OrdinaryITPostAd

ইমেইল মার্কেটিং শুরু করার A to Z গাইড

ইমেইল মার্কেটিং করে  আয়ের  উপায়ইমেইল মার্কেটিং শুরু করার A to Z গাইড যে কোনো ব্যবসা বা অনলাইন প্রচারণা সফলভাবে চালানোর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সঠিক কৌশল ছাড়া ইমেইলের মাধ্যমে গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ ভালো হয় না, যার কারণে মার্কেটিং হয় না।

ইমেইল-মার্কেটিং-শুরু-করার-A to Z-গাইডডিজিটাল মার্কেটিংয়ের এই অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যমটি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে, আপনার বিজনেস বা ব্লগে রিটার্ন রেট কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব। তাই ইমেইল মার্কেটিং শুরু করার A to Z গাইড সম্পর্কে জানতে আজকের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

পেজ সূচিপত্রঃ ইমেইল মার্কেটিং শুরু করার A to Z গাইড

ইমেইল মার্কেটিং শুরু করার A to Z গাইড

ইমেইল মার্কেটিং শুরু করার A to Z গাইড জানা থাকলে সহজেই অনলাইন বিজনেসকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে নেয়া যায় কেননা ইমেইল মার্কেটিং হলো এমন একটি শক্তিশালী কৌশল, যার মাধ্যমে আপনি সরাসরি গ্রাহকের ইনবক্সে পৌঁছে যেতে পারেন এবং ব্যক্তিগত ভাবে বার্তা দিতে পারেন যা সোশ্যাল মিডিয়ার তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর ও কনভার্সন ফোকাসড। তবে সফল ভাবে ইমেইল মার্কেটিং শুরু করতে হলে একদম গোড়া থেকে পরিকল্পিত ভাবে A to Z প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে।

প্রথমেই আপনাকে বুঝতে হবে আপনি কার জন্য এই ইমেইল পাঠাচ্ছেন অর্থাৎ আপনার টার্গেট পাঠক কারা, তাদের আগ্রহ কী, এবং তারা কী ধরণের কনটেন্ট আশা করে। এরপর আপনাকে তৈরি করতে হবে একটি কার্যকর সাবস্ক্রাইবার তালিকা, যেখানে লিড ম্যাগনেট দিয়ে মানুষকে সাবস্ক্রাইব করতে উৎসাহিত করবেন এবং তাদের আগ্রহ অনুযায়ী সেগমেন্ট করবেন।
ইমেইল-মার্কেটিং-শুরু-করার-A to Z-গাইড
পরবর্তী ধাপে আপনি একটি কনটেন্ট ক্যালেন্ডার তৈরি করবেন যাতে নিয়মিত পাঠানো হয় শিক্ষামূলক, প্রমোশনাল ও ব্র্যান্ড-ভিত্তিক ইমেইল। প্রতিটি ইমেইল যেন মোবাইল ফ্রেন্ডলি হয়, আকর্ষণীয় ডিজাইনে তৈরি হয় এবং আপনার ব্র্যান্ড পরিচিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে। পারসোনালাইজেশন, অর্থাৎ নাম ধরে সম্বোধন, আগ্রহভিত্তিক সাজেশন ইত্যাদি পাঠকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে।

এরপর প্রয়োজন CTAC যেমনঃ অর্ডার করুন এখন, আরও জানুন যা পাঠককে নির্দিষ্ট কাজে উৎসাহিত করে। CTA এর সাথে UTM লিংক ব্যবহার করে আপনি বুঝতে পারবেন কোন ইমেইল কতটা ভালো কাজ হয়েছে। পরবর্তীতে সাবজেক্ট লাইন স্প্লিট টেস্ট, অর্থাৎ A/B টেস্টের মাধ্যমে কোন শিরোনামে ওপেন রেট বেশি হচ্ছে তা নির্ধারণ করতে পারবেন।  
তারপর অটোমেশন সেটআপ করে যেমনঃ Welcome সিরিজ, কার্ট পরিত্যাগ ফলোআপ আপনি পাঠকের রেসপন্স অনুযায়ী ইমেইল নিজস্বভাবে পাঠাতে পারবেন। সবশেষে বলা যায় প্রতিটি ক্যাম্পেইনের ওপেন রেট CTRe, কনভার্সন, সাবস্ক্রাইবার গ্রোথ, স্প্যাম রিপোর্ট, আনসাবস্ক্রাইব এসব বিশ্লেষণ করে আপনি জানতে পারবেন কোন কনটেন্ট ভালো পারফর্ম করছে এবং কীভাবে ভবিষ্যতের ইমেইল আরও উন্নত করতে হবে।

