অর্ডিনারি আইটি https://www.ordinaryit.com/2022/12/manobadhikar.html

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৩ প্রতিপাদ্য - মানবাধিকার দিবসের ইতিহাস

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৩ প্রতিপাদ্য নিয়ে আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা করা হবে। প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্বের প্রতিটি দেশে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। প্রতি বছর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে একটি প্রতিপাদ্য বিষয় থাকে। এই আর্টিকেলে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৩ প্রতিপাদ্য সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। তাহলে চলুন আর দেরি না করে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৩ প্রতিপাদ্য বিষয় সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

পেজ সূচিপত্রঃ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৩ প্রতিপাদ্য

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৩ প্রতিপাদ্যঃ উপস্থাপনা

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হয় প্রতিবছর। যেখানে বিশ্বের প্রতিটি মানুষের সঠিক অধিকার দেওয়ার ব্যাপারে সকলকে সচেতন করা হয়। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা বিশ্ব মানবাধিকার দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। প্রতি বছর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে একটি নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বিষয় থাকে।

আরো পড়ুনঃ বিশ্ব শিশু দিবস কবে - বিশ্ব শিশু দিবস ২০২৩

সেই ধারাবাহিকতায় এ বছরও বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৩ প্রতিপাদ্য বিষয় থাকছে। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা এখন বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৩ প্রতিপাদ্য বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাহলে চলুন আজকে আমাদের মূল আলোচনা শুরু করা যাক।

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়। অন্যান্য দেশের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের ও এদিনটি অনেক মর্যাদা এবং গুরুত্বের সাথে পালন করা হয়। ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ এ দিনটিকে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেন। সার্বজনীন মানবাধিকার সংক্রান্ত ঘটনাকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই তারিখটি নির্ধারিত করা হয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সৃষ্টি জাতিসংঘের অন্যতম একটি বড় অর্জন ছিল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষ যেন তাদের অধিকার সমান ভাবে উপভোগ করতে পারেন সেদিকে লক্ষ্য রেখে প্রতিবছর এ দিনটিতে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। কারণ একজন মানুষ হিসেবে সকলের কিছু নির্দিষ্ট অধিকার রয়েছে যেগুলো সকল ধরনের মানুষের প্রয়োজন।

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস আজ

আজ ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৩ প্রতিপাদ্য নিয়ে আলোচনা করছি। তার আগে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়েছিল। ১৯৫০ সাল থেকে জাতিসংঘ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে ঘোষণা দেন এই দিনটিকে।

সেই দিন থেকে প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়ে আসছে। এছাড়া বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি তাদের পৃথক পৃথক ঘোষণা দিয়ে থাকেন প্রতিবছর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৬৬ সরকার গঠন করে পূর্বের বিচারহীনতার সংস্কৃতি অবসান ঘটিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলাম। এছাড়া মানুষের অধিকার সম্পর্কে তারা আরো কিছু মূল্যবান বক্তব্য দিয়েছেন।

আরো পড়ুনঃ বিশ্ব এইডস দিবস কবে - ১ ডিসেম্বর কি এইডস দিবস?

মানবাধিকার সুরক্ষার লক্ষে কমিশনকে আধুনিকায়ন করা ও কমিশনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সক্ষমতা এবং সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো সহ সকল ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে এই বলে আশ্বস্ত করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যেন সমান অধিকার পায় সেদিকে লক্ষ রাখতে বলেছে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের।

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কত?

মানবাধিকার দিবস জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বর পালন করা হয়। ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক বিশ্ব মানবাধিকার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। এরপর থেকে ১৯৫০ সালের ১০ ডিসেম্বর থেকে প্রতি বছর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালনের ঘোষণা দেওয়া হয় জাতিসংঘ থেকে। তাই প্রতিবছর বিশ্বের প্রতিটি দেশেই বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়।

এর সাথে বাংলাদেশ তাল মিলিয়ে প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করে থাকে। ১৯৫০ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৩১৭ পূর্ব অধিবেশনে ৪২৩ অনুচ্ছেদ এর মাধ্যমে সদস্য ভুক্ত দেশ সমূহ আগ্রহী সংস্থাগুলোকে দিনটি তাদের মত করে উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়।

প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তাদের নিজ নিজ বক্তব্য প্রদান করে থাকে মানবাধিকার নিয়ে। প্রতিটি মানুষকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা হয়।

বিশ্ব মানবাধিকার দিবসের ইতিহাস

প্রিয় পাঠক আজকেরে আর্টিকেলে আমরা বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৩ প্রতিপাদ্য নিয়ে আলোচনা করছি। ইতিমধ্যে আমরা বিশ্ব মানবাধিকার দিবস সম্পর্কে অনেকগুলো বিষয় জেনেছি এখন আমরা বিশ্ব মানবাধিকার দিবসের ইতিহাস সম্পর্কে আলোচনা করব। মানবাধিকার দিবস জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে পালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস।

প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার ঘোষণাপত্র জাতিসংঘ দ্বারা গৃহীত হয়। ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৩১৭তম পূর্ণ অধিবেশনে ৪২৩(৫) অনুচ্ছেদের মাধ্যমে সদস্যভূক্ত দেশসহ আগ্রহী সংস্থাগুলোকে দিনটি তাদের মতো করে উদ্‌যাপনের আহ্বান জানানো হয়।

মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে সমাবেশ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন ধরনের তথ্যচিত্র কিংবা চলচ্চিত্র প্রদর্শনী প্রধানত এ দিনের সাধারণ ঘটনা। ঐতিহ্যগতভাবে ১০ ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে প্রতি পাঁচ বৎসর অন্তর 'জাতিসংঘের মানব অধিকার ক্ষেত্র পুরস্কার' প্রদান করা হয়। এছাড়া নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান কার্যক্রমও এদিনেই হয়ে থাকে।

আরো পড়ুনঃ বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস কবে পালিত হয় - বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস ২০২৩

১৯৪৮ সাল থেকে প্রতি বৎসরের ১০ই ডিসেম্বর দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও গুরুত্বের সাথে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়।দিবসটি জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত এবং বিশ্বের সর্বত্র পালিত হয়। কিন্তু, দক্ষিণ আফ্রিকায় শার্পেভিল গণহত্যাকে স্মরণ করে দিবসটি উদযাপিত হয় ২১ মার্চ।

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৩ প্রতিপাদ্যঃ শেষ কথা

প্রিয় পাঠক আজকের এই আর্টিকেলে আমরা বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৩ প্রতিপাদ্য বিষয় এবং বিশ্ব মানবাধিকার দিবস সম্পর্কে অনেকগুলো তথ্য আলোচনা করেছি। আজ দারিদ্র্য বিশ্বে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে মানব অধিকারকে প্রতিপক্ষ হিসেবে নিয়েছে। দারিদ্র্য বঞ্চনা বর্জন ইত্যাদির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জয়ী হওয়া দাতব্য তহবিলের জন্য কোন বিষয়ই নয়।

দারিদ্র্য মোকাবিলায় দেশটি কতখানি ধনী তাও নির্ভরশীল নয়। দারিদ্রকে মোকাবিলার লক্ষ্যে মানব অধিকারকে সমুন্নত রাখতে হবে। বিশ্ব এটিকে সমূলে উৎপাটনের জন্য আরো বৃহৎ সুযোগ পাবে দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য এটি একটি বৃহৎ লক্ষ্য অর্জন। বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৩ প্রতিপাদ্য জানতে সম্পূর্ণ আর্টিকেল মনোযোগ সহকারে পড়ুন।১৬৮৩০

সূত্রঃ উইকিপিডিয়া

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?