বাংলাদেশ থেকে Payoneer ফ্রিজ হলে ফান্ড রিকভারি করার নিয়ম ২০২৬
Payoneer একাউন্টে ব্যাংক লিংক করার পূর্ণ প্রক্রিয়া বাংলাদেশ থেকে Payoneer ফ্রিজ হলে ফান্ড রিকভারি করার নিয়ম ২০২৬ কিভাবে কাজ করে এই বিষয়ে অনেকেই জানে না। কিন্তু যারা অনলাইন জগতে টাকা-পয়সা আদান-প্রদান নিয়ে কাজ করে তারা জানে এর গুরুত্ব সম্পর্কে।
Payoneer ফ্রিজ হয়ে যাওয়া একটি ফ্রিল্যান্সারের জন্য একটি বিশাল মাথা ব্যথার কারণ। তাই এই সমস্যাটি সমাধানের জন্য আজকে আমার আর্টিকেলে আমি দেখাবো এই সম্পর্কে। তাই এ বিষয়ে জানতে বিস্তারিত পড়ে আসুন।
পেজ সূচিপত্র:- বাংলাদেশ থেকে Payoneer ফ্রিজ হলে ফান্ড রিকভারি করার নিয়ম ২০২৬
- বাংলাদেশ থেকে Payoneer ফ্রিজ হলে ফান্ড রিকভারি করার নিয়ম ২০২৬
- বাংলাদেশে Payoneer কি ?
- অর্থ আদান-প্রদানে পেওনিয়ার এর গুরুত্ব
- একজন ফ্রিল্যান্সার পেওনিয়ার নিয়ে কিভাবে কাজ করে
- Payoneer ফ্রিজ কি?
- Payoneer ফ্রিজ বা ব্লক হওয়ার কারণ
- Payoneer ফ্রিজ হলে কি কি অসুবিধা হয়
- পেওনিয়ার ফ্রিজ হলে ফান্ড রিকভারি করতে হয় কেন
- বাংলাদেশের Payoneer একাউন্টের গুরুত্ব
- শেষ কথা
বাংলাদেশ থেকে Payoneer ফ্রিজ হলে ফান্ড রিকভারি করার নিয়ম ২০২৬
বাংলাদেশ থেকে Payoneer ফ্রিজ হলে ফান্ড রিকভারি করার নিয়ম ২০২৬ সম্পর্কে অনেকেই
আমাদের কাছে প্রশ্ন করে থাকে। বিশেষ করে বাংলাদেশের অনেক ফ্রিল্যান্সার ভাইরা এই
সমস্যাটিতে হতাশাগ্রস্থ যার জন্য তারা বারবার এই বিষয়টি সম্পর্কে আমাদেরকে প্রশ্ন
করে। তাই তাদের কথা মাথায় রেখে আজকে আমরা আমাদের আর্টিকেলটিতে এ বিষয়টি নিয়ে
আলোচনা করব। কেননা বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বব্যাপী এর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। তাই
বিস্তারিত জানতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন।
বাংলাদেশ থেকে Payoneer ফ্রিজ হলে ফান্ড রিকভারি করার জন্য সবার আগে Payoneer এর
নির্দিষ্ট একাউন্টে প্রবেশ করতে হবে। এরপর সেখানে ইমেল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে Sign
in করতে হবে।
Sign in করতে গেলে সেখানে অ্যাকাউন্ট ব্লকের নোটিফিকেশন দেখাবে। এই নোটিফিকেশনটার একটি স্ক্রিনশট নিয়ে রাখতে হবে পরবর্তীতে প্রমাণ স্বরূপ দেওয়ার জন্য। এবার
সেই নোটিফিকেশনের ডানপাশে থাকা contact us বাটনটিতে ক্লিক করতে হবে। তাহলে
Payoneer এর সাপোর্ট টিমে নিয়ে যাবে। এখান থেকে তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা
যাবে।
এবার এখানে একটি ইন্টারফেস আসবে। যেখানে problem sign in অপশন থাকবে। তার পাশে
click here এখানে ক্লিক করতে হবে। তবেই Payoneer এর সাপোর্ট টিমে সরাসরি ঢুকে
যাবে।
এবার সে ইন্টারফেসের বামে উপরে থাকা sign in/ login issue অপশনটির ডানে থাকা কলাম
গুলোর মধ্যে থাকা my account is lock অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে। তাহলে একটি নতুন
ইন্টারফেসে আবার নিয়ে যাবে।
এবার নতুন ইন্টারফেস এর নিচের দিকে থাকা contact us অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।
তাহলে একটি নতুন ইন্টারফেস আসবে সেখানে কিছু জরুরী তথ্য যেমন নাম, ইমেইল মেসেজ করার
কারণ উল্লেখ করতে হবে।
এরপর নিচের দিকে থাকা choose file অপশনটিতে ক্লিক করে আগে থেকে নিয়ে রাখা
স্ক্রিনশটটি আপলোড করতে হবে। এরপরে নিচের submit অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।
এরপর সাবমিট করে দিলে Payoneer কে একটি কোড দেয়া হবে। যে কোডের মাধ্যমে
পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে অথবা ৩০ দিনের মধ্যে ফ্রিজ হয়ে থাকা Payoneer একাউন্টে
পুনরায় চালু হয়ে যাবে। একাউন্ট চালু হয়ে গেলে একাউন্টে থাকা ফান্ডগুলো
পুনরায় রিফান্ড হয়ে যাবে। যদি রিফান্ড না হয় তবে ৩০ দিনের মধ্যে রিফান্ড হয়ে
যাবে। আর যদি তারপরও এটি না হয় তাহলে পুনরায় এ কাজটি করতে হবে শুরু থেকে। তবে
আশা করা যায় এই সমস্যাটি সমাধান হয়ে যাবে।
বাংলাদেশে Payoneer কি ?