তৈরি করুন কার্যকর সাবস্ক্রাইবার তালিকা সেগমেন্টেশন পদ্ধতি

ইমেইল মার্কেটিংয়ের প্রথম ধাপ হলো একটি নির্ভরযোগ্য ও আগ্রহী সাবস্ক্রাইবার তালিকা তৈরি করা। এই তালিকা তৈরি করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো লিড ম্যাগনেট ব্যবহার করা যেমনঃ ফ্রি ইবুক, চেকলিস্ট, ওয়েবিনার বা ডিসকাউন্ট কুপন। এগুলোর মাধ্যমে আপনি ভিজিটরদেরকে ইমেইল সাবস্ক্রাইব করতে অনুপ্রাণিত করতে পারেন। শুধু ইমেইল ঠিকানা নয়, ফর্মের মাধ্যমে ব্যবহার কারীর আগ্রহ, লোকেশন বা প্রোডাক্ট পছন্দ সম্পর্কিত তথ্যও সংগ্রহ করুন। এতে আপনি ভবিষ্যতে পাঠককে আরও সম্পর্কিত ও ব্যক্তিগত ইমেইল পাঠাতে পারবেন।

এই তালিকাকে বিভিন্ন ট্যাগ ও গ্রুপে ভাগ করুন যেমনঃ নতুন সাবস্ক্রাইবার, সক্রিয় পাঠক, অথবা দীর্ঘ সময় ধরে ইনঅ্যাক্টিভ সাবস্ক্রাইবার। এই ভাগ করার কারণ হলো  সেগমেন্টেশন, যা আপনাকে সঠিক ব্যক্তি সঠিক সময়ে সঠিক বার্তা পাঠাতে সহায়তা করে। পরবর্তীতে অটোমেশন সিস্টেমের মাধ্যমে একেক সেগমেন্টকে নিজস্বভাবে নিজের ইচ্ছায় স্বাগতম ইমেইল ও ফলোআপ পাঠানো যায়। সঠিক তালিকা এবং সেগমেন্টেশন ছাড়া ইমেইল মার্কেটিং কখনোই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল দিবে না। তাই এই ধাপটিকে একেবারেই অবহেলা করা যাবে না।

পরিকল্পনা করুন ভ্যালু ভিত্তিক ইমেইল কনটেন্ট সিরিজ

ইমেইল কনটেন্ট শুধু প্রমোশন বা অফার দিয়েই সীমিত রাখা উচিত নয়। পাঠককে নিয়মিত ভ্যালু দেওয়া হলে তারা আগ্রহ হারাবে না এবং আপনার ইমেইল ইনবক্সে খোলা ও পড়া হবে বেশি। এজন্য প্রয়োজন একটি ভালো ভাবে পরিকল্পিত কনটেন্ট সিরিজ। শুরুতে একটি স্বাগতম সিরিজ তৈরি করুন যেখানে আপনি আপনার ব্র্যান্ড পরিচয়, উদ্দেশ্য এবং কী ধরণের সহায়তা আপনি পাঠকদের দিতে চান তা ব্যাখ্যা করবেন। এরপর ধাপে ধাপে পাঠানো হবে বিভিন্ন শিক্ষামূলক কনটেন্ট যেমনঃ সমস্যার সমাধান ভিত্তিক গাইড, টিউটোরিয়াল, কেস স্টাডি ইত্যাদি।

