ভেরিফিকেশন শেষেও ফেসবুক লক খুলছে না কেন
পাসওয়ার্ড মনে রাখার উপায় জানুন
ভেরিফিকেশন শেষেও ফেসবুক লক খুলছে না কেন এ সমস্যায় অনেকেই পড়ে থাকে যাদের ফেসবুক আইডি কোন কারনে লক হয়ে যায়। সঠিক তথ্য দিয়ে আইডি লক এর জন্য ভেরিফিকেশন তো করা হলো কিন্তু যদি কাজ না হয় তখন কি করতে হবে।
বিভিন্ন সন্দেহভাজন কাজ করা হলে ফেসবুক থেকে নিরাপত্তার কারণে সেই আইডি লক করে দেওয়া হয়। যদি কোন ফেসবুক আইডি থেকে উল্টাপাল্টা ছবি ও ভিডিও পোস্ট করা হয় এবং ফেসবুক কর্তৃপক্ষের যদি মনে হয় আইডিতে অযাচিত অনুপ্রবেশ ঘটেছে,লক করে দেয়।
পেজ সূচিপত্রঃভেরিফিকেশন শেষেও ফেসবুক লক খুলছে না কেন
- ভেরিফিকেশন শেষেও ফেসবুক লক খুলছে না কেন
- টু স্টেপ ভেরিফিকেশন কি
- ফেসবুক আইডি লক হওয়ার কারণ কি
- ফেসবুক আইডি লক হলে কি করতে হবে
- ফেসবুক আইডি লক হলে ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন কেন
- ফেসবুক আইডি লক হলে ভেরিফিকেশনের জন্য কি লাগে
- কি উপায়ে আনলক সমস্যা নিয়ে ফেসবুকের সাথে যোগাযোগ করা যায়
- ফেসবুক আইডি লক হলে কি সমস্যায় পড়তে হয়
- ফেসবুক আইডি যাতে লক না হয় জন্য কি পদক্ষেপ নিতে হবে
- লেখকের মন্তব্য
ভেরিফিকেশন শেষেও ফেসবুক লক খুলছে না কেন
ফেসবুক আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যেকোনো ধরনের আপডেট, পরিচিত মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে ফেসবুক ছাড়া কোন বিকল্প নাই। আমার মনে হয় বাংলাদেশের ৯০% মানুষের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। দিনে দিনে ফেসবুক টা নিরাপত্তা স্তর আরো জোরদার করছে। কোনরকম অনৈতিক ও অযাচিত কর্মকাণ্ড ঘটলে ফেসবুক আইডি নিরাপত্তার জন্য নিজে থেকে সেই আইডি লক করে দেয়, যাতে এই আইডিতে আর কোন অনেকে কাজ না হয়।
যখন ফেসবুক আইডি আনলক করার প্রয়োজন হয় তখন সর্বপ্রথম লগইন করতে হয়। লগইন করার পরে ফেসবুক যাচাই করানোর জন্য সঠিক তথ্য চাই যে এই ফেসবুক একাউন্টে আসল মালিক কে। এর জন্য ফেসবুক এনআইডি সহ ,পাসপোর্ট ,ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টের সত্যতা যাচাই করতে চায়। যখন এই ভেরিফিকেশনের দাওয়াত তথ্যের সাথে facebook অ্যাকাউন্টের আসল তথ্য মিলে যায় তখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট যাচাই করার ধাপ সম্পন্ন হয়ে যায়।
কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেই ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হওয়ার পরেও আইডি লক হয় না। এক্ষেত্রে ২৪ ঘন্টা সময় দেওয়া যেতে পারে ফেসবুক সে আইডিকে পুনরায় ফেরত দিতে। যদি সঠিকভাবে ভেরিফিকেশন না করা হয় ও ফেসবুকে ব্যবহৃত সঠিক ইমেইল না প্রদান করা হয় তাহলে আইডি আনলক হয় না। এছাড়া যে ব্রাউজারের মাধ্যমে ফেসবুকিং করা হয়, সেই ব্রাউজারের ক্যাশ ডাটা যদি অনেক বেশি হয়ে যায় তাহলে সেটার প্রভাবে আইডি আনলক হতে পারে না। ২৪ ঘন্টা অপেক্ষা পর কাজ না হলে সাপোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
টু স্টেপ ভেরিফিকেশন কি
