অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে নিয়ম
আমরা এখন এই আর্টিকেলে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে
নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। জন্ম নিবন্ধন আমাদের সকলের
জন্য একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি ডকুমেন্ট। আমাদের জীবনের প্রতিটা কাজে
জন্ম নিবন্ধনের প্রয়োজন রয়েছে।
জন্ম সনদ হলো প্রত্যেক নাগরিকের একটি আইনি সনদ। এটা আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, পাসপোর্ট তৈরি, জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি, সরকারি চাকরিসহ জীবনের প্রতিটা পদক্ষেপে প্রয়োজন। তো চলুন অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের সম্পূর্ণ ধাপ জেনে নেয়া যাক।
পোস্ট সূচিপত্রঃ অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে নিয়ম
- অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে নিয়ম
- জন্ম নিবন্ধন বা সনদ আসলে কী
- জন্ম নিবন্ধন আমাদের কী কী কাজে লাগে
- কিভাবে জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হয়
-
জন্ম নিবন্ধনের কোনো তথ্যে ভুল থাকলে করণীয় কি
-
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধনের প্রথম ধাপ
- অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধনের দ্বিতীয় ধাপ
- অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধনের শেষ ধাপ
-
অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার পর করনীয় কি
- শেষ কথাঃ অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে নিয়ম
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে নিয়ম
আমরা এখন অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে
নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো এবং কিভাবে অনলাইনে জন্ম
নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হয় তা স্ক্রিনশট সহ বিস্তারিতভাবে দেখিয়ে
দেওয়ার চেষ্টা করবো। আমরা সকলেই জানি জন্ম নিবন্ধন আসলে আমাদের
প্রত্যেকের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে
অতি জরুরী একটি ডকুমেন্ট। জন্ম নিবন্ধন বা জন্ম সনদ হলো প্রত্যেক
নাগরিকের একটি আইনি সনদ। এটির মাধ্যমে কোনো নাগরিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
ভর্তি হতে, জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য আবেদন করতে, পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন
করতে এছাড়াও যেকোনো সরকারি চাকরির জন্য আবেদন করতে সক্ষম হয়।
এগুলো ছাড়াও জন্ম নিবন্ধনের আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রয়েছে। তাই এটিতে কোনো ভুল থাকলে আমাদের অবশ্যই তা সংশোধন করতে
হবে। আমরা চাইলে ঘরে বসেই জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য অনলাইনে আবেদন
করতে পারবো। এইজন্য প্রথমে আমাদের www.bdris.gov.bd এই ওয়েবসাইটে
পোস্ট করতে হবে। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর আমাদের জন্ম নিবন্ধন নাম্বার
দিয়ে জন্ম নিবন্ধনটি যাচাই করতে হবে। এরপর কোন বিষয়টি
সংশোধন করতে চাচ্ছি তা উল্লেখ করে যাবতীয় কাগজপত্র সংযোজন
করে ফোনে আসা ভেরিফিকেশন কোড বা ওটিপি সাবমিট করতে
হবে। আর এভাবেই আমরা ঘরে বসেই এই আবেদনটি সম্পন্ন করতে পারব।
জন্ম নিবন্ধন বা সনদ আসলে কী
জন্ম নিবন্ধন বা জন্ম সনদ হলো জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন। ২০০৪
সনের ২৯ নং আইন। এই আইন মোতাবেক একজন মানুষের নাম, জন্মের তারিখ
ও স্থান, মা-বাবার নাম, তাদের জাতীয়তা এবং স্থায়ী ঠিকানাসহ যাবতীয়
তথ্য নির্ধারিত জায়গা থেকে রেজিস্টার করার মাধ্যমে কম্পিউটারে
