OrdinaryITPostAd

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা - ২৬শে মার্চ সম্পর্কে কিছু কথা

প্রিয় পাঠক মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? তাহলে এই পোষ্ট টি আপনার জন্য। এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ে জেনে নিন মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা। রচনাটি পড়ে আপনি মহান স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে আরও অনেক তথ্য জানতে পারবেন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা
আপনি যদি মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে এই বরবটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। এই পর্বে আলোকপাত করা হবে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস রচনা সম্পর্কে। চলুন জেনে নেওয়া যাক মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা।

পোস্ট সূচিপত্রঃ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা

এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ে জেনে নিন মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা।

ভূমিকাঃ

বাঙালি জাতির জীবনের স্বাধীনতা শব্দটি বহুপ্রতীক্ষিত একটি স্বপ্নের নাম। দীর্ঘ সময় ধরে আমরা পরাধীন একটি জাতি। ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ শৃংখল থেকে চিরতরে মুক্তির লড়াই শুরু হয়। শত্রুর হাত থেকে স্বদেশভূমি তখন না হলেও মনে মনে আমরা নিজেদের সম্পূর্ণ স্বাধীন ভাবতে শুরু করে দিন থেকেই। তাই ২৬ শে মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস।১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। দেশকে স্বাধীন করার জন্য বানিয়েছিল দীপ্ত শপথ।

স্বাধীনতা দিবসের চেতনাঃ

আমরা সবাই স্বাধীন একটি দেশের নাগরিক। স্বাধীনতা দিবসে এ বিষয়টি আমরা আরো ভালোভাবে অনুধাবন করতে পারে। এ দেশের জন্য শহীদ দের অবদান এর মুল্য বুঝতে পারি। দেশের প্রতি আমাদের ভালোবাসা বৃদ্ধি পায় নিজেদের অধিকার বিষয়ে সচেতন হয়। এদিন সমগ্র বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রামের অঙ্গীকারে ভাস্কর। এই দিনে আমরা আত্ম-পরিচয়ের গৌরব উজ্জ্বল ও বেদনায় মহীয়ান হওয়ার প্রেরণা লাভ করে। প্রতিবছর নানা আয়োজনে দেশের মানুষ এই দিনটি উদযাপন করে।

স্বাধীনতা দিবসের প্রেক্ষাপটঃ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার গভীর রাতে পূর্ব পাকিস্তানের নিরীহ জনগণের ওপর হামলা চালায়। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে গোলাবর্ষণ করা হয়। অনেক স্থানের নারীদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয় এবং অনেক স্থানে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। এমনতো অবস্থায় বাঙ্গালীদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হয়।অনেক স্থানে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা না করেই অনেকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাবার পর আপামর বাঙালি জনতা পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ভারতের অবিস্মরণীয় সমর্থনের ফলস্বরূপ দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটায়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসঃ

বাংলাদেশের জন্য স্বাধীনতা দিবস আত্মত্যাগ ও আত্ম অহংকার এর একটি দিন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ এদেশের মানুষ পৃথিবীর বুকে নতুন একটি মানচিত্রের সৃষ্টি করে। বাঙালি ব্যক্তির সমস্ত আকাঙ্ক্ষা সমন্বিত হয়েছিল সেদিন। সমস্ত জাতি যেন একই অঙ্গীকার নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মুক্তিযুদ্ধে। আকাশের নক্ষত্ররাজি মত ছোট বড় হাজারো ঘটনার জন্ম হয়েছিল সেদিন। রক্তস্নাত হয়ে এই সবুজ শ্যামল বাংলা অন্যরূপে ছিল সে সময়। বাঙালির সে ক্ষনের বীরত্বের ইতিহাস চর্চিত হয়েছে বহুভাবে বহু স্থানে। ইতিহাস আজন্মকাল ধরে বাঙালির হৃদয়ে থাকবে।

উপসংহারঃ

মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীনতার অধিকার প্রাপ্ত হয়। কিন্তু বর্তমানে দেশে ও বিশ্বে পরাধীনতায় যেন সবাইকে ধীরে ধীরে গ্রাস করেছে। আমাদের সমাজেও শক্তভাবে এই প্রক্রিয়াটি লক্ষ্য করা যায়। অর্জিত এই স্বাধীনতা রক্ষা করতে আমাদের একসাথে উদ্যমী হয়ে কাজে লাগতে হবে। অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য। দেশ গড়ার কাজে উদ্যমী হতে হবে আমাদের। আমরা আমাদের স্বাধীনতাকে সঠিকভাবে বাস্তবায়িত করবো এটাই যেন হয় আমাদের নবীনদের মূল লক্ষ্য।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা ১০০০ শব্দ

আপনি নিশ্চয়ই মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা ১০০০ শব্দ এরমধ্যে চাচ্ছেন? হ্যাঁ আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা ১০০০ শব্দ।

ভূমিকাঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস একটি ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। আমাদের জীবনে এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম। এটি নবপ্রত্যয় ও শপথ গ্রহণের দিন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। দেশকে স্বাধীন করার জন্য বানিয়েছিল দীপ্ত শপথ। পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ এর থেকে নিজেদের মুক্ত করার জন্য এবং আপন পরিচয় খোঁজবার নিমিত্তে সেদিন বাঙালি গর্জে উঠেছিলো। দীর্ঘদিনের শোষণ নিপীড়ন ভেঙে গৌরবময় ইতিহাস যেন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সেদিন এ জাতির ভেতরে।
তাই সর্বোচ্চ আত্মত্যাগে সেদিন বাঙালি অর্জন করেছিল স্বাধীনতার সোনালী সূর্য। বাঙালি জাতির জীবনের স্বাধীনতা শব্দটি বহুপ্রতীক্ষিত একটি স্বপ্নের নাম। দীর্ঘ সময় ধরে আমরা পরাধীন একটি জাতি। ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ শৃংখল থেকে চিরতরে মুক্তির লড়াই শুরু হয়। শত্রুর হাত থেকে স্বদেশভূমি তখন না হলেও মনে মনে আমরা নিজেদের সম্পূর্ণ স্বাধীন ভাবতে শুরু করে দিন থেকেই। তাই ২৬ শে মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস।

স্বাধীনতা অর্জনে মুক্তিযুদ্ধঃ

স্বাধীনতা অর্জনে এদেশের মানুষ সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস এদেশে ৩০ লক্ষ মানুষ প্রাণ দিয়েছে, অত্যাচারিত হয়েছে সম্ভ্রম হারিয়েছেন কয়েক লক্ষ মা বোন। আলবদর আলশামস ও শান্তি কমিটির সদস্যরা পাকিস্তানীদের দোসর হিসেবে কাজ করেছে। সর্বস্তরের মানুষ যখন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে তখন দেশে রাজাকারদের তৎপরতায় বহু মানুষ সর্বস্বান্ত হয়েছে প্রাণ দিয়েছে। বহু মুক্তিযোদ্ধাদের নিজেরা হত্যা করেছে। পাকিস্তানিদের হাতে তুলে দিয়েছে এই রাজাকার বাহিনি। দেশের অভ্যন্তরেই শত্রুদের বিনাশ করে স্বাধীনতা অর্জন করতে একটি সামরিক পরিকল্পনা করে তৎকালীন মেহেরপুরের মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় অস্থায়ী সরকার। মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন কর্নেল এম এ জি ওসমানি। তার নেতৃত্বে এবং বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের মিত্র বাহিনীর তৎপরতায় ও সহযোগিতায় নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর এ দেশ স্বাধীন হয়।

স্বাধীনতা দিবসের প্রেক্ষাপটঃ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার গভীর রাতে পূর্ব পাকিস্তানের নিরীহ জনগণের ওপর হামলা চালায়। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে গোলাবর্ষণ করা হয়। অনেক স্থানের নারীদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয় এবং অনেক স্থানে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। এমনতো অবস্থায় বাঙ্গালীদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হয়।অনেক স্থানে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা না করেই অনেকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাবার পর আপামর বাঙালি জনতা পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ভারতের অবিস্মরণীয় সমর্থনের ফলস্বরূপ দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটায়।

স্বাধীনতা দিবস কিঃ

১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। ৩০ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে এই দিনে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করেছিল। এই স্বাধীনতা নিয়ে আসেনি 30 লক্ষ তাজা রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল স্বাধীনতা।তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক স্বাধীনতা দিবস কি এর সম্পর্কে কিছু কথা। ২৬ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসের এক রক্তাক্ত আনন্দের নাম। ২৬ মার্চ বিশ্বের বুকে লাল সবুজের পতাকা উড়ানোর দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু করে। ২৫ মার্চ রাতে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এক তারবার্তায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। সেই দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে এই স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসঃ

বাংলাদেশের জন্য স্বাধীনতা দিবস আত্মত্যাগ ও আত্ম অহংকার এর একটি দিন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ এদেশের মানুষ পৃথিবীর বুকে নতুন একটি মানচিত্রের সৃষ্টি করে। বাঙালি ব্যক্তির সমস্ত আকাঙ্ক্ষা সমন্বিত হয়েছিল সেদিন। সমস্ত জাতি যেন একই অঙ্গীকার নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মুক্তিযুদ্ধে। আকাশের নক্ষত্ররাজি মত ছোট বড় হাজারো ঘটনার জন্ম হয়েছিল সেদিন। রক্তস্নাত হয়ে এই সবুজ শ্যামল বাংলা অন্যরূপে ছিল সে সময়। বাঙালির সে ক্ষনের বীরত্বের ইতিহাস চর্চিত হয়েছে বহুভাবে বহু স্থানে। ইতিহাস আজন্মকাল ধরে বাঙালির হৃদয়ে থাকবে।

স্বাধীনতা দিবসের প্রেক্ষাপটঃ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার গভীর রাতে পূর্ব পাকিস্তানের নিরীহ জনগণের ওপর হামলা চালায়। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে গোলাবর্ষণ করা হয়। অনেক স্থানের নারীদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয় এবং অনেক স্থানে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। এমনতো অবস্থায় বাঙ্গালীদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হয়।অনেক স্থানে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা না করেই অনেকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাবার পর আপামর বাঙালি জনতা পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ভারতের অবিস্মরণীয় সমর্থনের ফলস্বরূপ দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটায়।

