OrdinaryITPostAd

ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি

ব্যাকলিংক কি এবং ব্যাকলিংক সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চান? তবে আপনি সম্পূর্ণ সঠিক জায়গায় এসেছেন। কারণ আজকে আমি আমার আর্টিকেলটিতে এই বিষয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আলোচনা করব।
ব্যাকলিংক-তৈরি-করার-মাধ্যমে-ওয়েবসাইট-র‍্যাঙ্ক-করার-সহজ-পদ্ধতি
বর্তমান সময়ে অনেকেই জানেনা ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করা যায়। যার জন্য খুব ভালো মানের ওয়েবসাইট হলেও র‍্যাঙ্ক আসে না। তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরে আসুন।

পেজ সূচিপত্রঃ ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি সমূহ

ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি

ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারলে আমরা যেকোনো ওয়েবসাইটকে খুব সহজে র‍্যাঙ্কে নিয়ে আসতে পারবো। গুগলে ভালো পজিশনে আসবে এমন কিছু ট্রেন্ডিং কিওয়ার্ড আমাদেরকে ব্যবহার করতে হবে। বর্তমান সময়ে যেসব বিষয়বস্তু নিয়ে মানুষ আর্টিকেল লিখছে সেগুলো বিষয় ভালোমতো করে আমাদেরকে রিসার্চ করতে হবে। 

১.এই ছবিতে একটি এসইও কন্টেন্ট রাইটিং টুলের ড্যাশবোর্ড দেখানো হয়েছে। যেখানে একটি আর্টিকেলের উপরে আমাদেরকে কোন কোন বিষয় খেয়াল রাখতে হবে সেগুলো বিস্তার ভাবে বুঝানো হচ্ছে। অডিয়েন্স টার্গেট অনুযায়ী কিওয়ার্ড রিসার্চ করা এবং সেটা সার্চ ভলিউম ভালোমতো করে তদারকি করা।
ব্যাকলিংক-তৈরি-করার-মাধ্যমে-ওয়েবসাইট-রেঙ্ক-করার-সহজ-পদ্ধতি
২.এখানে ওয়েবসাইটের ব্যাক লিংক এর রিপোর্ট এবং ব্যাকলিংকের বিশ্লেষনের ড্যাশবোর্ড দেখানো হচ্ছে। এখানে পরিষ্কারভাবে বুঝানো যাচ্ছে যে ডোমেইন এবং পেজের অথরিটি কি রকম এবং ব্যাকলিংকের মান ও এর ট্র্যাকিং তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
ব্যাকলিংক-তৈরি-করার-মাধ্যমে-ওয়েবসাইট-রেঙ্ক-করার-সহজ-পদ্ধতি
৩.এই ছবিতে একটি ইন্টারফেস দেখানো হয়েছে যেটা সাধারণত ব্লগ পোস্টের ইন্টারফেস। যেখানে আর্টিকেল এসইও করার জন্য বিভিন্ন টুলস এর বিষয়ে বিস্তারিতভাবে চিহ্নিত করা আছে। পাবলিশ করা, ট্যাগ যুক্ত করা এবং ছবি আপলোড করার সময় প্রয়োজনীয় সব সেটিং সম্পর্কে বুঝানো হয়েছে।
ব্যাকলিংক-তৈরি-করার-মাধ্যমে-ওয়েবসাইট-রেঙ্ক-করার-সহজ-পদ্ধতি
৪.এখানে যে ড্যাশবোর্ড এর ছবি দেওয়া হয়েছে সেখানে দু মিনিটের রেটিং DR 72 সম্পর্কে বুঝানো হয়েছে। এছাড়াও এখানে কত রকমের তথ্য আছে সেটা ১.৮ মিলিয়নের উপরের ব্যাকলিংক এ তথ্য দেওয়া হয়েছে সে সম্পর্কে বুঝানো হয়েছে। টিক চিহ্নের মাধ্যমে যেগুলো তুলে ধরা হয়েছে সেখানে ব্যাকলিংক এর তালিকা এবং ডু ফলো লিংকের ধরন সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে।
ব্যাকলিংক-তৈরি-করার-মাধ্যমে-ওয়েবসাইট-রেঙ্ক-করার-সহজ-পদ্ধতি

