অর্ডিনারি আইটি https://www.ordinaryit.com/2022/11/rochona.html

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা pdf - শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস অনুচ্ছেদ

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা pdf সহ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস অনুচ্ছেদ আরো অনেকগুলো বিষয় আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা করা হবে। বাংলাদেশের জাতীয় দিবস গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা pdf অনেকেই গুগলের সার্চ করে থাকে। কারণ রচনা প্রতিযোগিতার জন্য অথবা অন্য কোন কারণে। তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলের শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা pdf সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

সূচিপত্রঃ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা pdf - শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস অনুচ্ছেদ

ভূমিকাঃ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা pdf - শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস অনুচ্ছেদ

বাংলাদেশের জাতীয় দিবস গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। প্রতিবছর বাংলাদেশের বিজয় দিবসের দুইদিন আগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ দিবস। এই দিনে বাংলাদেশের অনেক বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল পাক হানাদার বাহিনীরা। আজকেরে আর্টিকেলে আমরা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা pdf এছাড়া শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রচনা, স্ট্যাটাস, কবিতা সহ আরো অনেকগুলো বিষয় আলোচনা করা হবে।

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করার 2 দিন আগে পাক হানাদার বাহিনীরা বুঝে গিয়েছিল যে তাদের বাংলাদেশ সময় শেষ হয়ে চলেছে। যার মধ্যে দিয়ে তারা একটি ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করে তার মধ্যে যুক্ত ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী দল গুলো যেমন রাজাকার। বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করেছিল এই দিনে।

আরো পড়ুনঃ বিশ্ব এইডস দিবস কবে - ১ ডিসেম্বর কি এইডস দিবস?

তাদের এই হত্যাকাণ্ডের মধ্যে অন্যতম মূল কারণ ছিল বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে মেধাশূন্য করে দেওয়া। এই লক্ষ্যে তারা বাংলাদেশের সকল বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল। বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ছিল চিকিৎসক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ আরো অন্যান্য পেশাজীবীর মানুষ। কিন্তু তারা বিভিন্ন রকম ভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য করেছে।

সাধারণত তাদের স্মরণ করার জন্য এবং আগামী প্রজন্মকে তাদের কর্মকাণ্ডের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। এটি একটি শোকের দিন। শ্রদ্ধাভরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করা হয়।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস অনুচ্ছেদ

১৯৭১ সাল হল বাংলাদেশে জীবনে অত্যন্ত স্মরণীয় একটি বছর। এই বছরেই পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষের লড়াই করে বিজয় অর্জন করেছিল। ২৫ মার্চ অপারেশন সার্চলাইট এর মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই হত্যাযজ্ঞ শেষ হয়েছিল ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। তার আগে পাক হানাদার বাহিনীরা ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করেছিল।

এর আগে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে পাক হানাদার বাহিনীরা বাংলাদেশের অসংখ্য মানুষকে হত্যা করে। নির্বিচারে এবং নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের শেষে এসে তারা বাংলাদেশকে একেবারে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায়ের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। তাদের এই হত্যাকাণ্ডে সাহায্য করেছিল স্বাধীনতাবিরোধী সংস্থাগুলো।

তাই প্রতিবছর বিজয় দিবসের আগে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। বাংলাদেশের জাতীয় দিবস গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বাংলাদেশ সরকার দিবসটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালন করে থাকে। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের এদিনটিতে প্রাণ ভরে স্মরণ করা হয়।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা pdf - শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা ১০০০ শব্দ

এখন আমরা আমাদের এই আর্টিকেলের মূল আলোচনার বিষয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা pdf সম্পর্কে আলোচনা করব। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জাতীয় দিবস এই দিবস উপলক্ষে উপজেলা অথবা জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন রকম রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। তাদের জন্য নিচে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা pdf উল্লেখ করা হলো।