বাংলাদেশের বিভিন্ন রকমের পেমেন্ট সার্ভিস রয়েছে আন্তর্জাতিক ইনকামের জন্য, তার
মধ্যে পেওনিয়ার একটি অন্যতম পেমেন্ট সার্ভিস যা প্রায় সব ধরনের ফ্রিল্যান্সার
এবং নতুন নতুন উদ্যোক্তারা ব্যবহার করে থাকে। এটি সাধারণত সহজ মাধ্যম বৈদেশিক
ইনকামের লেনদেনের জন্য। এছাড়াও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটাররাও এই পেওনিয়ার পেমেন্ট
সার্ভিস ব্যবহার করে থাকে। এই পেমেন্ট সার্ভিস সাধারণত কাজ করে থাকে বৈদেশিক
মুদ্রাকে বাংলাদেশী বিভিন্ন ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের জন্য। অধিকাংশ মানুষ সেজন্য এই পেমেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করে। সকল ব্যাংক এই পদ্ধতিতে কাজ করে আসছে।
আরও পড়ুনঃ
ইমেইল মার্কেটিং করে আয় করার সকল উপায়।
একজন ফ্রিল্যান্সার বৈদেশিক বিভিন্ন কোম্পানি কিংবা মার্কেটপ্লেস থেকে সরাসরি
ডলার এই পেমেন্ট সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রহণ করে থাকে।এই পেমেন্ট সার্ভিস এর ব্যবহার
খুব সহজ অন্যান্য সকল পেমেন্ট সার্ভিস থেকে। বর্তমানে এটার চাহিদা এত বেশি হয়ে
দাঁড়িয়েছে যে প্রায় গ্লোবাল ব্যবসার ক্ষেত্রে মানুষজন এই পেওনিয়ার ব্যবহার
করছে। অনলাইন ফ্রিল্যান্সাররা বিভিন্ন বিদেশী কোম্পানির সাথে কাজ করে ডলারকে
বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে পৌঁছে টাকা উত্তোলন করে। সে ডলার টাকাতে কনভার্ট হয়।
এই পেমেন্ট সার্ভিস এর সবথেকে বড় সুবিধা হল এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কারেন্সি
কনভারশন করে। যার ফলে টাকা উত্তোলন করতে খুব একটা হয়রানির শিকার হওয়া লাগে না।
শুধুমাত্র বাংলাদেশ বলে না, বাংলাদেশের আশেপাশের সকল দেশে ফ্রিল্যান্সাররা এই
পেমেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করে থাকে। যার ফলে এই পেমেন্ট সার্ভিস এর জনপ্রিয়তা
দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে। এটা ফ্রিল্যান্সাররা তাদের মোবাইলে কিংবা ল্যাপটপে
কানেক্ট করে ডলার সরাসরি ব্যাংকে নিতে পারে, রিমোট জব গুলোর জন্য এই পেমেন্ট
সার্ভিস অনেক নির্ভরযোগ্য এবং আস্থা ভাজন।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অনলাইন কোম্পানি ও ই-কমার্স ব্যবসার কাজে ব্যবসায়ীরা এই
পেমেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করে থাকে। কারণ এই পেমেন্ট সার্ভিস আন্তর্জাতিক লেনদেনের
ক্ষেত্রে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।আর আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এই পেওনিয়ার
পেমেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করে থাকি, কারণ এতে নিরাপত্তা রয়েছে। এই পেমেন্ট
সার্ভিস চালু করতে হলে ব্যবহারকারীর তথ্য ভালোমতো যাচাই-বাছাই করে তারপরে চালু
করা হয়, যা থেকে বুঝা যাচ্ছে এই পেমেন্ট সার্ভিস নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। আমার কাছেও মনে হয় এই পেমেন্ট সার্ভিস নিরাপদ সার্ভিস।
তাই আমাদের উচিত বিভিন্ন অনলাইন কোম্পানি গুলোর সাথে কাজ করতে হলে এই পেমেন্ট
সার্ভিসের ব্যবহার করা। এতে যেমন নিরাপত্তা রয়েছে ঠিক তেমনি ব্যবহারে সহজলভ্যতা