ব্যাকলিংক কি এবং ব্যাকলিংক বলতে কি বুঝায়

ব্যাক লিংক সাধারণত একটি অনলাইন সার্ভিস এটাকে অনেকে অনলাইন রেফারেন্সও বলে থাকে। এটার মূল কাজ হল কোন এক ওয়েবসাইটে অন্য এক ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়া। এটা সাধারণত দেওয়ার মূল কারণ হলো ওয়েবসাইটের বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করা। এরকম অনেক বিশ্বাসযোগ্য ওয়েবসাইট আছে যারা লিংক সরবরাহ করে থাকে। তাদের লিংক যখন আপনি আপনার ওয়েবসাইটে ব্যাকলিংক করবেন, তখন মানুষের মধ্যে আপনার ওয়েবসাইটের প্রতি একটা অন্যরকম বিশ্বাস তৈরি হবে। যেমন অন্য কোন এক ওয়েবসাইট যখন তোমার ওয়েবসাইটে ঠিকানা তার ওয়েবসাইটে দিবে তখন তোমার ওয়েবসাইটের পরিচিতি বাড়বে এবং বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হবে।
ব্যাকলিংক-কি-এবং-ব্যাকলিংক-বলতে-কি-বুঝায়
এটা সাধারণত এক ধরনের সুপারিশ যেমন একজনের কাছে আমরা আরেকজনের সুপারিশ করি এটাও ঠিক একই রকম। এই ব্যাক লিংক করলে তোমার ওয়েবসাইটে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর আসবে। যখন মানুষ সে লিংকে ক্লিক করবে তখন তারা সরাসরি তোমার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে। এইভাবে করে তোমার ওয়েবসাইট গুগলের সার্চ ইঞ্জিনে একটা ভালো গুরুত্ব পাবে। এভাবে করে তুমি তোমার ওয়েবসাইটকে বহু মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারবে ব্যাকলিংক এর মাধ্যমে। আমি মনে করি প্রতিটি নতুন ফ্রিল্যান্সারের উচিত তার ওয়েবসাইট এর ব্যাক লিংক নিয়ে আসা। এতে তাদের ওয়েবসাইটের রেঙ্ক উন্নত হয় এবং সেটা গুগলের একটা ভালো পজিশনে চলে আসে। ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি সঠিকভাবে মেনে কাজ করলে সহজেই র‍্যাঙ্ক করানো যায়।

ব্যাকলিংকের প্রকারভেদ

ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি ও কৌশল মেনে কাজ করার আগে আমাদের জানতে হবে ব্যাক লিংক এর প্রকারভেদ। কিছু কিছু ওয়েবসাইট আছে যারা ব্যাকলিংক সরবরাহ করে থাকে। তাদের ওয়েবসাইটে যখন আমার ওয়েবসাইট ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করবে তখন আমার ওয়েবসাইটের একটা পরিচিতি বাড়বে ভিজিটরের কাছে। তবে এখানে আমাদেরকে বুঝতে হবে ব্যাক লিংক এর বিভিন্ন রূপ। সব ব্যাক লিংক একই রকম হয় না। কিছু কিছু ব্যাক লিঙ্ক আছে যেগুলো অনেক শক্তিশালী প্রভাব ফেলে আপনার ওয়েবসাইটে আবার অনেক ব্যাকলিংক আছে যেগুলো কম প্রভাব ফেলে আপনার ওয়েবসাইটে। এই সকল দিক দিয়ে ব্যাকলিংকের কিছু প্রকারভেদ আছে।