একই সাথে নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে প্রমোশনাল ইমেইলও পাঠান যেখানে বিশেষ ডিসকাউন্ট, অফার বা নতুন প্রোডাক্ট আপডেট থাকবে। তবে সেটি যেন কেবল বিক্রির উদ্দেশ্যে না হয় বরং পাঠকের আগ্রহ ও প্রয়োজনের সঙ্গে মিল হয়। চাইলে একটি কনটেন্ট ক্যালেন্ডার মেইন্টেইন করুন যেখানে আপনি সপ্তাহ বা মাসভিত্তিক কোন তারিখে কোন ধরণের ইমেইল পাঠাবেন তা নির্ধারণ থাকবে। এতে নিয়মিত বজায় থাকবে এবং পাঠকের মধ্যে আগ্রহও বাড়বে।

ডিজাইন করুন আকর্ষণীয় মোবাইল-ফ্রেন্ডলি নিউজলেটার টেমপ্লেট

বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ মোবাইল থেকেই ইমেইল পড়ে, তাই আপনার নিউজলেটার ডিজাইন অবশ্যই মোবাইল ফ্রেন্ডলি হতে হবে। একটি এক কলাম লেআউট ব্যবহার করুন যাতে ছোট স্ক্রিনেও কনটেন্ট ঠিকভাবে দেখা যায়। তাছাড়া বড় ফন্ট, পর্যাপ্ত স্পেসিং এবং পরিস্কার হেডিং ব্যবহার করলে স্পষ্টভাবে পড়া অনেক বেড়ে যায়। এজন্য হেডার অংশে আপনার ব্র্যান্ড লোগো, এবং ফুটারে সোশ্যাল মিডিয়া আইকন ও প্রয়োজনীয় লিংক যেমনঃ Unsubscribe, Privacy Policy ইত্যাদি রাখা জরুরি।

নিউজলেটার পাঠানোর আগে অবশ্যই তা বিভিন্ন ইমেইল ক্লায়েন্ট যেমনঃ Gmail, Outlook এবং ডিভাইসে টেস্ট করে নিন যাতে সব জায়গায় ঠিকভাবে দেখা যায়। টেমপ্লেটে alt ট্যাগ যুক্ত করুন যেন কোনো কারণে ছবি লোড না হলে বার্তাটি বোঝা যায় এবং লো-রেজ ইমেজ ব্যবহার করুন যেন ইমেইল লোড হতে সময় না নেয়। এছাড়া সুন্দর পরিষ্কার এবং ইউজার-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন ইমেইলের ক্লিক রেট বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সংযোজন করুন ব্যক্তিগতকরণ ট্যাগ ও ব্র্যান্ড উপাদান

ইমেইলকে ব্যক্তিগত করার মাধ্যমে আপনি পাঠকের সঙ্গে সরাসরি এক ধরনের সম্পর্ক তৈরি করতে পারেন। এজন্য Merge Tag ব্যবহার করুন যেমনঃ নাম, কোম্পানির নাম, বা সাবস্ক্রিপশনের ধরন ইত্যাদি। প্রিয় রাহিম বা আপনার জন্য বিশেষ অফার এ ধরনের লাইন পাঠকের মধ্যে ব্যক্তিগত অনুভূতি জাগায়।এছাড়া আপনার ব্র্যান্ডের রঙ, ফন্ট ও লোগো সব সময় ব্যবহার করুন যাতে প্রতিটি ইমেইলে ব্র্যান্ড কনসিস্টেন্সি বজায় থাকে।
যদি আপনি বিভিন্ন সেগমেন্টে আলাদা প্রোডাক্ট বা কনটেন্ট পাঠাতে চান, তাহলে ডায়নামিক কনটেন্ট ব্লক ব্যবহার করতে পারেন। এতে এক ইমেইলেই আলাদা আলাদা গ্রুপ আলাদা বার্তা পায়। সবশেষে ইমেইলের নিচে একটি ব্যক্তিগত স্বাক্ষর দিন যেখানে আপনার নাম, পজিশন এবং সম্ভব হলে একটি ছোট কথা যেমন আপনার সাফল্যেই আমাদের গর্ব যুক্ত থাকে। এটি ইমেইলটিকে আরও ভালো এবং আকর্ষণীয় করে তোলে।

