অর্ডিনারি আইটি https://www.ordinaryit.com/2022/07/blood-cancer.html

ব্লাড ক্যান্সার হলে কি হয় - ১০টি ব্লাড ক্যান্সার থেকে মুক্তির উপায়

ব্লাড ক্যান্সার শব্দটি শুনেই অনেকে আতঙ্কিত হয়ে যান। ব্লাড ক্যান্সার মানেই মৃত্যু এমনটা আগে মনে করা হতো। কিন্তু বর্তমানে চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে ক্যান্সারের চিকিৎসা করে একজন মানুষকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। আজকের এই পোস্টে আলোচনা করব ব্লাড ক্যান্সার কি? ব্লাড ক্যান্সার কত প্রকার,  ব্লাড ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ।

এছাড়াও পোস্ট টি পড়ে আরো জানতে পারবেন ব্লাড ক্যান্সার হলে কি হয়, ব্লাড ক্যান্সার থেকে মুক্তির উপায়, ব্লাড ক্যান্সার এর লক্ষণ গুলো কি কি,  ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা খরচ, ব্লাড ক্যান্সারের হোমিও চিকিৎসা ইত্যাদি আরো অনেক বিষয়।

পোস্ট সূচিপত্রঃ

ব্লাড ক্যান্সার কি? ব্লাড ক্যান্সার কত প্রকার?

ব্লাড ক্যান্সার একটি মারাত্মক রোগ। ব্লাড ক্যান্সার কে সহজ ভাষায় আমরা বলতে পারি আমাদের শরীরে যে রক্ত রয়েছে তার তিনটি উপাদান থাকে। লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকা। ব্লাড ক্যান্সার হলো রক্তের মধ্যে শ্বেত রক্ত কণিকার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি।যেহেতু অস্বাভাবিক ভাবে শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ বেড়ে যায় তাই রক্তে লোহিত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকার পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এর ফলে রোগী রক্ত শূন্যতায় ভোগে।

এখন আমরা দেখব ব্লাড ক্যান্সার কত প্রকার? ব্লাড ক্যান্সার প্রধানত তিন প্রকার। সেগুলোর আবার শ্রেণীবিন্যাস রয়েছে। এগুলো নিচে আলোচনা করা হলো।

১। শ্বেতকণিকা থেকে বা হোয়াইট ব্লাড সেল থেকে সৃষ্ট ব্লাড ক্যান্সারকে লিউকেমিয়া ব্লাড ক্যান্সার বলে। এই ধরণের ব্লাড ক্যান্সার তিন ধরণের হয়ে থাকে।

  • একিউট মাইলোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া
  • একিউট লিমফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া
  • ক্রনিক লিমফোসাইটিক লিউকেমিয়া

২। লসিকা গ্রন্থি থেকে সৃষ্ট এক ধরনের ব্লাড ক্যান্সারকে লিমফোমা বলে। এই ধরণের ব্লাড ক্যান্সার ২ ধরণের হয়ে থাকে।

  • হজকিন ও নন হজকিন লিমফোমা
  • লিমফোব্লাস্টিক লিমফোমা ইত্যাদি।

৩। মাইলোমা ও প্লাজমা সেল লিউকেমিয়া: প্লাজমা সেল থেকে সৃষ্ট ব্লাড ক্যান্সার।

ব্লাড ক্যান্সার এর লক্ষণ গুলো কি কি | ব্লাড ক্যান্সার এর লক্ষণ কি কি

ব্লাড ক্যান্সার এর বেশ কিছু লক্ষণ বা উপসর্গ রয়েছে। এখন আমরা দেখে নেব ব্লাড ক্যান্সার এর লক্ষণ কি কি