ভূমিকাঃ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি বিশেষ দিবস। প্রতিবছর বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর সকল বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পেছনে অনেক মানুষ তাদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছে। পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আমরা দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে আমাদের সোনার বাংলাদেশ তাদের হাত থেকে উদ্ধার করেছিল।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অনেক মানুষ বিভিন্ন রকম ভাবে সাহায্য করেছিলে তাদের সাধ্য অনুযায়ী। ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ।

শহীদ বুদ্ধিজীবী কারাঃ ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের সাথে রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনী বাংলাদেশের অসংখ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক,চিকিৎসক প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে তাদের নির্যাতনের পর হত্যা করে। চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে থাকায় স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাযজ্ঞ সংগঠিত হয়।

বুদ্ধিজীবী বলতে আমরা বুঝতে পারছি যারা তাদের মেধা দিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিল অথবা বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে তাদের মেধা কাজে লাগিয়েছিল তাদের শহীদ বুদ্ধিজীবী বলা হয়। যে ব্যাক্তি শারীরিক শ্রম কাজে না লাগিয়ে তাদের মানসিক শ্রম কাজে লাগিয়ে মানুষের সাহায্য সহযোগিতা করে থাকে তাদেরকে বুদ্ধিজীবী বলা হয়।

১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকাণ্ডঃ দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করার পরে পাক হানাদার বাহিনীরা বুঝতে পেরেছিল যে তাদের বাংলাদেশ সময় শেষ হতে চলেছে। তখন তারা পরিকল্পনা করে বাংলাদেশকে একেবারে মেধাশূন্য করে দেওয়ার। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা বাংলাদেশের যত বুদ্ধিজীবী অর্থাৎ যত জ্ঞানীগুণী ব্যক্তি রয়েছে সবাইকে তালিকাভুক্ত করে এবং নির্মমভাবে নির্বিচারে হত্যা করে।

ঢাকা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ড চালায় তারা পরিকল্পনা এবং তালিকা করেছিল তাদের হত্যা করবে। তারা বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করতে সাহায্য নিয়েছিল বাংলাদেশে থাকা স্বাধীনতাবিরোধী কিছু সংগঠনের যেমন রাজাকার।

আরো পড়ুনঃ সশস্ত্র বাহিনী দিবস কবে ২০২২ - সশস্ত্র বাহিনী দিবস কবে

মুক্তিযুদ্ধে অবদানঃ যেসব ব্যক্তি তাদের জ্ঞান দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা করেছিল তাদেরকেই বুদ্ধিজীবী বলা হয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অবস্থায় বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন রকম ভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেছিল। মুক্তিযোদ্ধারা ময়দানে লড়াই করেছিল আবার কোন ব্যক্তি রয়েছে যারা তাদের বুদ্ধি খাটিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য সহযোগিতা করেছিল।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পেছনে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। যদি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বুদ্ধিজীবীদের কোন অবদান না থাকতো তাহলে তাদের নাম ইতিহাসের পাতায় কখনোই লেখা থাকত না। তারা বিভিন্ন রকম ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য সহযোগিতা করেছিল। তাদের মধ্যে ছিল সাংবাদিক, চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ, প্রফেসর, শিক্ষাবিদ জ্ঞানী-গুণী মানুষ।

মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন রকম ভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছিল এবং মুক্তিযুদ্ধ পরেও তারা থাকলে বাংলাদেশ আরো বেশি উন্নত হতো। কিন্তু পাক হানাদার বাহিনীরা বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার আগেই এবং আত্মসমর্পণ করার আগেই বাংলাদেশকে একেবারে মেধাশূন্য করে দিয়ে তারা বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে দেয়।

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধঃ ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের সকল বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এ দিনটিকে বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকার মিরপুরে প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়। স্মৃতিসৌধটির স্থপতি মোস্তফা হালি কুদ্দুস।

১৯৯১ সালে ঢাকার রায়েরবাজারে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নামে আরেকটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ শুরু হয় যা ১৯৯৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর নকশা করেন জামী-আল সাফী ও ফরিদউদ্দিন আহমেদ। বাংলাদেশ ডাকবিভাগ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে একটি স্মারক ডাকটিকিটের সিরিজ প্রকাশ করেছে।