নির্ধারণ করুন কার্যকর কল-টু-অ্যাকশন লিঙ্ক কাঠামো

একটি সফল ইমেইল কনভার্সনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো Call To Action। এটি হতে পারে এখনই কিনুন, আরও জানুন, সাইন আপ করুন ইত্যাদি। CTA যেন স্পষ্ট, চোখে পড়ার মতো এবং মোবাইলেও সহজে ক্লিকযোগ্য হয়, সেটি নিশ্চিত করতে রঙিন ও বড় বাটন ব্যবহার করুন যেমনঃ লাল বা নীল বাটন। CTA বাটনে কার্যকর লেবেল দিন, যেমনঃ Buy Now বা Get My Free Guide।

লিঙ্কে UTM প্যারামিটার ব্যবহার করুন যাতে আপনি Google Analytics এ গিয়ে দেখতে পারেন এই ক্লিক কোথা থেকে এসেছে। CTA শুধুমাত্র ইমেইলের শেষে নয়, মাঝে ও শুরুতেও রাখা যেতে পারে যাতে পাঠক যেখানেই আগ্রহ পান, সেখান থেকেই অ্যাকশন নিতে পারেন। CTA এর পাশে আইকন বা একটু অ্যানিমেশন ব্যবহার করলেও এটি বেশি নজরে পড়ে এবং ক্লিক বাড়ে।

সম্পাদন করুন সাবজেক্ট-লাইন স্প্লিট-টেস্ট

আপনার ইমেইল খোলা হবে কিনা, অনেকাংশে নির্ভর করে সাবজেক্ট লাইনের উপর। তাই এটি নিয়ে A/B টেস্ট করা অত্যন্ত জরুরি। আপনি একই কনটেন্টের জন্য দুই বা তার বেশি সাবজেক্ট লাইন তৈরি করতে পারেন একটি বেশি ব্যক্তিগত, আরেকটি হয়তো প্রশ্নমূলক। এরপর পুরো লিস্টের ৫–১০% সাবস্ক্রাইবারের ওপর পরীক্ষা করার জন্য পাঠান এবং ২৪ - ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনটি বেশি ওপেন হচ্ছে তা বিশ্লেষণ করুন। যদি ওপেন রেটে ৫% বা তার বেশি পার্থক্য থাকে, তাহলে বেশি পারফর্মিং সাবজেক্ট লাইনটি বাকি পুরো তালিকায় ব্যবহার করুন। নিয়মিত এমন পরীক্ষা চালালে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার পাঠকেরা কী ধরণের হেডলাইন বেশি পছন্দ করে, ফলে ভবিষ্যতের ক্যাম্পেইনের সাফল্যের হার বাড়বে।

সেটআপ করুন ড্রিপ-ওয়ার্কফ্লো অটোমেশন ক্যাম্পেইন

বর্তমান সময়ে অটোমেশন ইমেইল মার্কেটিংকে আরও কার্যকর এবং সময় সাশ্রয়ী করে তোলে। এর মাধ্যমে আপনি ড্রিপ ক্যাম্পেইন তৈরি করতে পারেন যেখানে নির্দিষ্ট সময় ও কার্যকলাপ অনুযায়ী ইমেইল পাঠানো হয়। উদাহরণস্বরূপ কেউ যদি নতুন সাবস্ক্রাইব করে, তাহলে তাকে ৭ দিনের Welcome সিরিজ পাঠাতে পারেন। যেখানে ব্র্যান্ড পরিচয়, কাস্টমার সাপোর্ট এবং জনপ্রিয় প্রোডাক্ট সম্পর্কে ধাপে ধাপে জানানো হয়।

