অর্ডিনারি আইটি https://www.ordinaryit.com/2022/06/tumor.html

টিউমার ভালো করার ৯টি উপায় - টিউমার প্রতিরোধের উপায়

টিউমার রোগ সম্পর্কে আমরা কমবেশি সকলেই অবগত রয়েছি। টিউমার ভালো করার উপায়, টিউমার প্রতিরোধের উপায় এবং টিউমার চেনার উপায় গুলো জেনে রাখা প্রয়োজন। টিউমার ভালো করার উপায় কি এবং টিউমার প্রতিরোধের উপায় কি জানতে চাইলে মনোযোগ সহকারে পুরো আর্টিকেলটি পড়ুন।

কেননা টিউমার ভালো করার ঘরোয়া উপায় গুলো সম্পর্কে অবগত থাকলে টিউমার মারাত্মক রূপ ধারণ করার পূর্বেই সেটাকে দমিয়ে দেয়া সম্ভব। নিচের বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হল।

পেজ সূচিপত্রঃ টিউমার ভালো করার উপায় - টিউমার প্রতিরোধের উপায়

টিউমার ভালো করার উপায় - টিউমার প্রতিরোধের উপায়

টিউমারকে প্রথমেই বা শুরুর অবস্থাতেই প্রতিরোধ করার জন্য টিউমার ভালো করার উপায়, টিউমার প্রতিরোধের উপায় বা  টিউমার চেনার উপায় সংক্রান্ত এই আর্টিকেলটি আশা করি আপনার জন্য সহায়ক হবে। টিউমার কেন হয়? বা টিউমার চেনার উপায় কি? সে প্রশ্নটা নিশ্চয়ই আপনার মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। টিউমার ভালো করার উপায় বা টিউমার প্রতিরোধের উপায় জানার পূর্বে চলুন জেনে নেই  টিউমার চেনার উপায় কি?

বিভিন্ন কারণে শরীরে টিউমার হতে পারে। আমাদের শরীরে মিলিয়ন বিলিয়ন ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কোষ রয়েছে। যেগুলো প্রতিনিয়তই আমাদের শরীরে জন্ম নিচ্ছে এবং ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। সমজাতীয় কোষগুলো যখন একত্রিত হয়ে কাজ করে তখন সেই কোষের সামষ্টিক টিস্যু বলে।
সাধারণত অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত কোষ বা টিস্যুর কারনে টিউমার হয়ে থাকে। যেগুলো হতে পারে ডি এন এ ডিসঅর্ডারের কারণে বা বংশগত কারণে। আশাকরি টিউমার চেনার উপায় কি? এই বিষয়টি আপনার কাছে পরিষ্কার। টিউমার ভালো করার ঘরোয়া উপায়, টিউমার সারানোর ঘরোয়া উপায় বা টিউমারের প্রাকৃতিক চিকিৎসা সম্পর্কে নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে। 

টিউমার ভালো করার উপায় - টিউমার ভালো করার ঘরোয়া উপায়

টিউমার যখন ব্যাপক আকার ধারণ করে তখন তার চিকিৎসা অনেকটাই ব্যবহার হয়ে থাকে। কেননা চূড়ান্ত পর্যায়ে টিউমার পৌঁছে গেলে সেটাকে অপারেশন করতে হয় অথবা কেমোথেরাপি চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়, যেটা যথেষ্ট ব্যয়বহুল সময়সাপেক্ষ এবং  কষ্টকর। 

তাই আমরা যদি টিউমার প্রতিরোধের উপায় বা টিউমার ভালো করার ঘরোয়া উপায়  কি তা জেনে নেই তাহলে এটা আমাদের জন্য মঙ্গলজনক হবে। চলুন জেনে নেই টিউমার ভালো করার ঘরোয়া উপায়।  আমাদের নিত্যদিনের কিছু বদ অভ্যাস ত্যাগ করা এবং কিছু শাক সবজি বা ফলমূল গ্রহণ করা হতে পারে টিউমার ভালো করার ঘরোয়া উপায়। নিচে টিউমার ভালো করার ঘরোয়া উপায় গুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলোঃ 

