ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে কাজ না পাওয়ার সমস্যার সমাধান
ফ্রিল্যান্সিং শিখে প্রতিমাসে টাকা আয়
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে কাজ না পাওয়ার সমস্যার সমাধান সম্পর্কে জানার অনেক ফ্রিল্যান্সারদের জন্য উপকারী। কারণ বেকারত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য অনেকেই বিভিন্ন কোর্স করে দক্ষতা অর্জন করে ফ্রিল্যান্সার হওয়ার পর শুরু হয় ক্লায়েন্ট না পাওয়ার ও অর্ডার না আসার হতাশা।
তাই কেন অর্ডার আসে না সেই সমস্যাটি খুঁজে বের করে যথাযথভাবে সমাধান করতে হবে। অবশ্যই যে কোন একটি বিষয় বাছাই করে সেই বিষয়ে যথেষ্ট দক্ষতা ও আপডেট থাকতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে অবশ্যই পোর্টফোলিও তৈরি করে নিতে হবে।
পেজ সূচিপত্রঃফ্রিল্যান্সিং শুরু করে কাজ না পাওয়ার সমস্যার সমাধান
- ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে কাজ না পাওয়ার সমস্যার সমাধান
- ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলো কি কি
- ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য পোর্টফলিও কতটা গুরুত্বপূর্ণ
- কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে নিজের প্রোফাইল তৈরি করতে হবে
- সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার জন্য যে সব বিষয় গুরুত্ব দিতে হবে
- ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য বর্তমানে কেমন বিষয়ে দক্ষ হতে হবে
- কিভাবে লোকাল মার্কেট ক্লায়েন্ট থেকে অর্ডার নিতে হবে
- ফ্রিল্যান্সার হওয়ার সুবিধা গুলো কি কি
- একজন ফ্রিল্যান্সারের ব্যর্থ হবার কারণ কি কি
- লেখকের মন্তব্য
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে কাজ না পাওয়ার সমস্যার সমাধান
বর্তমান দুনিয়ায় ফ্রিল্যান্সিং এখন অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কারণ চাকরির বাজারে চাকরির অনেক অভাব তাই অনেক বেকার যুবক ও যুবতীরা স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট বিষয়ক দক্ষতা অর্জন করে স্বাধীনভাবে কাজ করার জন্য ফ্রিল্যান্সিং পেশাটাকে বেশ পছন্দ করছে। কিন্তু প্রায় অধিকাংশই ফ্রিল্যান্সার কোর্স শেষ করার পরে বুঝতে পারে না যে এরপরে কিভাবে ক্লাইন্ট খুঁজতে হবে। এই মুহূর্তে তাদের গাইড লাইন থাকাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তাই সর্বপ্রথম বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে নির্দিষ্ট দক্ষতার উপর ভিত্তি করে প্রোফাইল তৈরি করে নিতে হবে। এরপরে নিজের প্রোফাইলটাকে অপটিমাইজ ও এসইও এর আওতায় আনতে হবে। লোকাল মার্কেট গুলো থেকে ক্লাইন্ট পাওয়ার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের প্রোফাইল তৈরি করে মার্কেটিং করা ও বিভিন্ন গ্রুপে নিজের কাজের পরিচয় ও সক্রিয় থাকা। অবশ্যই অবশ্যই খুব ভালোভাবে ইংরেজি বিষয়ে দক্ষতা থাকতে হবে। কারণ ক্লাইন্ট যদি কথা বুঝতে না পারে তাহলে সে অর্ডার দিতে আগ্রহী হবে না।
কোর্স শেষ করার পরে নিজের দক্ষতার প্রমাণস্বরূপ বেশ মানসম্মত পোর্টফোলিও তৈরি করে নিতে হবে এবং যেসব জায়গায় প্রোফাইল তৈরি করা আছে সেসব জায়গায় নিজের পোর্টফোলিও আপলোড করতে হবে। এরপর নিজের কাজ ও দক্ষতার মার্কেটিং এর জন্য ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্রফাইল তৈরি করার মাধ্যমে কাজের সার্ভিস ও দক্ষতার পরিচয় দিতে হবে। অবশ্যই ফ্রিল্যান্সার হতে গেলে ধৈর্য সহকারে ও ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যেতে হবে।
