বিড়ালের কামড়ের কারণে জলাতঙ্কের ঝুঁকি
রক্তশূন্যতা হওয়ার লক্ষণ গুলো জানুন
বিড়ালের কামড়ের কারণে জলাতঙ্কের ঝুঁকি থাকার ব্যাপারটা অনেক স্বাভাবিক।বিড়ালকে যদি ভ্যাকসিন না দেওয়া হয় বা বিড়ালটি যদি পথের বিড়াল হয় এবং অসুস্থ থাকে তাহলে তার কামড়ের কারণে জলাতঙ্ক হওয়ার ব্যাপারটা অনেক স্বাভাবিক কিন্তু এটি মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
বাংলাদেশের গৃহস্থলীতে পোষা প্রাণীর মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় প্রাণী হচ্ছে বিড়াল। বিড়াল কারনা ভালো লাগে। ছোট শিশু থেকে বৃদ্ধ বয়স সবারই বিড়াল খুব পছন্দের একটি প্রাণী এবং বিড়াল অনেক মানুষ ভক্ত হয়।
পেজ সূচিপত্রঃবিড়ালের কামড়ের কারণে জলাতঙ্কের ঝুঁকি
- বিড়ালের কামড়ের কারণে জলাতঙ্কের ঝুঁকি
- ক্যাট বাইট কি
- জলাতঙ্ক রোগের জন্য কি কি টিকা রয়েছে
- বিড়াল কামড় দিলে করনীয় কি
- বাচ্চা বিড়াল কামড় দিলে ভ্যাকসিনের প্রয়োজন আছে কিনা
- বিড়াল কামড়ানোর কতদিনের মধ্যে জলাতঙ্কের টিকা দিতে হবে
- বিড়ালের ভ্যাকসিনেশন এর প্রয়োজন আছে কিনা
- পোষা বিড়াল কামড় দিলে কি করতে হবে
- সুস্থ বিড়াল কামড়ালে জলাতঙ্ক টিকার প্রয়োজন আছে কিনা
- লেখকের মন্তব্য
বিড়ালের কামড়ের কারণে জলাতঙ্কের ঝুঁকি
বিড়াল একটি মানুষ ভক্ত ও খুব আরামপ্রিয় একটি প্রাণী এবং এই প্রাণীটি সহজেই মানুষকে বিশ্বাস ও ভরসা করতে পারে। এছাড়া এই বিড়ালের মধ্যে খারাপ শক্তির শোষণ করার ক্ষমতা আছে যার কারণে মানুষ যদি বিড়ালকে জড়িয়ে ধরে তাহলে তারা শান্তি অনুভব করে। কিন্তু বিড়ালের কামড়ের ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে হবে কারণ বিড়াল কামড়ালে জলাতঙ্ক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
জলাতঙ্ক যেটি হয় রেবিস ভাইরাস ছড়ানোর কারণে। বিড়ালটি যদি অসুস্থ হয় বা তাকে ভ্যাকসিন না দেওয়া হয় তাহলে রেবিস ভাইরাস ছড়ানোর কারণে তার বিষাক্ত লালা মানুষের রক্তে প্রবেশ করে জলাতঙ্ক রোগ ছড়িয়ে দিতে পারে এই রোগ যদি ভয়াবহ পর্যায়ে চলে যায় তাহলে সেই মানুষ মৃত্যুবরণ করতে পারে। সাধারণত পথের বা বন্য বিড়াল ও হিংস্র বিড়াল গুলোর মাধ্যমে এই জলাতঙ্ক হতে পারে।
বিড়াল কামড় দিলে অনেক রক্তপাত হয় যদি রক্তপাতের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে তাহলে এটি দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে বিড়ালের কামড়টি অনেক গভীর কিনা। তাহলে যত দ্রুত সম্ভব প্রাথমিক চিকিৎসা করে ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে বড় বিপদ থেকে বাঁচা যাবে।
ক্যাট বাইট কি