  • অনেক সময়ই দেখা যায় দীর্ঘদিন ধরে জ্বর হচ্ছে জ্বর ভালো হচ্ছে না আবার কখনো কখনো রোগীর ঘন ঘন জ্বর হয়।
  • ব্লাড ক্যান্সার এর প্রভাবে দেহে লোহিত রক্তকণিকা কমে যায়।লোহিত রক্ত কণিকার ঘাটতিতে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয় আবার অস্বাভাবিক শ্বেতরক্ত কণিকার কারণে ইনফেকশন বা জ্বর এবং প্লেটলেট (অনুচক্রিকার) ঘাটতিতে রক্তক্ষরণ হতে থাকে। 
  • অস্বাভাবিক রক্ত কণিকা (ক্যান্সার সেল) গ্লান্ড-লিভার-প্লীহায় জমতে বা ভাঙতে থাকলে গ্লান্ড-লিভার-প্লীহা বড় হয়।
  • অস্থিমজ্জার ভেতর ক্যান্সার সেল (ব্লাস্ট) এত বেশি বেড়ে যায় যে, লোহিত রক্তকণিকা ও অনুচক্রিকা বৃদ্ধি হওয়ার মতো জায়গা পায় না ফলে ঘাটতি দেখা দেয়। ক্যান্সার সেল অস্থিমজ্জার ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যায়। ফলে হাড্ডির ভেতর প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হয়।
  • অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ ( দাঁতের গোড়া, প্রস্রাব-পায়খানা, অনেক সময় কাশির সঙ্গে রক্ত পড়া, মাসিক বেশি হওয়া ইত্যাদি ব্লাড ক্যান্সার এর লক্ষণ গুলোর মধ্যে অন্যতম।

ব্লাড ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ

আমরা এখন দেখে নেব ব্লাড ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ গুলো। এসব প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলেও রোগের সচেতন হয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

রক্তস্বল্পতার জন্য দুর্বলতাঃ ব্লাড ক্যান্সার হলে যেহেতু কোন রক্ত উৎপন্ন হয় না তাই রক্তস্বল্পতা দেখা যায় সেই জন্য রোগী প্রথমে দুর্বলতা অনুভব করে। পরে ক্যান্সার এর পরিমাণ বেড়ে গেলে দাঁত ও পায়ুপথে রক্তক্ষরণ দেখা দেয়।

খাবারে অরুচিঃ ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী খাবারের অরুচি অনুভব করে।ব্লাড ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ গুলোর মধ্যে এটি একটি।

বুক ধড়ফড়ঃ ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী অল্প একটু হাঁটলে অথবা পরিশ্রম করলেই বুক ধড়ফড় অনুভব করে ।

পায়ে পানি জমে যাওয়াঃ অনেক সময়ই রোগীর পায়ে পানি জমতে দেখা যায়।

আরো পড়ুনঃ শিশুর জ্বর কমানোর কার্যকরী উপায় গুলো জেনে নিন।

ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়াঃ ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর যেহেতু রক্ত কমে যায় তাই চেহারা ও শরীর ফ্যাকাশে হয়ে যায়। ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া রক্তশূন্যতার একটি লক্ষণ তবে শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া ব্লাড ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ গুলোর মধ্যে একটি।

ব্লাড ক্যান্সার হলে কি হয়

মানুষের দেহে ব্লাড ক্যান্সার হলে কি হয় বা দেহে কি ধরনের পরিবর্তন হয় তা এখন আলোচনা করা হবে। নিচের অংশটুকু মনোযোগ সহকারে পড়ার অনুরোধ রইল।

মানুষের শরীর রক্তমাংসের সমন্বয়ে তৈরি। রক্ত সাধারণত অস্থিমজ্জার ভেতরে তৈরী হয়। অস্থিমজ্জার ভেতরে এ রক্ত কণিকাগুলো তৈরি হয়ে শিরা-উপশিরার মাধ্যমে সমস্ত শরীরে প্রবাহিত হয়।রক্তের মধ্যে প্রধানত তিন ধরনের কণিকা থাকে যেমন- রেড ব্লাড সেল বা লোহিত রক্ত কণিকা, হোয়াইট ব্লাড সেল বা শ্বেত রক্ত কণিকা এবং প্লেটলেট বা অনুচক্রিকা। ব্লাড ক্যান্সার হলো রক্ত বা অস্থিমজ্জার ভেতর শ্বেত রক্ত কণিকার (হোয়াইট ব্লাড সেল ) এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। এই রোগকে লিউকেমিয়া ও বলা হয়।