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলো কি কি
যখনই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন তখনই যে কাজ পাবেন বিষয়টা এমন নয় তবেফ্রিল্যান্সিং শুরু করে কাজ না পাওয়ার সমস্যার সমাধান জানতে হলে অবশ্যই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলো কি কি আছে সে সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিতে হবে। যেমন ফাইবার, আপওয়ার্ক, পিপুল পার আওয়ার, গুরু ডট কম, ফ্রিল্যান্সার ডটকম, ৯৯ ডিজাইন্স ইত্যাদি অনেক মার্কেটপ্লেস রয়েছে। সেসব প্রত্যেকটি মার্কেটপ্লেসে এসইও বুঝে নিয়ে বেশ সময় নিয়ে যত্ন সহকারে প্রোফাইল তৈরি করতে হবে।
কারণ প্রোফাইল যতই যত্ন সহকারে তৈরি করা হবে এটি তত তাড়াতাড়ি ক্লায়েন্টের কাছে পৌঁছাবে এবং ভালোভাবে অর্ডার আসতে শুরু করবে। বলা হয় যে এই প্রোফাইলে হচ্ছে চাকরির সিভি। অবশ্যই গিগ ও বিড ভালোভাবে জেনে সতর্ক সহকারে করতে হবে। এসব মার্কেটপ্লেস গুলোতে সব সময় সক্রিয় থাকার চেষ্টা করতে হবে। এবং ক্লাইন্ট যখন মেসেজ দিবে তখন খুব প্রফেশনাল ও ইংরেজি ভাষার দক্ষতার সাথে তা সমাধান করতে হবে। কারণ প্রথম ইমপ্রেশন ভালো হলে ক্লাইন্ট আবার আসবে অর্ডার দিতে।
ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য পোর্টফলিও কতটা গুরুত্বপূর্ণ
ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে গেলে দক্ষতা অর্জনের পরেই যেটার প্রয়োজন পড়ে সেটা হচ্ছে এই পোর্টফোলিও। এটা শুধু ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সিভিই নয়, এটা হল ফ্রিল্যান্সারদের পরিচয় তাদের অর্ডার এবং ইনকাম হওয়ার একটি ডকুমেন্ট। একজন ফ্রিল্যান্সার তার কাজের প্রতি কতটা দক্ষ সেটা প্রদর্শনের জন্য পোর্টফলিও হচ্ছে প্রধান মাধ্যম। একজন ক্রেতা পোর্টফোলিও দেখার পরে বুঝতে পারে যে সে এই ফ্রিল্যান্সারকে হায়ার করবে কিনা। ফ্রিল্যান্সারদের কোর্স শেষ করেই পোর্টফোলিওর তৈরির দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
এছাড়াও এই পোর্টফোলিয়ার মাধ্যমে নিজের ব্র্যান্ড তৈরি করা যায়। এছাড়াও একজন ক্লায়েন্ট বুঝতে পারে যে এই ফ্রিল্যান্সার কতটা দক্ষ এবং তার চাহিদার সাথে সেই ফ্রিল্যান্সারের দক্ষতার মিল আছে কিনা। এটা মূলত ফ্রিল্যান্সারদের একটি কাজের প্রতিচ্ছবি।
পোর্টফোলিও ছাড়া ফ্রিল্যান্সারদের কোন মূল্য নেই। এছাড়াও ক্লায়েন্টের মনে বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করার জন্য এই পোর্টফোলিওর মাধ্যমে নিজেকে প্রদর্শন করে অর্ডার নিয়ে আসতে হবে। অর্ডার নিয়ে আসার পরে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা সম্ভব হলে তার আগে কাজ জমা দিয়ে প্রফেশনালি ক্লায়েন্টের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করে নিতে হবে।
কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে নিজের প্রোফাইল তৈরি করতে হবে
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে কাজ না পাওয়ার সমস্যার সমাধান জানতে হলে অবশ্যই এটা জানতে হবে যে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে নিজের প্রোফাইল কিভাবে তৈরি করা যায়। এর জন্য নিজের পছন্দমত অনেকগুলো মার্কেটপ্লেস বাছাই করে ক্রিয়েট আ অ্যাকাউন্ট নামে একটি অপশন রয়েছে সেখানে অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করে তারপর প্রোফাইল সাজিয়ে নিতে হবে। প্রোফাইল সাজানোর সময় ডেসক্রিপশন বক্সে অবশ্যই এসইও এর কথাটা মনে রাখতে হবে।