ভেরিফিকেশন শেষেও ফেসবুক লক খুলছে না কেন এক্ষেত্রে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা স্তর আরো জোরদার করার জন্য ভেরিফিকেশন দুই ধাপের সম্পন্ন হয়ে থাকে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এখন এই সিস্টেম চালু রয়েছে। এই সিস্টেমের মধ্যে একাউন্টে পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার পরেও আরেকটা ভেরিফিকেশন ধাপ সম্পন্ন করতে হয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য যে আসলেই তার মালিক অনুপ্রবেশ করতে যাচ্ছে কিনা।
এর জন্য সেই একাউন্টে সর্বপ্রথম ইমেইল বা নাম্বার এবং সঠিক পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। কিন্তু আগে লগইন করলে একাউন্ট ব্যবহার করা যেত। কিন্তু এখন লগইন করার পরে কোড যায় মোবাইল নাম্বারে এবং সেই কোড টা ভেরিফিকেশন এর জন্য ইনপুট করতে বলে। যদি সঠিক ইনপুট হয় তাহলে অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা যায়। আইডি আনলক করার ক্ষেত্রে লগইন করার পরে nid, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা পাসপোর্ট ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট এর ছবি আপলোড করতে বলে মালিকের সাথে অ্যাকাউন্টের তথ্য মিলানোর জন্য।
ফেসবুক আইডি লক হওয়ার কারণ কি
হঠাৎ করে ফেসবুক আইডি কেন লক হয়ে যায় এটা জানতে গেলে ভেরিফিকেশন শেষেও ফেসবুক লক খুলছে না কেন সম্পর্কে জানাটা ভীষণ প্রয়োজন। সাধারণত ফেসবুক থেকে আইডি তখন লক করে দেওয়া হয় যখন সেই আইডিতে কোন অপ্রয়োজনীয় ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়ে যায়। যদি সে একাউন্টে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকে তাহলে ফেসবুক অটোমেটিক আইডি লক করা যায়। এছাড়া প্রয়োজন এর তুলনায় যদি অতিরিক্ত পোস্ট করা হয় তখন এতে অস্বাভাবিক কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হয়।
আরও পড়ুনঃ নগদ একাউন্ট লক হলে কি করবেন জানুন
এছাড়া অনিরাপদ ভিপিএন ব্যাবহার করলে বা একাউন্টে যদি নকল হয়ে থাকে বা অসামাজিক ও অনৈতিক কনটেন্ট পোস্ট করা হয় তাহলে নিরাপত্তার জন্য সেই আইডি লক করে দেয় facebook থেকে। বিশেষ করে ফেক একাউন্ট গুলো বারবার শুধু লক হয়ে যায়। ফেসবুক আইডি লক হয় শুধুমাত্র নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য এবং সেই অ্যাকাউন্টটি যাতে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ফেসে না যায় এজন্য এই উদ্যোগটি দেওয়া হয়। তাই আমাদের উচিত প্রকৃত অ্যাকাউন্ট খুলে সেটাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করা।
ফেসবুক আইডি লক হলে কি করতে হবে
যদি ফেসবুক আইডি লক হয়ে যায় তাহলে অবশ্যই এ ব্যাপারে ফেসবুকে সাপোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। ফেসবুকের একটা সাপোর্টে আছে যেখানে হ্যাক হওয়া, ক্ষতি হওয়া, ডিজেবলদ অ্যাকাউন্ট নিয়ে সমস্যার সমাধান দেওয়া হয়। তাই ফেসবুকের সেটিংস অপশনে গিয়ে সাপোর্ট ট্যাবের অপশনে এটি পাওয়া যাবে। অবশ্যই ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সঠিক তথ্য ও ইমেইল দিয়ে নিজের সমস্যার বিস্তারিত বর্ণনা তাদেরকে ইমেইল করে পাঠাতে হবে।