ক্যাট বাইট হলো বিড়ালের কামড় যা বিড়ালরা সাধারণত খেলার ছলে বা হিংস্র হলে বা আত্মরক্ষার জন্য ও ভয় পেলে এই কামড় দিয়ে থাকে। ক্যাট বাইটের কারণে যে রোগগুলো হয় তাদেরকে বলা হয় ক্যাট ক্র্যাচ ডিজিজ যার সংক্ষেপে সিএসডি নামে পরিচিত।বিড়ালের কামড়ের কারণে জলাতঙ্কের ঝুঁকি এটি এই সিএসডির আওতাধীন। বিড়ালের কামড় ক্ষতের গভীরতা কত সেই সম্পর্কে খেয়াল রাখতে হবে।
বিড়ালরা খেলার ছলে আপন ভেবে বা আত্মরক্ষার জন্য কাপড় দিতেই পারে কিন্তু কামড় যেন ক্ষতির কারণ না হয় সেটার ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। যদি অনেক বেশি রক্তপাত হয় তাহলে অবশ্যই আগে সেপটিক দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। বিড়াল কামড়ানোর পর এটিকে যদি অবহেলা করা হয় তাহলে তার জীবন কেড়ে নিয়ে দিতে পারে। সাধারণত ক্যাট বাইটের কারণে ১৪ টি ইঞ্জেকশন দিতে হয়।
জলাতঙ্ক রোগের জন্য কি কি টিকা রয়েছে
যারা বিড়াল পোষে বা বিড়ালের আশেপাশে থাকে তাদেরকে বিড়ালের ভ্যাকসিনেশন এর পাশাপাশি জলাতঙ্কের জন্য কি কি টিকা দেওয়া হয় সেই সম্পর্কেও খেয়াল রাখতে হবে। সাধারণত জলাতঙ্ক রোগের জন্য দুই ধরনের টিকা দেওয়া হয়। এর থেকে বলা হয় প্রতিরোধমূলক টিকা বা ইংরেজিতে বলে এক্সপোজার প্রপিলাক্সিস সংক্ষেপে বলে পিআরইপি। আর অন্যটি হলো কামড়ের পরের টিকা দেওয়া যেটিকে ইংরেজিতে বলে পোস্ট এক্সপোজার প্রপিলাক্সিস সংক্ষেপে বলে পিইপি।
আরও পড়ুনঃ বাতের ব্যথায় ঘরোয়া চিকিৎসা নিয়ে জানুন
সাধারণত বিড়ালের কামড়ের উপর ভিত্তি করে এই টিকাগুলো দেওয়া হয়। যারা বিড়াল পোষে তারা প্রতিরোধমূলক টিকা আগেই দিয়ে রাখেন। যারা দুর্ঘটনাবশত বিড়ালের কামড়ের শিকার হন তারা কামড়ের পর টিকাটি দিয়ে থাকে। তবে এই টিকার দোস্ত টি সাধারণত ৩,৭,১৪ ও ২৮ দিনের হয়ে থাকে। তবে সাধারণত ১৪ দিনের টিকাটি বেশি দেওয়া হয়। কিন্তু বিড়ালের কামড়ের ক্ষতের উপর ভিত্তি করে ডোজের দিনগুলো ভিন্ন হয়।
এই ডোজ গুলোর সাথে সাথে রেবিস ইমিউন গ্লোবিউলিন দেওয়া হয়। সাধারণত যারা পশু চিকিৎসক, পশুদের সেবা কেন্দ্রে কাজ করে এবং বিড়ালের মালিক তারা আগে থেকে প্রতিরোধমূলক টিকা নিয়ে রাখেন। বিড়াল কামড়ানোর পরে অবস্থা ও ঝুঁকি অনুযায়ী ডোজ নির্ধারণ করা হয়। এই টিকাটি জলাতঙ্কের হওয়ার জন্য যে ভাইরাস সেই ভাইরাসকে খুব সহজেই প্রতিরোধ করতে পারে।
বিড়াল কামড় দিলে করনীয় কি
বিড়ালের কামড়ের কারণে জলাতঙ্কের ঝুঁকি আছে, এটা জানার পাশাপাশি অবশ্যই বিড়াল কামরানোর পরে কি করতে হবে সেই বিষয়ক জ্ঞান থাকতে হবে। বিড়াল যেখানে কামড় দিয়েছে সেখানে সাবান ও গরম পানি দিয়ে কমপক্ষে ১৫ মিনিট খুব ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর স্যাভলন বা ডেটল দিয়ে সেই জায়গাটি ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।