স্বাধীনতা দিবসের ইতিহাসঃ

২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার গভীর রাতে পূর্ব পাকিস্তানের নিরীহ জনগণের ওপর হামলা চালায়। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে গোলাবর্ষণ করা হয়। অনেক স্থানের নারীদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয় এবং অনেক স্থানে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। এমনতো অবস্থায় বাঙ্গালীদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হয় এবং অনেক স্থানে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা না করেই অনেকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন।
পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাবার পর আপামর বাঙালি জনতা পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ভারতের অবিস্মরণীয় সমর্থনের ফলস্বরূপ দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটায়।

বাঙালির স্বাধীনতা দিবসঃ

স্বাধীনতা দিবসকে জাতীয় দিবস বলা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ পালিত বাংলাদেশের জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু করে। ২৫ মার্চ রাতে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এক তারবার্তায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। ২৬ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমান এর পক্ষ থেকে এম এ হান্নান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের উদ্দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশগ্রহণের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। তাই এই দিনটিকে বাংলাদেশ জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।

স্বাধীনতা দিবসের চেতনাঃ

আমরা সবাই স্বাধীন একটি দেশের নাগরিক। স্বাধীনতা দিবসে এ বিষয়টি আমরা আরো ভালোভাবে অনুধাবন করতে পারি। এ দেশের জন্য শহীদ দের অবদান এর মুল্য বুঝতে পারি। দেশের প্রতি আমাদের ভালোবাসা বৃদ্ধি পায় নিজেদের অধিকার বিষয়ে সচেতন হয়। এদিন সমগ্র বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রামের অঙ্গীকারে ভাস্কর। এই দিনে আমরা আত্ম-পরিচয়ের গৌরব উজ্জ্বল ও বেদনায় মহীয়ান হওয়ার প্রেরণা লাভ করে। প্রতিবছর নানা আয়োজনে দেশের মানুষ এই দিনটি উদযাপন করে। আমাদের আগামী প্রজন্ম কেউ জানাতে হবে স্বাধীনতা দিবসের ইতিহাস। স্বাধীনতা দিবসের সকল শহীদদের প্রতি হাজার সালাম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা বাঙালির মনে আজীবন থাকবে।

উপসংহারঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস একটি ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। আমাদের জীবনে এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম। এটি নবপ্রত্যয় ও শপথ গ্রহণের দিন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। দেশকে স্বাধীন করার জন্য বানিয়েছিল দীপ্ত শপথ। পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ এর থেকে নিজেদের মুক্ত করার জন্য এবং আপন পরিচয় খোঁজবার নিমিত্তে সেদিন বাঙালি গর্জে উঠেছিলো। দীর্ঘদিনের শোষণ নিপীড়ন ভেঙে গৌরবময় ইতিহাস যেন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সেদিন এ জাতির ভেতরে। তাই সর্বোচ্চ আত্মত্যাগে সেদিন বাঙালি অর্জন করেছিল স্বাধীনতার সোনালী সূর্য।

স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে কিছু কথা

আপনি যদি স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে কিছু কথা জানতে চান তাহলে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। চলুন জেনে নেওয়া যাক স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে কিছু কথা।২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস। সমস্ত বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্মরণীয় দিন গুলোর মধ্যে একটি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দেশের প্রতিটি মানুষকে সম্মান করে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। বাংলাদেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সংগঠনে দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। যাদের কল্যাণে আজ আমরা স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে তাদের প্রতি জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা অঞ্জলি ও শুভেচ্ছা। আমাদের স্বাধীন করার জন্য ত্যাগ করতে হয়েছে অনেক কিছু, দিতে হয়েছে লাখো প্রাণের তাজা রক্ত। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আমরা পেয়েছিলাম স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। এই ছিল স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে কিছু কথা।

জাতীয় দিবসের তাৎপর্য

আপনি কি জাতীয় দিবসের তাৎপর্য জানতে চান। তাহলে জেনে নিন জাতীয় দিবসের তাৎপর্য সম্পর্কে। অগ্নিঝরা মার্চ মাস বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সাক্ষী। ১৯৭১ এই মাসের তীব্র আন্দোলনের পরিণতি শুরু হয় মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ। বাংলার আন্দোলন-সংগ্রামের ঘটনাবহুল ও বেদনা স্মৃতিবিজড়িত ১৯৭১ এর মার্চ মাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৩ আন্দোলন-সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্বে এসে শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে ছিল বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হলেও চূড়ান্ত আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল একাত্তরের পহেলা মার্চ থেকে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন জাতীয় দিবসের তাৎপর্য।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা এর শেষ কথা

এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ে নিশ্চয়ই মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস রচনা সম্পর্কে আপনার যদি কোন মন্তব্য থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আজকের পর্বটি ভাল লেগে থাকলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। এ ধরনের পোস্ট পেতে আমাদের পেজের সাথে থাকুন। @ 22882

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url