OrdinaryITPostAd

সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করলে কি সত্যিই শান্তি আসে

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে আয়

সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করলে কি সত্যিই শান্তি আসে এ ব্যাপারটি সম্পর্কে জানা ভীষণ জরুরী কারণ এটা বর্তমানে সব থেকে সাধারণ একটি সমস্যা। আমরা কমবেশি সবাই সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে যুক্ত থাকি কিন্তু ব্যবহারের নির্দিষ্ট সময় সীমা মেনে চলা উচিত সেটা খেয়াল রাখি না।

সোশ্যাল-মিডিয়া-বন্ধ-করলে-কি-সত্যিই-শান্তি-আসে

সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে যুক্ত থাকা ভালো কারণ এতে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন খবর ও সবার সাথে যোগাযোগ রাখা সম্ভব হয়। অনেক সময় মোবাইলের এসব আলো ও ক্ষতিকার রশ্মি আমাদের শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হয়। জানবো সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধতে কেমন শান্তি হয়।

পেজ সূচিপত্রঃসোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করলে কি সত্যিই শান্তি আসে

সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করলে কি সত্যিই শান্তি আসে

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতি নিলে সত্যিই একটি শান্তি অনুভব করা যায়। কারন ডিজিটাল দুনিয়ায় চাকচিক্য সাময়িকের জন্য ভালো লাগে কিন্তু বেশিক্ষণ তাতে আটকে থাকলে শরীর ও মনের উপর খারাপ প্রভাব পড়ে। সারাক্ষণ যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত করা হয় তাহলে বাস্তব জীবনের সাথে আর কোন সম্পর্কই থাকে না। জীবনের মানে উপভোগ করা যায় না। শুধুই মনে হয় যে এই ডিজিটাল দুনিয়ায় হচ্ছে আসল দুনিয়া। তখন এই দুনিয়ার মোহে পড়ে আমরা জীবনের আসল মানেই ভুলে যাই।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন রকম কার্যক্রমের সাথে সংযুক্ত থাকে। অধিকাংশ সময় দেখা যায় মানুষ তার ভালো মুহূর্ত গুলোই সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার করে। যার কারণে অন্য মানুষ এসব দেখে হীনমন্যতায় ভুগতে পারে। এছাড়াও এর মাধ্যমে শুরু হয় একটি অসুস্থ প্রতিযোগিতা। অনুসরণ ও অনুকরণের একটি অসুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মানুষ তার জীবনের আসল লক্ষ্য ও কাজের প্রতি বিরূপ হয়। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়া বেশি ব্যবহার করলে ব্যক্তিগত সম্পর্কের উপর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে।

তাই অবশ্যই এসব ভিন্ন কারণের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সময় সীমা মেনে নিতে হবে। রাতের বেলা কখনই সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে থাকা যাবে না। দিনের বেলা ব্যবহার করলেও নির্দিষ্ট একটি সময় বেঁধে নিয়ে ততক্ষণই ব্যবহার করতে হবে। চেষ্টা করতে হবে সামাজিক কার্যক্রমের মধ্যে যুক্ত হওয়া, তাহলে ডিজিটাল দুনিয়ার প্রতি তেমন একটি আকর্ষণ কাজ করবে না।

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকায় কি উচিত

সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করলে কি সত্যিই শান্তি আসে এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে অবশ্যই জানতে হবে যে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকা উচিত কিনা। আর থাকলেও কতক্ষণের জন্য দূরে থাকতে হবে নাকি একেবারেই দূরে থাকতে হবে। তবে আমার মতে, যেহেতু দুনিয়ার সমস্ত সিস্টেম ডিজিটাল করণের পর্যায়ে চলে যাচ্ছে তাই একেবারে যেন সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করাটা বোকামি। অনেক গুরুত্বপূর্ণ আপডেট, নোটিফিকেশন এবং অফিসিয়াল মেসেজ এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে আসে।

সোশ্যাল-মিডিয়া-বন্ধ-করলে-কি-সত্যিই-শান্তি-আসে

তবে অবশ্যই আমরা নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে পারি। একেবারে দূরে থাকা ঠিক নয় তবে সীমিত আকারে ব্যবহার করতে হবে। যেমন সকালবেলা ২ ঘন্টা ব্যবহার করা যেতে পারে। দুপুরে এক ঘন্টা ব্যবহার করা যেতে পারে এবং বিকালের দিকে এক ঘন্টা ব্যবহার করা যেতে পারে। যাতে কোন গুরুত্বপূর্ণ আপডেট বা নোটিফিকেশন মিস না হয়ে যায়। তবে কাজ শেষে হয়ে গেলেই যে একেবারে জন্যই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকে বসে থাকতে হবে এটা অনেক খারাপ। সবকিছু নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়া কি সত্যিই আমাদেরকে সামাজিক করে তুলছে

