গুগল সার্চ কনসোল ইম্প্রেশন আছে কিন্তু ক্লিক শূন্য
গুগল ডিসকভারে ট্রাফিক পুনরুদ্ধারের কৌশল
গুগল সার্চ কনসোল ইম্প্রেশন আছে কিন্তু ক্লিক শূন্য এ সমস্যাটি কন্টেন্ট রাইটাররা প্রতিনিয়ত পড়েই থাকেন কারন গুগলের নিয়ম অনুযায়ী সার্চ কনসোল ইম্প্রেশন থাকা সত্ত্বেও ক্লিক আসে না কারণ কনটেন্টের টাইটেল ও মেটা ডেসক্রিপশন ঠিক না থাকা বা আকর্ষণীয় না থাকা।
কন্টেন্টের এসিও মানে হচ্ছে সার্চ করা কিওয়ার্ডের সাথে কনটেন্ট এর কিওয়ার্ডের মিল না থাকা ইত্যাদি সহ বিভিন্ন রকমের কারণ রয়েছে। কনটেন্টের এসিও করাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ এই ক্লিক পাওয়ার জন্য। জেনে নেই যে কেন ইম্প্রেশন করা থাকলেও ক্লিক আসে না।
পেজ সূচিপত্রঃগুগল সার্চ কনসোল ইম্প্রেশন আছে কিন্তু ক্লিক শূন্য
- গুগল সার্চ কনসোল ইম্প্রেশন আছে কিন্তু ক্লিক শূন্য
- গুগল সার্চ কনসোল কি
- ক্লিক আসার জন্য গুগলের রেংকিং বাড়ানো টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ
- ক্লিক বাড়ানোর জন্য গুগল সার্চ কনসোলের ভূমিকা কতটুকু
- ক্লিকের জন্য এ আই ওভারভিউতে আসা কতটা প্রয়োজন
- ক্লিকের পাওয়ার জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ কতটা প্রয়োজন
- কি কি কারনে কনটেন্ট এ ক্লিক না আসতে পারে
- সার্চ কনসোল ইমপ্রেসন থাকা সত্ত্বেও ক্লিক না আসলে কি করবেন
- কনটেন্টে ক্লিক আসার সুবিধাগুলো কি
- লেখক এর মন্তব্য
গুগল সার্চ কনসোল ইম্প্রেশন আছে কিন্তু ক্লিক শূন্য
যারা কন্টেন্ট রাইটার বা ওয়েবসাইট আছে যাদের নিজস্ব তারা গুগল প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে ডলার আয় করে থাকেন। এই প্রক্রিয়াটি একটি ফ্রিল্যান্সিং এর আওতায় পড়ে যেখানে ঘরে বসেই কন্টেন্ট পোস্ট করার মাধ্যমে গুগল থেকে আয় করা যায়। গুগল থেকে আয় করতে গেলে নিজস্ব কিছু নীতিমালা অনুসরণ করতে হয় এবং এডসেন্স অ্যাপ্রভাল পাওয়া লাগে। তার মধ্যে একটি নিয়ম হল নিজের সাইডে ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য গুগলের সার্চ কনসোল ইম্প্রেশন করে রাখতে হয় যাতে গুগল বুঝতে পারে এই কনটেন্ট আছে।
সার্চ কনসোল ইম্প্রেশন করে রাখলে গুগল সে কনটেন্টকে রেকমেন্ডেশনে দেয় এবং বুঝতে পারে যে এই কনটেন্ট টা রয়েছে। কিন্তু এখানে সার্চ কনসোল করার পরও এসিও করাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারন এসিও হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন যেখানে কনটেন্ট কে সার্চ রেজাল্টের একদম টপ রেংকিং এ দেখাবে। কনটেন্টের রেংকিং ভালো হলে দর্শক সেখানে আগে ক্লিক করে ভিউ করবে। আর এভাবেই ক্লিকের কারণেই ভিউয়ের পরিমাণ বেড়ে যাবে। এ আই ওভারভিউতে যদি কন্টেন্ট চলে যায় তাহলে ভিউ আসে না।
এছাড়াও গুগলের টাইটেল ও মেট ডেসক্রিপশন সহজ, সুন্দর ও দর্শকের জন্য আকর্ষণীয় নাহলে ক্লিক আসেনা। গুগল নিউজ লেটার এ কনটেন্ট পাবলিশ করা না থাকলে ভালো র্যাঙ্ক পাওয়া যায় না। এছাড়া অনেক সময় ডেটার জন্য কিছু গ্লিচ থেকে যেতে পারে যার কারণে ক্লিক আসতে একটু দেরি হয়। কি ওয়ার্ড রিসার্চ সঠিক না হলে ক্লিক আসেনা। এছাড়া এমন কনটেন্ট যেখানে দর্শকের কোন চাহিদা নেই এমন হলে সে ব্যাপারে কোন সার্চ হবে না আর কনটেন্টে কোন ক্লিকও আসবে না।
