OrdinaryITPostAd

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য - ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান শহীদের নাম

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। আপনি যদি ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই আমাদের এই আর্টিকেল সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। আমরা যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে ধারনা রাখি তারা জানি যে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান কি? তাই এখন আমরা ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করব।

আপনি যদি শেষ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে থাকেন তাহলে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাক।

কনটেন্ট সূচিপত্রঃ ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য - ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান শহীদের নাম

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য - ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান শহীদের নামঃ ভূমিকা

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করব কারণ এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সাথে জড়িত। যেহেতু এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে যুক্ত তাই অবশ্যই আমাদের ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য সম্পর্কে জেনে থাকা উচিত। এছাড়া আজকের এই আর্টিকেলে আরো ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান শহীদের নাম, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান কাকে বলে? ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বলতে কি বুঝায়? ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ছবি, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান কাকে বলে - ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বলতে কি বুঝায়

প্রিয় বন্ধুরা ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান কাকে বলে? এই সম্পর্কে অনেকের গুগলের সার্চ করে থাকে তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি খুবই উপকারী হতে চলেছে। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানি এমনকি যারা মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে ধারণা রাখে তারা ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কে জানে। তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বলতে কি বুঝায়? এ বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাহলে চলুন ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান কাকে বলে? তা জেনে নেওয়া যাক।

আরো পড়ুনঃ সংবিধান সংরক্ষন দিবস - বাংলাদেশের সংবিধানের ধারা কয়টি

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক মুক্তির সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এক দশকের বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা আইয়ুব খান সরকারের পতন ঘটে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান এর মধ্য দিয়ে। ৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর স্বৈরাচারী শাসন নীতির বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের জনগণের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ এর বহিঃপ্রকাশ।

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য - ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি

প্রিয় বন্ধুরা আজকের এই আর্টিকেল আমাদের মূল আলোচনার বিষয় ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য নিয়ে। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি ও ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য সম্পর্কে জানতে চাই সাধারণত তাদের জন্যই আজকের এই আর্টিকেলে আমরা এখন ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি সম্পর্কে আলোচনা করব।

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান কোন আকস্মিক ঘটনা ছিলনা। এটি ছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর স্বৈরাচারী শাসন নীতির বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের অসহায় জনসাধারণের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকেই পূর্ব পাকিস্তানের তথা বর্তমানের বাংলাদেশের প্রতি অথবা বাড়তে থাকে। আইয়ুব খান কর্তিক সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এই কালো থাবা আরো বেশি বাড়তে থাকে।

এ যুগের সন্ধিক্ষণের রাজনৈতিক পুনর্জীবিত স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও গণবিরোধী স্বৈরাচারী সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে ১৯৬৯ সালে বাংলার মানুষ এক প্রচণ্ড আক্রমণ ফেটে পড়ে। এই গণঅভ্যুত্থান এর কারণে দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচারকারী সামরিক শাসন আইয়ুব খানের পতন ঘটে। ৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান পূর্ব পাকিস্তানের সমাজজীবনের ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলেছিল।

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও পরিণতিসহ এর রাজনৈতিক ও সামাজিক তাৎপর্য উপলব্ধি করা প্রয়োজন। কয়েক মাস স্থায়ী এই গণবিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিতে যে রূপান্তর সবিশেষ লক্ষণীয়। তা হলো স্বায়ত্তশাসনের দাবির মাত্রা অনেক বৃদ্ধি পেয়ে স্বাধিকার বা আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের চেতনা সঞ্চারিত হয়েছিল। ৬৯ সালে ততটা প্রকাশ্য না হলেও ৭০ সালের নির্বাচনের প্রচারণা ও পরিণীতির মাঝে মূর্ত হয়ে উঠেছিল।

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের সাথে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয় যতটা গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়ে আজো ততটা পর্যালোচনা করা হয়নি বলা চলে। ৬৮ সালের ডিসেম্বরের শুরুতে তিনিই স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে সাহসের সাথে গণআন্দোলন শুরু করেছিলেন। ২০ জানুয়ারি মিছিলে প্রাণোৎসর্গকারী ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান তার দলের একজন সংগঠক।

তবে বিশেষত ফেব্রুয়ারি থেকে আন্দোলনে ভাসানীসহ বামপন্থীদের নেতৃত্ব ও প্রভাব হ্রাস পেয়ে মুখ্য হয়ে ওঠে বাঙালি জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতৃত্বদানের বিষয়। প্রধানত মওলানা ভাসানীর আন্দোলনে শেখ মুজিব ২২ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাওয়ার পর তিনিই পুরো আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন।

জাতীয় রাজনীতিতে প্রধান সঙ্কট ছিল স্বৈরাচারী রাষ্ট্রব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। এ জন্য প্রথমেই প্রয়োজন ছিল রাষ্ট্রের ফেডারেল কাঠামো সর্বাধিক স্বায়ত্তশাসন এবং সর্বজনীন ভোটাধিকারের নিশ্চয়তাসহ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর এবং এ পথে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রবর্তন।

