OrdinaryITPostAd

জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া সিম রেজিস্ট্রেশন সম্ভব কি

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া সিম রেজিস্ট্রেশন সম্ভব কি এ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। বর্তমানে মোবাইল ফোনে সিম ব্যবহার করে না এমন মানুষের সংখ্যা তাই নাই বললেই চলে। মোবাইল ফোনে সিম ছাড়া আসলে আমরা অচল হয়ে পড়ি।
জাতীয়-পরিচয়পত্র-ছাড়া-সিম-রেজিস্ট্রেশন-সম্ভব-কি

যে কারো সাথে কথা বলতে মেসেজ করতে অথবা মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে আমাদের অবশ্যই একটি রেজিস্টার্ড সিম থাকতে হবে। সিম ছাড়া আমরা আমাদের মোবাইল ফোনে উপরোক্ত কাজগুলোর কোনটাই করতে পারব না। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত এই ব্যাপারে।

পোস্ট সূচিপত্রঃ জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া সিম রেজিস্ট্রেশন সম্ভব কি

জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া সিম রেজিস্ট্রেশন সম্ভব কি

আমরা এখন জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া সিম রেজিস্ট্রেশন সম্ভব কি এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সিম একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। সিম ছাড়া মানুষের সাথে সরাসরি মোবাইলে কথা বলা, ইন্টারনেট ব্যবহার করা এমনকি মেসেজ করা এ সকল ধরনের কাজ অসম্ভব। এই সকল ধরনের সুবিধা ভোগ করার জন্য আমাদের প্রয়োজন একটি রেজিস্ট্রেশন ভুক্ত সিম। তাই আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জানবো জাতীয় পরিচয় পত্র ছাড়া আসলেই সিম রেজিস্ট্রেশন সম্পর্কে না।

বর্তমানে বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয় পত্র বা এনআইডি ছাড়া কোন প্রকার সিম রেজিস্ট্রেশন করা সম্ভব না। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে অনেক জায়গায় শোনা যাচ্ছে যে একটি এনআইডি বা জাতীয় পরিচয় পত্রের অধীনে পাঁচটি বেশি সিম থাকতে পারবে না। কিন্তু এমন কথা শোনা গেলেও মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ এমটব জানিয়েছে এই কথাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বিভ্রান্তমূলক। মূলত তাদের ভাষ্যমতে জালিয়াতি বা অপরাধ রোধে এটি কোন কার্যকারী পদক্ষেপ নয় বরং সেম ব্যবহারকারীর পরিচিতি যাচাই এবং সার্বক্ষণিক নজরদারির মাধ্যমে যেকোনো অপরাধ রোধ করা সম্ভব তাই বর্তমানে জাতীয় পরিচয় পত্র ছাড়া সেম রেজিস্ট্রেশন সম্ভব না।

সিম আসলে কী এবং এর কাজ কী

এবার আসা যাক সিম আসলে কী এবং এটা কী কাজে ব্যবহৃত হয় সেই বিষয় নিয়ে। প্রথমে বলা যাক সিম কার্ড কী। সিম কার্ড মূলত হলো একটি ডিজিটাল স্মার্ট কার্ড যাতে গ্রাহকের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ থাকে। এটিকে গ্রাহক পরিচয় মডেল বলা হয়। এটি একটি পরিচয় ব্যবস্থা যা প্রথম ১৯৯১ সালে তৈরি করা হয়। সিম মূলত মোবাইল ফোনকে একটি নির্দিষ্ট নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত রাখে এর পূর্ণরূপ হলো সাবসক্রাইবার আইডেনটিটি মডিউল।
সিম আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অতি প্রয়োজনীয়। সিম কার্ডের মূলত একটি নিজস্ব নাম্বার থাকে যাকে আইএমএসআই নাম্বার বলে। এর পূর্ণরূপ হলো ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল সাবস্ক্রাইবার আইডিন্টিটি। এই আইএমএসআই নাম্বার মূলত ১৫ ডিজিটের হয় (+৮৮০১৭***********)। যার প্রথম তিনটি সংখ্যা হয় কোন দেশের নিজস্ব কোড এবং পরের তিনটি নাম্বার হয় সিম অপারেটর কোম্পানির নিজস্ব কোড। এবং বাকি নাম্বার গুলো হলো সিমের আইডিন্টিফিকেশন নাম্বার। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যে কাউকে কল করা, মেসেজ করা এবং পৃথিবীর কোন জায়গায় ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় এই মোবাইল সিমের মাধ্যমে।