এছাড়া আর একটু উপায় আছে সেটা হল ফেসবুক আইডিতে লগইন করে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে টু স্টেপ ভেরিফিকেশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টের ছবি চাইতে পারে। সেই ছবি আপলোড করে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করে অপেক্ষা করতে হবে আইডি আনলক হওয়ার জন্য। আইডি আনলক হওয়ার লিংক সমস্ত কিছু ফেসবুক থেকে ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া এসব বিষয়ে কাজ করা কোন এক্সপার্ট এর সাথে সমাধান নিয়ে আলোচনা করে কাজ শুরু করা যেতে পারে।
ফেসবুক আইডি লক হলে ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন কেন
ভেরিফিকেশন শেষেও ফেসবুক লক খুলছে না কেন সম্পর্কে জানতে গেলে এই ভেরিফিকেশন ধাপটি সম্পন্ন করতেই হবে। এটি মূলত নিরাপত্তার রক্ষার জন্য করা হয়। কোন নতুন ডিভাইস থেকে একটি আইডিতে লগইন করা হলে এই টু স্টেপ ভেরিফিকেশনের মধ্যে দিয়ে যাইতে হয়। এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে একাউন্টের মালিক তিনি এই মুহূর্তে একাউন্টে লগইন করছে কিনা। প্রথমে প্রয়োজন পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার পরে দ্বিতীয়বার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গোপন কোড মালিকের নাম্বারে পাঠানো হয়।
একটি অ্যাকাউন্টের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এ যাচাই করার প্রক্রিয়াটার প্রয়োজন অপরিসীম। এটি না থাকলে যে কেউ সেই একাউন্টে ঢুকে হ্যাক করে ফেলতো বা অ্যাকাউন্টটা নষ্ট করে ফেলত। এছাড়া সে সব অ্যাকাউন্টের প্রয়োজনীয় তথ্য চুরি করে একাউন্টের মালিকের ক্ষতি করে দিত। এই যাচাই করার মূলত অ্যাকাউন্টের সুরক্ষা নিশ্চিত করার কাজে ব্যবহার করা হয় এবং অদৈতিক ব্যবহার থেকে একাউন্টে নিরাপদে রাখা হয়।
ফেসবুক আইডি লক হলে ভেরিফিকেশনের জন্য কি লাগে
ফেসবুক আইডি লক হলে অবশ্যই সেটি ভেরিফিকেশন করে নিতে হবে। আর ভেরিফিকেশন ধাপ সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজন সেই অ্যাকাউন্টের তথ্য। যেমন কোন ইমেইল বা নাম্বার দিয়ে অ্যাকাউন্টটি খোলা হয়েছে সেই ইমেইল বা নাম্বারটি প্রয়োজন। এরপর সেই অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড কি সেটা জানাটা দরকার। সেই একাউন্টের নাম কি এই তথ্য প্রয়োজন পড়ে। একাউন্টের এসব প্রয়োজনীয় তথ্য দরকার হয় প্রথম যাচাই করণ ধাপ সম্পন্ন করার জন্য।
অন্য কেউ ইমেইল বা নাম্বার বা সেই পাসওয়ার্ড চুরি করে একাউন্টে ঢোকার চেষ্টা করছে কিনা সেটার জন্য আরেকটা ভেরিফিকেশন ধাপ সম্পন্ন করে। আর এই ভেরিফিকেশন ধাপে প্রয়োজন পড়ে সেই দেশের পরিচয় পত্র যেমন ভোটার আইডি কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, জন্ম সনদ ইত্যাদি এ ধরনের ডকুমেন্ট।
অবশ্যই যাচাই করণ ধাপে এসব ডকুমেন্ট তাদের নির্দিষ্ট জায়গায় আপলোড করতে হবে। যদি দেওয়া নাম ও জন্ম তারিখের সাথে ফেসবুক আইডিতে দেওয়া নাম ও জন্ম তারিখ মিলে যায় তাহলে বোঝা যায় যে এই আইডিটি আসল। এরপর ফেসবুক থেকে ইমেইলের অপেক্ষায় থাকতে হয়।
কি উপায়ে আনলক সমস্যা নিয়ে ফেসবুকের সাথে যোগাযোগ করা যায়