  1. Do follow লিংক আসলে একটি গুরুত্বপূর্ণ লিংক এই লিংকের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের Seo ভ্যালু সরাসরি বাড়ে।
  2. No follow লিংক এর ধরন আলাদা এটা আপনার ওয়েবসাইটে প্রভাব অন্যভাবে ফেলে, মূলত এটা প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক নিয়ে আসে আপনার ওয়েবসাইটে।
  3. ন্যাচারাল লিংক সাধারণত এমন একটি লিংক যেটা কেউ নিজে থেকে যদি দেয় তাহলে সে লিংককে বুঝায়।
  4. ম্যানুয়াল লিংক এর কাজ একটু ভিন্ন, নিজে থেকে চেষ্টা করে যখন কেউ লিংক নেয় তখন সে লিংককে ম্যানুয়াল লিংক বলে।
  5. পেইড লিংক বলতে বুঝায় সরাসরি টাকা দিয়ে কোন লিংক কিনে নেওয়াকে।
এই সকল লিংকগুলোর পার্থক্যের কারণে একেকটা একেক রকম কাজ করে থাকে। তবে প্রতিটা লিংকের এক একটি গুনাগুন রয়েছে। কোন লিংক আপনাকে প্লাটফর্মে সাপোর্ট করবে আবার কোন লিংক আপনার আর্টিকেলের অভ্যন্তরে সাহায্য করবে আপনার ওয়েবসাইটকে র‍্যাঙ্ক করতে।

ভালো ব্যাকলিংক কিভাবে চিনবো

ওয়েবসাইটে আপনি যখন বিভিন্ন রকমের আর্টিকেল লিখবেন তখন সেটাকে দ্রুতভাবে গুগলে ভালো পজিশনে নিয়ে আসতে ব্যাক লিঙ্ক বিভিন্নভাবে সাহায্য করে। তবে কিছু কিছু ব্যাকলিংক আছে যেগুলো ক্ষতিকর। সেজন্য আমি বলবো সব ব্যাকলিংক একই রকম হয় না। আমাদেরকে আমাদের ওয়েবসাইটের আর্টিকেলের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ব্যাকলিংক ব্যবহার করতে হবে। সে সকল সতর্কতা মেনে আমাদেরকে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। প্রথমত আমাদেরকে ব্যাকলিংক ব্যবহার করার আগে দেখতে হবে উন্নতমানের সাইট কি না। উন্নত মানের ওয়েবসাইট বলতে যে সকল ওয়েবসাইট জনপ্রিয় এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বহন করে সে সকল ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে।
তবে এখানে আমি যে বিষয়টা বেশি গুরুত্ব দিয়ে বলবো সেটা হলো আপনার আর্টিকেলের টপিকের উপর নির্ভর করে সব সময় রিলেটেড বিষয়ক ব্যাকলিংক নিবেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্প্যামি সাইট এড়িয়ে চলতে হবে নিজের ওয়েবসাইটকে ভালো রাখতে হলে। এগুলো সাধারণত আপনাদের ওয়েবসাইটের উপরে একটা খারাপ প্রভাব ফেলে। পরবর্তীতে যে সেটা গুগলে ভালো গুরুত্ব পাইনা। অরিজিনাল কনটেন্ট লিংক সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। আমাদেরকে অরিজিনাল কনটেন্ট লিংকগুলোর মধ্যে দেখতে হবে যে আর্টিকেলের ভিতরে লিংক আছে কিনা। সে সকল অরিজিনাল কনটেন্ট লিংক হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। অরিজিনাল হলে বুঝে নিতে হবে যে সে ওয়েবসাইটের ট্রাফিক গুলো সাধারণত অরিজিনাল। কারণ অনেকে প্রতারণা করে ট্রাফিক নিয়ে আসে। যেগুলো পরবর্তীতে গুগল অ্যালগরিদম ভালোমতো বুঝে নেয়। 

