OrdinaryITPostAd

জানুয়ারি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি

জানুয়ারি মাসের সবজি চাষের পদ্ধতি

জানুয়ারি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার আগ্রহ সবারই আছে। বছরের প্রথম মাসটা শুরু হয় এই জানুয়ারি মাস দিয়ে এবং এই মাস সব থেকে দীর্ঘ সময় থাকে এবং এই মাসের দিনের সংখ্যা হয় ৩১ দিবস হয়।

জানুয়ারি-মাসের-ক্যালেন্ডার-২০২৬-বাংলা-ও-ইংরেজি

নতুন বছরের সমস্ত কাজের সূচনা এই মাস দিয়ে শুরু হয়। ২০২৬ সালের নতুন মাসটি শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার দিয়ে এবং মাসটির শেষ হবে শনিবার দিয়ে। এই মাসের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা নতুন ক্লাসে উত্তীর্ণ হয়। শীতকালের তীব্র সময়টা এ জানুয়ারি মাসেই থাকে।

পেজ সূচিপত্রঃজানুয়ারি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি

জানুয়ারি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি

জানুয়ারি মাস যেটাকে বছরে দীর্ঘতম মাস বলা হয়। বছরের এই মাসটা শুরু হলে যেন সহজে কাটিয়ে যায় না। এই মাসের মধ্য দিয়ে নতুন বছরের আগমন ঘটে। এছাড়াও শীতকালের আসল অনুভূতিটায় এই মাসেই পাওয়া যায়। অনেকের কাছে এই মাসটা আবার বিয়ের মৌসুম হিসেবেও পরিচিত। এই মাসে রাত লম্বা ও দিন ছোট হওয়ার কারণে এবং শীতের তীব্রতা থাকার কারণে বিয়ে করার জন্য সঠিক সময় হিসেবে বিবেচিত হয়। এই মাসটি সাধারণত ৩১ দিবসের হয়।

এই মাসটির শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার থেকে এবং শেষ হবে শনিবার থেকে। সমস্ত কাজের সূচনা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুনভাবে শুরু করার জন্য এই মাসটি বেশ সম্ভাবনাময় হয়ে থাকে। হোক সেটা পড়ালেখা বা চাকরি বা ব্যবসার ক্ষেত্রে। এক নজরে দেখে নিন যে জানুয়ারি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি তারিখগুলো। ইংরেজি ক্যালেন্ডারের অংশ হলো

আর বাংলা ক্যালেন্ডারে তারিখগুলো হল

এই মাসের সাধারণত তেমন কোনো ছুটি থাকে না। বর্তমানে বাংলা ক্যালেন্ডারের প্রচলন প্রায় নেই বললেই চলে। গ্রামের পুরনো মানুষ ছাড়া কেউ এখন আর বাংলা ক্যালেন্ডার তেমন অনুসরণ করে না। সবাই ইংরেজি ক্যালেন্ডার এর নিয়ম অনুযায়ী সব কাজ ঠিক করে। সাধারণত জানুয়ারি মাস থেকেই পৌষ ও মাঘ মাসের শুরু হয়। এই জন্য তীব্র শিত এই মাসেই বেশি থাকে। 

এছাড়াও এই মাসে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে ইতিহাসে। যেমন ১০ ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। এছাড়াও মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর জন্ম মাস এই জানুয়ারি মাস।

কিভাবে ক্যালেন্ডারের ধারণার আসে 

ক্যালেন্ডার এর ধারণা আসার ইতিহাস বেশ পুরনো।ক্যালেন্ডার আসার পূর্বে সমস্ত কিছু খ্রিস্টাব্দ হিসেবে গণনা করা হতো। এজন্য ইতিহাসের অনেক সালের ক্ষেত্রে আমরা খ্রিস্টাব্দ শব্দটি দেখতে পাই। এছাড়াও খ্রিস্টাব্দ শব্দের আগে যে সময় গণনা করা হতো তাকে খ্রিস্টপূর্ব বলা হতো। এই ক্যালেন্ডারের আরেক নাম হচ্ছে গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার যেটা  পোপ গ্রেগরী প্রবর্তন করেন। বর্তমানে গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার বেশি প্রচলিত ও জনপ্রিয়।