যেহেতু অস্বাভাবিক ভাবে শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ বেড়ে যায় তাই রক্তে লোহিত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকার পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এর ফলে রোগী রক্ত শূন্যতায় ভোগে। এছাড়াও ব্লাড ক্যান্সারের বেশ কিছু লক্ষণ উপরে আলোচনা করা হয়েছে যেগুলো মানুষের দেহে ঘটে এর ফলে রোগীর শরীরে প্রচুর ব্যথা হয় আমাদের শরীরে যতটুকু রক্ত প্রয়োজন তা উৎপন্ন হয় না।

সঠিক সময়ে ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা না নিলে রোগীর মৃত্যু অনিবার্য। আশা করি বুঝতে পেরেছেন ব্লাড ক্যান্সার হলে কি হয়।

ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা খরচ

ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা সাধারণত কয়েক ধরনের হয়ে থাকে। ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা সাধারণত খরচ ও সময় এবং কোন ধরনের ব্লাড ক্যান্সার তার ওপর নির্ভর করে।

ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা সাধারণত স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে এটি কোন ধরনের ব্লাড ক্যান্সার তার ওপর নির্ভর করে। আবার কারো ব্লাড ক্যান্সার অনেক বড় ইচ্ছে হলে তার বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করতে হয়। 

আরো পড়ুনঃ দ্রুত লম্বা হওয়ার উপায় জেনে নিন।

আমাদের দেশে সাধারণত কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি দিয়ে ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা খরচ ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা হয়ে থাকে। তবে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করতে আরো ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকার প্রয়োজন হয়।

আমাদের পাশের দেশ ভারতে ব্যয় কিছুটা বেশি হতে পারে আমাদের দেশের থেকে। ভারতে বিভিন্ন বড় বড় ক্যান্সার হাসপাতাল ও রিসার্চ সেন্টার রয়েছে। সেগুলোতে চিকিৎসা ব্যয় কিছুটা বেশি হলেও চিকিৎসা অনেক উন্নত। যাতায়াত খরচ সহ, ভিসা, হোটেলে থাকা খাওয়া, চিকিৎসা ব্যয় সবমিলে খরচ অনেকটা বেড়ে যায়।

ব্লাড ক্যান্সারের হোমিও চিকিৎসা

বর্তমান চিকিৎসাবিজ্ঞানে হোমিওপ্যাথি একটি আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি। সময়ের সাথে সাথে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার উন্নতি হয়েছে।ব্লাড ক্যান্সারের হোমিও চিকিৎসা বর্তমানে সম্ভব। তবে যেহেতু ব্লাড ক্যান্সার একটি মরণব্যাধি রোগ তাই হোমিও চিকিৎসার ক্ষেত্রে চিকিৎসক বাছাই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রাথমিক স্টেজে ক্যান্সার ধরা পড়লে ব্লাড ক্যান্সারের হোমিও চিকিৎসা করানো যেতে পারে তবে ক্যান্সার পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়লে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় যাওয়া উচিত হবে না।

আমরা এখন দেখে নেব ব্লাড ক্যান্সারের হোমিও চিকিৎসা এর কিছু ঔষধঃ ars.alb, carc, Nat-M, Nat- S, Chin, Carb- v, Calc-c, Calc- phos 

তবে এ সকল ঔষধের নাম ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত। তাই কোন চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এ সকল ঔষধ গ্রহন করা ঠিক হবে না।

লক্ষ্মণ অনুযায়ী নিয়মিত হোমিও চিকিৎসা নিলে ব্লাড ক্যানসার আরোগ্য হয়।

ব্লাড ক্যান্সার থেকে মুক্তির উপায়

ব্লাড ক্যান্সার থেকে মুক্তির উপায় জানার জন্য আমাদের আগে জানতে হবে ব্লাড ক্যান্সারের কারণ গুলো কি কি। ব্লাড ক্যান্সারের কারণ গুলো আপনারা সঠিকভাবে জানলে সেগুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখলে ব্লাড ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

