অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য সেরা কিছু ফ্রি ওয়েবসাইট
বাংলাদেশ থেকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার সহজ ৫টি উপায়
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য সেরা কিছু ফ্রি ওয়েবসাইট আছে যা এখন
পর্যন্ত অনেকেরই অজানা। ফলে অনেকেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে
চাইলেও করতে পারেনা। কেননা এ বিষয়টি তে তারা অজানা। সেজন্য আজকে আমি এই বিষয়ে আলোচনা করবো বিস্তারিতভাবে।
আর আপনিও যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে চান খুব সহজভাবে সেরা উপায়ে
তাহলে আপনার জন্য আমার এই পোস্টটি খুব কাজের হবে। বিস্তারিত জানতে আমার
সম্পূর্ণ পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে আসুন। যেখানে নতুন থেকে অভিজ্ঞ মানুষদের জন্য হবে ফলপ্রসূ।
পেজ সূচিপত্র:- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য সেরা কিছু ফ্রি ওয়েবসাইট
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য সেরা কিছু ফ্রি ওয়েবসাইট
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ধারণা
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধা
- ফ্রি ওয়েবসাইট দিয়ে কিভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে
- ফ্রি ওয়েবসাইট দিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার সুবিধা
- নতুনদের জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার গুরুত্ব
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য দুটি জনপ্রিয় ফ্রি ওয়েবসাইট
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার ক্ষেত্রে সমস্যা ও এর সমাধান
- লেখকের শেষ কথা
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য সেরা কিছু ফ্রি ওয়েবসাইট
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য সেরা কিছু ফ্রি ওয়েবসাইট যে
ওয়েবসাইটগুলো অনেক জনপ্রিয় আয় করার জন্য। এ সকল ওয়েবসাইটে অ্যাফিলিয়েট
মার্কেটিং এর কাজ করে কোন পূর্ণ মজুদ না করেই কমিশন ভিত্তিক ইনকাম করা যায়। এই
কাজটা বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অন্যান্য দেশের সাথে
তাল মিলিয়ে। অল্প বয়সের ছেলে মেয়েরা খুব সহজে এই কাজ শিখে নিজের হাত খরচের
টাকা ইনকাম করতে পারছে। নতুনদের জন্য এই প্লাটফর্ম গুলো অনেক উপকারী কারণ এতে
বিভিন্ন ধরনের পণ্য প্রচারের মাধ্যমে ইনকাম করার সুযোগ আছে। নিচে কিছু ফ্রি
ওয়েবসাইটের বিষয়ে তুলে ধরা হলো।
১. Amazon associates: এই ওয়েবসাইটটি অনেক জনপ্রিয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
প্রোগ্রাম এর জন্য। হাজার হাজার মানুষ এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন
প্রচার করে কমিশন ভিত্তিক ইনকাম করছে। এখানে নিজের ওয়েবসাইট, ব্লগ এবং সোশ্যাল
মিডিয়া শেয়ারের মাধ্যমে নতুনরা খুব ভালো ইনকাম করছে।
২. Clickbank: এই ওয়েবসাইট মূলত ই-বুক, কোন কিছুর কোর্স এবং সফটওয়্যার প্রচারের
মাধ্যমে মার্কেটিং করা হয়। অন্যান্য সকল মার্কেটিং এর তুলনায় এখানে কমিশন ভাল
পাওয়া যায়। ওয়েবসাইটটা তুলনামূলকভাবে অন্যান্য ওয়েবসাইটের তুলনায় ব্যবহারের
দিক দিয়ে সহজ।