আছে। তাই বলা যায় একজন ফ্রিল্যান্সারের বা ওই সকল ব্যক্তি যারা বিদেশি
ক্লায়েন্টের সাথে অর্থ আদান প্রদান করে থাকে তাদের জন্য বাংলাদেশের Payoneer
একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা বৈদেশিক অর্থ আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে
বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাই বর্তমানে এর গুরুত্ব সব থেকে বেশি। বাংলাদেশের মতো অনেক দেশে এই পেমেন্ট সার্ভিস ব্যবহারযোগ্য।
অর্থ আদান-প্রদানে Payoneer এর গুরুত্ব
বর্তমানে ইনকাম করার উৎস হিসেবে তরুনেরা অনলাইন সার্ভিসকে অনেক বেশি গুরুত্ব
দিচ্ছে। শতকরা ৯০ ভাগ তরুণ যুবকেরা অনলাইন এর মাধ্যমে আয় করে থাকছে। এই বৈদেশিক
ইনকামকে দেশে আনতে হলে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সার্ভিস এর প্রয়োজন অনেক বেশি।
পেওনিয়ার পেমেন্ট সার্ভিস একটি অন্যতম আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সার্ভিস হিসেবে বহুল
পরিচিত। কারণ এই Payoneer সার্ভিস একটা গুরুত্বপূর্ণ সেতু বান্ধব তৈরি করে বৈদেশিক ইনকামকে দেশি
টাকায় কনভার্ট করতে। বাইরের দেশের ক্লায়েন্টরাও এই পেমেন্ট সার্ভিস এর মাধ্যমে ডলার প্রদান করে থাকে।
এই পেমেন্ট সার্ভিসের ব্যবহারের ফলে বৈদেশিক আয় খুব সহজে দেশ আনা যায়।
ক্লায়েন্ট ও বায়ার দুজনেই এই পেমেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করে অনেক স্বাচ্ছন্দ বোধ
করেন। কারণ ক্লায়েন্টরা আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সরাসরি এই Payoneer এর মাধ্যমে করে থাকে। যার ফলে ব্যাংকের জটিলতা গুলো থেকে মুক্ত থাকা যায়।
অর্থাৎ বলা যায় বর্তমান ডিজিটাল যুগে আন্তর্জাতিকভাবে অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে
অত্যন্ত দ্রুততার সাথে, নিরাপদে এবং সহজভাবে কাজ করার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ফ্রীলান্সারের কাছে এইটা একটা সহজ সার্ভিস বলে জানা গেছে।
Payoneer এর মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন দেশের ডলার, পাউন্ড, দিনার, ইউরোসহ যেকোনো
মুদ্রার অর্থ গ্রহণ করা যায়। এই অ্যাকাউন্টটি একজন ব্যবহারকারীকে তার বাস্তব
জীবনে ভার্চুয়াল ব্যাংকিং এর সুবিধা দিয়ে থাকে। যার কারনে তারা আন্তর্জাতিক
পর্যায়ে ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে সরাসরি পেমেন্ট নিতে পারে। এছাড়া Payoneer মাস্টার কার্ড এর মাধ্যমে যেকোনো এটিএম বুথ থেকে অর্থ উত্তোলন করা যায়
এবং যেকোনো জায়গা থেকে কেনাকাটা করা যায়। এইখানে আমরা বুঝতে পারছি যে এই পেমেন্ট সার্ভিস এর ব্যবহার অনেক বেশি।
এছাড়া নিরাপত্তার দিক থেকেও Payoneer এখন অত্যন্ত উন্নত মানের ফিচার এবং ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করে
আসছে। যার জন্য এর মাধ্যমে লেনদেন আরো নিরাপদ ভাবে করা যায়। বাংলাদেশসহ
বিশ্বের প্রায় সকল দেশগুলোর ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বৈদেশিক অর্থ দেশে আনার
একটি সেরা মাধ্যম হলো Payoneer একাউন্ট। Payoneer এ রয়েছে সহজ রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম, তুলনামূলক কম ফি এবং দ্রুত
