OrdinaryITPostAd

এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল বারবার রিজেক্ট হওয়ার ৮ টি কারন কারণ

গুগল এডসেন্স একাউন্ট খোলার নিয়মএডসেন্স অ্যাপ্রুভাল বারবার রিজেক্ট হওয়ার কারণ সম্পর্কে আজকে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা গুগল থেকে আয় করতে চায় কিন্তু জানেই না যে গুগলে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রভাল না থাকলে সেখান থেকে আয় করা সম্ভব হয়ে ওঠেনা।

এডসেন্স-অ্যাপ্রুভাল-বারবার-রিজেক্ট-হওয়ার-কারণ

তাই আমাদেরকে জানতে হবে যে গুগলে এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়াটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং কোন কারণ যার কারণে এডসেন্স অ্যাপ্রভাল এর জন্য আবেদন করলেও সেটা রিজেক্ট হয়ে যায়।অবশ্যই কনটেন্ট এর মান  হলে গুগল কখনোই এডসেন্স অ্যাপ্রভাল দিবে না। 

পেজ সূচিপত্রঃএডসেন্স অ্যাপ্রুভাল বারবার রিজেক্ট হওয়ার কারণ

এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল বারবার রিজেক্ট হওয়ার কারণ

এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল বারবার রিজেক্ট হওয়ার কারণ অনেক রয়েছে কারণ এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল ততক্ষণ পর্যন্ত না আসে যতক্ষণ না গুগলের সমস্ত পলিসি সঠিকভাবে মানা হয়। প্রধান যে কারণ সেটা হল কন্টেন্টের মান ঠিক রাখা। যদি কন্টেন্ট অনেক খারাপ মানের হয় এবং সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ না করা হয় এবং সেটি যদি অন্য কারোর থেকে চুরি করা হয়ে থাকে তাহলে গুগল কখনো সে কনটেন্ট এর উপর এডসেন্স এপ্রুভাল দেবে না।

এছাড়াও কন্টেন্টের উপর পাঠকের যদি খারাপ মনোভাব থাকে এবং পাঠক যদি রিভিউ দেয় খারাপ তখন গুগলের তরফ থেকে একটি নেগেটিভ ইম্প্রেশন তৈরি হয়ে যায় যার জন্য গুগল অ্যালগোরিদম সহায়তা করে না। এছাড়াও গুগলের কিছু পলিসি রয়েছে যেমন কনটেন্ট যেন অন্যের মূল্যবোধে আঘাত না আসে, ১৮ প্লাস, রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা ইত্যাদি সম্পর্কিত কন্টেন্ট লিখলে সেগুলো বাতিল করে দেয় এবং এর জন্য এডসেন্স অ্যাপ্রভাল আসেনা।

এছাড়া যে ওয়েবসাইটে লেখাগুলো পোস্ট করা হচ্ছে সেটির নেভিগেশন ও ইন্টারফেস ডিজাইন যদি ব্যবহারকারী বান্ধব না হয় তাহলে অ্যাপ্রুভাল পেতে অনেক দেরি হয়ে যায়। কারণ ব্যবহারকারী যে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে লেখাগুলো পড়বে সে ওয়েবসাইট যদি ব্যবহারকারী নিজেই বুঝতে না পারে তাহলে তারা লেখার পড়ার কোন আগ্রহ পাবে না এবং পরবর্তীতে আর এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে না এর মাধ্যমে কোন ভিউ আসবে না। আর ভিউ না হলে অ্যাপ্রুভাল পেতে দেরি হবে।

এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল কি

সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে যেমন মনিটাইজেশন পেলেই ডলার আসা শুরু হয় তেমনি গুগলের জন্য অ্যাডসেন্স অ্যাপ ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। গুগলে কোন ব্লগ, আর্টিকেল ইত্যাদি এগুলো লিখলে বা কোন কনটেন্ট তৈরি করলে সেখান থেকে টাকা আয় করার জন্য যেটা প্রয়োজন হয় সেটা হলো গুগলের এডসেন্স অ্যাপ্রভাল। এটা ওই অনেকটা সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে মনিটাইজেশন পাওয়ার মতো। এই অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রভাল না থাকলে কোন টাকা আসবে না। অবশ্যই গুগলের পলিসি মানলেই এডসেন্স অ্যাপ্রভাল আসে।