প্রাচীন যুগে যখন কোন ক্যালেন্ডার ছিল না তখন আদিম যুগের মানুষরা চাঁদ ও সূর্যের পর্যবেক্ষণ করে সময় ঠিক রাখত। প্রাচীন যুগে প্রথমে মিশরীয়রা ক্যালেন্ডার এর ধারণা নিয়ে আসে এবং সেখানে তারা সৌর চক্র চালু করে। পরবর্তীতে ব্যাবিলনীয় সভ্যতার সময় এই ক্যালেন্ডারের সৌর চক্রকে বছরের রূপান্তর করা হয়। পরবর্তীতে যে গরিয়ান ক্যালেন্ডার আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করে সবার কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করে।

কোন যুগ থেকে ক্যালেন্ডার এর ব্যবহার শুরু হয়

জানুয়ারি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি সম্পর্কে জানতে হলে আগে জানতে হবে যে ঠিক কতটা যুগ পার হয়ে আজকে আমরা এই আধুনিক ক্যালেন্ডার পেয়েছি। প্রাচীনকালে মানুষদের সময় ঠিক রাখার জন্য চাঁদ ও সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করতে। তারা বিশেষ করে জোয়ার ও ভাটাকে সময় নির্ণয় করার মাধ্যম হিসেবে গণনা করতো। এরপরে বিভিন্ন সভ্যতার বিপ্লবের মাধ্যমে ক্যালেন্ডারের ধারণা বিপ্লব ঘটে। মানুষের প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করেই ক্যালেন্ডার কে বারবার পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা হয়।

জানুয়ারি-মাসের-ক্যালেন্ডার-২০২৬-বাংলা-ও-ইংরেজি

সাধারণত মিশরীয় সভ্যতা থেকেই ক্যালেন্ডার এর ধারণা সম্পর্কে জানা যায়। এরপরে আসে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা এবং জুলিয়ান সভ্যতা। বিভিন্ন সভ্যতার মাধ্যম দিয়ে ক্যালেন্ডারের বিভিন্ন ধারণারও পরিবর্তন ঘটে। এরপর পোপ গ্রেগরীর হাত ধরে আধুনিক ক্যালেন্ডার এর ধারণাটা আসে যেটা আমরা অনুসরণ করছি। মানুষ কৃষিকাজ ও ধর্মীয় উৎসব এর সময় নির্ধারণের জন্য ক্যালেন্ডারে ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। ক্যালেন্ডার বা বর্ষপঞ্জি এখন জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

জানুয়ারি মাসের বিশেষ বৈশিষ্ট্য কি

জানুয়ারি শব্দটি এসেছে রোমান দেবতা জানুস নামকরণ অনুসারে। এটি বছরের প্রথম মাস কারণ রোমান দেবতার সম্মান উদ্দেশ্যে এটি বছরের প্রথম মাস হিসেবে নির্ধারিত হয়। এই মাস সাধারণত ৩১ দিবসর হয়ে থাকে। সমস্ত কিছুর প্রারম্ভ এই মাস থেকে শুরু হয়। এই মাসে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ দিকে থাকে তাই এই মাসটি সেই সব দেশের জন্য শীতলতম মাস হয়। আবার পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধ এই মাসে থাকলে সেটি সেই দেশের জন্য সবথেকে গরম কালের মাস হয়ে থাকে।

আরও পড়ুনঃ জানুয়ারিতে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের কবিতা

এই মাসেই মূলত বাংলা মাসের পৌষ ও মাঘ মাস থাকে। তারমানে বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে হওয়ায় শীতের তীব্রতা এই মাসে অনুভব করা যায়। এই মাসটিতে মূলত পিঠাপুলি খাবার ধুম পড়ে। ইংরেজি নববর্ষ হয় পহেলা জানুয়ারি থেকে। তাই বর্ষবরণ উৎসব উপলক্ষে রাত বারোটার পরে আতশবাজি গান ও বিভিন্ন উৎসবের মধ্য দিয়ে বছর টাকে স্বাগতম করা হয়। এই মাসে রাত বড় থাকে এবং দিন ছোট থাকে। এছাড়া সকল একাডেমিক কারিকুলাম এই মাস থেকেই শুরু করা হয়।