তাছাড়া ট্রিগার-বেজড অটোমেশন যেমনঃ ওয়েবসাইটে কোনো নির্দিষ্ট পেজ ভিজিট, কার্ট পরিত্যাগ, বা নির্দিষ্ট লিংক ক্লিক করার পর নিজস্বভাবে ফলোআপ ইমেইল পাঠানো যেতে পারে। ইন্টারভ্যাল স্ট্রাকচারে প্রতিটি ইমেইলের মাঝে ৩-৫ দিনের বিরতি রাখলে পাঠক বিরক্ত না হয়ে আগ্রহ ধরে রাখে। এই সব অটমোশনের জন্য কিছু প্ল্যাটফর্ম দরকার যেমনঃ Mailchimp, ConvertKit বা ActiveCampaign এর মতো প্ল্যাটফর্মে এসব অটোমেশন খুব সহজে সেটআপ করা যায়।

বিশ্লেষণ করুন ওপেন রেট ও কনভার্সন ডেটা

ইমেইল মার্কেটিং সফল হচ্ছে কিনা তা জানতে হলে আপনাকে নিয়মিত পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করতে হবে। এর জন্য প্রধান যে পরিমাপক গুলো দেখা হয় তা হলো ওপেন রেট, ক্লিক-থ্রু রেট CTR এবং কনভার্সন রেট। আপনার মেইলিং প্ল্যাটফর্মের ড্যাশবোর্ডে আপনি এই তথ্য গুলো সহজেই দেখতে পাবেন। সাথে মনিটর করতে হবে সাবস্ক্রিপশন গ্রোথ, আনসাবস্ক্রাইব রেট ও স্প্যাম রিপোর্ট।
ইমেইল-মার্কেটিং-শুরু-করার-A to Z-গাইড
এগুলো আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে আপনার ইমেইল লিস্ট কতটা স্বাস্থ্যবান এবং পাঠক কেমন রেসপন্স দিচ্ছে। সেগমেন্টেড পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আপনি জানতে পারবেন কোন অঞ্চলের, কোন ডিভাইস ব্যবহার কারীরা বেশি একটিভ এবং কোন গ্রুপে বেশি কনভার্সন হচ্ছে। প্রতিমাসে অন্তত একবার এইসব ডেটা বিশ্লেষণ করে আপনার কনটেন্ট স্টাইল, পাঠানোর সময় এবং ফ্রিকোয়েন্সি ভালো ভাবে ভেবে করুন।  এতে ইমেইল মার্কেটিং আরও বেশি লাভবান হবে।

শেষ কথাঃ ইমেইল মার্কেটিং শুরু করার A to Z গাইড

আজকের এই আর্টিকেলে ইমেইল মার্কেটিং শুরু করার A to Z গাইড সম্পর্কে ধাপে ধাপে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। আশা করি প্রতিটি পয়েন্ট আপনাদের কাছে পরিষ্কার হয়েছে এবং এখন আপনি নিজের ইমেইল মার্কেটিং কার্যক্রম শুরু করার জন্য আত্মবিশ্বাসী বোধ করছেন। মনে রাখতে হবে ইমেইল মার্কেটিং একটি দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক তৈরির মাধ্যম এখানে শুধু বিক্রয় নয় বরং বিশ্বাস, কনসিস্টেন্সি এবং সঠিক সময়ে সঠিক বার্তা দেওয়াটাই মূল লক্ষ্য। এই আর্টিকেলে বর্ণিত স্ট্র্যাটেজি গুলো নিয়মিত চর্চা করলে আপনি নিশ্চিত ভাবেই সফলতা পাবেন। শুরুতে ফলাফল একটু ধীর হতে পারে কিন্তু ধৈর্য ধরে কাজ করলে ইমেইল মার্কেটিং আপনার অনলাইন উপস্থিতিকে অনেকদূর এগিয়ে নেবে। 250464

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url