এডসেন্স-অ্যাপ্রুভাল-বারবার-রিজেক্ট-হওয়ার-কারণ

এই অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য অবশ্যই কনটেন্ট এর মান অনেক ভাল হতে হবে। কখনোই কপিরাইট ইউজ করা উচিত না। এতে গুগল কনটেন্ট এর উপর কোন এডসেন্স অ্যাপ্রভাল প্রয়োগ করে না। এই অ্যাপ্রুভালটার জন্য একজন ব্লগার বা কনটেন্ট রাইটার প্রতিমাসে হাজার থেকে লাখ টাকা আয় করতে পারে এবং পুরোটাই ঘরে বসেই।

গুগলের এডসেন্স অ্যাপ্রভাল কতটা গুরুত্বপূর্ণ

এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল বারবার রিজেক্ট হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানার আগে এটা জেনে নিতেই হবে যে এই এডসেন্স অ্যাপ্রভাল ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্লগার বা কনটেন্ট রাইটারদের জীবনে। এটাই সর্বোচ্চ প্রাপ্তি একজন কন্টেন্ট রাইটার এর জন্য কারণ এই অ্যাপ্রুভালটা আসলেই সে তার লেখা থেকে আয় করতে পারে গুগল এর মাধ্যমে। এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে বিজ্ঞাপন দেখিও বেশ ভালো পরিমানে আয় করা যায় এবং প্যাসিভ ইনকামের জন্য এটি একটি খুব ভালো একটা মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

আরও পড়ুনঃ গুগলের সার্চ কন্সোল থেকে ইনডেক্স রিকুয়েস্ট পাঠানোর উপায়

এছাড়াও এটা একজন কন্টেন্ট রাইটার জীবনে একটি সম্মান ও স্বীকৃতি যে যদি তার লেখা অনেক ভাল হয় এবং এডসেন্স এপ্রুভাল থাকে ও কোনরকম গুগল পলিসি বিরুদ্ধাচরণ কন্টেন্ট না থাকে তাহলে গুগল সেই ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট রাইটারকে সম্মাননা প্রদান করে এবং গুগল সার্টিফাইড হওয়ার কারণে পাঠকরা অনেক বিশ্বাস করতে শুরু করে এবং তাতে একটি পজিটিভ ভিউ ও ইম্প্রেশন তৈরি হয় যেটা গুগলের সার্চ রেজাল্টে ও অন্যকে রেকমেন্ড করতে আরও বেশি সহযোগিতা করে।

এডসেন্স অ্যাপ্রভাল পাওয়ার জন্য ভালো মানের কনটেন্ট কতটা গুরুত্বপূর্ণ

গুগলের এডসেন্স অ্যাপ্রভাল পাওয়ার মাধ্যমে আয় করার জন্য কনটেন্ট এর মান ভালো রাখাটাই হচ্ছে সব থেকে প্রধান কাজ এবং প্রথমে এই দায়িত্বটাই নিতে হবে। কনটেন্ট এর মান যদি ভাল হয় তাহলে সেখান থেকে শুধু আয় করা যাবে এমনটা নয়, গুগল দ্বারা সার্টিফাইড হওয়া যাবে যেটা খুবই সম্মাননার একটা বিষয়। তাই অবশ্যই কোনো কপিরাইট যুক্ত কন্টেন্ট বা অন্যের থেকে চুরি করে লেখা নিজের বলে চালিয়ে দেওয়া এ ধরনের কন্টেন্ট লেখা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।

কনটেন্ট লেখার সময় নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বা নিজের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে কন্টেন্ট লিখলে সেটা আরো বেশি প্রাণবন্ত ও পাঠকদের পড়তে সাহায্য করে। কারোর লেখা থেকে কোন বিশেষ অংশ নিজের লেখাতে লাগালে অবশ্যই সেখানে ক্রেডিট দিতে হবে এবং কন্টেন্ট অবশ্যই তথ্যবহুল হবে যাতে পাঠকরা সেখান থেকে পড়ে কিছু শিখতে পারে। সেই সাথে নিজের ওয়েবসাইট বা যেখানে ব্লক পোস্ট লেখালেখি হয় সেই সাইটটার নেভিগেশন ও ইন্টারফেস ডিজাইন অনেক সুন্দর ও ব্যবহারকারী বান্ধব হতে হবে।

কিভাবে তাড়াতাড়ি গুগল এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাওয়া যায়

গুগল এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাওয়ার জন্য অবশ্যই কিছু নিয়ম নীতি মেনে চলতে হবে। সেইসব নিয়ম-নীতি যদি খুব সুন্দর ভাবে প্রথম থেকে পালন করা যায় তাহলে তত তাড়াতাড়ি এডসেন্স অ্যাপ্রভাল চলে আসবে। সর্বপ্রথম কন্টেন্টের মান ঠিক রাখতে হবে। কন্টেন্ট হতে হবে অনন্য যেটা আগে কখনো গুগলে পাবলিশ করা হয়নি এবং পাঠকরা সেখান থেকে কিছু শিখতে ও জানতে পারে ও এর মাধ্যমে পজিটিভ ইমপ্রেসন তৈরি হয়। প্রতি মাসে কমপক্ষে ৪ থেকে ৫০০ শব্দের কন্টেন্ট লিখতে হবে এই এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাওয়ার জন্য।

