাহলে আপনি খুব সহজে দেশের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গার কাজ করতে পারবেন। আচ্ছা আপনার টাকা আয়ের পথকে আরো সহজ করে তুলেছে এই সকল মার্কেটপ্লেস৷ এইতো হাতে কোন কয়েক বছর আগে যখন কাজটি শুরু হয়েছিল তখন অধিকাংশ মানুষ জানতো না যে অনলাইনে কিভাবে কাজ করা যায় বা করতে হয়৷ আবার অনলাইনে এখনকার মতো অনেক ফ্ল্যাট ফ্রম ছিল না আগে৷ বর্তমান সময় যত দিন যাচ্ছে তত প্লাটফর্মে কাজ ও প্লাটফর্ম বৃদ্ধি পাচ্ছে। যে সকল স্টুডেন্ট কম্পিউটার নিয়ে পড়েছে তারা তো কাজ করেই বা কিছু কম্পিউটারের বেসিক কাজ জানে৷

আব্বা তোমার সময় মানুষের রাত তাদের শখ করে শিখছে৷ এবং সেই শেখা থেকে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তারা বর্তমানে সময় বিভিন্ন ধরনের কাজ শিখে আসছে যেমন ডিজিটাল মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, সিপিএ মার্কেটিং, ডাটা এনটি, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি রকমের কাজ শিখছে এবং তাদের দক্ষতাকে বৃদ্ধি করে তুলছে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে৷ আর এই সকল কাজ নিয়ে আপনি ফাইবারে আপনার ক্যারিয়ার করতে পারেন৷ আবার বর্তমান সময় অনেক কোর্স আছে যা থেকে আপনার স্কিল আরো বৃদ্ধি পাবে৷ এবং প্রথম অবস্থায় কাজ করার জন্য আপনার কম ভলিউমনিস গবেষণা করতে হবে৷

কাজ করার সুবিধা ও সম্ভাবনা ফাইবার মার্কেটপ্লেস

আমি মনে করেছি যে সকল প্লাটফর্ম রয়েছে অনলাইন ইনকামের শেষ সে সকল প্লাটফর্ম এর মধ্যে সবচেয়ে সাহস একাউন্ট খোলার মাধ্যম হচ্ছে ফাইবার৷ কেন আমার কাছে এটি সবথেকে সহজ মনে হচ্ছে তার কারণ হচ্ছে অন্য প্লাটফর্ম যেমন ফ্রিল্যান্সার কিং আপ ওয়ার্ক এর মত প্লাটফর্মে যদি আপনি প্রথম অবস্থায় কাজ শুরু করতে চান বা কাজ শুরু করতে যান তখন আপনার সে কাজ সম্পর্কে জানতে হবে এমনকি কাজ করার আগে আপনাকে সেখানে টাকাও জমা দিতে হবে সে দিক থেকে ফাইবারে কোন টাকা জমা দিয়ে একাউন্ট তৈরি করতে হয় না। এমনকি এখন খোলা শেষে ভিতরে অনেক সেটিংস এর কাজ করতে হয় যা অনেক ঝামেলা সাধ্য হয়ে দাঁড়ায়৷ আমরা অবশ্যই কেউ চাইবো না প্রথম অবস্থায় কিংবা কাজ করার ক্ষেত্রে এত ঝামেলা তে পড়তে।

আর এই সকল দিক থেকে ফাইবার একদমই আলাদা এখানে আপনি আপনার জিমেইল একাউন্টের মাধ্যমে খুব সহজেই ফাইবারে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবেন৷ এবং যখন আপনি কাজ শুরু করতে যাবেন তখন কোন প্রকার টাকা লাগবে না আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরি করার ক্ষেত্রে৷ ফ্রিতেই আপনি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবেন৷ যা একটি সুবিধা৷ আবার অ্যাকাউন্টে সেটিংস বেশি কিছু কাজ করতে হয় না শুধু গিফট ভালোমতো আপডেট করতে পারলে হয় মোটামুটি বেসিক এগুলোই৷ 