লেনদেন ব্যবস্থা। যা এর গুরুত্বকে সবচেয়ে বেশি বাড়িয়ে দেয়। তাই বলা যায়
বাংলাদেশে Payoneer এর গুরুত্ব অপরিসীম।
একজন ফ্রিল্যান্সার পেওনিয়ার নিয়ে কিভাবে কাজ করে
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একজন ফ্রিল্যান্সার কাজ করে তার ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে
পারিশ্রমিক নেওয়ার ক্ষেত্রে Payoneer ব্যবহার করে থাকে। অর্থাৎ একজন ফ্রিল্যান্সারকে তার কাজ করে পারিশ্রমিক নেওয়ার জন্য সবার আগে Payoneer এ একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য তাকে
জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বার, ঠিকানা ও ব্যাংক এর তথ্য দিয়ে sign up করতে হয়।
ভেরিফিকেশন এর মাধ্যমে একাউন্টে অনুমোদন পেলে ব্যবহারকারী ভার্চুয়াল ব্যাংক
রিসিভ এর সুবিধা পাই। যার মাধ্যমে খুব সহজেই তিনি ডলার, ইউরো, দিনার সহ বিভিন্ন
দেশের মুদ্রা সমূহের মাধ্যমে অর্থ আদান-প্রদান করতে পারে।
একজন freelancer সাধারণত ফাইবার, upwork বা freelancer.com এর মত বিভিন্ন
আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে কাজ করে থাকে। এইসব মার্কেট বর্তমানে পেমেন্ট মেথড
হিসেবে Payoneer যুক্ত করা যায়। এর ফলে ক্লাইন্ট তার কাজ সঠিকভাবে বুঝে পেলে
ফ্রিল্যান্সারকে পেমেন্ট করলে সে পেমেন্ট Payoneer মাধ্যমে সরাসরি
ফ্রিল্যান্সারের একাউন্টে জমা হয়। এছাড়া Payoneer এ "request a payment" অপশনের মাধ্যমে ক্লাইন্টকে ইনভয়েস পাঠিয়েও
সরাসরি পেমেন্ট গ্রহণ করা যায়।
এক্ষেত্রে Payoneer এর মাধ্যমে
ফ্রিল্যান্সারের অ্যাকাউন্টে পেমেন্ট যুক্ত হলে তিনি তা স্থানীয় ব্যাংক
একাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারে। সাধারণত বাংলাদেশের দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে
ব্যাংকে টাকা জমা হয়ে যায়। যার মাধ্যমে একজন ফ্রিল্যান্সার চাইলে Payoneer মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে এটিএম থেকে সরাসরি টাকা উত্তোলন করতে পারে।
এভাবে একজন ফ্রিল্যান্সার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পেমেন্ট গ্রহণ, উত্তোলন ও আদান
প্রদানের ক্ষেত্রে সহজ, নিরাপদ ও অত্যন্ত কার্যকর একটি মাধ্যম
হিসেবে Payoneer অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে থাকে।
এদিক থেকে সমস্ত কিছু পর্যালোচনা করে আমরা এটা বলতে পারি একজন
ফ্রিল্যান্সার Payoneer নিয়ে
খুব সহজে নিরাপদ ভাবে এবং দ্রুততার সাথে কার্যকরী উপায় কাজ করে। যা তার পেমেন্ট
গ্রহণ করা, সংরক্ষণ করা ও পেমেন্ট উত্তোলনের ক্ষেত্রে Payoneer এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ সুবিধা পেয়ে থাকে। যা আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিটা
ফ্রিল্যান্সারের কাছে অর্থ আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে স্বীকৃত। যা বর্তমানে
ফ্রিল্যান্সিং জগতে একটি বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাই প্রত্যেক ফ্রিল্যান্সারের জন্য
উচিত Payoneer অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা তার লেনদেনের কাজ করার জন্য।
Payoneer ফ্রিজ কি?
