বিকাশ একাউন্ট সাময়িক ব্লক হলে খোলার সকল উপায়
বিকাশ পার্সোনাল রিটেইল একাউন্ট কি
বিকাশ একাউন্ট সাময়িক ব্লক হলে খোলার উপায় সম্পর্কে আজকে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে। কারণ বিকাশ একাউন্ট এখন বর্তমান দুনিয়ায় ভীষণ প্রয়োজন কেননা বিভিন্ন সময় টাকার প্রয়োজন হলে অ্যাপের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করে প্রয়োজন মেটানো যায় ।
বিকাশ অ্যাপ হচ্ছে অনলাইনে ডিজিটাল উপায়ে টাকা লেনদেন করার একটা মাধ্যম। এখানে নির্দিষ্ট একটি অ্যাকাউন্ট খুলে টাকা লেনদেন করা যায় যে কোন স্থানে তাই সাথে করে টাকা রাখা লাগে না। এই বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারে সময় ও নিরাপত্তা দুটোই সুরক্ষিত থাকে।
পেজ সূচিপত্রঃবিকাশ একাউন্ট সাময়িক ব্লক হলে খোলার উপায়
- বিকাশ একাউন্ট সাময়িক ব্লক হলে খোলার উপায়
- বিকাশ অ্যাপ কি
- বিকাশ একাউন্ট সাময়িক ব্লক হয়ে যায় কেন
- বিকাশ অ্যাপ এ টাকা লেনদেনের নিয়মাবলী
- বিকাশ অ্যাপের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো কি
- বিকাশ অ্যাপের টাকা জমানোর পদ্ধতি
- বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারে কি নিরাপত্তা মানতে হবে
- বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা কি
- বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের অসুবিধা কি
- লেখকের মন্তব্য
বিকাশ একাউন্ট সাময়িক ব্লক হলে খোলার উপায়
আমাদের প্রত্যেকেরই কমবেশি সবারই বিকাশে একটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। কারন এই বিকাশ একাউন্ট থাকার কারণে টাকা লেনদেন করা যায় যে কোন জায়গা থেকেই। আগের কালে টাকার লেনদেন করার জন্য পাওনাদারের কাছে যাওয়া লাগতো। কিন্তু বিকাশ একাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা থাকলে এখন ঘরে শুয়ে বসে সেটা সম্পন্ন করা যাচ্ছে। এছাড়াও গ্যাস বিল, পানির বিল, বিদ্যুতের বিল ইত্যাদি সহ বৃত্তি, ভাতা ইত্যাদি এই বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে টাকা পাঠানো যাচ্ছে। এছাড়াও মোবাইলের রিচার্জ করা যায় এই অ্যাকাউন্টে থাকা টাকা দিয়ে।
বিকাশ একাউন্ট খোলার সময় একটা পিন নাম্বার দেওয়া হয়, সেই পিন নাম্বার হল একাউন্টের গোপন নাম্বার যেটা কারো সাথে শেয়ার করা যাবে না। শেয়ার করলে সে সেই টাকা চুরি করে নিবে। যদি হঠাৎ করে বিকাশের একাউন্ট ব্লক হয়ে যায় তাহলে সর্বপ্রথম সেই পিন নাম্বারটা রিসেট করে নিতে হবে। বিকাশ অ্যাপের পিন নাম্বার রিসেট করার অপশন থেকে পুনরায় নতুন পিন নাম্বার যোগ করে নিতে হবে। পিন নাম্বার নতুন করে যোগ করলে এরপর লগইনের সময় সেটা ব্যবহার করলে একাউন্ট আনব্লক হয়ে যায়।
এছাড়াও বিকাশ অফিসের ক্রেতাদের সেবার নাম্বার ১৬২৪৭ এ ডায়াল করে পিন রিসেট করা যায়। এটা মূলত যাদের এন্ড্রয়েড মোবাইল নাই মানে বাট মোবাইল ব্যবহার করে তাদের জন্য এই নাম্বারের ডায়াল করলে পিন রিসেট করা যাবে। এছাড়া পিন রিসেট করেও যদি একাউন্ট আনব্লক না করা যায় তাহলে সেই নাম্বার নিয়ে বিকাশের কাস্টমার কেয়ার সার্ভিস সেন্টারে যোগাযোগ করতে হবে। সরাসরি বিকাশের কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করলে অফিসিয়ালি এই সমস্যাটার সমাধান হয়ে যাবে এবং কোন নিরাপত্তা জনিত সমস্যা থাকবে না।