আপনার যদি ইচ্ছা থাকে অনলাইনে ক্যারিয়ার বাড়াবো আপনি যদি অনলাইনে আপনার ক্যারিয়ার গড়তে চান তাহলে এই প্লাটফর্মের কাজ শেখা আপনার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতা মূলকভাবে কাজ করবে৷ বর্তমান পৃথিবীতে দিনের পর দিন প্রযুক্তি আপডেট হচ্ছে এবং পরিবর্তন হচ্ছে৷ আর আপনি যদি যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে চান তাহলে আপনাকে প্রতিনিয়ত আপডেটের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে এবং আপনার প্রতিনিয়ত আপডেট অর্থাৎ পরিবর্তন বিষয় জানতে হবে৷
আপনি যদি যোগের সঙ্গে তাল মিলাতে না পারেন তাহলে আপনি অনেকটাই পিছিয়ে পড়বেন৷ আর অবশ্যই পিছিয়ে পড়লে চলবে না৷ আগে নিজের দেশেই অনলাইন সাপোর্ট দিতো মানু এবংসাধারণভাবে কাজ করতো৷ কিন্তু যতদিন যাচ্ছে প্লাটফর্ম গুলি আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে কাজের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সীমাহীন হয়ে যাচ্ছে কারণ এখন এক দেশ থেকে অন্য দেশে কাজ করাই মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ প্ল্যাটফর্ম গুলিতে কাজের মানুষের চাপ বেড়েছে গ্রাহকদের চাপ বেড়েছে কর্মীদের চাপ বেড়েছে৷ কাজগুলো এখন এক দেশ থেকে আরেক দেশে চলে গেছে ৷ বর্তমান সময় মানুষ বাংলাদেশ থেকে অন্য যেকোনো দেশের সঙ্গে কাজ করতে পারছে৷ এবার কাজ করবে না কেন তারা নিজের সুবিধার্থে নিজে নিজেই কাজ করতে পারছে৷ কারণ আপনি যদি অফিসে কাজ করতেন তাহলে নিয়ম অনুযায়ী কাজ করতে হতো৷ সে ক্ষেত্রে আপনি আপনার বাড়িতে নিজ টাইমে নিজের ইচ্ছাতে কাজ করতে পারবেন।

বর্তমানে প্রযুক্তির যুগে সকলেই বা সহ প্রায় সবাই প্রযুক্তি বিষয়ে কিছু না কিছু জ্ঞানী রাখছে৷ এমনকি ছোট বাচ্চারা এখন ছোটবেলা থেকে মোবাইল নিয়ে বড় হচ্ছে৷ এজন্য তাদের কেয়ার প্রযুক্ত বিষয় নিয়ে আলাদাভাবে পড়াতে হয় না৷ এমনকি বাইরের দেশের প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়েরা কম বয়সে অল্প সময়ে টাকা আয় করে ওদিক টাকার মালিক হচ্ছে। এখানে ইনকামের উচ্চতা বেশি থাকার কারণে অল্প  পরিশ্রমে অধিক টাকা আয় করতে পারছে মানুষ৷ আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ এখন এগুলোই করছে৷ এমন কি আমিও এই পথে এগিয়ে চলেছি৷ তাহলে আপনি আর বসে থেকে কি করবেন এখনই আপনার কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য এগিয়ে চলুন নির্দ্বিধায়৷ আশা রাখুন এক সময় এক সময় আপনি সফল হবেন৷

কিছু কার্যকরী টিপস প্রথম কাজ পাওয়ার

ফাইবার মার্কেটপ্লেসে আপনার প্রথম ধাপ অনুযায়ী যদি আপনার অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি নিয়ম সঠিক থাকে তাহলে আপনি দ্বিতীয় নিয়মের দিকে এগোতে পারে যা হচ্ছে ফাইবারে গিগ তৈরি করার পদ্ধতি ও নিয়ম জেনে কাজ করার মাধ্যমে ইনকাম করা৷ আর এখানে আপনার মূল বিষয় হচ্ছে আপনি যে সকল কাজ পারেন অর্থাৎ এসইও, আর্টিকেল রাইটিং, ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ইত্যাদি রকমের কাজ যেগুলো আপনি শিখেছেন বা আপনি যদি কাজ জানেন তাহলে আপনার গিগএ এই সকল কাজের বর্ণনা দিতে হবে৷ এখন যদিও বর্ণনা দিলে হবে না বা না দেওয়ার ক্ষেত্রেও কিছু দিক খেয়াল রাখতে হবে আপনাকে৷ যেমন আপনার গিগ যেন আকর্ষণীয় হয়েই৷ এবং প্রফেশনাল হয়৷ যত ভালো হবে আপনার কাজ পেতে তত সুবিধা হবে এবং সময় কম লাগবে৷

