গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করার বাস্তব উপায়
গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করার বাস্তব উপায় যেটা এখন আর স্বপ্ন নয় সত্যি। একটা সময় ছিল যখন গ্রামে বিদ্যুৎ থাকতো না আর ইন্টারনেট থাকাটা তো অসম্ভব ব্যাপার কিন্তু এখন সময় পাল্টেছে এবং গ্রামের মানুষেরা অনলাইনে ইনকাম করে স্বাবলম্বী হচ্ছে।
গ্রামের ছেলেরাই নয় এর পাশাপাশি মেয়ে ও মহিলারাও বিভিন্ন দক্ষতা ভিত্তিক কাজের মাধ্যমে অনলাইন থেকে আয় করছে ও পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে পরিণত হচ্ছে।কিন্তু এখন ইন্টারনেট সংযোগ থাকার কারণে ঘরে বসে থেকে আয়ের অন্যান্য উৎস তৈরি হচ্ছে।
পেজ সূচিপত্রঃগ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করার বাস্তব উপায়
- গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করার বাস্তব উপায়
- গৃহিণীদের জন্য ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করতে হবে কিভাবে
- গ্রামে অনলাইনে ইনকাম করার জন্য এফিলিয়েট মার্কেটিং কতটা কার্যকর
- গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করাটা কি পরিবর্তন এনে দিয়েছে
- গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করাটা কতটা কার্যকর
- মেয়েরা কি কি বিষয় নিয়ে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবে
- গ্রামে বসে অনলাইনে ব্যবসা করাটা কতটুকু সহজ
- গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করার সুবিধা
- গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করলে কি অসুবিধা আছে
- লেখকের মন্তব্য
গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করার বাস্তব উপায়
বর্তমানে মানুষেরা এখন আর পিছিয়ে নেই যদি সেটা গ্রামের বিষয় হয়। প্রাচীনকালে গ্রামের মানুষদের অবস্থা ছিল দুর্বিসহ। কিন্তু ইন্টারনেটের কল্যাণে এখন আর সেই খারাপ অবস্থাটা নেই কারণ গ্রামের যুবক থেকে গৃহিনী সবাই এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন মাধ্যমে ইনকাম বাড়াচ্ছে। যেমন গৃহিণীরা রান্নার ভিডিও তৈরি করে তার ফেসবুক, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব এর সব মাধ্যমে আপলোড করছে। এসব প্লাটফর্মে মনিটাইজেশন পাওয়ার মাধ্যমে তারা গ্রামে বসেই ডলার আয় করছে।
এছাড়াও যুবক ও যুবতীরা ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে প্রতি মাসে বেশ ভালো পরিমাণে ডলার আয় করছে। কেউ নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে গ্রামের যে কোন জায়গায় বসে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে বিদেশি ক্রেতাদেরকে সার্ভিস দিয়ে প্রতিমাসে হাজার হাজার টাকা আয় করছে। এছাড়াও গ্রামে এখন অনলাইন ব্যবসা ও বেশ রমরমা ভাবে চলছে। যেমন যেসব গ্রামে যে খাবারটি বিখ্যাত সেই খাবারটি সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে প্রচার করে বাহিরে পাঠানো হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে ভালো ইনকাম হচ্ছে ও এর সুপরিচিতি বাড়ছে।
এছাড়া গ্রামের অনেক মানুষেরাই বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মেরা ট্রেডিং ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর দিকে বেশি ঝুঁকছে। টেলিগ্রামে অ্যাকাউন্ট খুলে সেখানে বিভিন্ন প্লাটফর্মের হয়ে মার্কেটিং করা বা ট্রেডিং করার মাধ্যমে বেশ ভালো পরিমানে আয় করছে। আসলে অনলাইনে আয় করার অনেক মাধ্যমে রয়েছে যার জন্য প্রয়োজন নিজের ইচ্ছা শক্তি, পরিশ্রম, ডিভাইস সাথে ইন্টারনেট সংযোগ। এছাড়াও অনলাইনে বিভিন্ন আর্টিকেল, ব্লগ পোস্ট ইত্যাদি লেখালেখির মাধ্যমে গ্রামে বসেই আয় করা সম্ভব হচ্ছে।
