পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে কি করবো
আজকের এই আর্টিকালে আমরা পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে কি
করবো এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। আজকাল আমাদের সকলের
বিভিন্ন কাজে পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হয়। পাসপোর্ট বানাতে গিয়ে আমাদের
পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে হয়।
পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়া অনেক সময় আমাদের পাসপোর্ট এর আবেদনটি আটকে থাকে এবং আমরা যথাসময়ে আমাদের পাসপোর্ট হাতে পায় না। এই কারণে সাধারণ জনগণকে বেশ ভোগান্তি পোহাতে হয়। তো চলুন জেনে নেই পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে আমাদের করণীয় কি।
পোস্ট সূচিপত্রঃ পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে কি করবো
- পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে কি করবো
-
পাসপোর্ট কী এবং এর কাজ কী
-
পুলিশ ভেরিফিকেশন এর কাজ কি
-
পাসপোর্ট বানাতে কেন পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে হয়
-
পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে সাধারণ জনগণের হয়রানি
-
পুলিশ ভেরিফিকেশনে আটকে গেলে করণীয়
-
পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশন শিথিল হয় যবে থেকে
-
বর্তমানে পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়া পাসপোর্ট পাওয়ার উপায়
-
পাসপোর্ট আবেদন করার সময় কিছু সতর্কতা
- শেষ কথাঃ পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে কি করবো
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে কি করবো
আমরা এখন পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে কি করবো এই বিষয় নিয়ে
বিস্তারিত আলোচনা করব এবং সকল ধরনের সমস্যার সমাধান দেয়ার চেষ্টা
করব। আমাদের মধ্যে অনেকেরই বিভিন্ন প্রয়োজনে পাসপোর্ট বানানোর প্রয়োজন
হয় এবং আমরা পাসপোর্ট বানানোর জন্য আবেদনও করে দি।কিন্তু বর্তমানে আমাদের
সকলের ক্ষেত্রে একটি জটিলতা এবং সমস্যা দেখা দেয় আর সেটি
হলো পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন।
আমরা পুলিশ ভেরিফিকেশনে আটকে গেলে আমাদের পাসপোর্টটির কাজও আটকে যায়।
বাংলাদেশে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কারণে অনেক মানুষ নানা ধরনের জটিলতা
এবং হয়রানির শিকার হয়। নানা ধরনের পুলিশে হয়রানির পাশাপাশি ঘুষ
ছাড়া কোনভাবেই পুলিশ ভেরিফিকেশন করা সম্ভব হয় না বাংলাদেশে। কিন্তু
বর্তমানে আমাদের সকলের জন্য একটি খুশির এবং সুসংবাদ হলো পাসপোর্ট তৈরি
করতে আর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর ঝামেলা পোড়াতে হচ্ছে না।
পাসপোর্ট কী এবং এর কাজ কী
আমরা যেহেতু পাসপোর্ট এর জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন নিয়ে আলোচনা করছি সেহেতু
আমাদের অবশ্যই জানা দরকার পাসপোর্ট কি এবং এর কাজ কি এই বিষয় নিয়ে। পাসপোর্ট
হলো মূলত একটি পরিচয় পত্র। পাসপোর্ট সরকার কর্তৃক জারি করা একটি পরিচয় পত্র
যা দ্বারা কোন ব্যক্তির সঠিক পরিচয় এবং জাতীয়তা নিশ্চিত করা যায়।
পৃথিবীর প্রতিটা দেশের আলাদা আলাদা পাসপোর্ট রয়েছে। এই পাসপোর্ট এর
মাধ্যমে কোন নাগরিকের জাতীয়তা নির্ধারণ করা হয়। পাসপোর্ট এর মাধ্যমে কোন
ব্যক্তি বিদেশে প্রবেশ, অস্থায়ী বসবাস, স্থানীয় সরকার কর্তৃক
সুরক্ষা পেতে সক্ষম হয়। মূলত পাসপোর্ট হলো রাষ্ট্র কর্তৃক জারি
করা একটি পুস্তিকা যা কোন নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য সহ সেদেশের