বিকাশ অ্যাপ কি
বিকাশ একাউন্ট সাময়িক ব্লক হলে খোলার উপায় সম্পর্কে জানতে হলে আগে জানতে হবে যে এই বিকাশ অ্যাপ টা কি। বিকাশ অ্যাপের ব্যাপারে সংক্ষিপ্তভাবে আমি ইতোমধ্যে আলোচনা করেছি। বিকাশ অ্যাপ হল ব্র্যাক ব্যাংকের একটি প্রতিষ্ঠান। মূলত ডিজিটাল উপায়ে লেনদেন করার জন্য এই বিকাশ অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এই বিকাশ অ্যাপ ২০১১ সালের ২২ শে জুলাই বাংলাদেশে চালু করা হয়।
বিকাশ একাউন্ট সাময়িক ব্লক হয়ে যায় কেন
বিকাশ এক সাময়িক ব্লক হওয়ার কিছু কারণ রয়েছে যেমন ভুল পিন নাম্বার যদি বারবার সংযোগ করার চেষ্টা করা হয়। যদি বিকাশ একাউন্টে ঢোকার সময় পিন নাম্বার ভুলে যাই এবং বারবার সেটাতে চেষ্টা করি তাহলে বিকাশ অ্যাপ নিরাপত্তা জনিত সকার কারণে সাময়িকভাবে ব্লক হয়ে যায়। এছাড়া বিকাশ অ্যাপ এর নতুন নিরাপত্তা ফিচার চালু হয়েছে যার নাম হচ্ছে কেউ আইসি। know your account. এ নতুন নিরাপত্তা ফিচার এর জন্য কোন ধরনের অনৈতিক কাজ হলে অটোমেটিক একাউন্ট ব্লক হয়ে যায়।
এছাড়া যদি ডিভাইস পরিবর্তন করা হয় মানে কোন কারণে যদি এক ফোন থেকে আরেক ফোনে যাওয়া হয় তখন সেই নতুন ফোনে বিকাশ অ্যাপ খুলতে গেলে নিরাপত্তা জনিত কারণে একাউন্টের সাময়িক ব্লক হয়ে যেতে পারে। এছাড়া ফোনে যদি কোন অযাচিত নাম্বার থেকে বারবার লেনদেন করা হয় এবং সেটা যদি সন্দেহভাজনে পরিণত হয় তাহলে সে একাউন্টে ব্লক হয়ে যাবে। তাই এই অ্যাপ ব্যবহার করার সময় সাবধানে থাকতে হবে।
বিকাশ অ্যাপ এ টাকা লেনদেনের নিয়মাবলী
বিকাশ অ্যাপ এ টাকা লেনদেন করতে হলে কিছু চার্জ প্রদান করতে হয়। যেমন প্রতি হাজার টাকা লেনদেন করলে ১৫ টাকার মতো চার্জ করে। ব্যাংক থেকে বিকাশে টাকা আনতে গেলে প্রতি টাকা আনার ক্ষেত্রে এক টাকা করে চার্জ করে। তবে বিকাশের একটি নতুন সংযোজন সেটা হল প্রিয়জনের নাম্বার সেট করা। এর মানে হচ্ছে যেকোনো পাঁচটি নাম্বার যদি প্রিয়জনের নাম্বার সেট করা হয় তাহলে সেই ক্ষেত্রে টাকা লেনদেন করাতে চার্জ অনেক কম থাকে। যেমন প্রতিমাসে টাকা লেনদেন একদম ফ্রিতে করা যায়।
এরপর প্রতিমাসে যেকোনো প্রিয়জনের দুইটি নাম্বার সেট করলে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা লেনদেন করাতে কোন প্রকার চার্জ দেওয়া লাগে না। আর ৫০০০০ টাকা লেনদেন করলে মাত্র ১.৭৮% চার্জ দেওয়া লাগে। তাই আবার মতে যে নাম্বারে বেশি টাকা লেনদেন করা হয় সেই নাম্বারটি প্রিয়জনের নাম্বার এর মধ্যে সেট করে নিলে সুবিধা পাওয়া যাবে।
বিকাশ অ্যাপের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো কি
বিকাশ অ্যাপ এর বর্তমান সুবিধা সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। কিন্তু 2011 সালে বিকাশ যখন প্রথম বাংলাদেশে চালু হয় তখন সেটাতে শুধু ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউট করা যেত। মানে টাকা লেনদেন করা ছাড়া আর কিছুই করা যেত না। কিন্তু সবার আবর্তনে আপডেট নিয়ে এসেছে। এখন এই অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই কোন রকম লাইনে না দাঁড়িয়ে গ্যাস বিল, পানির বিল, বিদ্যুৎ বিল, ইন্টারনেট বিল সহ যাবতীয় বিল পরিশোধ করা যায়। শুধু তাই নয়, স্কুলের টিউশন ফি জমা দেওয়া যায় এই বিকাশের মাধ্যমে।