সোশ্যাল মিডিয়ার অর্থই হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিন্তু এই সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদেরকে সামাজিক করে তোলার পরিবর্তে আরো অসামাজিক ও ঘরকুনো করে তুলছে। আগে মানুষ মানুষের বাসায় ঘুরতে যেত, আড্ডা দিতে যেত এবং  দাওয়াত দেওয়ার সময় ও তার বাসায় ভ্রমন করতো। কিন্তু এখন আর সেটির প্রয়োজন হচ্ছে না। মেসেজ, কলের মাধ্যমে এখন এ ধরনের কাজ সম্পন্ন করে নেওয়া যায়। মানুষ আগে অবসর সময় অন্যদের বাসায় ঘুরতে যেত এবং খোঁজখবর রাখতো।

বর্তমান দুনিয়ায় এখন আর কারোর বাসার যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। আড্ডা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন প্লাটফর্মে ভিডিও কলের সুবিধা রয়েছে, সেখানে যুক্ত হলেই সহজেই সবার সাথে বসে আড্ডা দেওয়া যায়। নিমন্ত্রণ পত্র পাঠানোর নিয়ম এখন নেই। সরাসরি ফোন কলের মাধ্যমেই এখন দাওয়াতের কাজ সেরে নেওয়া হচ্ছে। তাই আমার কাছে মনে হয় যে এর মাধ্যমে মানুষ সামাজিকের তুলনায় আরো বেশি অসামাজিক হয়ে পড়ছে। এবং সরাসরি সাক্ষাৎ করার ব্যাপারটা বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া এখন আর হয় না।

সোশ্যাল মিডিয়ার আসক্তি কমাবেন যেভাবে

সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি কমানোর জন্য কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়সীমা বাহিরে ফোন ব্যবহার করা উচিত না। সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত না থেকে তার পরিবর্তে নিজেকে সবার কাটানো উচিত। প্রথমত যে কাজ করতে ভালো লাগে সেটাই করা যায়। যেমন গল্পের বই পড়া, ব্যায়াম করা, রান্না করা ইত্যাদি নানারকম কাজ রয়েছে। মাঝেমধ্যে মনটাকে প্রশান্ত করার জন্য ভোরবেলা হাঁটতে যাওয়া যেতে পারে। একটিবার সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অনেকক্ষণ দূরে থাকলে দেখা যাবে মনটাতে আলাদা প্রশান্তি অনুভব হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করার উপায় কি

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকার কারণে যদি মেজাজ খিটখিটে ও মন খারাপ লাগে তাহলে মেডিটেশন করতে হবে। সব থেকে ভালো হয় যদি কোন হস্তশিল্পের কাজ করা যায়। হস্তশিল্পের কাজ মনটাকে সৃজনশীল ও গতিশীল রাখতে সাহায্য করে। সেটা হতে পারে ফেলনা জিনিস দিয়ে শিল্পকর্ম, নিজের সৃজনশীলতা খাটিয়ে কোন শিল্পকর্ম। যেমন কুকের বোতল দিয়ে পেন্সিল স্ট্যান্ড, দড়ি দিয়ে ওয়ালমেট ইত্যাদি। এসব কাজের মধ্যে দিয়ে নিজের মনকে ব্যস্ত রাখা যায়।

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কিভাবে দূরে থাকা যায়

সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করলে কি সত্যিই শান্তি আসে এটা জানতে হলে অবশ্যই জানতে হবে যে কি কি উপায়ে আমরা এই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকতে পারি। যেমন অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ করা, মেসেজের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা, প্রয়োজনে অ্যাপ রিমুভ করে দেওয়া ইত্যাদি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। নোটিফিকেশন না আসলে বারবার সোশ্যাল মিডিয়ার ঢোকার প্রয়োজন পড়বে না ও মন অস্থির হবে না। যেসব এপের মাধ্যমে বেশি আসক্তি আসে সে সব অ্যাপ গুলোকে আনইন্সটল করে দেয়া উচিত।

সবথেকে বড় কথা হচ্ছে এসব থেকে দূরে থাকার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। নিজেকে বোঝাতে হবে যে প্রকৃতির সাথে সময় কাটানোটাই সবথেকে বেশি কল্যাণকর। প্রয়োজনে কোথাও ঘুরতে যান বন্ধু বা পরিবারকে নিয়ে। সেখানে সুন্দর সময় কাটান কিন্তু ফোন থেকে দূরে থাকতে হবে। প্রথম প্রথম একটু কষ্ট হবে, কিন্তু নিজেকে একবার বুঝে নিতে পারলে পরে আর কোন সমস্যা হবে না। নিজের জীবনকে একটি নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসলে তখন এসব সামান্য কারণে মন খারাপ হয় না।

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে মস্তিষ্কের উপর প্রভাব

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে মস্তিষ্কের উপর অনেক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। মোবাইলের ক্ষতিকর রশ্মি এবং ডিজিটাল স্ক্রিন মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয় এবং স্মৃতিশক্তি হারাতে সাহায্য করে। এছাড়াও মেলাতনীর নামে একটি হরমোন নিঃসরণ হয় যেটি বেশি মোবাইল ব্যবহার কারণে বাধা প্রাপ্ত হতে পারে এবং যার কারণে ঠিকমতো ঘুম আসে না। একপর্যায়ে মানসিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। এছাড়াও এটি মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ধূসার পদার্থের পরিমাণ কমিয়ে দেয় এবং যার কারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সমস্যা হয়।