জাতীয়তা নির্ধারণ এবং বহন করে।
পাসপোর্ট এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বলতে গেলে আসলে শেষ করা যাবে না। আমরা
বিভিন্ন প্রয়োজনে বিদেশে ভ্রমণ করি কেউ ঘুরতে যায় অথবা কেউ যায় চিকিৎসা করতে।
এই সকল ক্ষেত্রে আমাদের পাসপোর্ট এর প্রয়োজন রয়েছে। পাসপোর্ট ছাড়া আমরা কেউ
বিদেশে ভ্রমণ কিংবা চিকিৎসার কাজে যেতে পারবো না। বাংলাদেশের
সাধারণত তিন ধরনের পাসপোর্ট রয়েছে একটি সবুজ একটি নীল এবং একটি
লাল। সাধারণ নাগরিকের জন্য নীল পাসপোর্ট সরকারি কাজে বিদেশগামী কোন
কর্মচারীদের জন্য এবং লাল পাসপোর্ট হলো উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক
ব্যক্তিদের জন্য।
পুলিশ ভেরিফিকেশন এর কাজ কি
পুলিশ ভেরিফিকেশন হলো মূলত একটি ভেরিফিকেশন বা যাচাই করার
পদ্ধতি। আমরা যখন পাসপোর্ট আবেদন করতে যাই তখন পাসপোর্ট আবেদন করার
কিছুদিন পর আমাদের পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশন এর মাধ্যমে
পুলিশ নিশ্চিত হয় যে আমরা কোন অপরাধী বা দুষ্কৃতিকারী
কিনা। তারা আমাদের বাসায় আসে আশেপাশে এলাকাবাসীর কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করে
এবং আমাদের সকল কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে।
সকল কিছু ঠিকঠাক থাকলে এবং ভেরিফিকেশনে পাস হলে পুলিশ পাসপোর্ট
অধিদপ্তরের নিকট একটি নোটিশের মাধ্যমে তা জানিয়ে দেয় এবং তখন আমাদের
পাসপোর্টটি আমরা হাতে পাই। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ ঘুষ ছাড়া এ কাজটি করতে
চায় না এবং ঘুষ না দিলে নানা ধরনের হয়রানি করে
আমাদের মতো সাধারণ জনগণকে। অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঘুষ
না দেওয়ার কারণে আমরা আমাদের পাসপোর্টটি সঠিক সময় হাতে পায় না।
পাসপোর্ট বানাতে কেন পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে হয়
পাসপোর্ট তৈরি করতে এক সময় আমাদের পুলিশ ভেরিফিকেশন করার প্রয়োজন হতো
যদি বর্তমানে পুলিশ ভেরিফিকেশন বন্ধ আছে। তবে পাসপোর্ট তৈরিতে পুলিশ
ভেরিফিকেশন করার প্রয়োজনীয়তা পড়ার কারণ হলো পাসপোর্ট এর মাধ্যমে
আমরা বিদেশে গমন করতে পারি এবং বিদেশে কোন অপরাধী বা দুষ্কৃতিকারী যাতে
চলে যেতে না পারে তাই পাসপোর্ট তৈরি করার সময় পুলিশ ভেরিফিকেশনের মধ্যে
যেতে হয়।
এই পুলিশ ভেরিফিকেশন মাধ্যমে কোন অপরাধী সহজে ধরা পড়ে যায়। এছাড়াও
আপনি যদি কোন অন্যায় করে থাকেন বা বিদেশে পালিয়ে যেতে চান তা রোধ
করতে পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হয় এটাই হলো মূলত পুলিশ
ভেরিফিকেশনের প্রয়োজনীয়তা। তবে আমাদের দেশে ভালো খারাপ সকল মানুষের
ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় ঝামেলা
বা হয়রানির শিকার হতে হয়। অনেক সমআবন পুলিশকে ঘুষ না দিলে
তারা ভেরিফিকেশন আটকে দেয় আবার অনেক অপরাধী পুলিশ কে ঘুষ দিলে তারাও
পার পেয়ে যায়। তাই বাংলাদেশের পুলিশ ভেরিফিকেশনের অবস্থা কি রকম তা আশা
করছি আমরা সকলেই বুঝতে পারছি। যদিও সকল পুলিশ এক নয় এবং সকলেই খারাপ নয়।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে সাধারণ জনগণের হয়রানি
বাংলাদেশের পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার
হতে হয় এবং নানা ধরনের দুর্ভোগ ও ঝামেলা পোহাতে হয়। পাসপোর্ট আবেদন
করার পর আমাদের কাছে পুলিশের কল আসে এবং তারা জানায় যে তারা ভেরিফিকেশন করতে
আসছে। এই ভেরিফিকেশনের সময় তারা নানা ধরনের অজুহাত দাঁড় করিয়ে আমাদের কাছে
ঘুষ বা অনৈতিক আবদার করে। এছাড়াও তারা পাসপোর্ট আটকে দেওয়ার হুমকি