সংক্রমণ প্রতিরোধে যত দ্রুত সম্ভব একটি অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম লাগিয়ে নিতে হবে এবং ব্যান্ডেজ করে নিতে হবে। এত কিছুর পরে রক্তপাত যদি অনেক বেশি থাকে তাহলে প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। যদি রক্তপাত নাও হয় তারপরেও ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নেওয়া ভালো এবং পশু চিকিৎসকের সাথেও পরামর্শ করে দিতে হবে। যদি বিড়ালটি ভ্যাকসিনেশন হয়ে থাকে তাহলে চিন্তার কারণ নেই।
আমরা অনেকেই আছি যারা বিড়াল কামড়ানো কে খুব স্বাভাবিকভাবে ধরে নেই কিন্তু এটাকে স্বাভাবিকভাবে নিলেই মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। তাই এটিকে অবহেলা না করে গুরুত্ব সহকারে নিয়ে সঠিক ডোজ দিয়ে চিকিৎসা সম্পন্ন করতে হবে।
বাচ্চা বিড়াল কামড় দিলে ভ্যাকসিনের প্রয়োজন আছে কিনা
সাধারণত এক মাস বয়সী বিড়ালের বাচ্চাদের রেবিস ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকিটা কম থাকে কিন্তু সর্তকতার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিতেই হবে। যদি বিড়ালটি ঘরের মধ্যে থাকে তাহলে এর ঝুঁকি কম কিন্তু যদি বাইরে থাকে বা অন্য বিড়ালের সংস্পর্শে যায় তাহলে ঝুঁকিও বেড়ে যায়। বাচ্চা বিড়াল কাপড় দিলে ভাইরাসের ব্যাপকতা একটু কম থাকে এবং প্রতিরোধমূলক টিকা দেওয়া না থাকলে কামড়ানোর পরের টিকার ডোজটা একটু কম হতে পারে।
যদি বাচ্চা বিড়ালটিকে ভ্যাকসিনেশন করানো হয় তাহলে দোষের কোনো প্রয়োজন নেই তবুও একবার চিকিৎসকের কাছে পরামর্শ নিলে ভালো হয়। সাধারণত বাচ্চা বিড়াল কামড়ানোর টিকা দেওয়া হয় যার নাম হলো রেডিস ভ্যাকসিন ও টিটেনাস ইনজেকশন। টিটেনাস ইনজেকশন এর প্রয়োজন পড়ে যখন রক্তপাত ও ক্ষতির গভীরতা অনেক বেশি হয়। কিন্তু বাচ্চা বিড়াল কামড়ানোর জন্য এর ঝুঁকিটা কম থাকে তবুও বিড়াল জন্মানোর পর এদেরকে সবার মত ভ্যাকসিনেট করা প্রয়োজন।
বিড়াল কামড়ানোর কতদিনের মধ্যে জলাতঙ্কের টিকা দিতে হবে
বিড়ালের কামড়ের কারণে জলাতঙ্কের ঝুঁকি এড়াতে যত দ্রুত সম্ভব প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পন্ন করে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। মনে রাখবেন, এটিকে যত দেরি বা অবহেলা করবে এতে তত তাড়াতাড়ি মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাবে। সাধারণত বিড়াল কামড়ানোর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ডাক্তার টিকা দেওয়ার পাশাপাশি রেবিস ইনিউনগ্লবিউলিন প্রয়োগ করে সেটিও দিতে হবে। যদি এটি পাওয়া না যায় তাহলে তৃতীয়তম দিবে দুই বাহুতেই টিকা দিতে হবে।
আরও পড়ুনঃ বন্ধ্যাত্বের জন্য মানসিক রোগ দায়ী কিনা জানো