এছাড়াও ওয়েবসাইটের ডিজাইন, ইন্টারফেস, নেভিগেশন, ইউজার এক্সেসিবিলিটি সুন্দর ও সহজ বদ্ধ করতে হবে যাতে যে কোন পাঠকরা সেখানে প্রবেশ করলে তাদের কাঙ্খিত লেখা বা অংশবিশেষ খুঁজে পায়। অবশ্যই ওয়েবসাইটের এড্রেস সেকশন যেখানে আবাউট আস ইত্যাদি অংশ থাকে, সেসব জায়গায় তথ্যগুলো একদম সঠিক ও পরিষ্কার রাখতে হবে যাতে পাঠকরা কোন প্রয়োজন হলে সেখান থেকে যোগাযোগ করতে পারে। 

অবশ্যই অবশ্যই গুগলের নীতিমালা মেনে কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রদ্রোহী বা ধর্ম বিরোধী এ ধরনের কোন কন্টেন্ট বা কোন নির্দিষ্ট লিঙ্গের ব্যক্তিগত অনুভূতিকে আঘাত হানে এরকম মানবতা বিরোধী কনটেন্ট লেখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে। কনটেন্ট অবশ্যই  ইনডেক্সিং করা থাকবে এবং এসইও বান্ধব হবে। তা না হলে কনটেন্টগুলো সার্চ রেজাল্টে আসবে না এবং গুগল কখনো জানতেই পারবে না এবং কোন পাঠক ট্রাফিক দেখা যাবে না।

এডসেন্স অ্যাপ্রভাল পাওয়ার জন্য কতটি কনটেন্ট আপলোড করতে হবে

এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাওয়ার জন্য কমপক্ষে ৪০০ থেকে ৫০০ শব্দের কনটেন্ট আপলোড করতে হবে প্রতি মাসে। এর থেকে আরও বেশি কন্টেন্ট আপলোড করলে সোনায় সোহাগা। প্রতিদিন কমপক্ষে তিন থেকে চারটা পোস্ট লিখে আপলোড করতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে যে কিওয়ার্ড রিসার্চ সঠিক আছে কিনা মানে পাঠকের সার্চ করা কিওয়ার্ডের সাথে লেখার টাইটেলের ফোকাস কিওয়ার্ড ঠিক আছে কিনা যাচাই করে দেখতে হবে। কনটেন্ট টা ইনডেক্স করা আছে কিনা সেটাও যাচাই করে নিতে হবে।

এডসেন্স-অ্যাপ্রুভাল-বারবার-রিজেক্ট-হওয়ার-কারণ

গুগল নিউসে কনটেন্ট পাবলিশ করা আছে কিনা সেটা যাচাই করে নিতে হবে এবং না থাকলে গুগলের সার্চ কন্সল প্যানেলে গিয়ে সঠিকভাবে লিংক ব্যবহার করে ইনডেক্স করে নিতে হবে। প্রধান কথা হচ্ছে যে পোস্টের সংখ্যা কম হতে পারে কিন্তু পোস্টের মান যেন সঠিক ও উন্নত হয়। প্রত্যেকটি লেখা যেন ব্যক্তিগত অনুভূতি মিশে থাকে এবং নিজের হয়। নিজের জীবনের সাথে সংযোগ করতে পারে তাহলে সেই লেখাটি শুধু কন্টেন্ট নয় একটি আবেগের জায়গায় তৈরি করে। এসব মাথায় রেখে কন্টেন্ট তৈরি করে আপলোড করতে হবে।

গুগল এডসেন্স এপ্রুভাল না পেলে কি করবেন

আমরা অনেকেই আছি যে নিয়মিত গুগলে কন্টেন্ট আপলোড করতেছি ঠিকই কিন্তু এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল আসছে না। যার জন্য হতাশা তৈরি হচ্ছে এবং এই প্লাটফর্মের প্রতি একটি অনিহা তৈরি হচ্ছে। তাই আমাদেরকে এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল বারবার রিজেক্ট হওয়ার কারণ সম্পর্কে সঠিকভাবে জেনে ও ভুলগুলো খুঁজে তা শুধরে নিতে হবে। প্রথমে গুগলের পলিসি গুলো ভালোভাবে পড়ে নিতে হবে এবং সেই পলিসি গুলো নিজের লেখাতে প্রয়োগ করতে হবে।