গৃহিণীদের জন্য ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করতে হবে কিভাবে
গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করার বাস্তব উপায় সম্পর্কে জানার পর গৃহিনীরাও আর বসে নেই। বর্তমানে তারাও ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে ইনকাম করে পরিবারের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখছে ও নিজে স্বাবলম্বী হচ্ছে। সাধারণত তারা ঘরে বসে সংসারের বিভিন্ন কাজের ভিডিও ও রান্নাঘরের ভিডিও বা গ্রামীণ জীবনযাত্রা নিয়ে ভিডিও তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে মনিটাইজেশন চালু করে প্রতিমাসে হাজার হাজার টাকা আয় করছে।
এছাড়াও গ্রামের মহিলারা হস্তশিল্পে অনেক পারদর্শী যেটা শহরের জীবনযাত্রা বা বিদেশের সংস্কৃতিতে অনেক বেশি মূল্যবান। তাই তারা তাদের এই সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন পণ্য তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে পেজ খুলে এসব পণ্য বিক্রি করার মাধ্যমে বেশ ভালো পরিমানে আয় করছে। এছাড়াও কিছু দুর্লভ খাবার যেমন আচার, বড়ি ইত্যাদি যেগুলো গ্রাম ছাড়া অন্য কোথাও পাওয়া যায় না সেসব তৈরি করে অনলাইন ফুড বিজনেসের মাধ্যমে প্রতি মাসে বেশি ভালোই আয় করছে।
গ্রামে অনলাইনে ইনকাম করার জন্য এফিলিয়েট মার্কেটিং কতটা কার্যকর
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল এমন একটি আয় করার প্রক্রিয়া যেখানে অন্য একটি প্রতিষ্ঠান বা প্লাটফর্মের হয়ে তাদের পণ্য বিক্রি করার মাধ্যমে কিছু কমিশন লাভ করা হয়। এখানে কোন পণ্য ক্রয় করা, ডেলিভারি করা ইত্যাদি ঝামেলা থাকে না। শুধু সেই প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রি করলে সেখান থেকে কিছু কমিশন নেওয়ার মাধ্যমে ইনকাম করা যায়। যেমন দারাজের এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সিস্টেমটা আছে যেখানে সেলাররা বিভিন্ন প্লাটফর্মের মাধ্যমে দারাজের পণ্য প্রচার করে বিক্রি করার সাপেক্ষে আয় করছে।
আরও পড়ুনঃ অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার কি উপায় আছে
তো গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করার জন্য এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং খুবই ভালো কাজ হবে। এখানে শুধু বিভিন্ন মাধ্যমে পণ্য প্রচার করে বিক্রি করাটাই যা কাজ। দারাজের পাশাপাশি amazon সহ আরো বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের হয়ে এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করা হয়। তবে এমন প্লাটফর্ম বেছে নিতে হবে যেখানে মানুষ অনেক বেশি ক্রয় করে।
গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করাটা কি পরিবর্তন এনে দিয়েছে
গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করার বাস্তব উপায় জানার পরে এটির মাধ্যমে অনেক পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে অনেক গ্রামীণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর দেখা যায় যারা নিজের অবস্থানের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরে মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়েছে। তারা এখন বাংলাদেশের অনেক স্বনামধন্য জায়গায় নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে। তাই বলা যায় গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করাটা নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের মতন সমান। অনেক গৃহিণীরা