টিকা দেওয়ার জন্য দুই ধরনের পদ্ধতি রয়েছে একটি মাংসপেশিতে দেওয়া হয় আর অন্যটি চামড়ায় দেওয়া হয়। চামড়ায় দেওয়াটা বেশি কার্যকর কিন্তু দক্ষ জনবলের অভাবে তা সম্ভব হয়ে ওঠে না এজন্য মাংসপেশিতে টিকা দেওয়া হয়।
ব্যক্তির ঝুঁকিপূর্ণতার উপর নির্ভর করে যে তাকে কতটি ডোজ দেওয়া হবে। যদি বিড়াল কামড়ানোর 24 ঘন্টার মধ্যে ডাক্তারের থেকে টিকাটা দেওয়া হয় তাহলে এটি ভয়াবহ অবস্থায় চলে যেতে পারে। কারণ জলাতঙ্ক রোগ অনেক দেরিতে প্রকাশ পায়। দেরিতে প্রকাশ পাওয়ার কারণে অনেকে এটি অবহেলা করে কিন্তু প্রকাশ পেতে পেতে ভাইরাস ততক্ষণে পুরো দেহকে ইনফেকশনে ভরিয়ে দিয়ে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়। তাই এদিকে অবশ্যই সতর্কতার সাথে নিতে হবে।
বিড়ালের ভ্যাকসিনেশন এর প্রয়োজন আছে কিনা
বিড়ালের কামড়ের কারণে জলাতঙ্কের ঝুঁকি থেকে বাঁচতে হলে অবশ্যই বিড়ালকে ভ্যাকসিন দিয়ে রাখতে হবে। বিড়ালকে ভ্যাকসিন দিয়ে রাখলে সে কামড় দিলেও তার ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করবে না এবং জলাতঙ্ক রোগের সৃষ্টি করতে পারবে না। এছাড়াও বিড়ালের দীর্ঘদিন সুস্থ থাকার জন্য এই ভ্যাকসিনেশনের প্রয়োজন আছে। বিড়ালদের জন্য সবথেকে মারাত্মক সংক্রমণ হচ্ছে এই রেবিস ভাইরাস। আমাদের বিড়ালরা বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ুক এটা আমরা কখনোই চাইনা।
বিড়ালের ভ্যাকসিনেশনে কিছু নিয়ম রয়েছে। সাধারণত দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে বিড়ালকে ভ্যাকসিনেশনের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। একবার ভ্যাকসিন দেওয়ার এক বছর পর বুস্টার ডোজ দিতে হবে। বিড়ালের বয়স চার মাসের বেশি হলে ভ্যাকসিন দেওয়া ঠিক হবে কিনা সেটা ব্যাপারে পশু ডাক্তারের সাথে আলোচনা করতে হবে। সাধারণত বিড়ালের ভ্যাকসিন দুই ধরনের হয় একটি হলো FVCRP ও আরেকটি হল rabies এর টিকা। এসব টিকার মাধ্যমে বিড়ালকে সুস্থ রাখতে হবে।
পোষা বিড়াল কামড় দিলে কি করতে হবে
যদি আপনার পোষা বিড়াল আপনাকে কামড় দেয় সে ক্ষেত্রে রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি অনেকটা কম থাকতে পারে। কারণ সে কোন অরক্ষিত পরিবেশ বা বাহিরে ঘোরাফেরা করে না। সে আপনার বাসার মধ্যে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নভাবে ও নিরাপদ ভাবে অবস্থান করে যার সম্পর্কে আপনিও অবগত। তবে বিড়াল যদি ভ্যাকসিনেশনের আওতায় থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে টিকার কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু বিড়ালকে যদি কখনোই ভ্যাকসিন না দেওয়া হয় তবে সতর্কতার জন্য একটি বার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।