আরও পড়ুনঃ যেসব কাজের চাহিদা বেশি এই ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে
এরপর ট্যাগ, গিগ যা কিছু আছে তা সঠিকভাবে সুন্দর করে সাজিয়ে নিতে হবে। অবশ্যই একাউন্টে প্রকৃত হতে হবে। যদি নকল হয় তাহলে ফাইবার থেকে এই একাউন্টে বাতিল হয়ে যাবে। প্রোফাইলে একটি সুন্দর ফরমাল ছবি থাকতে হবে। অবশ্যই যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ সেটি হল পোর্টফোলিও যেটি সুন্দর ও সঠিকভাবে আপলোড করতে হবে। প্রোফাইল তৈরি করার সময় কাজের বর্ণনা, মূল্য ও ডেলিভারির সময়সীমা সঠিকভাবে নির্ধারিত করতে হবে এবং ক্রেতা মেসেজ দিলে তাকে খুব প্রফেশনাল ও আন্তরিকতার সাথে সার্ভিস দিতে হবে।
সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার জন্য যে সব বিষয় গুরুত্ব দিতে হবে
বর্তমানে অনেক সফল ফ্রিল্যান্সাররা প্রতিমাসে লাখ টাকা আয় করছে। শুধু তাই নয়, নিজেদের এজেন্সি খুলে অন্যদেরকেও আয় করার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। কিন্তু এটা একদিনে হয়নি। অনেক ধৈর্য ও সময়ের অপেক্ষার ফল এটি। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সফল হওয়ার জন্য কমপক্ষে এক বছর অপেক্ষা করতেই হবে। ধারাবাহিকতা মেনে ও ধৈর্য সহকারে নিজের কাজ করে যেতে হবে। কিন্তু ক্রেতা খোঁজার সময় কিছুটা কৌশল অবলম্বন করা উচিত।
যেমন শুধু ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতেই ক্রেতা না খুঁজে লোকাল মার্কেট থেকেও ক্রেতা খুঁজে কাজ শুরু করা যায়। ফেসবুক গ্রুপ, কমিউনিটি, পেজ, লিংকটিন প্রোফাইল ইত্যাদি তে সক্রিয় থাকতে হবে। এছাড়াও এখানে ক্যারিয়ার শুরু করতে গেলে অবশ্যই ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হবে। কারণ কারণ আন্তর্জাতিক মানের ক্রেতারা ইংরেজি ছাড়া কোন ভাষায় বুঝতে পারবে না এবং কাজ বুঝাতে না পারলে তারা অর্ডার দিবেনা। বেসিক কম্পিউটার জ্ঞান তো থাকতেই হবে যেটা কোর্স শেখা কালীন শিখিয়ে দেয়।
ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য বর্তমানে কেমন বিষয়ে দক্ষ হতে হবে
ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর টা এমন যে গত ১০ বছরে যে কাজের চাহিদা অনেক বেশি ছিল আগামী দশ বছরে সেই কাজের চাহিদা অনেক কমে যাবে। কারণ সময়ের সাথে সাথে সিস্টেম পরিবর্তন হবে, টেকনোলজিতে পরিবর্তন আসবে এটাই স্বাভাবিক। সেই সাথে মানুষের চাহিদারও পরিবর্তন হবে। তাই এমন একটি কাজ নির্বাচন করা উচিত যেটি আগামী ১০ বছর পরেও চাহিদা থাকবে। তাই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে কাজ না পাওয়ার সমস্যার সমাধান জানার জন্য পূর্বে ই সঠিক কোর্স নির্বাচন করা উচিত।
আসলে বর্তমান যুগে এআই এর বিপ্লব অনেক। তাই কাজ এমনভাবে শিখতে হবে যেন সেই বিষয়ে এআইয়ের ব্যবহার করা যায় খুব সহজেই। যেমন যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনিং শিখতে চান তাহলে অবশ্যই এআইয়ের বিভিন্ন ইমেজ জেনারেশনের টুল সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। যদি ভিডিও এডিটিং শিখতে চান তাহলে এআইয়ের বিভিন্ন ভিডিও জেনারেশনের টুল সম্পর্কে জেনে রাখতে হবে। কারণ পৃথিবী প্রতিদিনই আপডেট হচ্ছে তাই কাজ কেউ সেভাবে আপডেট করে রাখলে অর্ডার পেতে কোন সমস্যা হবে না।
কিভাবে লোকাল মার্কেট ক্লায়েন্ট থেকে অর্ডার নিতে হবে