সঠিকভাবে লেখা লিখে আপলোড করতে পারলে এডসেন্স এপ্রুভাল এমনিতেই চলে আসবে। এসইও এর  দিকে খেয়াল রাখতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ কিউ আর যদি লেখাতে না থাকে এবং পাঠকের সার্চ করা কিভাবে সাথে মিল না হয় তাহলে ওয়েবসাইট ট্রাফিক আসবে না। এর জন্য এডসেন্স অ্যাপ্রভাল পেতে দেরি হবে। মন খারাপ করে হতাশ না হয়ে আবারো শুরু করে দিতে হবে নতুন করে। তাহলে চলে আসবে সেই কাঙ্ক্ষিত এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল।

গুগল এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাওয়ার সুবিধা

গুগল এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাওয়ার সুবিধা আসলে বলে শেষ করা যাবে না। কারণ গুগলে কন্টেন্ট আপলোড করার মূল লক্ষ্যই হচ্ছে এই এডসেন্স অ্যাপ্রভাল পাওয়া। এটি পাওয়ার মাধ্যমে ইনকাম করা রাস্তা খুলে যায়। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ইনকাম আসে বিশেষত যখন বিজ্ঞাপনে ক্লিকের সংখ্যা বেড়ে যায় তখন। এছাড়াও নিজের ওয়েবসাইটকে মনিটাইজ করার একটি সুবর্ণ সুযোগ পাওয়া যায় এটির মাধ্যমে। এছাড়াও বিজ্ঞাপন দেখার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বিজ্ঞাপন তৈরি হয়ে যায় নির্দিষ্ট জায়গায়।

আরও পড়ুনঃ ওয়েবসাইটের ফ্রি হোস্টিং কোথায় পাওয়া যায়

এছাড়াও সাইটটি মনিটাইজ হয়ে গেলে পাঠকের মনে একটি বিশ্বস্ততা তৈরি হয় যে এটি গুগল দ্বারা ভেরিফাইড এবং প্রতারণার শিকার হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। এর মাধ্যমে পজিটিভ ইম্প্রেশন তৈরি হয় যা আয়ের সম্ভাবনাকে আরও দ্বিগুণ পরিমাণে বাড়িয়ে দেয়। গুগল দ্বারা একটি ভালো ইমেজ পাওয়ার কারণে অনেক ব্র্যান্ড আছে যারা স্পন্সর করতে ইমেইল করে। এটিও আয় করার আরেকটি অন্যতম সুযোগ এবং তারা নির্দিষ্ট কিছু অর্থের বিনিময় নিজেদের প্রোডাক্ট প্রচার করতে বলে।

গুগল এডসেন্স অ্যাপ্রভাল না পাওয়ার অসুবিধা

সত্যি কথা বলতে গুগলের এডসেন্স অ্যাপ্রভাল যদি না থাকে তাহলে গুগলে কন্টেন্ট আপলোড করে এর মাধ্যমে আয় করার চিন্তা মাথা থেকে বাদ দেওয়া উচিত। এডসেন্স অ্যাপ্রভাল পাওয়াই মনে হচ্ছে এই প্লাটফর্ম থেকে আয় করার রাস্তা খুলে যাওয়া। । তাই কারোর যদি এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল বারবার রিজেক্ট হওয়ার কারণ সম্পর্কিত সমস্যা থাকে তাহলে দ্রুত সমাধানের দিকে যাওয়া উচিত। এছাড়াও ঘরে বসে প্যাসেজ ইনকাম করার স্বপ্ন থাকলে এটি হতে পারে সেই স্বপ্ন পূরণের বাস্তব জায়গা।

লেখকের মন্তব্য

যাদের স্বপ্ন আছে যে কনটেন্ট রাইটার, ব্লগ পোস্ট রাইটার, আর্টিকেল রাইটার ইত্যাদি এই সম্পর্কিত জায়গায় ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে তাদের জন্য এই এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল টা অত্যাবশ্যকীয়। ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে এটিও হচ্ছে ভবিষ্যতের জন্য একটি অপার সম্ভাবনাময় জায়গা।এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল বারবার রিজেক্ট হওয়ার কারণ সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান আশা করি আমি এই লেখার মাধ্যমে বুঝিয়ে দিতে পেরেছি। তাই বিশেষভাবে যার যেই সমস্যা আছে সেটি সমাধান করে ধৈর্য না হারিয়ে লেগে থাকলে সফলতা আসবে। 26000

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url