OrdinaryITPostAd

মোবাইল দিয়ে কনটেন্ট রাইটিং করে আয় করার উপায়

নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস

মোবাইল দিয়ে কনটেন্ট রাইটিং করে আয় করার উপায় এই বিষয়টি সবথেকে জনপ্রিয় বিষয় হয়ে উঠেছে। শুধু ঘরে বসে আয় করাই নয়, নিজের প্রতিভা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে সুন্দর রাইটিং এর মাধ্যমে আর্টিকেল তৈরি করে গুগল প্লাটফর্ম ছড়িয়ে দাওয়াই কন্টেন্ট রাইটিং।

মোবাইল-দিয়ে-কনটেন্ট-রাইটিং-করে-আয়-করার-উপায়

এই পেশার মাধ্যমে মানুষ প্রতিমাসে লাখ টাকা আয় করছে। এই কনটেন্ট রাইটিং জন্য প্রয়োজন শুধু একটি মোবাইল, ইন্টারনেট, নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা ও ধৈর্য। তাহলেই হতে পারে, একজন বিখ্যাত কন্টেন্ট রাইটার। শিক্ষা,শিল্প,ব্যবসা ইত্যাদি নানা বিষয় নিয়ে কনটেন্ট যায়।

পেজ সূচিপত্রঃমোবাইল দিয়ে কনটেন্ট রাইটিং করে আয় করার উপায়

মোবাইল দিয়ে কনটেন্ট রাইটিং করে আয় করার উপায়

এআই এর যুগে কনটেন্ট রাইটার এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কারণ এআইয়ের কথাগুলো অনেকগুলো কন্টেন্ট থেকে কপি করে একটা সম্মিলিত লেখা প্রকাশ করে। যার লেখাগুলো বোঝাই যায় যে এগুলো মেশিন দিয়ে লেখা এবং এসব লেখাতে কোন আবেগ নেই কোন অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু এই যুগে এসে যারা কন্টেন্ট রাইটিংকে পেশা হিসেবে নিয়েছে তারাই জানে ভালো একটি আর্টিকেল লিখতে পারলে সেটা মানুষ এর ধারণা পরিবর্তন করতে পারে এবং তার মধ্য দিয়ে মানুষ অনেক কিছু শিখতে ও জানতে পারে এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্পর্কেও উপলব্ধি করতে পারে।

মোবাইলের গুগল ব্লগার অ্যাপটি নামিয়ে নিয়ে সেখান থেকে লেখালেখি কাজ শুরু করা যেতে পারে। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক,ইউটিউব, টুইটার ইত্যাদি প্লাটফর্ম দিয়ে নিজের লেখা লেখি কাজ শুরু করা যাবে। চাইলে নিজের একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট তৈরি করে গুগলে সেটা লাইভ করে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে ডলার আয় করা যায়। এছাড়াও বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস যেমন ফাইবার, আপওয়ার্ক ইত্যাদি প্লাটফর্মে পোর্টফোলিও তৈরি করে কনটেন্ট রাইটার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা যায়।

বাংলাদেশে আরেকটি জনপ্রিয় কন্টেন্ট রাইটিং এর জন্য বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান রয়েছে যার নাম হল অর্ডিনারি আইটি। এখানে বাংলায় কনটেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণে আয় করা সম্ভব। এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলা কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে চাকরির সুযোগ দেয়। প্রতিমাসে পাঁচ থেকে 15 হাজার টাকা আয় করা সম্ভব এই প্রতিষ্ঠানের চাকরির মাধ্যমে। নিজের একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট শুরু করতে চাইলেও এই প্রতিষ্ঠান থেকে সব সেবা ও সুবিধা নিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা যেতে পারে।