৩. Digistore24: এই ওয়েবসাইট ব্যবহারের ক্ষেত্রে এতটাই সহজ যে বর্তমান সময়ে
নতুনরা খুব সহজে একাউন্ট তৈরি করে এবং সে সাথে সুন্দরভাবে প্রচার করতে পারছে। এটা
সাধারণত বিচার প্রোডাক্ট প্রচার করে থাকে। এই ওয়েবসাইট সহজ এবং ফ্রি
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটপ্লেস।
৪. ShareASale: এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যদি কোন একাউন্ট তৈরি করা যায় তাহলে
বিভিন্ন কোম্পানির প্রোডাক্ট প্রচারের মাধ্যমে কমিশন ইনকাম করা যায়। এই
মার্কেটপ্লেস এর মাধ্যমে অনেক বড় কোম্পানি এবং অনলাইন স্টোর এর মত জায়গায়
প্রোডাক্ট প্রচার করা যায়।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বর্তমান সময়ে এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে এর জন্য অনেক
ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে, যে ওয়েবসাইট গুলো দিয়ে খুব সহজে অ্যাকাউন্ট তৈরি
করে ইনকাম করার রাস্তা বানানো যায়। আমি নিজে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য এই
চারটি ওয়েবসাইট ব্যবহার করার জন্য পরামর্শ দিব। কারণ দিন পরিবর্তন এর সাথে সাথে
অনলাইন জগতে ওয়েবসাইটে কাজ করাও অনেক সহজ হয়ে উঠেছে।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ধারণা
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অনলাইন বিজনেসকে একটা নতুন লেভেলে নিয়ে গিয়েছে।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল সাধারণত কারোর ব্যবসার পণ্যকে প্রচার করার মাধ্যমে
বিক্রি করাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলে। এই মার্কেটিং এর মাধ্যমে ব্যবসায়িকের কোন
ইনকাম আসে না, যা ইনকাম হয় সেটা হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং যে করে। অ্যাফিলিয়েট
মার্কেটার পণ্য প্রচারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন ইনকাম করে থাকে। সেই
সাথে ব্যবসায়ীকে তার প্রাপ্য পণ্যের দাম দিয়ে থাকে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর
বড় সুবিধা হল নিজে কোন পণ্য মজুদ করা লাগে না, অন্য একজনার কোম্পানির পণ্য
অনলাইনে বিক্রি করার মাধ্যমে ইনকাম করা যায়।
কিছু কিছু কোম্পানি আছে যারা নির্দিষ্ট পরিমাণ লিংক দিয়ে থাকে, যে লিংকের
মাধ্যমে পণ্য কিনলে এটা নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাওয়া যায়। কোন ক্রেতা যদি সেই
লিংকে ক্লিক করে পণ্য ক্রয় করে, তাহলে সেই বিক্রির মাধ্যমে মার্কেটার নিজের
কমিশন পেয়ে থাকে। এই মার্কেটিং পদ্ধতিটা সাধারণত অনলাইন ভিত্তিক হয়ে থাকে।
অনলাইনের মাধ্যমে এই পণ্যের প্রচার করে ইনকাম করা যায়। এখান থেকে যে ইনকাম আসে
সেটা কোন বেতন ভিত্তিক না, একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশনের উপর নির্ভর করে ইনকাম
করা যায়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইনকামের তারতম্য হয়। কখনো কখনো লাভ বেশি এবং
কখনো কখনো লাভ কম থাকে, সেটা সাধারণত নির্ভর করে পণ্যের কোয়ান্টিটির বিক্রির
উপর। এইভাবে অনলাইনের মাধ্যমে মার্কেটিং করে ইনকাম করা যায়।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য সেরা কিছু ফ্রি ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানা অনেক জরুরি। মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল মূলত এক ধরনের মার্কেটিং যা অন্যের পণ্যকে সাধারণের