ক্লায়েন্ট খোঁজার জন্য শুধু ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট খুলে বিড করলেই যথেষ্ট নয়, সেই সাথে লোকাল মার্কেট গুলোতেও ক্লায়েন্ট খোঁজার ব্যাপারেও মনোযোগী হতে হবে। কারণ এদের কাজ করে দেওয়ার মাধ্যমে তৈরি হবে পোর্টফোলিও এবং অভিজ্ঞতা যেটা আন্তর্জাতিক মানের ক্রেতাদের সার্ভিস দেওয়ার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই ফেসবুকে, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, লিংকটিন ইত্যাদিতে প্রোফাইল ও পেজ খুলে নিজের কাজের ব্র্যান্ডিং ও মার্কেটিং করতে হবে।
ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ,অনলাইন কমিউনিটিতে যুক্ত হয়ে নিজে কাজের প্রমাণ দেখাতে হবে। বিজ্ঞাপন দেওয়া যেতে পারে যে আমি এই বিষয়ে দক্ষ আমি এই বিষয়ে সার্ভিস দিতে চাই কেউ সার্ভিস নিতে চাইলে যোগাযোগ করুন নিম্ন নাম্বারে এভাবে। এছাড়াও স্থানীয়ভাবে যোগাযোগ বাড়াতে হবে যাতে এলাকার কেউ সার্ভিস নিতে চাইলে সরাসরি তার সাথে যোগাযোগ করতে পারে। প্রথমে একটু কষ্ট হবে ও ধৈর্য ধরতে হবে কিন্তু দক্ষতার সাথে একবার ক্রেতাকে সন্তুষ্ট করতে পারলে ভবিষ্যতে অর্ডারের অভাব হবে না।
ফ্রিল্যান্সার হওয়ার সুবিধা গুলো কি কি
ফ্রিল্যান্সারের সব থেকে বড় সুবিধা হল স্বাধীনতা। ফ্রিল্যান্সিং মানে হলো মুক্তভাবে কাজ করার একটি প্ল্যাটফর্ম। এখানে অফিস জবের মতন কোন ৯ টা ৫ টা সময় নেই। অর্ডার পেলে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যেকোনো ইচ্ছা যেকোনো সময় কাজ সম্পন্ন করে জমা দেওয়া যেতে পারে। এখানে কাজ করতে হলে অফিসে উপস্থিত থাকার কোন প্রয়োজন নেই। ঘরের এক কোণেই বসে ইন্টারনেট ও ল্যাপটপের সহযোগিতায় মাসে ডলার আয় করা সম্ভব।
আরও পড়ুনঃ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট খুলে যেভাবে বিড করতে হয়
এছাড়াও এখানে অফিস জবের মতন কোন নির্দিষ্ট বেতন নেই। ধৈর্য ও দক্ষতার সাথে যদি একবার এই জায়গাটিকে শক্তভাবে অবস্থান করা নেওয়া যেতে পারে তাহলে ভবিষ্যতে ঘরে বসেই লাখ টাকা আয় করা সম্ভব হবে। তাই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে কাজ না পাওয়ার সমস্যার সমাধান একবার অনুসরণ করে সম্পন্ন করতে পারলে আর পেছন ফিরে তাকাতে হবে না। ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার এর মাধ্যমেও উদ্যোক্তা ও নিজেই একটি অফিস প্রতিষ্ঠা করা যায়।
একজন ফ্রিল্যান্সারের ব্যর্থ হবার কারণ কি কি
একজন ফ্রিল্যান্সারের সবথেকে ব্যর্থ হওয়ার কারণ হচ্ছে যদি দক্ষতার অভাব থাকে। নিয়মিত ও সঠিকভাবে অনুশীলন না করলে দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব না। পাশাপাশি ইংরেজি বিষয়ের পারদর্শী হতে হবে। অনেক ফ্রিল্যান্সাররা ইংরেজি বুঝতে পারেন না যার জন্য ক্লাইন্ট পেয়েও হাতছাড়া হয়ে যায়। অবশ্যই কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ধৈর্য ধরে অন্তত এক বছর অপেক্ষা করতে হবে। এই ধাপটা অতিক্রম করতে পারলে ফ্রিল্যান্সারদের ব্যর্থ হবার আর কোন কারণ থাকবে না।
লেখকের মন্তব্য
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে কাজ না পাওয়ার সমস্যার সমাধান এর পেছনে অনেকগুলো কারণ থাকে। এখন এতগুলো কারণ থেকে নিজের কারণটি চিহ্নিত করে সেটা সমাধানের জন্য কাজ করতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং পেশাটাই হল ধৈর্যের পরীক্ষা। তাই ধৈর্য না হারিয়ে বা ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না দেখে হতাশ না হয়ে এর পেছনে চেষ্টা করে যেতেই হবে পাশাপাশি অনুশীলনের মাধ্যমে আরও নিজেকে দক্ষ গড়ে তোলার মধ্যে দিয়ে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে। 251118




অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url