ব্যাকলিংক তৈরি করার সহজ উপায়

আমরা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি যে কিভাবে করে অন্য ওয়েবসাইটের মধ্যে নিজের ওয়েবসাইটকে ব্যাক লিঙ্ক করা অথবা নিজের ওয়েবসাইটের মধ্যে অন্যের অরিজিনাল এবং জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুলো ব্যাকলিংক হিসেবে ব্যবহার করা। যেমন গেস্ট পোস্ট করা এটা মূলত অন্য একটি আর্টিকেল লিখে সেটাকে আরেকটি আর্টিকেলে লিংক হিসেবে ব্যবহার করা। তারপরে সাইটকে লিস্টিং ওয়েবসাইটে ভালোভাবে যোগ করাকে আমরা অনলাইন জগতে বলি ডিরেক্টরি সাবমিশান। এটা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। তবে আমার কাছে যে পদ্ধতি সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় সেটা হল আর্টিকেলের কোন অংশে আলোচ্য বিষয় সম্পর্কিত অন্য একটি আর্টিকেল এর লিংক সেখানে যোগ করা।

এতে যখন কোন পাঠক সে আর্টিকেল পড়বে এবং লিংকটা দেখতে পারবে তখন সে পরবর্তীতে ওই লিংকেই প্রবেশ করবে। এভাবে করে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক নিয়ে আসা যায়। এছাড়াও অন্যান্য সকল সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও ব্যাকলিংক করা যায়। যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদির মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্ম গুলোতে আপনার কনটেন্ট ছড়িয়ে দিলে সেটা ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করে। কমেন্ট করাও একটি ছোট ব্যাকলিংক তৈরি করার মত। কোন একটি প্রসঙ্গীত তথ্যের উপর নির্ভর করে কমেন্ট করলে সেটা ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করে। এভাবে করে আপনি নিজে নিজে ব্যাক লিংক তৈরি করতে পারবেন যদি কৌশল গুলোকে ভালোমতো বুঝতে ও ধারণ করতে পারেন।

ব্যাক লিংকের গুরুত্ব সমূহ

ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি গুলো আপনি যদি জেনে থাকেন তাহলে খুব সহজেই ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করাতে পারবেন। আমাদের মধ্যে অনেকে আছে যাদের ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করে না। কারণ ব্যাক লিংক আর্টিকেলকে SEO করতে অনেক বড় ভূমিকা রাখে। আমি মনে করি আপনার ওয়েবসাইটের মানকে গুগলের সুন্দরভাবে বুঝাতে এই ব্যাক লিংক সহায়তা করে। আপনি যদি উন্নত মানের ভালো লিংক ব্যবহার করে থাকেন তাহলে গুগলের সার্চ রেজাল্টে উপরে আসতে আপনার আর্টিকেলকে সাহায্য করে। সেই সাথে আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইনকে আরো বেশি শক্তিশালী করে তোলে।

কারণ যখন আপনার ওয়েবসাইটের মধ্যে ট্রাফিক বেশি আসবে তখন সেটা গুগলের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বেশি পাবে। ব্যাক লিংক এর মাধ্যমে আপনি অগণিতক ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারবেন আপনার ওয়েবসাইটে। তবে আপনার ওয়েবসাইটে তথ্য বিষয়ক সকল আর্টিকেল থাকা লাগবে। অনেকে আছে আর্টিকেল যেমন তেমন করে লিখে রাখে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয় না। যখন আপনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপনার আর্টিকেলে দিবেন তখন সেটা একটা ব্র্যান্ড পরিচিতির মত কাজ করে। ধীরে ধীরে মানুষ তোমার ওয়েবসাইটকে চিনবে। পরবর্তীতে যেতে তোমার ওয়েবসাইট একটা বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করবে প্রতিটা অডিয়েন্সের কাছে।