আপনার প্রথম কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে যেটি আপনাকে খেয়াল করে রাখতে হবে সেটি হচ্ছে আপনার যোগাযোগের মাধ্যম৷ আপনার যোগাযোগের মাধ্যম ও আপনার যোগাযোগের দক্ষতা যত ভালো হবে আপনার ক্লায়েন্টের সঙ্গে যোগাযোগ তত ভালো হবে৷ অর্থাৎ যখন আপনাকে কোন ক্লায়েন্ট তার কাঙ্খিত কাজ দেবে তখন আপনাকে তার সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলতে হবে৷ কারণ হচ্ছে যখন আপনি যখন তার সঙ্গে ভালোভাবে ব্যবহার করবেন ভালোভাবে কাজ করে দেবেন তখন সে আপনার কাছ থেকে কাজ করিয়ে নিতে কোন প্রকার সমস্যা অনুভব করবে না এবং পরবর্তী কাজও আপনার কাছ থেকে করে নিতে পারে৷ অন্যদিকে আবার যখন আপনি কাম কাজ করবেন তখন কোন কারনে যদি আপনার সময় বেশি লাগে তাহলে আপনি তার কাছ থেকে সময় চেয়ে নিতে পারবেন৷
যেখানে আপনি যদি তার সঙ্গে ভালো করে ব্যবহার করে কথা বলেন তাহলে খুব সহজে আপনাকে সময় দেবে তারা এবং সময় নেওয়ার পর আপনি খুব সহজে কাজ শেষ করতে পারবেন৷ এখন কাজ শেষ করার পর আপনার কাজ যদি তাদের পছন্দ হয়ে থাকে তাহলে পরবর্তী কাজগুলো খুব সহজে আপনাকে দিতে তারা আগ্রহ বোধ করবে৷ যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজে কাজ পেতে থাকবেন এবং টাকা আয় করতে পারবেন৷ এখানে মূল বিষয় হচ্ছে আপনার দিকের ভাষা সহজ ভাবে রাখতে হবে জটিল করা যাবেনা যাতে তারা বুঝতে পারে আপনার কাঙ্খিত চাহিদা৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কি হয় অনেকেই তাদের গিগের ভাষা অনেক জটিল করে থাকে যার কারণে ক্লায়েন্টরা তাদেরকে কাজ দিতে অসুবিধা বোধ করে এবং তাদের ভাষা বুঝতে অসুবিধা বোধ করে৷ যা কাজ না পাওয়ার আরেকটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ৷

রেংকিং বৃদ্ধি করার উপায় ফাইবার মার্কেটপ্লেস

বর্তমান সময়ে প্রায় সকলেই বিভিন্ন কোর্স থেকে কিংবা বিভিন্ন ভিডিও দেখার মাধ্যমে ফাইবারে অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম জেনে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে থাকে৷ কিন্তু অ্যাকাউন্ট খোলার পর যে গিগ তৈরি এবং সেই দিককে রেংকিংয়ের ওঠানো হচ্ছে মূল লক্ষ্য৷ আর এটি করার মূল লক্ষ্য হচ্ছে এরকম প্লাটফর্মে এখন লক্ষ লক্ষ মানুষ রয়েছে যারা কাজ করে আসছে এখন আপনি যদি নতুন অবস্থায় এই মহাসমুদ্রের মত জায়গায় কাজ করতে চান তাহলে আপনার পজিশন উপরে তুলতে হবে৷ যদি তুমি অনেক বরফ ফিলিংস আরবা অনেক ভালো ফ্রেন্ড স্যার হয়ে থাকো কিন্তু তোমার গিগ যদি ভালো না হয় তাহলে তুমি তাড়াতাড়ি র‍্যাঙ্ক করতে পারবে না৷