  • নিয়মিত স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিষ্কার খাদ্য গ্রহণ করা
নিয়মিত পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য গ্রহণ করলে টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়।কেননা অনিয়মিত , অধিক তেলযুক্ত, গুরুপাক  এবং অপরিষ্কার খাদ্য গ্রহণই হলো সকল রোগের মূল কারণ। তাই সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা অন্যতম একটি টিউমার ভালো করার ঘরোয়া উপায় বা টিউমার সারানোর ঘরোয়া উপায়।

  • তামাক তামাকজাত দ্রব্য পরিহার করা
তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য শুধুমাত্র যে টিউমারের জন্য ক্ষতিকারক  তা নয় বরং সমগ্র শরীরের জন্য এটি ভীষণ ক্ষতিকারক। তাই সম্পূর্ণরূপে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য পরিহার করা টিউমার ভালো করার উপায় বা টিউমার সারানোর ঘরোয়া উপায় এর অন্তর্ভুক্ত। 

  • শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা
যখন কোন ব্যক্তি শারীরিকভাবে ফ্যাটি হয় তখন টিউমার সহ নানা ধরনের রোগ ব্যাধি বাসা বাঁধতে শুরু করে।তাই শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে স্লিম দেহের কোন বিকল্প নেই। শরীরকে অতিরিক্ত ওজন থেকে বাঁচিয়ে রাখতে ব্যায়াম এর কোন বিকল্প নেই। সুতরাং শরীরকে টিউমার থেকে বাঁচিয়ে রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করুন। এটিও হতে পারে একটি টিউমার সারানোর ঘরোয়া উপায় বা টিউমার প্রতিরোধের ঘরোয়া উপায়।

  • সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা
অতিমাত্রায় সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি আমাদের শরীরের জন্য বিশেষ করে যাদের টিউমার রয়েছে তাদের জন্য ব্যাপক ক্ষতিকর। তাই যতটা সম্ভব আমাদের উচিত সরাসরি সূর্যের আলোতে না যাওয়া। একান্তই যদি যেতে হয় তাহলে সানস্ক্রিন বা এ জাতীয় কোনো কিছু ব্যবহার করা উচিত। সুতরাং এটি একটি টিউমার সারানোর ঘরোয়া উপায় বা টিউমার প্রতিরোধের ঘরোয়া উপায়।

  • বৈধ ও নিরাপদ যৌন সম্পর্ক নিশ্চিত করা
টিউমার ভালো করার ঘরোয়া উপায় বা টিউমার সারানোর ঘরোয়া উপায় এর গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়বৈধ ও নিরাপদ যৌন সম্পর্ক নিশ্চিত করা। কেননা, আমাদের দেহ ও মনের উপর  শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। আর তাই অনিরাপদ অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক হতে পারে টিউমার ও  অন্যান্য মারাত্মক রোগ ব্যাধির কারণ। 

টিউমার চিকিৎসায় হোমিও ঔষধ - টিউমারের প্রাকৃতিক চিকিৎসা

টিউমার ভালো করার উপায় অথবা টিউমার প্রতিরোধের উপায় জানতে চান? হোমিও চিকিৎসা ব্যবস্থা আপনাকে সঠিক উত্তর দেবে। কেননা হোমিও ঔষধ খুবই কার্যকরী এবং সহজ সাধ্য। কোন প্রকার অপারেশন বা অস্ত্রোপচার ছাড়াই হোমিও ঔষধের মাধ্যমে টিউমারের প্রাকৃতিক চিকিৎসা করা সম্ভব। হোমিও চিকিৎসা ব্যবস্থায় মূলত লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা করা হয় তাই এটি অধিক কার্যকর হয়ে থাকে। বিভিন্ন ধরনের টিউমারের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ঔষধ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। নিচে বিস্তারিত ভাবে টিউমার চিকিৎসায় হোমিও ঔষধ বা টিউমারের প্রাকৃতিক চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

  • টিউমার চিকিৎসায় হোমিও ঔষধ - থুজাঃ টিউমার চিকিৎসার ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি ঔষধ এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ঔষধ থুজা। কানের ভিতর বা নাকের ভিতরে টিউমার হলে এই ওষুধটি ব্যবহার করা হয়। 