গুগল সার্চ কনসোল কি
গুগল সার্চ কনসোল ইম্প্রেশন আছে কিন্তু ক্লিক শূন্য এটা জানতে হলে আগে জানতে হবে যে এই গুগল সার্চ কন্সোল কাকে বলে। এটি মূলত ওয়েবসাইট মালিকদের জন্য একটি পরিষেবা যেখানে তাদের কনটেন্টের পারফরম্যান্স গুলোকে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং কন্টেন্ট ও ওয়েবসাইট সম্পর্কিত যেকোনো ধরনের সমস্যা বিনামূল্যে সমাধান দেওয়া হয়। গুগল এই প্যানেলের মাধ্যমে তাদের কনটেন্টের রক্ষণাবেক্ষণ ও ট্র্যাকিং এর মাধ্যমে কনটেন্ট গুলোকে পর্যালোচনা করে এবং ভিউ এর জন্য ঠিক করে।
এছাড়াও এই প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যম রাইটারের কনটেন্টকে পুরো পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং তাদের ক্লিক ও ভিউ এর মাধ্যমে সেই সব রাইটারদের আয় এর পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। এই কাজটি কার্যকর ভাবে করে থাকে এই গুগল সার্চ কনসোল প্যানেল। এই প্যানেলের ইম্প্রেশন থাকাটা প্রয়োজন কারণ এর মাধ্যমে গুগলকে জানানো হয় যে এখানে কনটেন্ট রয়েছে। গুগল সেই অনুযায়ী কনটেন্টকে রেকমেন্ড করে ক্লিক করার জন্য। কিন্তু এই ইমপ্রেসন টা ভালোভাবে তৈরি করে নিতে হবে।
ক্লিক আসার জন্য গুগলের রেংকিং বাড়ানো টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ
যদি সার্চ রেজাল্ট এ কনটেন্ট নাই দেখায় এবং কনটেন্টের যদি কোন রেংকিংই না থাকে তাহলে সে কন্টেন্ট এ কখনোই ক্লিক আসবেনা। কন্টেন্টের রেংকিং হচ্ছে মূলত সার্চ রেজাল্টের কত নাম্বারে এটি দেখাচ্ছে দর্শকের কাছে। রাঙ্কিং এর উপরেই মূলত এই ক্লিক নির্ভর করে কারণ কনটেন্ট যদি সার্চ রেজাল্টের একদম প্রথমেই দেখায় তাহলে দর্শক সেটার উপরেই আগ্রহী হবে এবং সবার প্রথমে সেটাই ক্লিক করবে। সার্চ রেজাল্টের প্রথমেই যেন কনটেন্ট দেখায় সেটার জন্য সঠিকভাবে এসিও করতে হবে।
আরও পড়ুনঃ কিভাবে গুগল সার্চ কনসোলে ইনডেক্স রিকোয়েস্ট পাঠাতে হয়
গুগল সার্চ কনসোল ইম্প্রেশন আছে কিন্তু ক্লিক শূন্য এই সমস্যাটি সমাধানের জন্যই গুগলের রেংকিং বানানোটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও কন্টেন্টের উপর ক্লিক করার মাধ্যমে দর্শক যদি বেশিক্ষণ সেই ওয়েবসাইটে থাকে তাহলে এটি গুগলে খুব ভালো একটি ইম্প্রেশন তৈরি করে ও ইউজার এনগেজমেন্ট বাড়াতে সাহায্য করে। যেটি ভালো পরিমানের ডলার আয় করার জন্য বেশ কার্যকর। কনটেন্ট এর মান ভালো হতে হবে যাতে দর্শক সেখান থেকে কিছু শিখতে ও পড়তে পারে।
ক্লিক বাড়ানোর জন্য গুগল সার্চ কনসোলের ভূমিকা কতটুকু
ক্লিক বাড়ানোর জন্য গুগলের সার্চ কনসোল ছাড়া আর কোন উপায় নেই কারণ কনটেন্ট এর পারফরম্যান্স ও ট্রাকিং সহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে এই গুগল এর সার্চ কনসোল প্যানেল। এছাড়াও এই প্যানেলে সাইড ইনডেক্সিং করতে হয় ওয়েবসাইট ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য। ওয়েবসাইটে ট্রাফিক যত ভালো হবে ততই এনগেজমেন্ট বাড়বে এবং ডলার আয়ের বেশি ভূমিকা পালন করবে। এছাড়াও নতুন ব্লগারদের জন্য এই গুগলের সার্চ কনসোল প্যানেল টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