ব্লাড ক্যান্সারের কারণ গুলো কি কি

  • অনিরাপদ খাদ্যঃ বর্তমান সময়ে প্যাকেট জাত খাবার, আকর্ষণীয় সুন্দর দেখাতে নানা ধরনের রং বা রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয় এমন খাবার খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। আর্টিফিসিয়াল সুইটনার, প্রক্রিয়াজাত মাংস, প্যাকেটজাত খাবার ক্যান্সারের জন্য দায়ী। 
  • মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবারঃ অনেক সময়ই আমরা আমাদের ফ্রিজে কোন প্যাকেটজাত খাবার অনেক দিন রেখে দেই এবং মেয়াদ খেয়াল করি না।খাবার ঠিকমতো সংরক্ষণ না করে খেলে বা মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। 
  • ফরমালিনের ব্যবহারঃ কোন কিছু দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষণ করে রাখার জন্য ফরমালিন ব্যবহার করা হয় কিন্তু বর্তমান সময়ে কিছু কিছু খাবার অনেক দিন সংরক্ষণ করার জন্য ফরমালিন ব্যবহার করা হয় এর ফলে খাবারের মাধ্যমে তা আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। ফরমালিন ব্যবহারে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটা বেড়ে যায়।
  • বংশগত কারণঃ কিছু কিছু ক্ষেত্রে বংশগত কারণে অনেকের শরীরে ক্যান্সার হয়ে থাকে।
  • জীবনযাত্রায় অনিয়মঃ কেউ যদি সময়মতো না খায়, পরিমাণমতো না ঘুমায়ে অনিয়মের মধ্যে চলে। তবে তার ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • নেশা জাতীয় দ্রব্য গ্রহণঃ আমাদের মধ্যে অনেকেই নেশাজাতীয় দ্রব্য যেমন সিগারেট, মদ, হিরোইন, ইয়াবা ইত্যাদি নেশা হিসেবে গ্রহণ করে। এতে ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

ব্লাড ক্যান্সার থেকে মুক্তির উপায়

  • সুষম ও নিরাপদ খাবার গ্রহণ করাঃ আমাদের অনিরাপদ খাবার যেমনঃ প্যাকেটজাত খাবার, রং মেশানো খাবার , অনেকদিন ধরে প্রক্রিয়াজাত মাংস ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে। সবসময় সুষম ও নিরাপদ খাবার এর দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • সবুজ শাকসবজি খাওয়াঃ আমাদের সবসময় সবুজ শাক সবজি খাওয়ার প্রতি যত্নশীল হতে হবে। কিছু কিছু সবুজ শাকসবজিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ক্যান্সার প্রতিরোধী।
  • পরিমিত ঘুমঃ আমাদের সব সময়ই সঠিকভাবে সঠিক সময়ে ঘুমাতে হবে। পরিমিত ঘুম আমাদের শরীরে খুবই জরুরী। ঘুম সঠিক না হলে একটি নির্দিষ্ট সময় পর শরীরের বিভিন্ন ধরনের অসুখ দেখা দেয় । সেখান থেকেই ক্যান্সার সৃষ্টি হয়।
  • শারীরিক ব্যায়ামঃ ঘরে বসেই কিছু কিছু শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে একই সাথে প্রতিদিন কমপক্ষে 30 মিনিট হাঁটতে হবে যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

শেষ কথাঃ | ব্লাড ক্যান্সার হলে কি হয় | ব্লাড ক্যান্সার থেকে মুক্তির উপায়

প্রিয় পাঠক আজকের এই পোস্টে আমরা আলোচনা করেছি ব্লাড ক্যান্সার কি? ব্লাড ক্যান্সার কত প্রকার,  ব্লাড ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ, ব্লাড ক্যান্সার হলে কি হয়, ব্লাড ক্যান্সার থেকে মুক্তির উপায়, ব্লাড ক্যান্সার এর লক্ষণ গুলো কি কি,  ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা খরচ , ব্লাড ক্যান্সারের হোমিও চিকিৎসা ইত্যাদি আরো অনেক বিষয় যেন আপনারা ব্লাড ক্যান্সার নিয়ে সমস্ত তথ্য পেয়ে যান। কিভাবে জীবন যাপন করলে আপনারা ব্লাড ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাবেন সেগুলো উপরে মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং সেভাবে চলার চেষ্টা করুন।

আরো পড়ুনঃ গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা দেখে নিন।

পোস্ট টি ভাল লেগে থাকলে শেয়ার করুন আপনার প্রিয়জনের সাথে যেন তারাও ব্লাড ক্যান্সার হলে কি হয়, ব্লাড ক্যান্সার থেকে মুক্তির উপায় জানতে পারে খুব সহজেই।

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?