কিভাবে আপনি একটি সিম কিনবেন

এবার আসা যাক আপনি কিভাবে একটি সিম কিনবেন সেই বিষয়ে। মূলত বাংলাদেশে বিভিন্ন সিম অপারেটর কোম্পানির রয়েছে যেমন গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি, টেলিটক এবং এয়ারটেলসহ ইত্যাদি এক এক সিম কোম্পানি এক এক ধরনের অফার প্রদান করে থাকে এর জন্য একজন মানুষের একাধিক সিম বিভিন্ন কোম্পানির থাকতে পারে। তবে সিম কেনার সময় আমাদের অবশ্যই কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।

সিম কেনার জন্য আগে আমাদের নির্দিষ্ট সিম অপারেটর কোম্পানির অফিসে যেতে হবে। অফিসে গিয়ে তাদেরকে আমরা জানাতে হবে যে আমরা একটি নতুন সিম ক্রয় করতে চাই। সিম ক্রয় করার জন্য আমাদের জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতে হবে। তারা আআমদের জাতীয় পরিচয় পত্র যাচাই, আঙ্গুলের চাপ এবং চোখের স্ক্যান করার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার পর আমাদের সিমটি প্রদান করবে।এক্ষেত্রে এক এক সিম অপারেটর কোম্পানির সিমের দাম এক এক রকম হয়ে থাকে।

সিম রেজিস্ট্রেশন করা প্রয়োজন কেন

সিম কেনার সাথে সিম রেজিস্ট্রেশন করার সম্পর্ক রয়েছে। আপনি যখন কোম্পানির অফিস থেকে সিম কিনবেন তখন তারা আপনার সকল ধরনের ইনফরমেশন নেয়ার মাধ্যমে আপনাকে একটি রেজিস্ট্রেশনভুক্ত সিম দিবে। এছাড়াও আপনার সিমটি কোনো কারণে রেজিস্ট্রেশন না থাকলে আপনি সিম অপারেটরের নির্দিষ্ট অফিসে গিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে সিমটির রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।
জাতীয়-পরিচয়পত্র-ছাড়া-সিম-রেজিস্ট্রেশন-সম্ভব-কি-বিস্তারিত
তবে আমরা অনেকে যে ভুলটি করি সেটি হলো আমরা রাস্তার পাশে অনেক সিম বিক্রেতর কাছে থেকে সিম ক্রয় করি। এক্ষেত্রে অনেক সময় আমাদের সিমটি রেজিস্ট্রেশনভুক্ত সিম হয় না অথবা অন্যের ব্যবহৃত সিম হয়। তাই অবশ্যই সিম রেজিস্ট্রেশন করা প্রয়োজন কারণ আপনার জাতীয় পর পত্র দিয়ে আপনার সিম রেজিস্ট্রেশন না থাকলে আপনি যে সিমটি ব্যবহার করছেন সেটি দিয়ে যদি পূর্বে কোন অপরাধ করা হয় তাহলে বর্তমানে আপনার কাছে সিমটি থাকাই সে সকল অপরাধের দায় আপনার কাঁধে এসে পড়তে পারে। তাই আমাদের অবশ্যই রেজিস্ট্রেশনভুক্ত সিম ব্যবহার করা প্রয়োজন।

কিভাবে সিম রেজিস্ট্রেশন করা যায়

অনেক সময় আমাদের ব্যবহৃত সিমটি রেজিস্ট্রেশন ভুক্ত হয় না অথবা বহুদিন ব্যবহারের ফলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যায় এক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই আমাদের সিমটি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে তা না হলে আমাদের সিমটি পার্মানেন্টলি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সিম রেজিস্ট্রেশন করার জন্য আমাদের সিম অপারেটরের নির্দিষ্ট অফিসে যোগাযোগ করতে হবে বাইরে রাস্তার পাশে অনেকে সিম নিয়ে বসে থাকে সেখানে যাওয়া আমাদের জন্য মোটেই উচিত না।