  • টিউমার চিকিৎসায় হোমিও ঔষধ - কোনিয়ামঃ কোনিয়াম মূলত শক্ত টিউমারের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। সেটা পেট, স্তন বা শরীরের যে কোন অংশে হতে পারে। 

  • টিউমার চিকিৎসায় হোমিও ঔষধ - ব্যারাইটা কার্বঃ এই ঔষধটি মূলত নরম টিউমারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বিশেষ করে শিশুর মাথার টিউমার এর এই ঔষধটি অধিক কার্যকরী।

  • টিউমার চিকিৎসায় হোমিও ঔষধ - গ্র্যাফাইটিসঃ চোখের পাতায় টিউমার হলে হোমিও চিকিৎসায় মূলত গ্রাফাইটিস নামক ঔষধটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

  • টিউমার চিকিৎসায় হোমিও ঔষধ - ক্যালকেরিয়া ফ্লোরঃ টিউমার যদি প্রচন্ড শক্ত  এবং পুরনো হয় সেক্ষেত্রে হোমিও চিকিৎসকগণ ক্যালকেরিয়া ফ্লোর নামের এই ঔষধটি ব্যবহার করে থাকেন। এই ঔষধটি টিউমারের প্রাকৃতিক চিকিৎসাতেও ব্যবহার করা হয়। 

টিউমার ভালো করার উপায় - টিউমার ভালো করার দোয়া

মুসলিম হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি যে মানব জীবনের যেকোনো ধরনের সমস্যা, সেটা হোক রোগব্যাধি বা অন্য কোনো সমস্যা আল্লাহ চাইলেই এ সমস্ত সমস্যাগুলো দূর করে দিতে পারেন। তাই আমরা রোগাক্রান্ত হলে বেশি বেশি রোগ মুক্তির দোয়া গুলো পাঠ করব। কোরআন এবং হাদীসে সমস্ত দোয়া উল্লেখ করা হয়েছে। নিচে টিউমার ভালো করার দোয়া উল্লেখ করা হলো। 

টিউমার ভালো করার দোয়াঃ সাহাবায়ে কেরামদের রোগবালাই দেখা দিলে নিম্নে বর্ণিত দোয়াটি পড়ে ঝাড়-ফুঁক করতেন।  "আল্লাহুম্মা রাব্বান নাসি মুজহিবাল বা’সি, ইশফি আনতাশ-শাফি, লা শাফি ইল্লা আনতা শিফায়ান লা য়ুগাদিরু সুকমা।"
অর্থ: হে আল্লাহ! মানবজাতির প্রতিপালক,কষ্ট নিরণকারি। আমাকে শেফা দিন, আপনি শেফা দানকারী; আপনি ছাড়া কোনো শেফা দানকারী নেই। এমন শেফা দিন যেন কোনো রোগ-বালাই আর অবশিষ্ট না থাকে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৭৪২)

উপরে উল্লেখিত দোয়াটি শুধুমাত্র টিউমার ভালো করার দোয়া নয়। এটি টিউমার ভালো করার দোয়ার পাশাপাশি অন্য যে কোন রোগের ক্ষেত্রেও তেলাওয়াত করা যেতে পারে। আশা করি টিউমার ভালো করার দোয়া টি আপনার উপকারে আসবে। 

টিউমার প্রতিরোধের উপায় - কি খেলে টিউমার ভালো হয়

টিউমার ভালো করার উপায় সংক্রান্ত আলোচনায় এবার যে আমাদের জানা প্রয়োজন কি খেলে টিউমার ভাল হয়। কেননা কি খেলে টিউমার ভাল হয় এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। যে কোন রোগের ক্ষেত্রে পথ্য অর্থাৎ খাদ্যাভ্যাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই কি খেলে টিউমার ভাল হয়? নিচে উল্লেখ করা হলো।