এন্ট্রি প্রদান করে জন্ম নিবন্ধন বা সনদ প্রদান করা। এটি হলো মূলত জন্ম
নিবন্ধন বা জন্ম সনদ। এই জন্ম নিবন্ধনে ব্যক্তির সকল ধরনের
ব্যক্তিগত তথ্যের পাশাপাশি একটি জন্ম নিবন্ধন নাম্বার থাকে।
সোজা কথায় বলতে গেলে একজন শিশু জন্ম হওয়ার পরে তার পরিচয় পত্র কে
জন্ম নিবন্ধন বলে। এ নিবন্ধনে শিশুর ব্যক্তিগত সকল তথ্যের পাশাপাশি শিশুর
মা-বাবার সকল তথ্য দেয়া থাকে। শিশুর জন্ম নিবন্ধন করার মাধ্যমে শিশুর
নাম এবং জাতীয়তা আইনগতভাবে নির্ধারিত হয়। একটি শিশু জন্মানোর পর সে প্রথম
রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত পায় জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে। এই জন্ম নিবন্ধন
শিশুকে অন্যান্য সকল নাগরিকদের সাথে সমান নাগরিক সুবিধা ভোগ করতে
সাহায্য করে।
জন্ম নিবন্ধন আমাদের কী কী কাজে লাগে
একটি শিশু জন্মানোর পর প্রথম রাষ্ট্র কতৃক স্বীকৃত প্রদান করা হয়
জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে। জন্ম নিবন্ধন প্রতিটি শিশুসহ যেকোনো ব্যক্তির
জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে এবং প্রতিটি ধাপে অসংখ্য প্রয়োজনীয় এবং
গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস। এটি ব্যক্তির রাষ্ট্র কর্তৃক নাম এবং
জাতীয়তা নির্ধারণ করে।জন্ম নিবন্ধন ছাড়া কোন ব্যক্তি নাগরিক সুবিধা ভোগ
করতে পারবে না কারণ সে ওই রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে গণ্য হবে
না। তাই জন্ম নিবন্ধন আমাদের প্রত্যেকের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা
আশা করছি আমরা সকলেই বুঝতে পারছি।
জন্ম নিবন্ধন আমাদের কি কাজে লাগে তা আসলে বলে শেষ করা যাবে না। তাও
আমরা কয়েকটি উদাহরণ দেওয়ার মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট করে বুঝে নেয়ার
চেষ্টা করছি। জন্ম নিবন্ধন আমাদের পাসপোর্ট তৈরি বা ইস্যু
করতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে, বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ
হতে, ভোটার হতে, ব্যাংক একাউন্ট খুলতে এবং যেকোনো আর্থিক
লেনদেন করতে, সরকারি বা বেসরকারি যে কোন চাকরিতে যোগ দিতে এমনকি
সর্বশেষ জাতীয় পরিচয় পত্র প্রাপ্তিতে প্রয়োজন হয়।
কিভাবে জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হয়
কোন শিশু পৃথিবীতে ভূপৃষ্ঠ হওয়ার পর পিতা-মাতার প্রথম কাজ হলো শিশু জন্ম
নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা। বর্তমানে আপনারা চাইলে খুব সহজে ঘরে বসেই জন্ম
নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন এর জন্য আপনাদের প্রথমে br.lgd.gov.bd এই
ওয়েবসাইট প্রবেশ করে নিবন্ধকের কার্যালয় বরাবর একটি জন্ম নিবন্ধনের আবেদন
সাবমিট করতে হবে। অনলাইনে আবেদন করা হয়ে গেলে আবেদনের প্রিন্ট কপি নিবন্ধন
অফিসে জমা দিতে হবে।
যদি শিশু জন্মের পাঁচ বছরের মধ্যে জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা হয় তাহলে
তথ্য সংগ্রহকারীর প্রত্যয়, সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের
ছাড়পত্র বা জন্ম সংক্রান্ত তথ্য এবং নিবন্ধকের প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন
দলিল প্রদান করতে হবে। এবং শিশু জন্মের পাঁচ বছরের অধিক হলে বয়স প্রমাণের
জন্য ডাক্তার বা জন্মস্থানের এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের স্থান প্রমাণের জন্য
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক
মনোনীত প্রত্যয় এবং নিবন্ধকের প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন দলিল প্রদান করতে
হবে।
জন্ম নিবন্ধনের কোনো তথ্যে ভুল থাকলে করণীয় কি
এবার আসা যাক জন্ম নিবন্ধনের কোনো তথ্যে ভুল থাকলে আমাদের করণীয়