বর্তমানে অনেক ফ্রিল্যান্সারই তাদের কাজের পেমেন্ট নেওয়ার জন্য Payoneer এর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু তারা জানেই না Payoneer ফ্রিজ কি বা কাকে বলে। যার জন্য তারা অনেক সময় অনেক বড় বিপদে পড়ে
থাকে তাদের পেমেন্ট গ্রহণ করার ক্ষেত্রে। তাই ওই সকল ফ্রিল্যান্সার যারা এ
বিষয়ে জানেনা তাদের এই বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিস্তারিতভাবে জানানোর জন্য
এখন আমরা এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব Payoneer ফ্রিজ কি বা কাকে বলে। তাই চলুন এই বিষয়টিতে সম্পূর্ণভাবে জেনে আসা
যাক।
Payoneer ফ্রিজ বলতে বোঝাই ফ্রিল্যান্সারদের Payoneer অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে অথবা স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া। যেন
অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারী অর্থ লেনদেন করতে, উত্তোলন করতে বা কখনো কখনো যেন
একাউন্টটি ব্যবহারই করতে না পারে। সাধারণত এটি করা হয়ে থাকে নিরাপত্তা যাচাই
করার জন্য সাময়িকভাবে। আবার কখনো কখনো Payoneer এর যে কোন নীতিমালা ভঙ্গের কারণে এটি হয়ে থাকে। অথবা অস্বাভাবিক
লেনদেন সনাক্ত হলে Payoneer এর পক্ষ থেকে একাউন্টটি সাময়িক সময়ের জন্য অথবা স্থায়ীভাবে বন্ধ
করে দেয়।
আরও পড়ুনঃ
ফ্রী টাকা ইনকাম বিকাশে পেমেন্ট।
Payoneer অ্যাকাউন্ট আছে বন্ধ হয়ে যায় এর পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যার
মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো একই ব্যক্তির একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকা, সন্দেহজনক টাকা
আদান-প্রদান, Payoneer এর যেকোনো নীতিমালা ভঙ্গ করা। এছাড়াও অস্বাভাবিক পরিমাণে অর্থ
আদান-প্রদান করে থাকলে সন্দেহবশত Payoneer ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টটি কিছু সময়ের জন্য বন্ধ করে দেয়। এ সময়
ব্যবহারকারী তার একাউন্টের মাধ্যমে কোন লেনদেন করতে পারে না আবার কোন কোন সময়
অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করতে পারেনা। আর এটাকে বলে Payoneer এর অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যাওয়া।
এক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হলে ব্যবহারকারী ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পায়। আর
সেই নোটিফিকেশনে বলা হয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য। এই ক্ষেত্রে
ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয় পত্র, ঠিকানা প্রমাণ এবং ব্যাংক স্টেটমেন্টের ইনভয়েস
দেয়ার কথা বলা হয়। এই বিষয়ে ব্যবহারকারী যদি সঠিক, সত্য ও সম্পূর্ণ ডিটেইলস এ
তথ্য দেয় অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই এই সমস্যাটি সমাধান হয়ে যায়। যার মাধ্যমে
একজন ব্যবহারকারী পুনরায় এই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে তার অর্থ লেনদেন করতে পারে।
তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি দীর্ঘমেয়াদি ও হয়ে যায়। কিন্তু সঠিক নিয়ম মেনে চললে সমাধান হয়ে যায়।
Payoneer ফ্রিজ বা ব্লক হওয়ার কারণ
আন্তর্জাতিকভাবে আর্থিক নীতিমালা মেনে কাজ করে ব্যবহারকারীকে সর্বোচ্চ সুবিধা
দেওয়ার ক্ষেত্রে Payoneer কঠোর নিয়ম অনুসরণ করে কাজ করে থাকে। Payoneer এর নীতিমালা ভঙ্গ হলে বা কোন ব্যবহারকারী যদি এর নীতিমালা ভঙ্গ করে
কাজ করে তবে ওই ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ফ্রিজ বা বন্ধ হতে পারে
অথবা স্থায়ী ভাবে একদম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই জন্য একজন ব্যবহারকারীকে এটি
নিয়ে কাজ করার আগে এর নীতিমালা সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। কেননা ফ্রিজ হওয়ার