জানুয়ারি মাসের আবহাওয়া কেমন থাকে

জানুয়ারি মাসের আবহাওয়া থাকে একদম শীত শীত। এই মাসেই মূলত বিয়ে করার ধুম পড়ে যায়। এছাড়াও ঘুরতে যাওয়ার জন্য এই মাসটা খুবই আকর্ষণীয় বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চলে। দক্ষিণ গোলার্ধের দেশের ক্ষেত্রে এই মাসটি আবার গরম হয়ে যায়। বাংলাদেশের জন্য এটি শীতলতম মাস হওয়ায় এই মাসে গাছে তেমন কোন পাতা থাকে না। চারিদিকে ঘন কুয়াশা দ্বারা আবৃত থাকে। এছাড়াও প্রত্যেকে গায়ে হরেক রকমের শীতের পোশাক দেখা যায়। রাস্তাঘাটে নানারকম পিঠার পসরা বসে।

এছাড়া এই মাসে খেজুরের রস এর স্বাদ নেওয়ার জন্য সঠিক সময়। গ্রামীণ এলাকায় গাছিরা আগের দিন খেজুর গাছের সাথে একটি হাঁড়ি বেঁধে রাখে রস সংগ্রহের জন্য। এরপর ভোরের কুয়াশায় সেই রস সংগ্রহ করে সেখান থেকে গুড় তৈরি হয়। এছাড়াও এই মাসেই তীব্র শীতের কারণে কখনো কখনো ভোরের দিকে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাপমাত্রা সাধারণত আট থেকে নয় ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড এর মধ্যে থাকে। এছাড়াও ঘাসের মধ্যে শিশির অনুভব করা যায়।

জানুয়ারি মাস ভ্রমণের জন্য কেমন

জানুয়ারি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি এর সময় অনুযায়ী এই মাসটি ভ্রমণ করার জন্য একদম সঠিক সময়। তীব্র শীতের মধ্যে পাহাড়ি অঞ্চলে ঘুরতে গেলে প্রকৃতির আসল সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। এছাড়াও এই মাসে সাধারণত সবাই গ্রামে ঘুরতে যায়। গ্রামে ঘুরতে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন ধরনের পিঠাপুলির স্বাদ পাওয়া যায়। এছাড়া নতুন চালের বিভিন্ন খাবারের সামগ্রীর স্বাদ নেওয়া যায়। তাজা খেজুরের রস ও ভাপা পিঠার স্বাদ অতুলনীয়। তাই এই মাসটি গ্রামীন এলাকার দিকে ঘুরতে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত।

জানুয়ারি-মাসের-ক্যালেন্ডার-২০২৬-বাংলা-ও-ইংরেজি

এছাড়াও বর্ষবরণ উপলক্ষে বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্টে নানা রকম আয়োজন ও চমক থাকে। বিভিন্ন রকম এর ডিসকাউন্ট সহ নানা রকম সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়। তাদের মতে এই মাসটিতে পর্যটক আসার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। এছাড়াও শীতের রাতে চালের আটার রুটির সাথে হাঁসের মাংস এবং বারবিকিউ পার্টি এর আনন্দ উপভোগ করার জন্য অবশ্যই এই মাসটিতে ভ্রমণের জন্য নির্ধারণ করতে হবে।

জানুয়ারি মাসে কত দিন সরকারি ছুটি থাকে

সাধারণত জানুয়ারি মাসে কোন ধরনের সরকারি ছুটি থাকে না। বাংলাদেশের সাপেক্ষে এই মাসে শুক্র ও শনি এর সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া আর কোন ধরনের অতিরিক্ত ছুটি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। কোন বিশেষ ঘটনা ঘটার সাপেক্ষে সরকার থেকে ছুটি ঘোষণা করা আলাদা ব্যাপার। যেহেতু এই মাস থেকে একাডেমিক কারিকুলামের প্রারম্ভিক সূচনা ঘটে তাই কোন বিশেষ ছুটি পাওয়া যায় না। এটা মানতে কষ্টকর যে বছরের এই দীর্ঘতম মাসের কোন ধরনের অতিরিক্ত সরকারি ছুটি পাওয়া যায় না।