আপনার গিগ র‍্যাঙ্কে আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হচ্ছে আপনার কাঙ্খিত গিগ এ আপনার সকল কাজের তালিকা ভালো গ্রাফিক ছবি এবং ভিডিও যোগ করা৷ । সাপোজ তুমি মনে করো যে তোমার বিয়ে গিয়ে তুমি তোমার কাজের সকল বর্ণনা অনেক সুন্দর ভাবে দিলে কিন্তু ছবি একটি নরমাল দিয়েছো তাহলে সেটি তোমার গিগ কে রাঙ্ক করা থেকে বিরত করে তুলবে৷ এখন যদি তোমাকে তুমি খুব সহজে ব্যাংকে আনতে চাও তাহলে এ সকল নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গিগ দেখে ক্লাইন আপনাকে কাজ দিয়ে থাকবে বা কাজ দিয়ে থাকে৷ যার জন্য ফাইবারে কাজের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আপনার গিগ৷ আপনার গিগ যত ভালো তত কাজ পাওয়ার চান্স ও বেশি৷
ফাইভারে-নতুনদের-জন্য-কম-সার্ভিস-ভলিউম-নীশ-রিসার্চ

মার্কেট প্লেসে ক্যারিয়ার তৈরি ও অধিক আই

অসাধারণ একটি মার্কেট প্লেস হচ্ছে ফাইবার৷ অন্য যে সকল মার্কেটপ্লেস আছে সে সকল মার্কেটপ্লেস এর মত এই মার্কেটপ্লেস ফাইবার নয়৷ অন্য মার্কেটপ্লেসের শুরুর দিকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় সে দিক থেকে এই মার্কেটপ্লেসে তেমন কোনো রকম প্রবলেম হয় না৷ ফাইবারে গিগ তৈরি এবং অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম ভালোভাবে জানলেই খুব সহজেই এই মার্কেটপ্লেসের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের কাজ শেষ হয়ে যায়৷ এবংগিগ  যদি ভাল হয় তাহলে সেটি খুব তাড়াতাড়ি রেঙ্কিং এ উঠে এবং খুব তাড়াতাড়ি ফলাফল ভালো পাওয়া যায়৷ এখানে শুধু কাজ করলে হবে না কাজের পাশাপাশি ব্যাসিক কিছু বিষয় নজরও রাখতে হয়। কিছু বিষয় বলতে কাস্টমারকে ভালো করে কাজ বুঝিয়ে দেওয়া৷ তাদের সঙ্গে ভালোভাবে যোগাযোগ করা, এবং তাদের চাহিদা অনুযায়ী কাজ শেষ করা৷ যদি কাজ ভালো হয় এবং কাস্টমার রিভিউ ভালো হয়। তাহলে ভবিষ্যতে কাজ পাওয়ার সহজ হয়ে দাঁড়ায়৷
আপনার যে গিগ কাজের জন্য থাকবে সে গিগ এ আপনার কাজের দক্ষতা আপনার কাজের সার্ভিস সমূহ এবং ভালো পরিমাণে ছবি গ্রাফিক এন্ড ভিডিও এই সকল দিক থেকে ভালো করে খেয়াল রাখতে হবে যে আপনার গিগ ঠিক আছে কিনা৷ ফ্রিল্যান্সিং এর এই কাজের মহাসমুদ্রে সব থেকে বেশি প্রয়োজন হয় যেটি সেটি হচ্ছে ক্লাইন্ড ম্যানেজমেন্ট৷ আপনি যত ভালো করে আপনার ক্লাইন ম্যানেজ করতে পারবেন তত ভালো রিভিউ পাবেন৷ আর আপনি যত ভালো রিভিউ পাবেন পনার কি তত র‍্যাংকিং এ এগিয়ে যাবে এবং আপনি অধিক আয় করতে পারবেন৷ আপনার গিগ র‍্যাঙ্ক করা মানে আপনার কাজের অর্ডার বেশি আর কাজের অর্ডার বেশি মানে টাকা বেশি আর টাকা বেশি মানে আপনার ক্যারিয়ার ফ্রিল্যান্সিং জগতে গড়ে উঠবে৷