উপসংহারঃ প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করার জন্য জাতীয়ভাবে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়ে থাকে। তারা ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার অন্যতম মহানায়ক। তারা বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার অংশগ্রহণ করেছিল তাদের স্মরণে প্রতিবছর ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী পালন করা হয়।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের স্ট্যাটাস

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের স্ট্যাটাস অনেকেই গুগলের সার্চ করে থাকে। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তারা তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিবে বলে। আজকের এই আর্টিকেলের এখন আমরা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের স্ট্যাটাস সম্পর্কে আলোচনা করব। তাহলে চলুন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের স্ট্যাটাস সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

১। আজ ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। প্রতিটি শহীদ বুদ্ধিজীবীর প্রতি শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা তাদের আত্মত্যাগের কারণেই আজকে আমরা এত সুন্দর বাংলাদেশ পেয়েছি।

২। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি জানাই শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা। তাদের সকলের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তাদের কাছে আমাদের ভালোবাসা পৌঁছে দিতে চাই।

আরো পড়ুনঃ বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস কবে পালিত হয় - বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস ২০২২

৩। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা এবং সেই সকল বুদ্ধিজীবীদের শ্রদ্ধা।

৪। আজ ১৪ই ডিসেম্বর যেই দিনে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে হানাদার বাহিনীরা সকল বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে। সকল বুদ্ধিজীবীদের জানাই অসংখ্য ভালবাসা এবং তাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা।

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ছবি

প্রিয় পাঠক আজকের এই আর্টিকেলে আমরা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা pdf সহ আরো অনেকগুলো বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করেছি। এর মধ্যে অনেকেই আছে যারা তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ছবি শেয়ার করে থাকে। তাদের জন্য নিচে কিছু ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ছবি উল্লেখ করা হলো।

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবিতা

আমরা ইতিমধ্যেই শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস নিয়ে অনেকগুলো আলোচনা করেছি। প্রিয় পাঠক আশা করি আপনারা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা pdf সহ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস সম্পর্কে উক্ত আলোচনা গুলো বুঝতে পেরেছেন এখন আমরা ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবিতা সম্পর্কে জানব।

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবিতাঃ

মনে আছে জাতি একাত্তরের সেই ১৪ই ডিসেম্বর?
কত মায়ের বুক খালি হয়েছিল, সেই রাতে কতজনের ঘর!
জাতিকে মেধাশূন্য চক্রান্ত করেছিল বর্বর পাকিস্তান হানাদার!
প্রাণ দিয়েছিল সেলিনা পারভীন মুনীর চৌধুরী, শহিদুল্লাহ কাওসার।

রাজাকার-আলবদর করেছিল পাকিস্থানীদের সহযোগিতা!
গুণীদের হারিয়ে পুষ্প কানন সেদিন হয়েছিল শ্মশান কবরস্থান!
জাতি হারিয়েছিল সিরাজুদ্দৌন আর তাদের প্রিয় জহির রায়হান!
হারিয়েছিল জাতি প্রকৌশলী ডাক্তার শিক্ষাবিদ আর দার্শনিক!

দেশজুড়ে উঠেছিল গগনে বিদারী চিৎকার আর শোক ছড়িয়ে ছিল দিগন্তে!
রক্ত দিয়ে কভু হবে নাকো শোধ এই শহীদদের ঋণ!
আজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির দিন।

সংগ্রহঃ বাংলা কবিতা

আমাদের শেষ কথাঃ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা pdf - শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস অনুচ্ছেদ

আজকের এই আর্টিকেলে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রচনা pdf, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস অনুচ্ছেদ সহ আরো অনেকগুলো বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তাহলে আশা করি আপনি উক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। যদি না জেনে থাকেন তাহলে উক্ত আর্টিকেলগুলো আবার মনোযোগ সহকারে পড়ে নিন ধন্যবাদ।২০৭৯১

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?