ব্যাকলিংক ফ্রি পাওয়ার উপায়

আমি আগেই বলেছি কিছু কিছু ব্যাক লিঙ্ক আছে যেগুলো সাধারণত পেইড হয়ে থাকে। এখন আমি আপনাদের কাছে তুলে ধরব ব্যাক লিঙ্ক কিভাবে ফ্রি পাওয়া যাবে। সঠিক কৌশল মেনে কাজ করলে ব্যাকলিঙ্ক ফ্রী পাওয়ার উপায় গুলো আপনি জানতে পারবেন। কারন টাকা ছাড়া অনেক জায়গা থেকে আপনি ব্যাকলিংক জোগাড় করতে পারবেন। যেমন ব্লগের নিচে কমেন্ট করলে অর্থাৎ প্রাসঙ্গিক কোনো তথ্যের উপর ভিত্তি করে যদি আপনি মন্তব্য করেন তাহলে সেটা আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ফ্রি ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করে। আবার আপনি চাইলে আপনার প্রোফাইলে আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক যুক্ত করতে পারবেন। এতে করে এটা একটা বড় ধরনের ফ্রি ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করবে।
যদি ভালোমতো ব্যাকলিংক নিয়ে আসতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ফ্রি বিজ্ঞাপন পোস্ট করতে হবে। এতে করে আপনার ওয়েবসাইটটা একটা ক্লাসিফাইড সাইট হিসেবে ফুটে উঠবে। আবার আপনি সোশ্যাল বুক মার্কিন হিসেবেও কনটেন্ট গুলো জমা দিতে পারবেন। এটা সাধারণত পুরোপুরি ফ্রি। কোন রকমের হয়রানির শিকার হতে হয় না। কিছু কিছু প্ল্যাটফর্মে অনেক গ্রুপ থাকে যেগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর থাকে। সেগুলোতে আপনার ওয়েবসাইটকে লিংক হিসেবে ব্যবহার করতে হবে এতে করে কমিউনিটির গ্রুপে আপনার ওয়েবসাইটের একটা পরিচিতি বাড়বে এবং সে সাথে পরবর্তীতে যেয়ে আপনার ওয়েবসাইট জনপ্রিয়তা লাভ করবে। সেজন্য আমি মনে করি প্রথম অবস্থায় একজন freelancer কে ফ্রি ব্যাক লিঙ্ক ব্যবহার করা উচিত।

ব্যাকলিংকের সুবিধা এবং অসুবিধা

ব্যাকলিংক করলে যে আপনার ওয়েবসাইট ধারাবাহিকভাবে ট্রাফিক আনতে পারবে এবং google এ একটা ভালো পজিশনে আসবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একরকম নয়। আমি এখন বলব ব্যাক লিংক এর কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা।

সুবিধা
  1. আপনার ওয়েবসাইটকে গুগলের ভালো রেংকিং এ নিয়ে আসতে সাহায্য করে।
  2. পেইড ট্রাফিক এর তুলনায় অর্গানিক ট্রাফিক প্রচুর পরিমাণে চলে আসে ওয়েবসাইটে।
  3. ওয়েবসাইটের একটা জনপ্রিয়তা তৈরি হয় এবং google এ একটা ভ্যালু আসে। 
  4. প্রচুর পরিমাণে নতুন নতুন ভিজিটর পাওয়া যায়। 
  5. কৌশল ভাবে কাজ করলে ভবিষ্যতে একটা দীর্ঘ সময় ধরে লাভ করা যায়।