নতুন ব্লগার হিসেবে নিজের কনটেন্টকে জানান দেওয়ার জন্য গুগল সার্চ কনসোল প্যানেলে নিজের ওয়েবসাইট লিংককে ইনডেক্সিং করে রাখতে হবে। এছাড়াও এর মাধ্যমে দর্শকরা কি কিওয়ার্ড ব্যবহার করে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করছে তা সহজেই বোঝা যায় যেটা কনটেন্ট অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সমস্যা যেমন ইন্ডেক্সিং হচ্ছে না, ক্রলিং হচ্ছে না, ব্রোকেন লিংক ইত্যাদি যত্ন সহকারে সমাধান করা হয়।
ক্লিকের জন্য এ আই ওভারভিউতে আসা কতটা প্রয়োজন
গুগলের একটি নতুন ফিচার হলো এ আই ওভারভিউ। যেখানে কোন নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করলে গুগল ওভারভিউ এর মাধ্যমে সেই কনটেন্টের নির্দিষ্ট উত্তরটা পাওয়া যায় কোনরকম ওয়েবসাইটে প্রবেশ না করার পরেও। ক্লিকের জন্য এ আই ওভারভিউতে আসার তেমন কোন প্রয়োজন নেই কারণ প্রশ্নের উত্তর যদি সেখানেই চলে আসে তাহলে ক্লিক করার তো আর কোন প্রয়োজনই পড়ে না। এ আই ওভারভিউ তে উত্তর আসার কারণে ওয়েবসাইটের ট্রাফিক কমে যেতে শুরু করে।
ক্লিকের পাওয়ার জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ কতটা প্রয়োজন
গুগল সার্চ কনসোল ইম্প্রেশন আছে কিন্তু ক্লিক শূন্য এই সমস্যাটি সমাধানের জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ করাটা সবথেকে বেশি প্রয়োজন কারণ সঠিকভাবে কিওয়ার্ড কন্টেন্টে না দিলে সার্চ করার পরেও সেই কনটেন্ট রেজাল্ট দেখাবে না এবং রেংকিং অনেক খারাপ দেখাবে। দর্শকের চাহিদা অনুযায়ী কনটেন্ট পোস্ট করতে পারলে এবং সঠিকভাবে দর্শকের কাছে পৌঁছিয়ে দিতে পারলে প্রচুর পরিমাণে ক্লিক ও ভিউ আসবে।
তাই কনটেন্ট লেখার আগে দেখতে হবে যে দর্শকের চাহিদা কোথায় এবং দর্শক কি লিখে নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে সার্চ দিতে পারে। এছাড়াও সেই কিওয়ার্ড যদি সাধারণ না হয় মানে প্রতিযোগিতামূলক কম হয় এবং কন্টেন্টের সাথে প্রাসঙ্গিক করা যায় তাহলে ক্লিক এনে দিতে আরো বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। এছাড়াও কিওয়ার্ড ব্যবহারের পরিমাণ পরিমিত রাখতে হবে কারণ বেশি কিওয়ার্ড ব্যবহার করলে সে কন্টেন্ট আবার ভিও হয় অনেক কম। এছাড়াও লং টেল কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে ক্লিক বাড়ানোর জন্য।
কি কি কারনে কনটেন্ট এ ক্লিক না আসতে পারে
কন্টেন্ট এ ক্লিক না আসার অনেকগুলো কারণ রয়েছে। যদি গুগল পলিসি সঠিকভাবে না মেনে কাজ করা হয় তাহলে কনটেন্ট এ কখনোই ক্লিক আসবেনা। এছাড়াও পুরনো যেসব বিষয় যেগুলোতে দর্শকের তেমন কোন সার্চ বা চাহিদা নেই সেসব বিষয় নিয়ে কনটেন্ট লিখলে কখনো সার্চ ই হবে না। এছাড়াও নিজের ওয়েবসাইটের সাইট ইনডেক্স ভালোভাবে না করলে ভালো ইম্প্রেশন আসবে না। এছাড়াও টাইটেল ও মেটা ডেসক্রিপশন সঠিক না হলে ক্লিক আসবেনা। লেখার ক্ষেত্রে টার্গেট অডিয়েন্স ঠিক করে নিতে হবে।