কারণ না জানলে তা থেকে উত্তোলন করতেও পারবে না তাই এ বিষয়ে জানা
জরুরী।
যদি কোন ব্যবহারকারী তার একাউন্টে ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করে থাকে
তাহলে তার অ্যাকাউন্টটিতে সমস্যা হতে পারে। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্যের মধ্যে
রয়েছে নাম, ঠিকানা বা জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর । কেউ যদি এই তথ্যসমূহ ভুল
প্রদান করে থাকে বা সম্পূর্ণভাবে যাচাই করন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না করে তাহলে
তার অ্যাকাউন্টটি ফ্রিজ হয়ে যাওয়া সম্ভাবনা থাকে সবচেয়ে বেশি। এছাড়া কোন
ব্যবহারকারী যদি একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে থাকে সেই ক্ষেত্রে Payoneer কর্তৃপক্ষ সতর্কতা বসত সে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দিতে
পারে।
কোন একাউন্ট ব্যবহারকারীর যদি Payoneer এর নীতিমালা ভঙ্গ করে অনৈতিক লেনদেন করে থাকে তাহলে তার একাউন্টটি ফ্রিজ করে দেওয়া হবে। কেননা একই ব্যক্তির দ্বারা একই ডকুমেন্টের ওপর একাধিক
অ্যাকাউন্ট তৈরি করা হলে তা Payoneer এর আন্তর্জাতিক আর্থিক নীতিমালার বিরুদ্ধে যায়। যা
ব্যবহারকারীর Payoneer অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট একটি কারণ। এই সকল সমস্যা
এড়াতে একজন Payoneer অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারীকে অবশ্যই Payoneer এর নির্দিষ্ট নীতিমালা মান্য করে কাজ করতে হবে অন্যথায় তার একাউন্টে
ফ্রিজ করে দেওয়া হবে।
এক্ষেত্রে সন্দেহজনক লেনদেন বলতে হঠাৎ করে
একাউন্টে বড় অংকের টাকা আসা, অচেনা উৎস থেকে পেমেন্ট গ্রহণ, বারবার পেমেন্টের
ক্ষেত্রে চার্জ ব্যাক হলে তা Payoneer এর সিস্টেম সেটিংসকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে সনাক্ত করে। যার জন্য যদি
কোন ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে এই ধরনের সমস্যা হয় বা লক্ষণগুলো দেখা যায়
তবে Payoneer কর্তৃপক্ষ সেই অ্যাকাউন্টটিকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে তাৎক্ষণিকভাবে
ফ্রিজ করে দেয়। আর কেউ যদি এই নীতিমালা গুলোর একটিও
ভঙ্গ করে তাহলে তার অ্যাকাউন্টটি ফ্রিজ হয়ে যাবে। তাই আমি মনে করি এখনকার সময়ে অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে Payoneer ফ্রিজ হলে ফান্ড রিকভারি করার নিয়ম ২০২৬ সালে জানা উচিৎ প্রতিটি ফ্রীল্যান্সারের।
Payoneer ফ্রিজ হলে কি কি অসুবিধা হয়
অনলাইন ব্যাবসায়িক উদ্যোক্তারা অনলাইনে পেমেন্ট সার্ভিস এর মাধ্যমে ইনকাম করে
থাকে। সেই পেমেন্ট সার্ভিস যদি ঠিকমতো না কাজ করে অর্থাৎ ফ্রিজ হয়ে যায় তাহলে
তারা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়। বিশেষ করে যারা পুরোপুরি ভাবে অনলাইন কাজের
উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ নিয়মিত আয় করে অনলাইনে। তারা এই পেমেন্ট সার্ভিস এর
সমস্যার কারণে অনেক অসুবিধাই পড়ে। আমি এরকম অনেক ফ্রিল্যান্সারদের দেখেছি যারা
পেমেন্ট সার্ভিস সমস্যার কারণে বেকারত্ব দেখেছেন। দেখা গেছে তাদের কাজ বন্ধ
হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনের নীতিমালা রয়েছে Payoneer অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার জন্য।
তাই আমার কাছে মনে হয় বাংলাদেশ থেকে Payoneer ফ্রিজ হলে ফান্ড রিকভারি করার নিয়ম ২০২৬ সালে জেনে পেমেন্ট সার্ভিস ঠিকমতো ব্যবহার করা উচিত এবং সমস্যা
হলে সেটা সঠিকভাবে সমাধান করা উচিত। ডলার উইথড্র কিংবা ডলার সেন্ড করার
ক্ষেত্রে account ফ্রিজ হলে সেটা অনেক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। জরুরী ভিত্তিক