আরও পড়ুনঃ বিকাশ পার্সোনাল রিটেইল একাউন্ট এর সুবিধা ও অসুবিধা গুলো জানুন
এছাড়া বিকাশ অ্যাপ এর মাধ্যমে মোবাইলে রিচার্জ করা যায়। পূর্বে যখন মোবাইল রিচার্জ করার প্রয়োজন হতো তখন দোকান খোলা না থাকায় রাতের বেলা অনেক বিরম্বনা পড়া লাগতো। না কাটিয়ে রিচার্জ করার সুযোগ দিচ্ছে। বিকাশ অ্যাপ এ টাকা থাকলে যে কোন সময় যেকোনো জায়গায় বসেই কল রেট ও ইন্টারনেট প্যাকেজ ক্রয় করা যাচ্ছে। এছাড়া অন্য কাউকে রিচার্জ করিয়ে দেওয়ার জন্য এই অ্যাপ সেই সুবিধা প্রদান করছে। এছাড়া এই অ্যাপে এখন বিভিন্ন মেয়াদে সেভিংস একাউন্ট চালানো সম্ভব।
বিকাশ অ্যাপের টাকা জমানোর পদ্ধতি
বিকাশ একাউন্ট সাময়িক ব্লক হলে খোলার উপায় সম্পর্কে জানার পাশাপাশি বিকাশ অ্যাপ এর নতুন সংযোজন সেভিংস একাউন্ট চালু করা সম্ভব সেটা সম্পর্কে আমাদেরকে জানতে হবে। এই সেব্রিক্স অ্যাকাউন্টের নাম হচ্ছে ডিপিএস অ্যাকাউন্ট। যেখানে বিভিন্ন মেয়াদে নিজের প্রয়োজনমতো স্বল্প টাকা দিয়ে এই একাউন্টে চালানো সম্ভব। এরপরে এক বছর শেষে আকর্ষণীয় মুনাফার সাথে এই টাকা উত্তোলন করা যায়। এই ডিপিএস অ্যাকাউন্ট সাপ্তাহিক ভিত্তিক বা মাসিক ভিত্তিকও হতে পারে।
সাপ্তাহিক ভিত্তিক অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে প্রতি সপ্তাহের ২৫০ টাকা জমা দিয়ে এই একাউন্টে সক্রিয় রাখতে হবে। এছাড়া মাসিক ভিত্তিক একাউন্ট খুলতে গেলে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা জমা করে এই একাউন্টটি চালানো সম্ভব। এই ডিপিএস একাউন্ট এর মধ্যে সবথেকে মূল্যবান সেভিংস অ্যাকাউন্ট হলো যেটা সেটাতে প্রতি সপ্তাহে ৫০০০ টাকা জমা দিতে হয়। তাহলে বছর শেষে খুবই আকর্ষণীয় মুনাফায় অধিক টাকা লাভ করা সম্ভব। শিক্ষার্থীর সহজে কোন পেশার মানুষদের স্বপ্ন পূরণের জন্য এই ডিপিএস অ্যাকাউন্টটি কার্যকর।
বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারে কি নিরাপত্তা মানতে হবে
যদি এ ধরনের সমস্যা যেমনবিকাশ একাউন্ট সাময়িক ব্লক হলে খোলার উপায় থেকে বাঁচতে চাইতে হয় তাহলে অবশ্যই বিকাশে ব্যবহারের সময় কিছু নিরাপত্তা মেনে চলতে হবে। নিজের এই অ্যাকাউন্টের জন্য নিজেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সর্বপ্রথম যে স্ক্যাম করা হয় সেটা হল বিভিন্ন আকর্ষণীয় জিনিসের প্রলোভন দেখিয়ে পিন নাম্বার হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলে। বিভিন্ন রকম টাকা ও গয়নার প্রলোভন দেখিয়ে বলে যে পিন নাম্বার দিলে এই অ্যাপে এত টাকা ঢুকবে। পিন নাম্বার হলো বিকাশ অ্যাপের পাসওয়ার্ড।
বিকাশ অ্যাপের এই পাসওয়ার্ড কখনো কারো সাথে শেয়ার করা যাবে না। তাহলে এই অ্যাকাউন্টের সব টাকা গুলো চুরি হয়ে যাবে। আরেকটা কথা মনে রাখতে হবে যে বিকাশ অফিস থেকে কখনোই পিন নাম্বার চাইবে না। তাই এটা কাউকে বলার প্রশ্নই ওঠে না। এছাড়া পিন নাম্বার প্রদান করার সময় খুব সাবধানে প্রদান করতে হবে। যদি পিন নাম্বার ভুলে যায় তাহলে নতুন করে আবার পিন নাম্বার সেট করতে হবে। আর অবশ্যই যে কোন প্রয়োজনে বিকাশ অ্যাপ এর কাস্টমার সার্ভিস অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে।
বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা কি
বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা বলে শেষ করা যাবে না। এই অ্যাপ ব্যবহারে জীবনযাত্রা অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। আগে লাইনে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন বিল পরিশোধ করতে হতো কিন্তু এখন ঘরে বসেই সে কাজটা সহজেই করা যাচ্ছে। এছাড়া হঠাৎ করে টাকার প্রয়োজন হলে যে কোন দোকান থেকে কোন প্রয়োজনকে কল দিয়ে বিকাশের মাধ্যমে টাকা উঠানো যায়। এছাড়া বিভিন্ন অফলাইন দোকানে কেনাকাটার ক্ষেত্রে বিকাশের ব্যবহারে অনেক ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়।
আরও পড়ুনঃ বিকাশ থেকে কিভাবে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করা যায়
বিকাশে ব্যবহারের মাধ্যমে মোবাইলে রিচার্জ করা যায় যেকোনো সময়। যদি বিকাশে টাকা নাও থাকে তাও ব্যাংকের কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্টে টাকা নিয়ে আসে যায়। এছাড়া হঠাৎ করে যদি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলনের প্রয়োজন হয় তাহলে বিকাশ একাউন্ট থেকেও সেই ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠানোর সিস্টেম রয়েছে।
এছাড়া শখ ও স্বপ্নপূরণের জন্য বিকাশে রয়েছে ডিপিএস একাউন্ট যেটাতে টাকা জমিয়ে নিজের ছোট ছোট ইচ্ছে গুলো পূরণ করা যায়। তাই নিজের অ্যাকাউন্ট কে সুরক্ষিত রেখে ব্যবহার করতে হবে।
বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের অসুবিধা কি
বিকাশের ব্যবহারে কিছু অসুবিধা পাওয়া গিয়েছে। সবথেকে বড় কথা হচ্ছে সব মানুষেরা অ্যাপ সঠিকভাবে ব্যবহার করতে জানে না। তাই যেকোনো অযাচিত নাম্বারে লেনদেন করে ফেলে। এছাড়া লেনদেনের সময় হঠাৎ হঠাৎ করে বিকাশ অ্যাপের সার্ভার ডাউন হয়ে যেতে পারে। তখন অনেক অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়।
এছাড়া অপরিচিত মানুষের দ্বারা এই অ্যাপের মাধ্যমে স্ক্যাম শিকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া বিকাশের বিভিন্ন দোকানে গিয়ে টাকা উত্তোলন করার সময় ছিনতাই হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই এটির ব্যবহারে নিরাপত্তা সম্পর্কে জেনে এবং বিকাশ একাউন্ট সাময়িক ব্লক হলে খোলার উপায় সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান রাখতে হবে।
লেখকের মন্তব্য
বিকাশ একাউন্ট সাময়িক ব্লক হলে খোলার উপায় সম্পর্কে আশা করি আমি আপনাদেরকে বোঝাতে পেরেছি। বিকাশ অ্যাপ কে বহুমুখী ভাবে ব্যবহার করা যায় কিন্তু এটি ব্যবহারের পাশাপাশি একাউন্টের সুরক্ষিত করা ও নিরাপদ করার উপায় সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। কারণ এই অ্যাকাউন্টের অন্য কারো অনুপ্রবেশ ঘটলে সেসব টাকা চুরি করে নিয়ে যাবে। তাই পিন নাম্বার শেয়ার না করার পাশাপাশি নিজের একাউন্টে সুরক্ষিত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। 251118




অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url