এই লিংকে ক্লিক করে ভর্তি হওয়ার ফর্ম :অর্ডিনারি আইটি

কনটেন্ট রাইটিং কি

মোবাইল দিয়ে কনটেন্ট রাইটিং করে আয় করার উপায় সম্পর্কে জানতে হলে আগে জানতে হবে যে এই কনটেন্ট রাইটিং টা কি। এটা মূলত এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে কোন নির্দিষ্ট একটি বিষয় নিয়ে নিজের মতাদর্শ, অনুভূতি, অভিজ্ঞতা ও নিজের সৃজনশীলতা ব্যবহার করে একটি অনন্য লেখা তৈরি করা যাকে বলা হয় আর্টিকেল। নিজে লেখা মধ্য দিয়ে পাঠককে বিনোদন দেওয়া বা কোন শিক্ষামূলক উপদেশ ও জীবনাদর্শ উপহার দেওয়া যায়।

মোবাইল-দিয়ে-কনটেন্ট-রাইটিং-করে-আয়-করার-উপায়

কন্টেন্ট রাইটিং হল একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম এখানে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে, ব্লগ পোস্ট তৈরির মাধ্যমে ও ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে লেখালেখি করে আয় করার সুযোগ আছে। তাই যাদের লেখালেখির প্রতি আগ্রহ তাদের জন্য ঘরে বসে আয় করার এটি একটি সুবর্ণ সুযোগ। এছাড়াও নিজের একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট থাকলে গুগল এডসেন্সের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন দেখিয়েও ডলার আয় করা যায়। মূলত এটি নির্ভর করে পাঠকের ভিউয়ের উপর। তাই অবশ্যই বিষয়বস্তু সম্পন্ন কনটেন্ট লেখা উচিত।

কনটেন্ট রাইটিং তৈরি করে কিভাবে

যাদের লেখালেখির প্রতি অনেক আগ্রহ আছে তারা এদের খুব ভালোভাবেই জানে যে কিভাবে কোন বিষয় নিয়ে লেখা শুরু করতে হয়। প্রথমেই নির্দিষ্ট কোন বিষয় নির্বাচন করে সেই বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। সেটা হতে পারে কোন উৎস থেকে বা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে। এরপর সেই তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে যা ফল আসে তা নিজের সৃজনশীলতা ও অনুভূতি মিশিয়ে একটি মানসম্পন্ন আর্টিকেল বানিয়ে নিতে হয়। এরপর একটি নির্দিষ্ট কন্টেন্ট রাইটিং প্লাটফর্মে প্রকাশ করতে হয়।

একটি লেখা তৈরি করার সময় অবশ্যই অডিয়েন্সের কথা মাথায় রাখতে হবে। কি লেখা লিখছেন তার উপর নির্ভর করে অডিয়েন্স কারা হবে। এই অডিয়েন্সের উপরে নির্ভর করবে লেখালিখি দিয়ে আয় করার প্রক্রিয়া। এছাড়াও লেখার মধ্যে কিওয়ার্ড রিসার্চ টাও মাথায় রাখতে হবে। কারণ সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ না করলে গুগলের এসইও পাবে না এবং এসইও না পেলে গুগলের সার্চ রেজাল্টে রাঙ্ক এ আসবেনা আর লেখা যদি সার্চ রেজাল্টে নাই আসে তাহলে বিয়েও হবে না এবং ডলার আসবে না।

কোন ধরনের লেখা মানুষের কাছে বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করে

একটি লেখার জন্য প্রথমে সঠিক বিষয় নির্বাচন করতে হবে।মোবাইল দিয়ে কনটেন্ট রাইটিং করে আয় করার উপায় সম্পর্কে জানতে হলে অবশ্যই কোন বিষয়গুলো মানুষের কাছে বেশি জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্যতা পায় সেসব বিষয়ের প্রতি মনোযোগী হতে হবে এবং সেই সব বিষয় নিয়েই লেখালেখি করলে পাঠকের কাছে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। যেমন ইসলামিক বিষয়, আত্মজীবনী, বৈজ্ঞানিক কল্প কাহিনী, রোমান্স, বিনোদন সম্পর্কিত ও সুস্বাস্থ্য সম্পর্কিত ইত্যাদি এসব বিষয় পাঠকের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ আর্টিকেল লেখার নিয়ম গুলো কি তা দেখে দিন