আরও পড়ুনঃ রাতকানা রোগের কারণ ও প্রতিকার
তবে অবশ্যই প্রথমে বিড়াল কামড় দিলে প্রাথমিক সর্তকতা হিসেবে সেই জায়গাটি ভালোভাবে গরম পানি ও সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর অ্যাডটি সেপটিক লাগিয়ে নিতে হবে। এক্ষেত্রে বিড়াল যদি ভ্যাকসিনেশন হয় তাও এই প্রাথমিক চিকিৎসাটি অনুসরণ করতে হবে। সাধারণত পোষা বিড়ালের কামড়ে তেমন কোনো ঝুঁকি নেই। কিন্তু সেই বিড়ালটি যদি অন্য জায়গা থেকে নতুন নতুন আসে তাহলে অবশ্যই ব্যাপারটাকে সতর্কতার সঙ্গে নিতে হবে এবং দুজনেরই ভ্যাকসিনেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।
সুস্থ বিড়াল কামড়ালে জলাতঙ্ক টিকার প্রয়োজন আছে কিনা
সুস্থ বিড়াল কামড়ালে জলাতঙ্ক টিকার কোন প্রয়োজন নেই। কারণ বিড়ালটি সুস্থ ও ভ্যাকসিনেটেড মানে হচ্ছে বিড়ালটির শরীরে কোন ধরনের সংক্রমণ বা রোগের সম্ভাবনা নেই। তার দ্বারা আপনারও আক্রান্ত হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। এ ধরনের বিড়ালের সংস্পর্শে থাকাটা নিরাপদ ও সুবিধাজনক। এবং ছোট বাচ্চারাও তাদের সংস্পর্শে নিরাপদে থাকতে পারবে। বিড়ালকে সুস্থ রাখতে হলে অবশ্যই পশু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সময়মতো তাকে ভ্যাকসিন দিতে হবে।
বিড়ালের সুস্থতার জন্য অবশ্যই তাকে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পশু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে। বিড়াল যেন বাহিরের কোন বিড়ালের সংস্পর্শে না আসে সেই বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। বিদেশী বিড়ালদের প্রতি একটু বেশি যত্নবান হতে হবে। সময় মতো তাদের ভ্যাকসিন সম্পন্ন করতে হবে এবং নিজে নিরাপত্তার স্বার্থের হইলেও এ বিষয়ে কোন অবহেলা করা ঠিক না।
লেখকের মন্তব্য
ব্যক্তিগতভাবে বিড়ালকে সবাই ভালোবাসে কারণ এটি খুব সুন্দর এবং আদর প্রিয় একটি প্রাণী এবং বলা হয় যে বিড়ালকে কাছে নিলে দুঃখ, কষ্ট কিছুটা কমে যায়। বিজ্ঞানীদের মতে বিড়ালরা খারাপ শক্তি শোষণ করতে পারে। আমার ইসলামেও বিড়াল পোষার ব্যাপারে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। তাই বিড়াল পোষার পাশাপাশি অবশ্যই বিড়ালের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেই বিড়াল আপনার বন্ধু হবে, সেই বিড়াল যেন বিপদের কারণ না হয় সেজন্য বিড়ালকে সময়মতো ভ্যাকসিন ও যেকোনো ধরনের সমস্যা হলে সতর্কতার সাথে পশু ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। তাহলে বিড়ালের কামড়ের কারণে জলাতঙ্কের ঝুঁকি আর থাকবে না। 251118




অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url