কাছে পৌঁছে দেওয়া। এই মার্কেটিং সাধারণত ড্রপ শিপিং এর মত। এফিলিয়েট মার্কেটিং
এর মূল কাজ অন্য একজনের প্রোডাক্টকে অনলাইনে অ্যাডভার্টাইজ করার মাধ্যমে বিক্রি
করা। এই মাধ্যমে বিক্রি করার জন্য বিভিন্ন রকমের অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করা
হয়। যেমন facebook, instagram ও কখনো কখনো ইউটিউবেও এ মার্কেটিং করা হয়। এই সকল
সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে অন্য একজন সাপ্লায়ের এর পণ্যকে শেয়ার করে পণ্যের সকল
তথ্য দিয়ে ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করা হয়।
মানুষজন এই সকল পণ্য ক্রয় করে মার্কেটিং এর একটি লিংক দিয়ে। পণ্যের advertise
করা হয় বিভিন্নভাবে যেমন কখনো কখনো ভিডিও বানিয়ে অথবা কখনো পোস্ট করে বিক্রি
করার জন্য শেয়ার করা হয়। এই সকল কনটেন্ট তৈরি করে মূল কাজ হল ট্রাফিক নিয়ে
আসা। যত বেশি মানুষ এফিলিয়েট মার্কেটিং এর লিংকে ক্লিক করবে তত বেশি ট্রাফিক
আসবে। যখন মানুষজন সেই সকল পণ্য কিনবে তখন সেখান থেকে একটা কমিশন আলাদা করে
বিক্রি করা হয়। সাপ্লায়ার যে দাম দেয় আর মার্কেটার যে দাম দেয় এ দুটো মূল্য
আলাদা। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সাধারণত এভাবে কাজ করে থাকে।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধা
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সব থেকে বড় সুবিধা হল সাপ্লায়ার এবং ক্রেতার মধ্যে
একটা সুসম্পর্ক তৈরি হয়। এটা সাধারণত মার্কেটার তৈরি করে থাকে। অনলাইন জগতে
ইনকাম করা সব থেকে বড় উপায় হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। এই মার্কেটিং এর মাধ্যমে
নিজের কোন পণ্য মজুদ না করেই ইনকাম করা যায় কমিশনের মাধ্যমে। এটার জন্য
সাপ্লায়ার সাধারণত সুযোগ দিয়ে থাকে মার্কেটারদের। এতে যেমন সাপ্লায়ারের সুবিধা
তাদের পণ্য বিক্রি হয় ঠিক সেভাবে মার্কেটারদের ইনকাম হয় কমিশনের মাধ্যমে। সব
থেকে বড় সুবিধা হলো মার্কের্টারদের, কারণ তাদেরকে কোন পণ্য কিনে রাখতে হয় না।
এছাড়াও এই কাজটা করতে হলে বেশি টাকার প্রয়োজন হয় না।
শুধুমাত্র অনলাইনে কিছু সেটিং করে
অল্প পরিমাণ টাকা দিয়ে অ্যাড চালিয়ে কাজ শুরু করা যায়। এই কাজ করতে হলে কোন
প্রতিষ্ঠানে যাওয়া লাগে না কিংবা সাপ্লাইয়ের এর কাছে বসে থেকে কাজ করা লাগে না।
বাসায় বসে অনলাইনে কাজ করা যায় ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে। আমার দেখা অনেক তরুণ
যুবকেরা আছে যারা এ সকল কাজ করে নিজের হাত খরচ এর টাকা ইনকাম করছে। তাদের এ কাজ
করতে কোন অফিস টাইম দরকার হয় না। সারাদিনের মধ্যে যেকোনো সময় কাজটা করা যায়।
তবে এ কাজের জন্য কিছু নির্দিষ্ট সময় আছে যা ভালোমতো করে জানলে ইনকাম নিয়ে আসা
সম্ভব। সকল কৌশল অবলম্বন করে যদি এই কাজ ধারাবাহিকভাবে করা যায় তাহলে আশা করি
আয়ের সম্ভাবনা অনেক বেশি হবে।
ফ্রি ওয়েবসাইট দিয়ে কিভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে
নতুন যুবকেরা ফ্রি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ করে থাকে।