পর্যন্ত দিয়ে থাকে।
এবং আপনি যদি তাদের কথা মতো ঘুষ না দেন তাহলে তারা পাসপোর্ট অধিদপ্তরের
কাছে আপনার নামে নেগেটিভ রিপোর্ট দেয় যার বলে আপনার পাসপোর্টি আটকে
যায়। সাধারণ মানুষকে এই পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে নানারকম হয়রানির
শিকার করা হয়। এছাড়া অনেক সময় পুলিশ ভেরিফিকেশনে করতে অযথা অনেক
দেরি হয়ে যায় এবং জরুরী ভিত্তিতে পাসপোর্ট আবেদনকারীদের ভোগান্তিতে
পোহাতে হয়।
পুলিশ ভেরিফিকেশনে আটকে গেলে করণীয়
আমরা যেহেতু আলোচনা করছি পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে কি
করবো সুতরাং আমাদের এ বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে জানা দরকার।বর্তমানে
বাংলাদেশ সরকার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন উঠিয়ে দিয়েছে
নানা ধরনের হয়রানি এবং অযথা জটিলতার কারণে বর্তমানে পাসপোর্ট তৈরি
করতে গেলে আর পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হয় না। তবে আপনি কোন কারণে যদি
পুলিশ ভেরিফিকেশন আটকে যান তাহলে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হলো
পুলিশ ভেরিফিকেশন আটকে গেলে আপনাকে তারা অবশ্যই কিছু কারণ জানাবে আপনি যথাসম্ভব
যে সমস্যাগুলো সমাধান করে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে আশা করি আপনার ভেরিফিকেশন
কমপ্লিট হয়ে যাবে তবে আপনি যদি একজন নিরপরাধ এবং সাধারণ মানুষ হওয়া সত্ত্বেও
পুলিশ ভেরিফিকেশনে আটকানোর প্রধান করা হলো পুলিশদের অনৈতিক দাবি পূরন না
করা। সেক্ষেত্রে আপনি নিকটস্থ থানা এবং পাসপোর্ট
অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন এবং তাদের পুরো বিষয়টি বুঝিয়ে বলতে
পারেন।তাও কাজ না হলে আপনি সেই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের কাছে
অভিযোগ দাখিল করতে পারেন।
পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশন শিথিল হয় যবে থেকে
বর্তমানে আমাদের সকলের জন্য একটি খুশির খবর হলো ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস
থেকে পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশনের ঝামেলা বাতিল করে দেয়া
হয়েছে। বর্তমান সরকার জাতীয় পরিচয় পত্র এবং অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের
কপির সাহায্যে পরিচয় যাচাই করে থাকছে। এতে সময় এবং খরচ উভয় কম
লাগছে। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই সিদ্ধান্তটি
নেয় এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
এর আরেকটি অন্যতম মূল কারণ হলো দুর্নীতি দূর করা। বাংলাদেশের পুলিশ ভেরিফিকেশন
নামে যে দুর্নীতি চলে তা দূর করাছিল এর প্রধান লক্ষ্য। পাসপোর্ট তৈরি
করেছে অথচ পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঝামেলায় পড়েনি এমন মানুষ বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া
বিরল। সকল কাগজপত্রসহ অন্যান্য সকল বিষয় ঠিক থাকলেও অযথাই পুলিশ ভেরিফিকেশনের
ঝামেলা পোহাতে হতো সাধারণ জনগণকে। তাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই পদ্ধতি
বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।
বর্তমানে পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়া পাসপোর্ট পাওয়ার উপায়
অনেকে ভাবে পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে কি করবো বর্তমানে আপনি খুব সহজেই পাসপোর্ট আবেদন করতে পারবেন এবং কোন ধরনের পুলিশ
ভেরিফিকেশনের ঝামেলা পোহাতে হবে না। কারণ ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে
পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশনের পদ্ধতি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাই
বর্তমানে আমাদের কোন ঝামেলা ছাড়া পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য অনলাইন আবেদন
করলেই হয়ে যাচ্ছে।
আবেদন করার পর আবেদন কপি নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিসে জমা দিয়ে দিলে নির্দিষ্ট
সময় পর তারা কল অথবা মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেয় যে আমাদের পাসপোর্টটি তৈরি
হয়েছে কিনা। এবং আমরা কোন পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঝামেলা ছাড়াই আমাদের
পাসপোর্টটি হাতে পেয়ে যাই। তবে আপনার কাছে যদি পুলিশ ভেরিফিকেশন নামে কোন
পুলিশ আছে অনৈতিক কোন দাবি করে তাহলে অবশ্যই বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানাতে
হবে কারণ বর্তমানে বাংলাদেশে পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রে পুলিশ
ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হয় না।
পাসপোর্ট আবেদন করার সময় কিছু সতর্কতা
আজকাল আমাদের আশেপাশে চারিদিকে বিভিন্ন ধরনের অসৎ ব্যক্তি ছড়িয়ে ছিটে
রয়েছে। যাদের কাজ হলো আপনার ক্ষতি সাধন করা অথবা অনৈতিক পথে টাকা অর্জন
করা। সেজন্য যখন আমরা পাসপোর্ট আবেদন করতে যাব তখন আমাদের অবশ্যই কিছু
বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।সাধারণত অধিকাংশ পাসপোর্ট অফিসের আশেপাশে
অসংখ্য দালাল চক্র থাকে যারা আপনাদের কাছে অধিক টাকা নিয়ে পাসপোর্ট
তাড়াতাড়ি করে দিবে বলে আশ্বাস দেয়। কিন্তু তা তারা করে না এবং আপনার
টাকাটিও তারা আত্মসাৎ করে।
এছাড়াও তারা বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ পেতে থাকে এবং আপনার ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে
যে কোন অনৈতিক কাজ করতে পারে। তাই আমাদের সকলের উচিত এরকম দালাল চক্র থেকে
নিজেদের বাঁচিয়ে রাখা এবং সঠিক জায়গায় আমাদের পাসপোর্ট আবেদন করা।
বর্তমানে পাসপোর্ট আবেদন করা খুবই সোজা আপনারা চাইলে ঘরে বসে
সহজেই পাসপোর্ট আবেদন করতে পারবেন। এজন্য আপনাদের কোন দালাল বা কোন
লোকের সাহায্য নিতে হবে না। আমাদের ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে
একটা সম্পূর্ণ আর্টিকেল রয়েছে আপনি চাইলে সেটি দেখে খুব
সহজেই নিজে ঘরে বসে আবেদন করতে পারেন।
শেষ কথাঃ পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে কি করবো
এতক্ষণ আমরা পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে কি করবো এ বিষয় নিয়ে
বিস্তারিত আলোচনা করলাম। বর্তমানে বাংলাদেশে পাসপোর্ট তৈরি করার ক্ষেত্রে
কোন ধরনের পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হচ্ছে না তাই আপনারা এ বিষয় নিয়ে
নিশ্চয়তা থাকতে পারেন এবং নির্দ্বিধায় পাসপোর্ট আবেদন করতে পারেন। তবে
এরপরেও কেউ আপনার কাছে পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে অনেকেই কোন দাবি করলে
অবশ্যই কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।
আমার মতে বাংলাদেশে পুলিশ ভেরিফিকেশন নামে মানুষকে যে হয়রানির শেখাতে হয় তা
আর হতে হবে না এবং খুব দ্রুত ও কম সময়ে মানুষ তার নির্ধারিত পাসপোর্টটি হাতে
পাবে। তবে পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়া যে কোন পুলিশের ঝামেলায় আটকে গেলে
এবং যদি আপনার সকল ধরনের কাগজপত্র ঠিক থাকে তবুও পুলিশ যদি আমাদের কাছ
থেকে অনৈতিক কিছু দাবি করে যেমন ঘুষ চাই তাহলে অবশ্যই কর্তৃপক্ষকে আমাদের
বিষয়টি জানানো উচিত। 250945




অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url