এছাড়াও নিজের ওয়েবসাইটের সঠিকভাবে প্রচার করতে হবে এর জন্য ওয়েবসাইটের ইন্টারফেস ব্যবহারকারী বান্ধব হতে হবে যাতে দর্শক প্রবেশ করলে সেখানে অনেকক্ষণ ভিউ করতে পারে। এর উপর নির্ভর করে এনগেজমেন্ট এবং ডলারের পরিমাণ। গুগল থেকে আয় করার জন্য সবার আগে এডসেন্স অ্যাপ্রভাল দিয়ে রাখতে হবে। সঠিকভাবে এসইও না করা থাকলে কনটেন্টে ক্লিক আসবেনা। তাই এসইও করার মাধ্যমে কনটেন্টের ভালোভাবে রেংকিং নিয়ে আসতে হবে। ছবি আকর্ষণীয় হতে হবে।
সার্চ কনসোল ইমপ্রেসন থাকা সত্ত্বেও ক্লিক না আসলে কি করবেন
কন্টেন্ট এ ক্লিক না আসার পেছনে আগে কারণগুলো নির্ণয় করতে হবে এরপর সেই অনুযায়ী সমাধান করতে হবে। আগে ভালোভাবে দেখে নিতে হবে যে কনটেন্ট টা এসইও করা আছে কিনা এবং সার্চ দিয়ে দেখতে হবে যে এর রেংকিং কতদূর পর্যন্ত আছে অন্ততপক্ষে এক থেকে দশের মধ্যে আছে কিনা। কনটেন্টের টাইটেল ও মেটা ডিসক্রিপশন অবশ্যই সুন্দর হতে হবে এবং দর্শকের পছন্দসই হতে হবে। কিওয়ার্ড রিসার্চ সঠিকভাবে করতে হবে এবং অবশ্যই দর্শকের সার্চ করা ও কনটেন্ট এর সাথে প্রাসঙ্গিক হবে।
আরও পড়ুনঃ ব্লগার সাইটের জন্য এসইও টুলস গুলো কি
এছাড়াও টাইটেল এমন ভাবে লিখতে হবে যাতে দর্শক সেটাতে ক্লিক করতে আগ্রহী হয় এবং সেই টাইটেল পড়ে নিজের সমস্যার সমাধানের কারন খুঁজতে শুরু করে। এছাড়াও কন্টেন্ট লেখার আগে দর্শকের চাহিদা বুঝে নিতে হবে এরপর সেই অনুযায়ী লিখতে হবে। এছাড়া ইউ আর এল ইন্সপেকশন এর মাধ্যমে দেখে নিতে হবে যে ক্লিক করতে কোন রকমের টেকনিক্যাল সমস্যা আছে কিনা। এছাড়াও কনটেন্ট এর মধ্যে দর্শকের সাথে যোগাযোগ করার কোন একটি মাধ্যম রেখে দিতে হবে।
কনটেন্টে ক্লিক আসার সুবিধাগুলো কি
কনটেন্ট এ ক্লিক আসলে ভিউ হয় এবং সেই কনটেন্ট দর্শকের কাছে পৌঁছা ও জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং সেই সাথে ডলার আয়রও একটি সুযোগ তৈরি করে দেয়। মূলত দর্শকের এই ভিউ ও ক্লিকের পরিমাণের কারণেই নির্ধারিত হয় গুগল থেকে কতটুকু ডলার আয় করা যাবে। মূলত কনটেন্ট রাইটার ও ব্লগারদের পারিশ্রমিক নির্ধারিত হয় এই ক্লিক, ভিউ ও এনগেজমেন্ট এর মাধ্যমে।তাই গুগল সার্চ কনসোল ইম্প্রেশন আছে কিন্তু ক্লিক শূন্য এই সমস্যাটি উপরোক্ত উপায়ে সমাধান করে ক্লিক বাড়াতে হবে।
লেখক এর মন্তব্য
ঘরে বসে গুগল প্লাটফর্ম থেকে আয় করার জন্য এটি খুব ভালো একটি সুযোগ এবং ক্যারিয়ার হিসেবে বেশ সম্ভাবনাময় কিন্তু এখান থেকে আয় করার আগে জেনে নিতে হবে এই প্লাটফর্মের অ্যালগরিদম এবং নিয়ম কানুন মানে কিভাবে ক্লিক ও ভিউ আসবে। একবার এটির অ্যালগরিদম ভালোভাবে বুঝে গেলে গুগল সার্চ কনসোল ইম্প্রেশন আছে কিন্তু ক্লিক শূন্য এ জাতীয় কোন সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে না এবং ডলার আয় করতেও কোন বাধার সৃষ্টি হবে না। 251118




অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url