আসলে কি সে বিষয় নিয়ে। আমরা সকলেই জানি জন্ম নিবন্ধন
আমাদের সকলের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ডকুমেন্ট। তাই এটিতে ভুল
থাকলে আমাদের যত দ্রুত সম্ভব তা সংশোধন করার ব্যবস্থা করতে
হবে। জন্ম নিবন্ধনে কোনো ভুল থাকলে তা দুইভাবে সংশোধন করা যায় একটি
নির্ধারিত অফিসে গিয়ে এবং আরেকটি হলো অনলাইনে।
অফিসে গিয়ে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে চাইলে আমাদের প্রথমে
নিকটস্থ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা কিংবা সিটি করপোরেশনে যোগাযোগ করতে
হবে। সেখানে গিয়ে আমাদের জানাতে হবে যে আমরা জন্ম নিবন্ধনের তথ্য
সংশোধন করতে এসেছি তাহলে তারা আমাদের পরবর্তী করণীয় কি তা জানিয়ে দিবে।
পাশাপাশি অনলাইনে সংশোধন করার ক্ষেত্রে আমাদের আগে অনলাইন আবেদন করতে হবে এবং
সেই আবেদন পত্র নিয়ে নির্ধারিত অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। অফিসে যাওয়ার
সময় আমাদের অবশ্যই সকল প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট বা কাগজপত্র সাথে নিয়ে যেতে
হবে যেমন জাতীয় পরিচয় পত্র, স্কুল কলেজের সার্টিফিকেট ইত্যাদি।
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধনের প্রথম ধাপ
এখন আমরা অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে
নিয়ম বর্ণনা করবো। অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধন করার জন্য
প্রথমে আমাদের যে কাজটি করতে হবে সেটি হলো
আমাদের www.bdris.gov.bd এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। এই
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর মেনুবার থেকে জন্ম নিবন্ধন অপশনে গিয়ে জন্ম
নিবন্ধন এর তথ্য সংশোধন অপশনে ক্লিক করতে হবে।
জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধন আলোচনা ক্লিক করার পর আমাদের সামনে এরকম একটি
ইন্টারফেস চলে আসবে।
এখানে আমাদের জন্ম নিবন্ধনের বিভিন্ন তথ্য সংশোধন করার
অপশন রয়েছে। আমরা এখান থেকে আমাদের নির্ধারিত সমস্যাটি নির্বাচন
করে সেটির সংশোধনী তথ্য এবং সংশোধনের কারণ উল্লেখ করতে পারবো।
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধনের দ্বিতীয় ধাপ
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধনের দ্বিতীয় ধাপে
আমাদের সংশোধনের কারণ চিহ্নিত করার পর সংশোধনী তথ্য ও সংশোধনের
কারণ চিহ্নিত করা হয়ে গেলে আমাদের বেশ কিছু ডকুমেন্ট সাবমিট করতে
হবে। এক্ষেত্রে যদি আমাদের জন্ম নিবন্ধনে একাধিক ভুল থাকে তাহলে আমরা
এখানে আরও তথ্য সংশোধন অপশনে ক্লিক করে বাকি সংশোধনীগুলো যুক্ত করতে
পারবো। আমরা চাইলে আমাদের জন্ম নিবন্ধন এর ঠিকানাও পরিবর্তন করতে
পারবো।
উপরে আমাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়ে গেলে যাবতীয় প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সাবমিট করতে হবে। এক্ষেত্রে আমাদের প্রতিটি ইমেজের ছবি দুই এমবির কম হতে হবে এবং সেগুলো জপিইজি অথবা পিএনজি ফরম্যাটে থাকতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা যত বেশি ডকুমেন্ট এখানে যুক্ত করবো আমাদের সংশোধনী পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি বেড়ে যাবে।
তাই আমরা সকলে এখানে আমাদের যাবতীয় যত ডকুমেন্ট রয়েছে প্রমাণ স্বরূপ সবকিছু
যুক্ত করে দিব। যুক্ত করা হয়ে গেলে আমাদের নিচের ধাপে চলে যেতে হবে এবং
সেখানে আমাদের কিছু ইনফরমেশন পূরণ করতে হবে। এখানে প্রথমে আমাদের পূরণ করতে
হবে আমরা আবেদনকারী কি হই এরপর যিনি আবেদন করছে তার নাম, ইমেইল
এড্রেস এবং ফোন নাম্বার। ফোন নাম্বার দেওয়ার পর সেই ফোন নাম্বারে একটি
কোড যাবে এবং সেই কোডটি ওটিপি লেখা ঘরে আমাদের বসাতে হবে।
ওটিপি লেখা ঘরে কোডটি বসানোর পর আমাদের সাবমিট নামে যে অপশনটি রয়েছে সেখানে