আরো পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ গৃহীত হয় কত সালে

এসব দাবি নিয়ে ৬৯ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে তৎকালীন পাকিস্তানের রাজধানীতে সরকারের শীর্ষপর্যায়ে বিরোধী দলের নেতাদের সাথে দফায় দফায় গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু জনগণের বিপুল প্রত্যাশা সত্ত্বেও বৈঠক ব্যর্থ হয়। শুধু তাই নয় বিরোধী দল বৈঠকে কোনো ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিতে পারেনি এবং এরপর তাদের নিজেদের মধ্যে প্রকট বিদ্বেষ ও বৈরিতা পরিলক্ষিত হয়েছে।

এর কারণ কী এবং এ জন্য কারা কতটুকু দায়ী সে ব্যাপারে তথ্যবহুল আলোকপাত করা আবশ্যক। স্মর্তব্য ৬৯ এর গোলটেবিল বৈঠক ব্যর্থ না হলে হয়তো জাতি ১৯৭০ সালের বছরখানেক আগেই গণতন্ত্রের প্রশ্নে তাদের নির্বাচনী রায় প্রদান করতে সক্ষম হতো।

সংগ্রহীত

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান শহীদের নাম

আপনি যদি উপরের আলোচনা গুলো পড়ে থাকেন তাহলে ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছেন যে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান কেন সংঘটিত হয়েছিল। তখন স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের পতন এ দাবিতে ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল। এখন আমরা ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান শহীদের নাম জানব। আপনি যদি ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান শহীদের নাম সম্পর্কে জানতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে মনোযোগ দিতে হবে।

আইয়ুব খানের পতনের দাবিতে ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি মিছিল করার সময় পুলিশের গুলিতে বেশ কয়েকজন ছাত্র নেতা নিহত হয়েছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলো আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান যাকে বাংলাদেশের মানুষ শহীদ আসাদ নামে চেনে। তার সাথে আরও দুইজন শহীদ হয়েছিলেন তাঁরা হলেন শহীদ রুস্তম এবং শহীদ মতিউর।

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ছবি

উপরের আলোচনায় আমরা ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য সম্পর্কে আলোচনা করেছি এখন আপনাদের জন্য ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ছবি সম্পর্কে আলোচনা করব। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ছবি দেখতে চাই সাধারণত তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি। নিচে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ছবি তুলে ধরা হলো।

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্ব

প্রিয় বন্ধুরা এখন আমরা ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করব। কমবেশি আমরা সকলেই ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্ব সম্পর্কে জানি কিন্তু তারপরেও আজকের এই আর্টিকেলে যেহেতু আমরা উক্ত বিষয়টি সম্পর্কে আলোচনা করতে সেহেতু ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্ব সম্পর্কে জেনে নেওয়া জরুরী। নিচে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

তৎকালীন পাকিস্তান সরকার ছাত্রসমাজের 11 দফা এবং জনতার ৬ দফা দাবিকে রাষ্ট্রবিরোধী দাবি বলে ঘোষণা করে এবং আগরতলা ষড়যন্ত্রমূলক মামলা সাজিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেন। যার ফলে সম্পূর্ণ বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা আন্দোলনে ফেটে পড়ে ধীরে ধীরে ছাত্র-জনতার 11 দফা ও আওয়ামী লীগ সরকারের ছয় দফা উপেক্ষিত হলে ১৯৬৯ সালে বাংলাদেশ বাসি তীব্র আন্দোলনে বের হয়ে যায়।

আরো পড়ুনঃ স্বৈরাচারী শাসনের পতন ঘটে কত সালে - স্বৈরাচারী নেতৃত্ব কি জানুন

এ আন্দোলনে তৎকালীন সরকারের পুলিশের গুলিতে মিছিলে থাকা ছাত্র নেতা অনেকে মৃত্যুবরণ করেন। যার ফলে আন্দোলনের তীব্রতা আরো বেশী বাড়তে থাকে। পশ্চিম পাকিস্তানের আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন গড়ে ওঠে। বাংলাদেশের সব জায়গাতে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন শুরু হয়ে যায়। যার ফলে বাধ্য হয়ে আইয়ুব খান পদত্যাগ করে।

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য - ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান শহীদের নামঃ উপসংহার

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্ব, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ছবি, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সাহিত্য, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বলতে কি বুঝায়? এই বিষয়গুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি আপনারা উক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। আপনাকে বিষয়গুলো জানাতে পেরে আমরা সত্যিই অনেক আনন্দিত। আপনার এবং আপনার পরিবারের সুস্থতা কামনা করে আজকের মত এখানেই শেষ করছি ধন্যবাদ।২০৮৭৬

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url