অসুবিধা
  1. ব্যাক লিঙ্কের এর কারণে কখনো কখনো গুগল থেকে পেনাল্টি চলে আসে। অর্থাৎ গুগল আপনাকে কিক করে দেয় 
  2. খারাপ লিংক ব্যবহার করলে আপনার ওয়েবসাইটের মান ধীরে ধীরে কমে যাবে এবং google এর ভালো পজিশন থেকে একবারে নিচু পজিশনে চলে আসে। 
  3. কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে অতিরিক্ত লিঙ্ক হওয়ার কারণে স্প্যাম ট্যাগ চলে আসে। 
  4. সেই সাথে টাকাও অনেক খরচ হয়। পরবর্তীতে যে পেইড লিংক কাজে নাও আসতে পারে।
  5. পরে যে দেখা যায় আপনার ওয়েবসাইটের যে বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হয়েছিল সেটা ধীরে ধীরে কমে আসে।

নতুন ওয়েবসাইটে ব্যাকলিংক কিভাবে শুরু করব

নতুন নতুন ওয়েবসাইট আর্টিকেল লিখলে সেটাকে ব্যাকলিঙ্ক করতে হবে ধীরে ধীরে। কারণ শুরুতে যদি বেশি ব্যাকলিংক করা হয় তাহলে সেটা সমস্যা হতে পারে ওয়েবসাইটের জন্য। সেজন্য অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে নতুন নতুন ফ্রিল্যান্সাররা এই ব্যাক লিংকের চক্করে পড়ে ওয়েবসাইটের ক্ষতি করেছে। সেজন্য আমি কিছু নির্দেশনা দিব যেগুলো মেনে কাজ করলে আশা করা যায় ব্যাকলিংক ব্যবহার করার সঠিক কৌশল জানতে পারবেন। প্রথমে কনটেন্ট তৈরি করতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে কনটেন্ট এর মধ্যে তথ্য গুলো যেন আসল তথ্য হয়। তারপর ট্রাফিক নিয়ে আসতে চাইলে আপনার নিজের ব্যবহারকৃত সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে শেয়ার করতে হবে। এতে ভিজিটর ধীরে ধীরে আসে।
নতুন-ওয়েবসাইটে-ব্যাকলিংক-কিভাবে-শুরু-করব
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ওয়েবসাইটকে ভালোভাবে তৈরি করতে হলে প্রাথমিক সাইটে গেস্ট পোস্ট করতে হবে এবং ধীরে ধীরে বড় সাইটে যেতে হবে। তবে এগুলো সকল পদ্ধতি শুধুমাত্র নির্ভর করে আপনার কাজের ধরনের উপর। আপনাকে অবশ্যই প্রতিনিয়ত কনটেন্ট তৈরি করতে হবে এবং সেগুলো যোগ করতে হবে আপনার ওয়েবসাইটে। যখন google দেখবে আপনার কাজের ধারাবাহিকতা। তখন সেই ওয়েবসাইটকে গুগল বেশি গুরুত্ব দেয়। সেজন্য নিত্য নতুন কনটেন্ট তৈরি করতে হবে ওয়েবসাইটের জন্য। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে সেটা হল লিংক ব্যবহার করতে হবে ধীরে ধীরে। একসাথে অনেকগুলো লিঙ্ক একটা আর্টিকেলের ব্যবহার করা উচিত না। এ সকল নির্দেশনা গুলো মেনে যদি সঠিক কৌশলে কাজ করা যায় তাহলে আমি মনে করি নতুন ওয়েবসাইটে ব্যাক লিংক শুরু করা খুবই সহজ।

লেখকের শেষ মন্তব্য

ব্যাকলিংক তৈরি করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্ক করার সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে আমি উপরোক্ত আর্টিকেলে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। যেখানে একজন নতুন ফ্রিল্যান্সারের জন্য তথ্যগুলো অনেক উপকারী হবে। এখানে আমি ব্যাকলিংকের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করেছি। বিশেষ করে তুলে ধরেছি কিছু ভুল কৌশলের মাধ্যমে নিজের ওয়েবসাইটের মান নষ্ট হওয়ার কারণ। আশা করি এ সকল তথ্য অনেক সহায়তা করবে আপনার ওয়েবসাইটকে একটা ভালো রেঙ্ক এ নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে। 260207 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url