আপনার সিম অপারেটর কোম্পানির নির্দিষ্ট অফিসে গিয়ে আপনি যদি তাদের জানান যে আপনার সিমটির রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে গেছে এবং আপনি সিমটি রেজিস্ট্রেশন করতে চান তাহলে তারা আপনার কাছ থেকে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র, হাতের চাপ এবং চোখের স্ক্যান করার মাধ্যমে আপনার সিমটি আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করে দিবে। তবে সিমটি অবশ্যই আপনার নিজের হতে হবে এবং আপনার এনআইডি দ্বারা ক্রয় হতে হবে।

এনআইডি ছাড়া সিম রেজিস্ট্রেশন হয় কিনা

আমরা আটিকালে আলোচনা করছি জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া সিম রেজিস্ট্রেশন সম্ভব কি এই বিষয় নিয়ে। আমরা শুরুতেই জানিয়েছি জাতীয় পরিচয় পত্র ছাড়া সিম রেজিস্ট্রেশন করা সম্ভব না। তবে আমাদের কিছু জিনিস অবশ্যই জানা প্রয়োজন। তা না হলে আমরা যেকোনো বিপদে পড়তে পারি।আমাদের প্রথমে যে কাজটি করতে হবে সেটি হলো আমাদের ব্যবহৃত সিমটি রেজিস্ট্রেশন ভুক্ত কিনা তা যাচাই করতে হবে।
যদি আমাদের সিমটি রেজিস্ট্রেশন ভুক্ত না হয় তাহলে অবশ্যই নিকটস্থ সিম অপারেটর কোম্পানির অফিসিয়াল কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে আমাদের সিমটি এনআইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে এনআইডি বা জাতীয় পরিচয় পত্র ছাড়া সিম রেজিস্ট্রেশন করা সম্ভব না। তাই কেউ যদি আমাদেরকে বলে জাতীয় পরিচয় পত্র সিম রেজিস্ট্রেশন করে দিবে তাহলে ধরে নিতে হবে সে ভুয়া এবং আমাদের সাথে জালিয়াতি করার চেষ্টা করছে।

কোনো সিম রেজিস্ট্রেশনভুক্ত কিনা তা জানার উপায়

কোন সিম রেজিস্ট্রেশন ভুক্ত কিনা তা আমাদের অবশ্যই যাচাই করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া সিম রেজিস্ট্রেশন সম্ভব কি না এই বিষয়ে যেহেতু আমরা আগেই বলেছি যে সম্ভব নয় সুতরাং আমাদের এনআইডি ব্যবহার করে আমরা জানতে পারবো আমাদের ব্যবহৃত সিম রেজিস্ট্রেশন ভুক্ত কিনা বা আমাদের ব্যবহৃত সিমের আসল মালিক আদেও আমরা নিজে কিনা। এর পাশাপাশি আমাদের এনআইডি দ্বারা কয়টি সিম নিবন্ধিত বা রেজিস্টার ভুক্ত সেটাও আমরা জানতে পারবো।
জাতীয়-পরিচয়পত্র-ছাড়া-সিম-রেজিস্ট্রেশন-সম্ভব-কি-বিস্তারিত-জানুন
এজন্য প্রথমে আমাদের মোবাইল ফোনের ডায়াল অপশন এ গিয়ে  *১৬০০১# এই কোডটি লিখে ডায়াল করতে হবে। ডায়াল করার পর ফিরতি মেসেজে আপনার কাছে আপনার এনআইডির শেষ চারটি ডিজিট জানতে চাইবে। আপনি আপনার এনআইডির শেষ চারটি ডিজিট লিখে সাবমিট করলে আপনার কাছে একটি ম্যাসেজের মাধ্যমে আপনার নামে এবং আপনার এনআইডি ব্যবহার করে নিবন্ধিত সকল সিমের তালিকা চলে আসবে।

একটি এনআইডির অধীনস্থে একাধিক সিম থাকলে করণীয় কী

উপরে আমরা জানলাম একটি এনআইডির অধীনে কয়টি সিম রয়েছে তা জানার উপায়। এবার আসা যাক একটি এনআইডির অধীনে একাধিক সিম থাকলে করণীয় কি সে বিষয়ে। উপরের পদ্ধতি অবলম্বন করার পর আপনি যদি দেখেন আপনার এনআইডি দিয়ে একাধিক সিম নিবন্ধিত আছে এবং আপনি এর মধ্যে কোন সিম ব্যবহার করেন না বা আপনি জানেনও না যে সিমটি আপনার সে ক্ষেত্রে আপনার করণীয় হলো যে সিম আপনার না বা আপনি নিবন্ধন বাতিল করতে চাচ্ছেন সেই সিম কোম্পানির কাস্টমার কেয়ারে যাওয়া।

কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে আপনি যদি তাদের জানান যে আপনার এনআইডি দ্বারা সেই সিমটি নিবন্ধিত থাকলেও আপনি আর সিমটি ব্যবহার করতে চান না। তাহলে তারা আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র এবং যাবতীয় তথ্য গ্রহণ করার মাধ্যমে আপনার সম্মতি নিয়ে সিমটি ডি-রেজিস্ট্রেশন করে দিবে। জেনে রাখা ভালো একটি এনআইডির অধীনে দশটার বেশি সিম থাকলে বিটিআরসি রেনডম ভাবে যে কোন সিম বন্ধ করে দিতে পারে। তাই সময় থাকতে থাকতে আমাদের অবশ্যই যাচাই করে করে নেয়া উচিত আমাদের এনআইডির অধীনে কয়টি সিম আছে এবং কয়টি সিম আমরা ব্যবহার করি।

সিম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা

সিম ব্যবহার এবং কিনার ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্য সকলকে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। প্রথমে আসা যায় সিম কিনার সময় আমাদের যে সকল বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে তা নিয়ে। সর্বপ্রথম আমাদের মাথায় রাখতে হবে আমারা যেন আমাদের নির্দিষ্ট সিম অপারেটরের অফিসিয়াল কাস্টমার কেয়ার থেকে সিম কিনি। কারণ বাইরে অনেকেই লোকাল সিম বিক্রি করে এক্ষেত্রে তারা আপনার এনআইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্র সকল ইনফর্মেশন পেয়ে যায় এবং পরে আপনার সাথে নানা ধরনের জালিয়াতি করতে পারে।
পাশাপাশি সিম ব্যবহারের সময় অবশ্যই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যে কেউ আমাদের কল দিয়ে নানা ধরনের ইনফরমেশন জানতে চাইতে পারে পরিচিত ব্যক্তি না হলে কখনোই আমাদের এ ধরনের কলে রেসপন্স করা উচিত না। লোকাল জায়গা থেকে সিম ক্রয় করলে এ ধরনের সমস্যা আমাদের প্রায়ই ফেস করতে হয়। আবার সিম ব্যবহারের সময় এই সিম দিয়ে যাতে কোন ধরনের অননৈতিক কাজ না ঘটে সে বিষয়ে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে। কারণ সিমটি দিয়ে কোন অনৈতিক বা অপরাধমূলক কাজ করা হলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার আপনার নিজের থাকবে কারণ সেটি আপনার নাম দ্বারা রেজিস্ট্রেশন ভুক্ত।

শেষ কথাঃ জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া সিম রেজিস্ট্রেশন সম্ভব কি

উপরের আর্টিকালে আমরা এতক্ষণ জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া সিম রেজিস্ট্রেশন সম্ভব কি এই বিষয়ে বিস্তারিত নানা আলোচনা করলাম। আমাদের সকলকে অবশ্যই অবগত থাকা উচিত যে বর্তমানে বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া সিম রেজিস্ট্রেশন সম্ভব না। তাই কেউ যদি আমাদের বলে জাতীয় পরিচয় পত্র ছাড়া সিম রেজিস্ট্রেশন করে দিবে তাহলে ধরে নিতে হবে তারা প্রতারক।

আমার মতে সিম একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় জিনিস আমাদের দৈনন্দিন জীবনে। প্রতিটি সিম প্রতিটি ব্যক্তির নিজস্ব জাতীয় পরিচয় পত্র দ্বারা রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হওয়া অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করার ফলে এই সিম ব্যবহার কারীর সকল ধরনের ইনফরমেশন সিম অপারেট কোম্পানির কাছে থাকে। তাই সেই সিম দিয়ে কোন ধরনের অনৈতিক বা অপরাধ করার চেষ্টা করা হলে সে ব্যক্তি সাথে সাথে ধরা পড়ে যাবে এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষা হবে। তাই আমাদের সকলের উচিত বাইরে লোকাল সিম ক্রয় না করে জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে রেজিস্ট্রেশনভুক্ত সিম ব্যবহার করা। 250945

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url