উপার্জনক্ষম হচ্ছে এবং পরিবারে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এছাড়াও গ্রামের যুবকেরা এখন আর বেকার বসে নেই। তারা চাকরি না পেলে অনলাইনে বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে আয় করে সংসার চালিয়ে নিচ্ছে। গ্রামের মেয়েরাও এখন নিজেদের সৃজনশীল পণ্য বিক্রি করে উদ্যোক্তা হিসেবে পরিণত হচ্ছে এবং নিজের ভাগ্যের চাকা বদলাচ্ছে। তাই এর মাধ্যমে স্বাবলম্বী যে হচ্ছে তাই না গ্রামের অর্থনৈতিক চাকা সচল হচ্ছে ও দারিদ্রতার হাত থেকে মুক্তি পাচ্ছে। তাই গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করাটা প্রত্যেকের জন্য ভীষণভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করাটা কতটা কার্যকর
গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করাটা ভীষণভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে। কারণ এর মাধ্যমে গ্রামের মানুষেরা অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ পাচ্ছে এবং নিজের ভাগ্য বদলাতে পারছে। এছাড়াও গ্রামীণ সংস্কৃতি সম্পর্কে বাহিরের মানুষেদেরকে জানাতে পারছে। ইন্টারনেট সংযোগ থাকায় ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে গ্রামে বসেই আন্তর্জাতিক ক্রেতাদেরকে সার্ভিস দেওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও গৃহিণীরা কন্টেন্ট ক্রিয়েশন এর মাধ্যমে নিজের প্রতিভা ও তাদের সংস্কৃতি সবার সামনে তুলে ধরা সক্ষম হচ্ছে।
এই কাজ করার জন্য তাদের কোন অফিস বা প্রতিষ্ঠানে যেতে হয় না। ঘরে বসেই অ্যান্ড্রয়েড ফোন ও ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে তাদের এই আয়ের ব্যবস্থা করতে পারছে। এছাড়াও লেখালেখির কাজ ও ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ শিখেই ঘরে বসে বিভিন্ন থেকে আয় করা যায়। এই সেক্টরে সব থেকে বড় সুবিধা হল কাজ করার জন্য কোথাও যেতে হয় না। নিজের ইচ্ছামত যেকোনো সময় ও যে কোন জায়গায় বসেই এ কাজগুলো সম্পন্ন করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাকার সচল রাখার সুযোগ আছে।
মেয়েরা কি কি বিষয় নিয়ে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবে
গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করার বাস্তব উপায় সম্পর্কে জানার পরে মেয়েরাও এখন আর পিছিয়ে নেই। তারা বিভিন্ন বিষয়ের দক্ষতা অর্জন করে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ব্যবহার করে প্রতি মাসেই ঘরে বসে আয় করতে পারছে। মেয়েরা সব বিষয় নিয়েই কাজ শুরু করে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবে। ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে এসে কোন নির্দিষ্ট দক্ষতা অর্জন করে, নিজের কাজের মার্কেটিং এর মাধ্যমে ক্রেতাদেরকে সেবা দিয়ে ইনকাম করতে সক্ষম হচ্ছে।
এছাড়াও যারা হস্তশিল্পের কাজে পারদর্শী তারাও নিজের এই সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে ব্যবসা শুরু করার মাধ্যমে ভালো ইনকাম করতে পারছে। এটা মেয়েদের জন্য অনেক সুবিধা জনক কারণ এর জন্য তাদেরকে বাহিরে গিয়ে কাজ করতে হয় না তাই তাদের নিরাপত্তা নিয়ে কোন প্রশ্ন ওঠেনা। আমি মনে করি, মেয়েদের জন্য এই সেক্টর টা খুবই সুবিধাজনক কারণ এখানে বাহিরে যাওয়া, দূরে যাতায়াত করার কোন প্রশ্নই ওঠেনা এবং ঘরে বসেই দক্ষতার মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ থাকে।
গ্রামে বসে অনলাইনে ব্যবসা করাটা কতটুকু সহজ