সাধারণ মানুষের জন্য জানুয়ারি মাস কেমন

সাধারণ মানুষের কাছে জানুয়ারি মাসটা একটা সম্ভাবনাময় ও প্রারম্ভিক মাস হিসেবে বিবেচিত হয়। কারো নতুন বছরের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ঠিক করার জন্য এই মাসটিকে বেছে নেওয়া হয়। নতুন বছরের রেজুলেশন হিসেবে সবাই এই মাসটিকে পরীক্ষার নিরীক্ষা হিসেবে কার্যকর করে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নতুন কোন নিয়ম কানুন জারি করা এই মাস থেকেই শুরু হয়। নতুন ক্লাসের নতুন বইয়ের গন্ধ যেন এই মাসটিতে ভেসে বেড়ায় সবার পড়ার টেবিলে।

এছাড়াও নতুন কোন উদ্যোগ নেওয়া এবং নতুন জীবন শুরু করার ক্ষেত্রে এই মাসটি বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এই মাসটিকে বিয়ে করার মাস হিসেবে গণ্য করে। সবার কাছে বছরের প্রথম মাস হিসেবে এটা খুব শুভ বলে মনে হয়। এই জানুয়ারি মাস থেকে যা ঠিক করা হবে তা দিয়ে সারা বছর চলতে হবে এমন ধরনের কর্মসূচি তৈরি করে নেয়। তাই আমি বলব যে কোন কিছুর প্রারম্ভিক হিসেবে এই মাসটি সাধারণ মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয়।

জানুয়ারি মাসের সুবিধা ও অসুবিধা গুলো কি

জানুয়ারি মাসের সুবিধা নিয়ে আমি ইতোমধ্যে বিস্তারিত আলোচনা করে ফেলেছি কিন্তু এই মাসের একটি বড় অসুবিধা হচ্ছে গরিব মানুষদের জন্য শীতের তীব্রতা। যেহেতু এই মাসের শীতের তীব্রতা অনেক বেশি থাকে তাই যাদের কাছে শীতের পোশাক ও কম্বল ধারণের ক্ষমতা থাকে না তাদের কাছে এই মাসটি খুবই কষ্টকর। এছাড়া দিন মজুর মানুষদের জন্য শীতকালে রাত্রিযাপন করাটা খুব কষ্টকর হয়ে যায়। এছাড়া পশু পাখিদের জন্য বিশেষ করে কুকুর ও বিড়াল শীতের মধ্যে অনেক কষ্ট করে।

আরও পড়ুনঃ নভেম্বর মাসের ক্যালেন্ডার সম্পর্কে জানুন

জানুয়ারি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি হিসেবে এই মাসটি শীতলতম মাস হিসেবেই গণ্য করা হয়। এছাড়াও এই মাসে গোসল করা ও গরম গরম খাবার খাওয়াটা ভীষণ কষ্টকর হয়ে যায়। পানি প্রচন্ড ঠান্ডা থাকার কারণে এই মাসে সহজে কেউ গোসল করতে চায় না। তবে এই মাসের কিছু সুবিধা রয়েছে যেমন বিদ্যুৎ খরচ অর্ধেকেরও কম হয়ে যায়। এর ফলে সারা দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের উপর চাপ কমে যায়। এইজন্য এই মাসে তেমন কোন লোক সেদিন দেখা যায় না।

এছাড়াও এই মাসে প্রচুর পরিমাণে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয় গরিব মানুষদের জন্য। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে যারা বাস করে তাদের জন্য এই মাসটা টিকে থাকা খুব কষ্টকর হয়ে যায় বিশেষ করে নবজাতক শিশুদের জন্য। এই মাসে ঠান্ডার কারণে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

লেখকের মন্তব্য

আমার কাছে জানুয়ারি মাসটা খুবই পছন্দের একটা মাস। যারা শীতকাল খুব পছন্দ করে তাদের কাছে জানুয়ারি মাসটা খুবই আনন্দের মনে হয়। এই মাসটি নববর্ষকে জানান দেয় এবং সমস্ত কিছুর প্রারম্ভ এই মাস দিয়ে শুরু হয়। কারোর শিক্ষাজীবন, কারোর ব্যবসা জীবন, কারও চাকরি জীবন, কারোর বিবাহ জীবন মাধ্যমে একটি শুভ গল্প রচনা করে। তাই এই মাসটিতে মন ভরে ও প্রাণভরে আনন্দ করে বেঁচে থাকা উচিত।জানুয়ারি মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হলো। 251118


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url