কিছু কিছু ওয়েবসাইট আছে সেগুলো সাধারণত ফ্রি কোন টাকা দিয়ে কেনা প্রয়োজন হয়
না। ঝুঁকির পরিমাণ কমিয়ে তরুণেরা এ সকল ওয়েবসাইট দিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে
থাকে। ফ্রি ওয়েবসাইট গুলোতে নিজস্ব একটা অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হয়। এই
অ্যাকাউন্ট তৈরি করার জন্য কোন টাকা ইনভেস্ট করার প্রয়োজন হয় না। বিনামূল্যে
ওয়েবসাইটে একটা অ্যাকাউন্ট তৈরি করা যায়। তারপরে একটা নির্দিষ্ট নিস নির্বাচন
করতে হয়। এই নিস সাধারণত নির্ধারণ করে যে আপনি কোন ধরনের প্রোডাক্ট নিয়ে
মার্কেটিং করবেন। কিছু কিছু নিস আছে যেগুলো অনেকগুলো প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করার
ধারণা দেয়, আবার কিছু নিস আছে যেগুলো একটি নির্দিষ্ট পণ্য নিয়ে মার্কেটিং করার
ধারণা তুলে ধরে।
এই ধরনের নিস ব্যবহার করে একটি কনটেন্ট তৈরি করে মার্কেটিং শুরু করা যায়। তবে সে
কনটেন্ট এর মধ্যে প্রোডাক্টের রিভিউ দিলে সেটা খুব ভালো হয়। যেমন পণ্যের সুবিধা
এবং ব্যবহার ভালোমতো কনটেন্টে তুলে ধরলে সেটা জনসাধারণের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ
বলে মনে হয়। কনটেন্ট যুক্ত করার পরে সেখানে একটা অ্যাফিলিয়েট লিংক যুক্ত করতে
হয়। যে লিংকে যেকোনো মানুষ ক্লিক করলে সে পণ্যের রিভিউ দেখার পাশাপাশি অর্ডার
করতে পারবে। লিংক যুক্ত করার পরে সেটা ফেসবুকের মত বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে
শেয়ার দিতে হয়। সেজন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য সেরা কিছু ফ্রি ওয়েবসাইট সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।
ফ্রি ওয়েবসাইট দিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার সুবিধা
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আমাদের সমাজে অনেক তরুণ ছাত্র-ছাত্রীরা নিজের হাত
খরচের টাকা ইনকাম করে থাকছে। এতে তাদের ঘরের বাইরে কোন প্রতিষ্ঠানে যে কাজ করা
লাগছে না। একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে তারা এফিলিয়েট মার্কেটিং এর
কাজ শুরু করতে পারে। এর জন্য নির্দিষ্ট কিছু কৌশল আছে যেগুলো মেনে কাজ করলে
এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ করা যায়। এই ওয়েবসাইট তৈরি করতে হলে নির্দিষ্ট কিছু
ফ্রি ওয়েবসাইট ব্যবহার করা ভালো বলে আমি মনে করি। এতে কোন খরচের সম্ভাবনা থাকে
না। যারা নতুন কাজ শুরু করে তাদের জন্য এই ফ্রি ওয়েবসাইটগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে কোন টাকার ঝুঁকি ছাড়াই কাজ করা যায় এবং সেটা শেখাও যায়। এই ওয়েবসাইট
দিয়ে কাজ শুরু করতে হলে কোন টাকার প্রয়োজন হয় না।
বিনামূল্যে কাজ শুরু করা যায়। সব থেকে বড় বিষয় হলো এই ওয়েবসাইটগুলোতে কোডিং
এর কোন ঝামেলা নেই, কোডিং জানা ছাড়াই এই ওয়েবসাইট বানানো যায়। কৌশল অবলম্বন
করে ওয়েবসাইট তৈরি করলে খুব তাড়াতাড়ি ইনকাম শুরু করা যায়। বর্তমান সময়ে তরুন
যুবকেরা খুব কম সময়ে এই কাজ করে অনেক ভালো ইনকাম করছে। এই কাজ শিখতে হলে অনলাইনে
অনেক ফ্রী ভিডিও আছে যা শিখে তারা কাজ শুরু করে দিতে পারে। শুরুতে তারা ফ্রি