গ্রামে বসে অনলাইনে ব্যবসা করাটা ভীষণই কার্যকর ও লাভজনক।গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করার বাস্তব উপায় এর মধ্যে একটি হল অনলাইনে ব্যবসা করা। পুরুষদের পাশাপাশি এখন মহিলারাও এই কাজের শামিল হয়েছে এবং নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করেছে। গ্রামে অনলাইনে ব্যবসা করাটা অনেক সহজ কারণ এখানে স্থানীয় জিনিস দিয়ে ব্যবসা করা হয়। যার জন্য ব্যবসায় বিনিয়োগ অনেক কম থাকে। এছাড়াও এক একটা গ্রামে একেক রকম ভিন্ন শিল্প থাকে যার জন্য প্রতিযোগিতাও কম থাকে।
আরও পড়ুনঃ ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে লাখ টাকা ইনকামের উপায়
ধরেন, সাতক্ষীরায় প্যারা সন্দেশ অনেক বিখ্যাত কিন্তু এটি সাতক্ষীরা ছাড়া আর কোথাও পাওয়া যায় না। তাই এক্ষেত্রে সাতক্ষীরা সন্দেশ নিয়েই একটা অনলাইনে ব্যবসা শুরু করলে প্রতিযোগিতা কম থাকে, জেলার ভিন্ন কিছু বাহিরে প্রচার হয়। বিনিয়োগে কম খরচ হয় ও কাঁচামাল মজুদ করতে অনেক সহজ হয়। তাই সব থেকে ভালো হয় যে গ্রামে বসে অনলাইনে ব্যবসা করতে গেলে স্থানীয় জিনিস নিয়ে ব্যবসা শুরু করলে কম খরচেই ভালো লাভবান হওয়া যায়।
গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করার সুবিধা
গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করার সুবিধা বলে শেষ করা যাবে না। নিজের দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি এই ধরনের কাজে নিযুক্ত থাকলে পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেক সচ্ছল হয়। প্যাসিভ ইনকামের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অবস্থা সক্রিয় করা যায়। বেকার বসে না থাকে এর মাধ্যমে নিজের একটি পরিচয় গঠন করা যায় ও গ্রামীণ সংস্কৃতি ও বিশেষ শিল্প সেটা বাহিরের মানুষদের কাছে তুলে ধরা যায়। এতে সেই জায়গার প্রচার ও প্রসার ঘটে এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে নিরাপদ থাকার সুযোগ আছে।
গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করলে কি অসুবিধা আছে
তবে অনেক তো জানলাম যে গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করার বাস্তব উপায় ও এর সুবিধা সমূহ কিন্তু এই কাজের মাধ্যমেও কিছু অসুবিধা ভোগ করতে হয়। যেমন সব গ্রামে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ একই রকম থাকে না। তাই প্রত্যন্ত গ্রামে যদি এই সেবা না থাকে তখন এই অনলাইনে ইনকাম করার কোন সুযোগ থাকে না। এছাড়াও অনলাইনে ইনকাম করতে হলে অবশ্যই মোবাইল ব্যবহার করা ও কম্পিউটার ব্যবহার করার প্রাথমিক জ্ঞানটুকু থাকতেই হবে। তা নাহলে অনলাইন ইনকাম করার কোন সুযোগ নাই।
এছাড়াও যারা ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে যারা নিজেদেরকে ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে চাচ্ছে তাদের জন্য সঠিক দিক নির্দেশনার প্রয়োজন হয়। কিন্তু সঠিক এজেন্সি না থাকার কারণে অনেক টাকা খরচ করে কোর্স শিখলেও পড়ে সেটা বাস্তব জীবনে আর কোন কাজেই আসে না এবং এই ধরনের হয়রানি ও প্রতারণামূলক কাজে শিকার হচ্ছে হাজার হাজার গ্রামের ছেলে ও মেয়েরা।
লেখকের মন্তব্য
আমার মতে গ্রামে বসে অনলাইনে ইনকাম করাটা বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে কিন্তু এর আগে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবস্থা যেন সচল ও সক্রিয় থাকে সেই বিষয়ে খেয়াল রেখে এই পথে নামা উচিত। সঠিক প্রশিক্ষণ ও প্রাথমিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান রেখেই এই বিষয়ে কাজ শুরু করলে দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ ভাগ্য বদলাতে সক্ষম। 251118




অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url