এই সমস্যার সমাধানের জন্য অবশ্যই ফেসবুকের সাপোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করতে হবে এবং নিজের প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সেই সমস্যার সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে ইংরেজি ভাষায়। এর জন্য facebook অ্যাপ এ গিয়ে ফেসবুকে হেল্প সেন্টারে গেলেই হবে। এছাড়া ব্রাউজারে ঢুকে ফেসবুক হেল্প সেন্টার লিখে সার্চ দিলেই চলে আসবে সেই সাপোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করার অপশন। সেখান থেকে হ্যাক হওয়া ফেসবুক অপশন বাছাই করে সেখানে নিজের সমস্যার বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে।
ফেসবুক আইডি লক হলে কি সমস্যায় পড়তে হয়
ফেসবুক আইডি লক হলে তো এই আইডিয়ার ব্যবহার করাই যায় না। যদি লগইন করে সেই একাউন্টে ঢোকা হয় তাহলে দেখায় যে এই আইডিটি অমুক তারিখ থেকে লক হয়ে আছে। লক হওয়া ফেসবুক আইডি আনলক করা পর্যন্ত এটি আর ব্যবহার করা যায় না। সেখান থেকে কোনরকম প্রয়োজনীয় তথ্য উদ্ধার করা যায় না ও ভিপিএন দিয়েও এই আইডিটি কোনভাবেই ব্যবহার করা যায় না। যতদিন না আনলক করা হবে ততদিন আইডিটি ওভাবেই পড়ে থাকবে কোন ব্যবহার করা যাবে না।
আরও পড়ুনঃ সেরা ফ্রি ভিপিএন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন
এছাড়া ফেসবুক আইডিটি যদি ফেক হয়ে থাকে তাহলে ২ স্টেপ ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে সেই আইডিটির নকল ধরা পড়ে যাবে। আর আইডিটা যে নকল এটা যদি একবার ধরা পড়ে যায় এবং আপলোড করা ডকুমেন্টের সাথে যদি মিল না পাওয়া যায় তাহলে সেই আইডি আর কখনোই আনলক করা যায় না। আইডিটার ব্যবহার সম্পূর্ণ ভুলে যেতে হয় কারণ ফেসবুক কোন নকল একাউন্ট কে সাপোর্ট দেয় না। তাই আমাদেরকে এইসব ফেক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
ফেসবুক আইডি যাতে লক না হয় জন্য কি পদক্ষেপ নিতে হবে
ভেরিফিকেশন শেষেও ফেসবুক লক খুলছে না কেন এটা জানার পাশাপাশি ফেসবুক আইডি যেন কখনোই লক না হয়ে যায় এটার জন্য কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে অ্যাকাউন্টের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য। প্রথমে ফেসবুকে অ্যাকাউন্টে অন্য কারো অনুপ্রবেশ একদমই ঘটানো যাবে না। কোন বন্ধু বা বাচ্চা কাউকে এই অ্যাকাউন্ট চালানোর অধিকার দেওয়া যাবে না।
এরপর নিজের প্রোফাইল লক করে রাখতে হবে। অযথা কোনো মানহীন পোস্ট করা যাবে না। ফেসবুক একাউন্টের ক্ষেত্রেও টু স্টেপ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করে রাখতে হবে। যাতে অন্য কেউ অ্যাকাউন্টে ঢোকার চেষ্টা করলে আপনার কাছে যেন নোটিফিকেশন চলে যায়। নিজের অ্যাকাউন্ট কে প্রকৃত রাখতে হবে এবং পরিচয় পত্রের সাথে সব তথ্য যেন মিল থাকে সেই নিশ্চিত করতে হবে।
লেখকের মন্তব্য
ফেসবুক একাউন্ট তো কমবেশি এখন সবারই রয়েছে কিন্তু অ্যাকাউন্ট থাকলেই হবে না সেই অ্যাকাউন্ট যেন সুরক্ষিত থাকে সেই ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ সাইবার জগতে একবার নিজের গুরুত্বপূর্ণ ডাটা ফাঁস হয়ে গেলে অনেক রকম হেনস্তার শিকার হতে হয়। তাই ভেরিফিকেশন শেষেও ফেসবুক লক খুলছে না কেন এর পাশাপাশি আর কোন ধরনের সমস্যা যেন না হয় সেটা পূর্বে থেকেই নিশ্চিত করে রাখতে হবে। যেকোনো সমস্যায় ফেসবুকে হেল্প সেন্টারে যোগাযোগ করতে হবে। 261128




অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url