  • কি খেলে টিউমার ভালো হয়? বেলঃ বেল খুবই কমন এবং উপকারী একটি ফল। প্রাচীনকাল থেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য রোগের এর ব্যবহার হয়ে আসছে। এবং এটি যে টিউমার গলাতেও সাহায্য করে সেটা আমরা অনেকেই হয়তো জানি না। কিন্তু এটাই সত্যি তোমার গলাতে সাহায্য করে। তাই টিউমার রোগীদের উচিত বেশি বেশি খাওয়া। 

  • কি খেলে টিউমার ভালো হয়? ব্রোকলিঃ সবুজ রঙের এই সবজিটি বিভিন্ন প্রাকৃতিক  গুণে ভরপুর। তাই এই সবজিটি আপনি যদি নিয়মিত খান তাহলে এটি আপনার টিউমার প্রতিরোধে সাহায্য করবে। 

  • কি খেলে টিউমার ভালো হয়? সিম জাতীয় সবজিঃ কি খেলে টিউমার ভালো হয় এ প্রশ্নটি যদি আপনি কোনো একজন ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করেন তাহলে তিনি আপনাকে শিম জাতীয় সবজি খাওয়ার পরামর্শ অবশ্যই দেবেন।

  • কি খেলে টিউমার ভালো হয়? হলুদঃ হলুদ কে আমরা সাধারণত মসলা হিসেবে খেয়ে থাকি। কিন্তু এর মাঝে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কিনা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে সে সম্পর্কে আমরা অনেকেই অবগত নই। টিউমার সহ যে কোন রোগ সারাতে হলুদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

  • কি খেলে টিউমার ভালো হয়? গাজরঃ গাজর নানা ঔষধি গুনে ভরপুর একটি সবজি। এটি বহু রোগের নিরাময় কারক। কি খেলে টিউমার ভাল হয় সেই প্রশ্নের যথাপোযুক্ত উত্তর হল গাজর। কি খেলে টিউমার ভালো হয় প্রশ্নটির উত্তর ইতোমধ্যেই পেয়েছেন।

টিউমার প্রতিরোধের উপায় - টিউমার হলে কি খাওয়া নিষেধ

টিউমার ভালো করার উপায় বা কি খেলে টিউমার ভালো হয় সেটি যেমন জানা দরকার, ঠিক তেমনি টিউমার হলে কি খাওয়া নিষেধ তা জানাও জরুরি। কেননা, যে সকল খাদ্য খাওয়া নিষেধ তা যদি আপনি খান তাহলে তা আপনার জন্য ক্ষতির কারণ হয় দাঁড়াবে। নিচে টিউমার হলে কি খাওয়া নিষেধ সেগুলো উল্লেখ করা হলো।

  • টিউমার হলে কি খাওয়া নিষেধ?  অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবারঃ অনেকেই অধিক তেলযুক্ত খাবার খেতে পছন্দ করেন। আসলে এই তেল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী সেটা কি ভেবে দেখেছেন? মটেও উপকারী নয়। তাই টিউমার হলে তেল খাওয়ার পরিমাণ অবশ্যই কমিয়ে দিতে হবে। 

  • টিউমার হলে কি খাওয়া নিষেধ? কৃত্রিম  ও  প্রক্রিয়াজাত করা চিনিঃ প্রক্রিয়াজাত করা চিনি শরীরের জন্য সর্বাংশে ক্ষতিকর। তাই টিউমার হলে কখনোই প্রক্রিয়াজাত করা চিনি খাওয়া উচিত নয়। এতে শরীরে সুগারের মাত্রা বেড়ে যায় যা টিউমারের রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। 

  • টিউমার হলে কি খাওয়া নিষেধ? প্রক্রিয়াজাত মাংসঃ এমনিতেই লাল মাংস শরীরের জন্য ক্ষতিকর, আবার সেটা যদি হয় প্রক্রিয়াজাত মাংস তাহলে তো আর কথাই নেই। সেটি আপনার স্বাস্থ্যহানিকর তাবেই। তাই টিউমার হলে অবশ্যই প্রক্রিয়াজাত মাংস এড়িয়ে যাবেন।