তবে অবশ্যই যেগুলো পাঠকের কাছে তেমন কোন গ্রহণযোগ্যতা পায় না সেইসব বিষয় নিয়ে লেখা লেখি না করাই ভালো। লেখালেখির মান অবশ্যই ভালো হতে হবে এবং তথ্যবহুল ও বিষয়বস্তু থাকতে হবে। যদি অন্য কোন আর্টিকেল থেকে কোন বিশেষ অংশ নেয়া হয় তাহলে লেখার শেষে সেই আর্টিকেলের ক্রেডিট দিতে হবে। কিন্তু লেখালেখির মধ্যে কোন প্রকার ১৮ প্লাস বা বিভেদ সৃষ্টি করে এ ধরনের লেখা থেকে বিরত থাকতে হবে।

কোন কোন প্লাটফর্ম থেকে কনটেন্ট রাইটিং শুরু করতে হবে

নিজে লেখালেখির জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং নিজে ব্লগিং ওয়েবসাইট বা অন্য কোন আর্টিকেল ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যেতে পারে। লেখালেখির জন্য গুগলের সবথেকে ভালো অ্যাপ হচ্ছে ব্লগার অ্যাপ। নিজের একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট তৈরি করে এই অ্যাপের মাধ্যমে লেখালেখি করে গুগল এডসেন্স দিয়ে ডলার আয় করা সহ বিজ্ঞাপন দেখেও ডলার আয় করা সম্ভব। এছাড়াও ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে যুক্ত হওয়া যেতে পারে।

বাংলাদেশের রাজশাহীতে অর্ডিনারি আইটি নামে একটি জনপ্রিয় ব্লগিং প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেখানে ৭ দিনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শেখানো হয় যে কিভাবে বাংলা লেখালেখি করে প্রতিমাসে আয় করা যায়। চাইলে এই কোম্পানিতে চাকরি করা যাবে আবার কিভাবে বাংলায় লেখালেখি করলে আয় করে নিজের ব্লগিং ওয়েবসাইট দিয়ে আয় করা যায় সেই সম্পর্কেও গাইডলাইন দেওয়া হয়। 

এছাড়াও রয়েছে মিডিয়াম, কেয়ার টিউটর ইত্যাদি লেখালেখির জন্য প্লাটফর্ম। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, লিঙ্কটেন ইত্যাদি প্লাটফর্মে পেজ তৈরি করার মাধ্যমে নিজের লেখাগুলো শেয়ার করে আয় করা যায়।

কিভাবে কনটেন্টে ভিউ বাড়াবেন

লেখালেখি করার সময় পাঠকের ভিউ থাকবে এমন ধরনের বিষয় ও শিরোনাম নির্বাচন করা বেশি দরকার। যেহেতু এই কাজটি ডিজিটাল প্লাটফর্মে তৈরি করতে হবে এজন্যই আয় করার জন্য পাঠকের ভিউ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই লেখালেখি শুরু করার পূর্বে ট্রেন্ডিং বিষয় কি কি আছে সেগুলো নিয়ে লেখালেখি করা ভালো। এর পাশাপাশি নিজস্ব ব্লগ ওয়েবসাইট আর্টিকেল লিখলে এসইও এর বিষয়টা ঠিক রাখতে হবে। এজন্য বিষয়ের শিরোনামের সাথে মিল রেখে সঠিকভাবে ফোকাস কিউবার রিসার্চ করে নিতে হবে।

মোবাইল-দিয়ে-কনটেন্ট-রাইটিং-করে-আয়-করার-উপায়

এছাড়াও ফোকাস কিওয়ার্ড সঠিক পরিমাণে রাখতে হবে। লেখালেখিতে যদি ফোকাস কিওয়ার্ড এর পরিমাণ অনেক বেশি হয়ে যায় তখন এটি গুগলের সার্চ রেজাল্ট এর রেঙ্কে আসবেনা। গুগোল অ্যাডসেন্স অ‍্যাপ্রুভাল পাওয়ার জন্য নিয়মিত আর্টিকেল পোস্ট করে যেতে হবে। এছাড়াও চাকরি করা সম্ভব। অর্ডিনারি আইটেতে বাংলায় লেখালেখি করে প্রতিমাসে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আর করা যায়।

কনটেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে আয় করার প্রধান শর্ত

মোবাইল দিয়ে কনটেন্ট রাইটিং করে আয় করার উপায় সম্পর্কে জানতে হলে অবশ্যই জানতে হবে যে এর মাধ্যমে আয় করার প্রধান শর্তটা কি। প্রথমত বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা থাকতে হবে। কোথাও থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সেটাকে বিশ্লেষণ করে নিজের মত সুন্দর করে সাজিয়ে নিয়ে লেখার দক্ষতা থাকতে হবে। তাছাড়া এই পেশায় ক্যারিয়ার করতে হলে যে বিষয়টি অবশ্যই থাকতে হবে সেটা হলো ধৈর্য আর ধারাবাহিকতা মেনে চলতে হবে। নিয়মিত লেখা পোস্ট করার মাধ্যমে নিজের উপস্থিতিতে সজাগ রাখতে হবে।

আরও পড়ুনঃ অরডিনারি আইটি থেকে কি কি শেখা যাবে দেখে দিন

এছাড়াও ট্রান্ডিং বিষয় নিয়ে মতামত কি। চিন্তা ভাবনা কি সেগুলো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি করলে খুব দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। তবে অবশ্যই লেখার সময় ব্যাকরণ সঠিক রাখতে হবে এবং সুন্দরভাবে বাক্য গঠন করে মনে ভাব প্রকাশ করতে হবে। এর পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করার জন্য নিজের পোর্টফোলিও খুব সুন্দরভাবে সাজিয়ে দিতে হবে। আর অবশ্যই এসইও এর ব্যাপারটি শিখে এই লেখালেখি করাই ভালো।

কনটেন্ট রাইটিং কে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার সুবিধা

স্বাধীনভাবে কাজ করার জন্য কনটেন্ট রাইটিং হতে পারে একটি সঠিক পেশা কারণ এখানে কারোর আওতায় কাজ করতে হয় না। স্বাধীনভাবে নিজের মতো করে লেখা পোস্ট করে বিভিন্ন প্লাটফর্মে বা গুগোল এডসেন্সের মাধ্যমে ডলার আয় করে স্বাবলম্বী হওয়া যায়। এছাড়াও এই পেশাটি হচ্ছে সৃজনশীল তাই যাদের লেখালেখি করতে অনেক ভালো লাগে তাদের জন্য এটি একটি সেরা। যদি ভালো মানে লেখা পাঠকের উপহার দেওয়া যায় এবং পাঠকের তা পছন্দ হয় তাহলে জনপ্রিয় ও সময়কার সেলিব্রিটি বনে যাওয়া যায়।

কনটেন্ট রাইটিং করার অসুবিধা

অনেক তো জানলাম যে মোবাইল দিয়ে কনটেন্ট রাইটিং করে আয় করার উপায় সম্পর্কে কিন্তু এই পেশাটাতে অসুবিধা কি আছে। আসলে প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয় নির্বাচন করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে।এছাড়াও ডেডলাইন পূরণ করাও মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে যদি কনটেন্ট লেখার পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। এছাড়াও এসইও যদি পাঠকের সাথে প্রাসঙ্গিক না হয় তখন লেখা পোস্ট করার মাধ্যমে পাঠকের ভিউ আসবে না আর সেই সাথে তৈরি হবে এক অসহ্য মানসিক যন্ত্রণা ও অর্থনৈতিক অনিরাপত্তা।

লেখকের মন্তব্য

আমার মতে এই পেশাটি কেরিয়ার হিসেবে নির্বাচন করা যেতে পারে। কারণ মুক্তভাবে আয় করার জন্য এটিও অনেক ভালো মাধ্যম। মোবাইল দিয়ে কনটেন্ট রাইটিং করে আয় করার উপায় ও  যাদের লেখালেখি ও  কাজের প্রতি আগ্রহ আছে তাদের জন্য এটি একটি সুবর্ণ সুযোগ এবং ধৈর্য সহকারে ও নিয়মিত ধারাবাহিকতা অনুসরণ করলে এবং বিষয় নির্বাচন ও এসইও পাঠকের সাথে প্রাসঙ্গিক হলে খুব দ্রুত এই ক্যারিয়ারের মাধ্যমে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব। এছাড়াও ডিজিটাল প্লাটফর্মে জনপ্রিয়তা অর্জন করা যায়। 251118

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url