কেন জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

এ সকল মার্কেট প্লেস ছাড়াও টাকা আয় করার আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ  সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং৷ আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে আয় করতে চান সে ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে হবে আমাদের সর্বপ্রথম এবং সোশ্যাল মিডিয়াম মার্কেটিং কি সে বিষয়ে জানতে হবে৷ মূলত সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এমন একটি মাধ্যম যা কিছু ওয়েবসাইট এর অ্যাপ্লিকেশন গুলি ব্যবহার কারীদের তাদের যোগাযোগ মাধ্যমে সঙ্গে সামাজিক নেটওয়ার্ক যুক্ত হতে সহযোগিতা করে৷ গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে যে এখনকার প্রায় ৫১% মানুষ সকল প্রকার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভ বা সংক্রিয় রয়েছে৷ এবং আরো একটি গবেষণায় জানা গেছে যে এখন প্রায় ৩.৯৬ বিলিয়ন মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে জড়িত বা প্রতিনিয়ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে আসছে৷
এখন বিশ্বের সবথেকে বেশি সোশ্যাল মিডিয়া, ব্যবহারের কার্ডের দিক থেকে এক নম্বর স্থানে রয়েছে ফিলিপাইন৷ যেখানে বিশ্বের সবথেকে বেশি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে গবেষণায় জানা গেছে৷ এমনকি এই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর তালিকায় পিছিয়ে নেই যুক্তরাষ্ট্র এরাও বিশ্বে রেংকিং একটি স্থান অর্জন করে নিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এ৷ গবেষণায় দেখা গেছে যে ১.৫ মিলিয়ন এর বেশি মানুষ সেখানে প্রতিদিন সোশ্যাল মিডিয়া সাথে সংযুক্ত হচ্ছে৷ বিশ্বে প্রায় ব্যাপক মানুষ এখন এই প্ল্যাটফর্ম গুলোতে তাদের সময় ব্যয় করে আসছে আর আমাদের এই ব্যয় করার সময় কে কাজে লাগে সেখান থেকে টাকা আয় করে নিতে হবে৷ এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ বিভিন্ন প্রকার কাজ করছে৷ সোশ্যাল মিডিয়াতে মানুষ এখন সিপিএ মার্কেটিং এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং  করে আসছে৷ যা থেকে তারা টাকা আয় করছে৷

মূল কিছু দিকগুলো সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

ফাইভারে নতুনদের জন্য কম সার্ভিস ভলিউম নীশ রিসার্চ এর পাশাপাশি আমরা যদি এখন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে টাকা আয় করতে চাই, তাহলে আমাদের মূল কিছু বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে৷ এবং সেই মূল বিষয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী সেটি বাস্তবায়নও করতে হবে আমাদেরকে। আমাদেরকে সঠিক টার্গেট ও প্লাটফর্ম বেছে নিতে হবে৷ প্রতিটি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে টাকা আয় করার জন্য প্রথম ধাপ হচ্ছে সঠিক লক্ষ্য অর্জন এখন যদি আপনার একটি সঠিক পরিকল্পনা ও লক্ষণ না থাকে তাহলে আপনি সঠিকভাবে এগোতে পারবেন না৷ আর যদি আপনার টার্গেট স্ত্রী থাকে তাহলে আপনি সে অনুযায়ী এগোতে পারবেন এবং খুব সহজে টাকা আয় করতে পারবেন৷

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মধ্যে আপনি যদি আর্টিকেল রাইটিং করে থাকেন তাহলে কন্টিনিউ হচ্ছে আপনার সেই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর আসল প্রাণ৷ এবং আপনি যদি ফেসবুক কিংবা ইউটিউবের মতো প্লাটফর্ম থেকে আয়কর করতে চান তাহলে আপনার ভিডিও ও ছবি হচ্ছে আপনার কনটেন্ট এর মূল প্রাণ৷ সে জায়গা থেকে আবার আপনি যদি কোন রকম ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে সরাসরি গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে৷ সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে:-

  • নিয়মিত যোগাযোগ করা কাস্টমারদের সঙ্গে
  • যে কোন কনটেন্ট তৈরির আগে নিয়মিত পোস্ট করা
  • সঠিক লক্ষ্য ও প্ল্যান তৈরি করা
  • আপনার লক্ষ্যের ডাটা দেখে যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ করা ও এনালাইস করা
ফাইভারে-নতুনদের-জন্য-কম-সার্ভিস-ভলিউম-নীশ-রিসার্চ

ফাইবারে একাধিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট করা

ফাইবার মার্কেটপ্লেস হচ্ছে একটি মহাসমুদ্রের মত৷ যেখানে প্রচুর সংখ্যক মানুষ কাজ করছে৷ যার ফলে অনেক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে বা জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই প্লাটফর্মটি৷ এখানে কাজ করার জন্য শুধু আপনার একটি পারফেক্ট প্রোফাইল প্রয়োজন হয়ে থাকে আর যেখানে একটি আকর্ষণীয় গিগ প্রয়োজন৷ আর এই গিগ হচ্ছে ফাইবার মার্কেটপ্লেসের আসল প্রাণ৷ আপনার গ্রিক যত ভালো কাচ পাওয়ার আশঙ্কা তত বেশি৷ আর আপনি যত বেশি কাজ পাবেন আপনাকে তত বেশি সেই কাজ ম্যানেজ করতে হবে৷ আর আপনি যদি ম্যানেজমেন্ট বিষয় না জেনে থাকেন তাহলে কিভাবে আপনি কাজম্যান করে থাকবেন৷ তাহলে চলুন অধিক কাজ ম্যানেজ বিষয়ে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক৷ফাইভারে নতুনদের জন্য কম সার্ভিস ভলিউম নীশ রিসার্চ