কাজগুলো সঠিকভাবে করা যায় না। যেমন ইমারজেন্সি কোন দরকারে ডলার উইথড্রো করার
সময় যদি পেমেন্ট সার্ভিসের সমস্যা থাকে তাহলে অনেক বড় বিপদের সম্মুখীন হতে
হয়। সেজন্য এসব বিষয় ভালোমতো করে খেয়াল করে সমাধান করতে হবে। এর আরেকটা বড়
প্রভাব পড়ে ক্লায়েন্টের উপরে।
ক্লায়েন্টের সাথে সম্পর্কের মধ্যে খাদ তৈরি হয়। যখন ক্লাইন্টকে ঠিক মত কাজ
বুঝে দেওয়া হয় তারপরে ক্লায়েন্ট পেমেন্ট করার সময় একাউন্টে ডলার পাঠিয়ে
দেয়। সে সময় যদি ডলার উইথড্র করতে অসুবিধা হয় তখন ক্লায়েন্টের সাথে
ফ্রিল্যান্সারের সম্পর্কের বিরূপ প্রভাব পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে বৈদেশিক
ইনকাম দেশের ব্যাংকে ট্রান্সফার করা সম্ভব হয়নি এই ফ্রিজ হওয়ার কারণে।
পেওনিয়ার ফ্রিজ হওয়ার ফলে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের কাজগুলো স্থগিত হয়ে
যায়।
পরে ধীরে ধীরে দেখা যায় কাজের প্রতি একটা অনীহা তৈরি হয় এবং অনিশ্চিত
ইনকামের অবস্থা হয়ে দাঁড়ায়। শেষে ভবিষ্যতের ইনকামের পরিকল্পনায় বাধাগ্রস্ত
হয়। এটা যেমন একজন ফ্রিল্যান্সারকে আর্থিকভাবে বিপদগ্রস্ত করে ঠিক তেমনি
মানসিকভাবেও চাপ তৈরি করে। কারণ অনিশ্চিত ইনকামের কারণে ফ্রিল্যান্সারের
দুশ্চিন্তা সৃষ্টি হয়। তাই এই সকল সমস্যা থেকে রেহাই পাইতে হলে আমাদেরকে
অবশ্যই পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হওয়া থেকে সমাধানে আনতে হবে। তাহলে ভালো কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা হবে পেওনিয়ার এর মতো পেমেন্ট সার্ভিস থেকে।
পেওনিয়ার ফ্রিজ হলে ফান্ড রিকভারি করতে হয় কেন
বাংলাদেশ থেকে Payoneer ফ্রিজ হলে ফান্ড রিকভারি করার নিয়ম ২০২৬ সালেও জানা না থাকলে পেওনিয়ার একাউন্ট ফ্রিজ হলে একজন ফ্রিল্যান্সারকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে
হয়। টাকা উইথড্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন জরুরী কাজে তার ইনকাম করা টাকা খরচ
করতে পারে না। যার ফলে একজন ফ্রিল্যান্সারের মানসিক সমস্যার সাথে সাথে আর্থিক
সমস্যা ও হয়। এখন আমরা উপরে জেনেছি পেওনিয়ার ফ্রিজ হয়ে গেলে কিভাবে সেটা
সমাধান আনতে হবে। ফান্ড রিকভারি করাটা খুবই প্রয়োজন পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট
ফ্রিজ হলে। ফান্ড রিকভারির প্রক্রিয়া সঠিকভাবে জানা না থাকলে অনেকে আছে যারা
অহেতুক সময় নষ্ট করে।
এসব ক্ষেত্রে যত সময় যাবে তত সেগুলো বিফলে দাঁড়াবে। সঠিক সময়ে দ্রুত
সমাধানের ব্যবস্থা নিলে সেই সমাধান নিয়ে আসা খুবই সহজ। সঠিক সময়ে সমাধানের
ব্যবস্থা নিলে সেটার রেসপন্স দ্রুত হয়। সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসগুলো
সাবমিট করলে রিভিউ দ্রুত শেষ হয়ে যায়। যার ফলে একাউন্টটা পুনরায় আগের
অবস্থায় ফিরে আসে। বেশিদিন পার হয়ে গেলে অনেক প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো মাথায়
থাকে না। যার ফলে ভুল হয়ে যায়, আর এই ভুল তথ্য দিলে ফ্রিজ হওয়া একাউন্টটা
থেকে ফান্ড রিকভারির প্রক্রিয়ার জটিলতা তৈরি হয়।
আমি মনে করি প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে মেনে কাজ করলে আপনার অর্জিত ডলার ফেরত
পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই আমাদের উচিত প্রক্রিয়া গুলো ভালোমতো জেনে
অ্যাকাউন্টটা সঠিক করা। এই ফান্ড রিকভারির প্রক্রিয়া ভালোমতো জানলে নিজের একটা
পেশাদার ইমেজ বজায় থাকে ক্লায়েন্ট এর কাছে। সঠিক সময়ে ক্লায়েন্টদের সঠিক
আপডেট দেওয়া যায়। তাই আমি মনে করি এই সকল দিকগুলো বিবেচনা করলে ফান্ড
রিকভারির প্রক্রিয়াগুলোর সঠিকভাবে জানাটা সহজ হয়।
বাংলাদেশের Payoneer একাউন্টের গুরুত্ব
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক আয়ের জন্য পেমেন্ট সার্ভিসের গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ
ফ্রিল্যান্সাররা আন্তর্জাতিকভাবে যেটা আয় করে সেটা তারা পেমেন্ট সার্ভিস এর
মাধ্যমে বাংলাদেশী ব্যাংকে ট্রান্সফার করে। পরবর্তীতে সেটা বাংলাদেশী টাকায়
কনভার্ট হয়ে ব্যাংকে জমা হয়। সে দিক দিয়ে বিভিন্ন রকমের পেমেন্ট সার্ভিস
রয়েছে, আর তার মধ্যে পেওনিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডিজিটাল
ভাবে কাজ করার ফলে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে এই পেমেন্ট সার্ভিস অনেক জনবহুল হয়ে
গেছে। বিদেশ ও নিজের দেশের মধ্যে একটা সেতু বান্ধব সম্পর্ক তৈরি করেছে এই
পেমেন্ট সার্ভিস।
এখন খুব সহজে বিদেশি অর্থ বাংলাদেশে এই সকল পেমেন্ট সার্ভিস এর মাধ্যমে
ব্যাংকে ট্রান্সফার করা হয়। এই পেমেন্ট সার্ভিস বিদেশি আয়কে দেশে নিয়ে আসার
জন্য একটা পথ তৈরি করে। আমার দেখা যে সকল ফ্রিল্যান্সার ভাই বোনেরা রয়েছে তারা
প্রায় প্রত্যেকেই এই পেমেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করে। তাদের কাছ থেকে নেওয়া
রিভিউয়ে আমি জানতে পেরেছি অন্যান্য সকল পেমেন্ট সার্ভিস এর ব্যবহার থেকে এই
পেমেন্ট সার্ভিস অর্থাৎ পেওনিয়ার পেমেন্ট সার্ভিস এর ব্যবহার অনেক সহজ এবং
সাধারণ।
তাই আমি বলতে পারি দেশের অর্থনীতিতে এই পেমেন্ট সার্ভিস অনেক বড় ভূমিকা পালন
করছে। আরেক দিক দিয়ে এ পেমেন্ট সার্ভিস তরুণদেরকে খুব কম সময়ে স্বাবলম্বী করে
তুলতে পারছে। ছোট ছোট তরুণেরা অল্প বয়সে ফ্রিল্যান্স কাজ করে বিদেশি অর্থ দেশে
নিয়ে আসছে। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে তারা স্বাধীনতা অর্জন করতে পারছে। এই পেমেন্ট
সার্ভিস এর ব্যবহারের ফলে গ্লোবাল মার্কেটে সে সকল তরুনেরা একটা আলাদা পরিচয়
নিয়ে নিজেদেরকে উপস্থাপন করতে পারছে।
এবং এ পেমেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করার ফলে তাদেরকে অনেক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া
হয়। যেগুলো সাধারণত অন্যান্য সকল পেমেন্ট সার্ভিসে খুব কম রয়েছে। কারণ দেখা
গেছে অনেক পেমেন্ট সার্ভিসে টাকা ট্রান্সফার, উইথড্র এবং টাকা পাঠাতে অনেক
হয়রানি শিকার হতে হয়, কিন্তু এই পেমেন্ট সার্ভিস এতটাই সহজে দ্রুত ও ডিজিটাল
লেনদেনের জন্য একটা আলাদা নিশ্চিত ব্যবস্থা তৈরি করে। তাই আমি বলব বাংলাদেশে এই
পেওনিয়ার প্রেমেন্ট সার্ভিসের গুরুত্ব অনেক বেশি।
শেষ কথা
বাংলাদেশ থেকে Payoneer ফ্রিজ হলে ফান্ড রিকভারি করার নিয়ম ২০২৬ সম্পর্কে আমি
বিস্তারিতভাবে এই আর্টিকেলে তুলে ধরেছি। যেখানে একজন সাধারণ ফ্রিল্যান্সার থেকে
যোগ্যতা সম্পন্ন ফ্রিল্যান্সারদের কাছে এই তথ্যগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ হতে
পারে। এখানে একবারে শূন্য থেকে উচ্চ লেভেল পর্যন্ত আমি সকল তথ্য তুলে ধরেছি।
বাংলাদেশ থেকে এই পেমেন্ট সার্ভিস ফ্রিজ হলে কিভাবে ফান্ড রিকভারি করতে পারবেন
সেগুলো ভালোমতো এবং সঠিক উপায়ে প্রয়োগ করতে হবে। তাহলে যে সমস্যা হতো সেটা আর হবে না বলে আমি আশা করছি।
এই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হওয়া সাময়িক সমস্যা হলেও পরবর্তীতে এটির প্রভাব অনেক
বিপদজনক হতে পারে। একজন সফল ফ্রিল্যান্সারের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে এই পেমেন্ট
সার্ভিস। সেজন্য আমি বলব সচেতন হয়ে কাজ করা এবং সঠিক উপায় প্রয়োগ করে নিজের
পেমেন্ট সার্ভিস অ্যাকাউন্টটাকে ভালোমতো সেটআপ করা অনেক জরুরী। এতে আপনার
বিদেশি অর্থ লেনদেনের একটা স্বচ্ছলতা তৈরি হয়। আর সেই সাথে আপনার এবং
ক্লায়েন্টের সম্পর্কের ধাপ এগিয়ে যাই। সেজন্য আমাদেরকে সঠিক এবং নীতিমালা
মেনে একাউন্টাকে ফান্ড রিকভার করতে হবে। 260207










অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url