ওয়েবসাইট ব্যবহার করে যখন কাজ শুরু করে তখন একটা ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে সফল হলে পেইড সাইট দিয়ে তারা তাদের ইনকামের পরিধি আরো বাড়াতে পারে। এ
সকল সুযোগ-সুবিধা থাকে ফ্রি ওয়েবসাইটে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য।
নতুনদের জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার গুরুত্ব
বর্তমানে শতকরা ৯০ ভাগ তরুণ-যুবকেরা ইনকামের উৎস হিসেবে বেছে নিচ্ছে অনলাইন
আর্নিং। এই আর্নিং এর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এফিলিয়েট
মার্কেটিং। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে তারা অনেক ভাল ফলাফল পায়, যেখানে তাদের
কোন টাকা ইনভেস্ট করার সম্ভাবনা থাকে না। বিনামূল্যে তারা এ কাজ শুরু করে অনেক
ভালো ইনকাম নিয়ে আসতে পারে। অনলাইনে ক্যারিয়ার শুরু করার ক্ষেত্রে এই এফিলিয়েট
মার্কেটিং সেরা। এফিলিয়েট মার্কেটিং একটি সুন্দর ক্ষেত্র তরুন যুবকদের শেখার
জন্য। এই মার্কেটিং এর ধারণা খুব সহজে ইউটিউব থেকে পাওয়া যায়। সেখানে বিভিন্ন
রকমের ভিডিও দেখে এ মার্কেটিং সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এতে তাদের ডিজিটাল
স্কিল টা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকে।
কিছু কিছু ফ্রী ওয়েবসাইট আছে যেগুলোতে কোন রকমের টাকা বিনিয়োগ ছাড়াই ওয়েবসাইট
তৈরি করা যায়। এবং এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ শুরু
করা যায়। তারপরে অন্য দিয়ে কিভাবে করে সুন্দর কনটেন্ট তৈরি করা যায় সে সকল
বিষয়ে জানার জন্য অনেক ভিডিও থাকে ইউটিউবে। যেগুলো সাধারণত ফ্রি এবং শেখার
ক্ষেত্রে অনেক সহজ। যুবকরা এ সকল ভিডিও ভালোমতো দেখে ধীরে ধীরে ইনকাম শুরু করতে
পারে। দিনের পর দিন তারা যখন এই কাজ করে থাকে তখন তাদের ইনকাম আসতে আসতে বাড়ে।
এই সকল ধারণা নিয়ে তারা ভবিষ্যতে অনেক ভালো এবং বড় ব্যবসা শুরু করতে পারবে।
সেজন্য আমি বলব কোন প্রকারের টাকা বিনিয়োগ না করে অনেক ফ্রী ভিডিও দেখে
এফিলিয়েট মার্কেটিং এর ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করে দেয়া উচিত।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য দুটি জনপ্রিয় ফ্রি ওয়েবসাইট
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য সেরা কিছু ফ্রি ওয়েবসাইট যা নতুন তরুণেরা এ
কাজ শুরু করতে চাইলে অনেক ফ্রী ওয়েবসাইট আছে যেগুলো ব্যবহার করতে পারে। এই
ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করা খুবই সহজ যদি সঠিক কৌশল মোতাবেক কাজ করা যায়। একটি
হলো ব্লগার আরেকটি হলো ওয়ার্ডপ্রেস। এ দুটি প্লাটফর্মে হল মূলত ওয়েবসাইট তৈরি
করার প্লাটফর্ম। ব্লগার সাধারণত আর্টিকেল রাইটিং কিংবা কোন পণ্যের রিভিউ তৈরি
করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। আর ওয়ার্ডপ্রেস হলো এক ধরনের ই-কমার্স ওয়েবসাইট
তৈরি করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এ দুটো ওয়েবসাইট সেটাপ করা খুবই সহজ।
ইউটিউবে অনেক ভিডিও আছে যেগুলোতে দেখানো হয়েছে এ সকল ওয়েবসাইটগুলো কিভাবে সেটাপ
করতে হয়।
সে সকল ভিডিও থেকে ধারণা নিয়ে এই ওয়েবসাইট বানানো যায়। ব্লগার ওয়েবসাইটে
সবথেকে বড় সুবিধা হল কোন রকমের হোস্টিং কিনতে হয় না। Google নিজে থেকেই হোস্টিং