এখানে সর্বপ্রথম আপনাকে যেটি খেয়াল রাখতে হবে যে আপনি যত বেশি কাজ পাবেন আপনাকে সে অনুযায়ী কাজ ভাগ করে নিতে হবে৷ সাপোজ আপনি কালকের জন্য পুরো চারটি কাজ পেয়েছেন৷ এখন আপনাকে সকালে সেই বিষয়ে একটি পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে যে আপনি কোন সময়ে কোন কাজটি শেষ করবেন৷ এবং কতক্ষণএ কাজটি শেষ করবেন এছাড়াও কাজ করতে আপনার কতক্ষণ টাইম লাগছে এই পুরো বিষয়গুলো আপনাকে খেয়াল করতে হবে৷ এর মধ্যে আবার দেখা যাচ্ছে যে আপনার চারটি কাজের মধ্যে একটি কাজ অনেক কঠিন এবং সেটিতে সময় কম এবং অন্য কাজ গুলি সহজ আছে। সেই ক্ষেত্রে আপনাকে সর্বপ্রথম কঠিন ও বেশি সময় ব্যয়বহুল কাজটি আপনাকে বেছে নিতে হবে৷ যাতে আপনি সেটি আগে সম্পূর্ণ করতে পারেন এবং ক্লাইন্টকে কাজ বুঝিয়ে দিতে পারেন৷

শেষ কথা:ফাইভারে নতুনদের জন্য কম সার্ভিস ভলিউম নীশ রিসার্চ

সর্বপ্রথম আপনার ফাইবার মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট খোলার পর আপনার যেটি মূল লক্ষ্য হবে সেটি হচ্ছে ফাইভারে নতুনদের জন্য কম সার্ভিস ভলিউম নীশ রিসার্চ৷ প্রথম অবস্থায় যখন আপনার নিস গুলোর ভলিউম কম থাকবে অর্থাৎ আপনি যেই বিষয় নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন সেই বিষয় মানুষজন এর কাজের প্রতিযোগিতা কম আছে সেই সকল বিষয়ে আপনাকে কাজ করতে হবে। কারণ প্রথম অবস্থায় যখন আপনি বেশি প্রতিযোগিতামূলক কাজ করতে যাবেন। তখন আপনি এক মহাসমুদ্রের তলদেশের এক পাথরের মত হয়ে দাঁড়িয়েবেন। আর যখন আপনি প্রথম অবস্থায় কম ভলিউম অর্থাৎ কম প্রতিযোগিতামূলক নিস বা পদ্ধতি বা আপনার বিষয় নিয়ে কাজ করবেন তখন আপনি একটি পুকুরে হাজারো পাথরের মত কাজ করবেন। এবং যেখানে আপনার দক্ষতা ভালোভাবে লক্ষ্য করা যাবে

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করছি আপনারা পুরো পোস্টটি পড়েছেন এবং একটি ধারণা পেয়েছেন যে, কেন আপনার প্রথম অবস্থায় কম ভলিউম নিজ নিয়ে কাজ করা উচিত৷ এছাড়াও আমরা এই পোস্টটা আলোচনা করেছি ফাইবার এ কাজ করা কেন প্রয়োজন, ফাইবার মার্কেটপ্লেস টা কি, নতুন অবস্থায় ফাইবার মার্কেটপ্লেসে কি করা প্রয়োজন, এছাড়াও আমরা আলোচনা করেছি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কে আশা করছি আপনারা এই সকল বিষয়ে পুরো একটি ধারণা পেয়েছেন৷ প্রতিনিয়ত এরকম বাস্তব ও তথ্যভিত্তিক পোস্ট পেতে আমাদের এই সঙ্গে থাকুন। "ধন্যবাদ"  251124

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url