ক্লিক করতে হবে।
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধনের শেষ ধাপ
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে নিয়ম বর্ণনা করার এটা
হলো সর্বশেষ ধাপ।আমরা আগেই বলেছি ওটিপি লেখা ঘরে আমাদের ফোন নাম্বারে
আসা কোডটি লিখে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এবং সাবমিট বাটনে ক্লিক করার পর
আমাদের সামনে এরকম একটি ইন্টারফেস চলে আসবে।
এখানে আমাদের বলা হবে যে আমাদের আবেদনটি দাখিল করা হয়েছে এবং আমাদের
একটি আবেদন নাম্বার প্রদান করা হবে। এই আবেদন নাম্বার
দ্বারা পরবর্তীতে আমরা আমাদের আবেদনটি যাচাই করতে
পারবো। পাশাপাশি আমাদের আবেদনটি কবে করা হয়েছে সেই তারিখটিও
এখানে দেখাবে। এখানে নিচে আমাদের আবেদন পত্রটি প্রিন্ট করার একটি অপশন
রয়েছে সেই অপশনে ক্লিক করে আমাদের আবেদন পত্রটি প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করতে
হবে। বলতে এইভাবেই অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আবেদন
করতে হয়।
অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার পর করনীয় কি
এবার আসা যাক অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আবেদন দাখিল করার পর আমাদের
করণীয় কি সেই বিষয় নিয়ে। অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আবেদন
করার সময় আমাদের যেই আবেদন পত্রটি দিয়েছিল তা আমাদের সকলকে প্রিন্ট করে
সংরক্ষণ করতে হবে।এই আবেদনপত্র ছাড়া আমাদের আবেদনটি গ্রহণযোগ্য হবে
না। তাই আমাদের আবেদন পত্রটি খুব গুরুত্ব সহকারে সংরক্ষণ করতে হবে।
আবেদন পত্রটি প্রিন্ট করা হয়ে গেলে আমাদের যাবতীয় সকল ডকুমেন্টস
নিয়ে নিকটস্থ অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। যেমন ইউনিয়ন
পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন ইত্যাদি। অফিসে যাওয়ার
পূর্বে সকল ডকুমেন্টের মূল কপি আমাদের সাথে রাখতে হবে। যেমন জাতীয়
পরিচয় পত্র, বিভিন্ন স্কুল-কলেজে সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট ইত্যাদি। এর
পাশাপাশি আমাদের নিজের কয়েক কপি ছবি সাথে নিয়ে যেতে
হবে।এরপর অফিসে গিয়ে আমাদের জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয়
ফি প্রদান করতে হবে। ফি প্রদান করা হয়ে গেলে তারা আমাদের একটি রশিদ
দিবে এবং আমাদের জন্ম নিবন্ধনের সংশোধন সম্পন্ন হলে আমরা এই অফিস থেকে অথবা
অনলাইনে তা পেয়ে যাব।
শেষ কথাঃ অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে নিয়ম
আমার এতক্ষণ এই আর্টিকালে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের সম্পূর্ণ ধাপে
ধাপে নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার পাশাপাশি কিভাবে অনলাইনে
আবেদন করতে হয় তা স্ক্রিনশট সহ দেখিয়ে দিলাম। মূলত জন্ম নিবন্ধন হলো
আমাদের প্রত্যেকের জন্য একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি ডকুমেন্ট তাই
এটিতে ভুল থাকলে আমাদের অবশ্যই সংশোধন করতে হবে। সাধারণত সংশোধনের আবেদন
করার সময় আমরা যত বেশি ডকুমেন্ট আবেদনের সাথে যুক্ত করবো জন্ম
নিবন্ধন সংশোধন হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি বেড়ে যাবে।
আমার মতে জন্ম নিবন্ধন যেহেতু আমাদের প্রত্যেকের জীবনে একটি খুবই
গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট তাই এটিতে কোনো প্রকার ভুল থাকলে আমাদের অবশ্যই তা
সংশোধন করতে হবে। বর্তমানে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আমাদের বাইরে
গিয়ে আর হয়রানির শিকার হতে হয় না। আমরা চাইলে এখন ঘরে বসেই জন্ম
নিবন্ধন সংশোধনের জন্য সংশোধনী আবেদন করতে পারবো। 250945











অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url