সরবরাহ করে থাকে। যা দরকার হয় সেটা হল ডোমেইন সেটআপ করা। ঠিক একই ওয়ার্ডপ্রেস
এর ক্ষেত্রেও একই কাজ। নতুন যুবকদের জন্য এই দুটো প্লাটফর্ম অনেক গুরুত্বপূর্ণ
কাজ শুরু করার জন্য। এই দুটো প্লাটফর্ম সাধারণত সরবরাহ করে থাকে ফ্রি ওয়েবসাইট।
তাদের কাজ শুরু করার জন্য এ প্লাটফর্ম গুলো অনেক উপযোগী। তবে আমার কাছে সব থেকে
বেশি উপযোগি ওয়েবসাইট মনে হয় সেটা হল ব্লগার। ব্লগার ব্যবহার করা খুবই সহজ এতে
কোন কোডিং এর ধারণা থাকা লাগে না। এই ব্লগারের নিজস্ব টেমপ্লেট থাকে যেগুলো
ভালোমতো কৌশল জেনে সেটাপ করা যায়।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার ক্ষেত্রে সমস্যা ও এর সমাধান
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য প্রথমে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হওয়া লাগে।
তবে সেটা ক্ষেত্র বিশেষের উপর নির্ভর করে। সঠিক কৌশল মেনে কাজ করলে অ্যাফিলিয়েট
মার্কেটিং করা খুবই সহজ বলে আমি মনে করি। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে ওয়েবসাইট ভালো
মতো চালানো গেলেও ট্রাফিক ঠিকমতো আসে না। সেজন্য যুবকেরা প্রায়ই হতাশা হয়ে
যায়। তবে এই সমস্যার মূল কারণ আমি মনে করি ঠিকমতো কন্টেন্ট তৈরি না করা। অনেক
সময় দেখা গেছে কনটেন্ট ঠিকমতো না তৈরি করার কারণে আশা অনুযায়ী ট্রাফিক নিয়ে
আসা যায় না। সেজন্য আমি বলব কনটেন্ট ভালো মতো এবং মানসম্মত তৈরি করতে হবে।
একমাত্র কনটেন্টটি মূল যেটা এই মার্কেটিংকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
তারপরে আরেকটা সমস্যা বেশি হয় সেটা হল সঠিক পণ্য নির্বাচন করা। অনেক সময় দেখা
গেছে এমন কিছু পণ্য নির্বাচন করার ফলে আশা অনুযায়ী সেল নিয়ে আসা যায় না।
সেজন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে পণ্য নির্বাচন করতে হবে অনেক
গুরুত্ব সহকারে। এছাড়াও কিছু কিছু ছোটখাটো সমস্যা হয় সেগুলো হল ভালোমতো
মার্কেটিং না করা। অর্থাৎ মার্কেটিং কোন সময় বেশি এবং কোন সময় করার দরকার নাই
সেগুলো ভালো মতো করে অনুধাবন করতে হবে। আমাদেরকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে দিনের
কোন সময় বেশিরভাগ মানুষ অনলাইনে কাটায়। সে সময়গুলোতে advertise গুলো ভালোমতো
করে তাদের কাছে পৌঁছাতে হবে। এই দিকগুলো খেয়াল করলে আমি মনে করি মার্কেটিং করা
খুব একটা কঠিন হবে না বলে আমি মনে করি।
লেখকের শেষ কথা
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য সেরা কিছু ফ্রি ওয়েবসাইট সম্পর্কে আমি এই
আর্টিকেলে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। আমি মনে করি এখানে এমন কিছু তথ্য দেওয়া
হয়েছে যেগুলো অনেক উপকারী হবে যারা নতুন কাজ শুরু করবে। এছাড়াও এখানে অনেক
সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে যেগুলো কাজ শুরু করার সময় সম্মুখীন হওয়া লাগে। এখানে
আমি সেগুলো সমস্যার সমাধান এবং তাদের গুরুত্ব সম্পর্কে সহজ ভাবে বর্ণনা করেছি।
আমি আশাবাদী এই সকল তথ্য ভালোমতো করে অনুধাবন করলে ভবিষ্যতে একটা ভালো ফলাফল
পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। 260207




অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url