  • টিউমার হলে কি খাওয়া নিষেধ? সাদা আটাঃ সাদা আটা দেখতে যতটা সুন্দর, তা খেতে কিন্তু মোটেও ততটা স্বাস্থ্যকর নয়। তাই একেবারে মসৃন ও সাদা আটা না খেয়ে বরং কিছুটা লাল বর্ণের আটা খাওয়াই অধিক স্বাস্থ্যকর। 

  • টিউমার হলে কি খাওয়া নিষেধ?  আচার ও সংরক্ষণ করা খাবারঃ আচার খেতে খুবই চটকদার হলেও সেটা কিন্তু মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। বিশেষ করে টিউমারের রোগীদের জন্য। তাই যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাবেন। 

টিউমার প্রতিরোধের উপায় - ব্রেইন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ

টিউমার ভালো করার উপায় নিয়ে আলোচনা করতে গেলে ব্রেইন টিউমারের বিষয়েবিষয়টি আলাদা ভাবে বলতে হয়। কেননা ব্রেইন টিউমার মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে যদি না সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।  ব্রেইন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ রয়েছে। ব্রেইন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ গুলো জানা থাকলে। সহজে এর প্রতিকার করা সম্ভব। নিচের ব্রেইন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ তুলে ধরা হলো।


  • ব্রেইন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ - প্রচুর মাথা ব্যাথাঃ মাথাব্যথা যদি প্রচুর পরিমাণে হয় এবং সেটা যদি সাধারন ঔষধে সেরে না যায় তাহলে সেই মাথাব্যথা নিয়ে চিন্তার কারণ রয়েছে। কেননা এটা হতে পারে ব্রেইন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ। মাথাব্যথা যদি প্রচুর পরিমাণে হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে তাহলে শীঘ্রই রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

  • ব্রেইন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ - শরীরের একপাশেদুর্বলতাঃ শরীরের এক পাশে যদি দুর্বলতা ভাব আসে বা কিছুটা অবশ অবশ লাগে তাহলে অবহেলা করা উচিত নয়। কেননা ব্রেইন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম একটি লক্ষণ।

  • ব্রেইন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ - সামান্য দৃষ্টিশক্তি হ্রাসঃ কোন কোন ক্ষেত্রে ব্রেন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে সামান্য দৃষ্টিশক্তি হ্রাস হতে পারে। তাই যদি মনে হয় যে দৃষ্টিশক্তি কিছুটা হ্রাস পাচ্ছে তাহলে শীঘ্রই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া বাঞ্ছনীয়।

  • ব্রেইন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ - ভারসাম্যহীনতাঃ ভারসাম্যহীনতাও ব্রেইন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। কখনো কখনো ঝিমুনি বা  মাথা ধরা ভাব ব্রেইন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে। 

  • ব্রেইন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ - শ্রবণ শক্তি কিছুটা কমে যাওয়া হয়ঃ ব্রেইন টিউমারের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে শ্রবণশক্তির কিছুটা হাসাতে পারে। তাই হঠাৎ শ্রবণশক্তি রাশ অনুভব করলে বিষয়টি গুরুত্বের সহিত হওয়া উচিত। 

টিউমার অপারেশন খরচ কত বাংলাদেশে - ব্রেইন টিউমারের চিকিৎসা খরচ

টিউমার অপারেশন খরচ কত বাংলাদেশে বা  ব্রেইন টিউমারের চিকিৎসা খরচ কত তাই নিয়েই আর্টিকেলটির এই অংশে আলোচনা করা হবে। টিউমার অপারেশন খরচ কত বাংলাদেশে বা  ব্রেইন টিউমারের চিকিৎসা খরচ কত? এই প্রশ্নটি সরাসরি উত্তর দেওয়া সঠিক হবে না। কেননা অপারেশন এর মান বা ক্লিনিকের ভিন্নতার কারণে খরচের কমবেশি হতে পারে।
টিউমার অপারেশন খরচ কত বাংলাদেশে বা  ব্রেইন টিউমারের চিকিৎসা খরচ কত? বাংলাদেশে সাধারণত ৪০০০০-৫০০০০ টাকার মধ্যেই  টিউমার অপারেশন করানো হয় থাকে। তবে রোগীর অন্যান্য জটিলতা থাকলে খরচ বেড়ে যেতে পারে।