সোশ্যাল-মিডিয়া-বন্ধ-করলে-কি-সত্যিই-শান্তি-আসে

এছাড়াও মানসিক উদ্বেগ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণে বাধাপ্রাপ্ত হয় অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের কারণে। এছাড়াও এর কারনে মস্তিষ্কের হরমোনাল পরিবর্তন ঘটে অনেক বেশি যেমন অতিরিক্ত ডোপামিন হরমোন নিঃসরণের কারণে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি আসক্তি সৃষ্টি হয়। এছাড়াও মানসিক স্থিরতা ও কার্যক্ষমতা দিলে দিলে কমতে শুরু করে। সাইকোলজিক্যালি এটি আমাদের আবেগ অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং ব্যক্তিত্বের উপরও অনেক খারাপ প্রভাব আনতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি তীব্র আকর্ষণ কেন হয়

সোশ্যাল মিডিয়া বেশি ব্যবহারের কারণে এর প্রতি আসক্ত ও আকর্ষণীতা দিনে দিনে বেড়েই যেতে থাকে, যেটা একসময় এনডলেস লুপে পরিণত হয়। যেখানে ব্যবহারকারী রিলস স্ক্রল করতে করতে বুঝতে পারে যে এখন আর ভালো লাগতেছে না বের হওয়া উচিত কিন্তু সে বের হতে পারছে না। ঘন্টার পর ঘন্টা শুধু এই রিলস এর মধ্যেই আটকে আছে। মস্তিষ্কের ধোসার পদার্থের মধ্যে থাকার ডোপামিন হরমোন অতিরিক্ত নিঃসরণের কারণে এই সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি আসক্ততা সৃষ্টি হয়।

এজন্যই প্রশ্ন উঠে যে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করলে কি সত্যিই শান্তি আসে। এটি মস্তিষ্কে হরমোনাল ভারসাম্যতা নষ্ট করে ফেলে। এছাড়াও কোন কাজে মনোযোগ ধরে রাখতেও সমস্যা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ার এই ডিজিটাল দুনিয়া অনেক চোখ ধাঁধানো হয় তাই মানুষ সহজে এর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পরে। অনেকেই আছে যারা মানসিক চাপ সামলানোর জন্য ও নিজের দুঃখ কষ্ট থেকে কিছুক্ষণ দূরে থাকার জন্য এই সোশ্যাল মিডিয়ার ডিজিটাল দুনিয়ায় নিজেকে আটকে ফেলে এবং একসময় এটি নেশাতে পরিণত হয়ে যায়।

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের উপকারিতা কি

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। কারণ দৈনন্দিন জীবনে সবকিছুই এখন সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভর হয়ে যাচ্ছে। কোন ক্লাসের গুরুত্বপূর্ণ আপডেট বা কোন অফিসে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং এর আপডেট সব এই সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন গ্রুপের মাধ্যমেই জানানো হয়। এছাড়াও ঘরে বসে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য এটি একটি কার্যকরী মাধ্যম। অনেকেই এই সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে নিজেকে স্বাবলম্বী করে তুলছে অনলাইন ব্যবসা, ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন এর মাধ্যমে।

আরও পড়ুনঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে কিভাবে ইনকাম করতে হবে

এই সোশ্যাল মিডিয়ায় কারোর বেকারত্ব খুঁচিয়ে দিয়ে পরিবারের উপার্জন ক্ষমা হিসেবে তৈরি করতে সাহায্য করে। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার উপকরণ ও উৎস এই সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরেই পাওয়া যায়। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের উপকারিতা অনেক বেশি। তবে এটিকে সীমিত আকারে ব্যবহার করা ভালো।

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের অপকারিতা কি

সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করলে কি সত্যিই শান্তি আসে এই প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলেই বুঝা যাবে যে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের আসলে কি কি ক্ষতিকর দিক রয়েছে। শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে যেতে পারে। এছাড়াও নিজে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ারের মাধ্যমে অনেকেই সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রকৃতির সাথে বিচ্ছিন্ন ও সামাজিকতা দিন দিন কমে যেতে শুরু করে এবং মানুষ আত্মকেন্দ্রিক হয়ে যায়।

লেখকের মন্তব্য

আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন যে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করলে কি সত্যিই শান্তি আসে নাকি না। যে কোন কাজের অতিরিক্ত ভালো হয় না। তাই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে হবে কিন্তু পরিমিত আকারে। আবার সোশ্যাল মিডিয়া থেকে একেবারে জন্য দূরে সরে যাওয়াও ঠিক না। নয়তো বর্তমান দুনিয়ার সাপেক্ষে অনেক পিছিয়ে থাকতে হবে। তাই একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে নিয়ে সেইটুকু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করলে কোন ক্ষতি নেই। 251118

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url