টিউমার অপারেশন খরচ কত বাংলাদেশে বা  ব্রেইন টিউমারের চিকিৎসা খরচ কত? এ বিষয়ে যদি আরো বিস্তারিত জানতে চান তাহলে যে সমস্ত হাসপাতাল ও ক্লিনিক অপারেশন করে থাকে তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। তারা আপনাকে ডিটেইলস খরচের হিসাবটা জানিয়ে দেবে।

টিউমার প্রতিরোধের উপায় - জরায়ু টিউমার অপারেশনের পর করণীয়

জরায়ু টিউমার ভালো করার উপায় নিয়ে আলোচনার এ অংশে, জরায়ু টিউমার অপারেশনের পর করণীয় কি তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। জরায়ু টিউমার অপারেশনের পর করণীয় কতগুলো বিষয় রয়েছে যা অবশ্যই পালন করতে হবে। সেগুলো নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।
  •  জরায়ু টিউমার অপারেশনের পর করণীয় - ডাক্তারের পরামর্শ পুরোপুরিভাবে মেনে চলাঃ স্বাস্থ্যের উপর ভিত্তি করে রোগীকে ভিন্ন ভিন্ন পরামর্শ দিয়ে থাকেন ডাক্তারেরা। তাই ডাক্তারের পরামর্শ পুরোপুরিভাবে মেনে চলা জরায়ু টিউমার অপারেশনের পর করণীয় বিষয়গুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।

  • জরায়ু টিউমার অপারেশনের পর করণীয় - বেশি বেশি পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করাঃ অপারেশনের পর প্রচুর পরিমাণ পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করা বাঞ্চনীয়। কেননা সে সময় শরীরে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টির প্রয়োজন। 

  • জরায়ু টিউমার অপারেশনের পর করণীয় - নিয়মিত হাঁটাচলা করাঃ আমি কি মনে করেন অপারেশনের পর আলোচনা করা হলো। মূলত বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। যারা অপারেশনের পর আলোচনা করে তারা দ্রুত সুস্থতা লাভ করে। 

  • জরায়ু টিউমার অপারেশনের পর করণীয় - সাত দিন পরেই ব্যান্ডেজ খুলে ফেলাঃ সাতদিন পরে ব্যান্ডেজ খুলে ফেলতে হবে যদি না অন্য কোন সমস্যা থাকে। এরপর নিয়মিত ভাবে সাবান দিয়ে ভালোভাবে গোসল করতে হবে। এবং সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে। 

  • জরায়ু টিউমার অপারেশনের পর করণীয় - তিন মাস ভারী কোন কাজ না করাঃ অপারেশনের পর সাধারণত তিন মাস ভারি কোন কাজ কর্ম না করাই উচিত। কেননা এতে জরায়ু ক্ষতি হতে পারে। তাই অপারেশনের পর তিন মাস সতর্ক থাকতে হবে।

টিউমার প্রতিরোধের উপায় - গলায় টিউমার ভালো করার উপায়

শরীরের যেকোনো স্থানে জমা হতে পারে। কিন্তু গলায় টিউমার হলে সেটা কিছুটা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। তাই গলায় টিউমার ভালো করার উপায় সম্পর্কে জানা জরুরী বিষয়। চলুন টিউমার ভালো করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা যাক। 

গলায় টিউমার ভালো করার উপায় সম্পর্কে জানার পূর্বে, উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে। কেননা টিউমার ভালো করার উপায় এবং গলায় টিউমার ভালো করার উপায় প্রায় একই। তবে গলায় টিউমার ভালো করার উপায় সংক্রান্ত আলোচনায় বাড়তি কিছু বিষয় যোগ করতে হয়।
যদি গলায় বা গলার আশেপাশে কোন অস্বাভাবিক স্ফীতি দেখতে পান। তাহলে সেক্ষেত্রে আপনাকে প্রাথমিক অবস্থাতেই রেজিস্টার্ড ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিতে হবে। কেননা গলা খুবই সেনসেটিভ জায়গা।  আর সে কারণেই গলায় টিউমার ভালো করার উপায় সম্পর্কে জানাটাও অতীব জরুরী।

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?