OrdinaryITPostAd

জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল - জাতীয় চার নেতার জীবনী

জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল? এই বিষয় সর্ম্পকে আজকে বিস্তারিত আলোচনা হবে। আমরা যারা বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কে কমবেশি জানি তারা বাংলাদেশের জাতীয় চার নেতা সম্পর্কে জানি। কিন্তু জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল? এ বিষয়ে আমরা অনেকেই সঠিকভাবে জানিনা। তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলে জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল সে সম্পর্কে আলোচনা করা হবে?

আপনি যদি শেষ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে থাকেন তাহলে জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল? এ বিষয়ে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। চলুন আর কথা না বাড়িয়ে জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল তা জেনে নেওয়া যাক।

কনটেন্ট সূচিপত্রঃ জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল - জাতীয় চার নেতার জীবনী

জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল - জাতীয় চার নেতার জীবনীঃ ভূমিকা

বাংলাদেশের স্বাধীনতায় জাতীয় চার নেতার অনেক গুরুত্ব রয়েছে বিশেষ করে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সম্পর্কে ধারনা রাখে তারা এই সম্পর্কে ভালোভাবেই জানে। বাংলাদেশের জাতীয় চার নেতাকে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর নির্মমভাবে কারাগারের মধ্যে হত্যা করা হয়। তাদের স্মরণে প্রতি বছর বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস পালন করে।

আরো পড়ুনঃ বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা হয় কেন - স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া?

জাতীয় চার নেতাকে জেলের ভেতরে হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা কি জানি জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল? আমাদের মধ্যে অনেকেই এ সম্পর্কে জানিনা। তো বন্ধুরা এ আর্টিকেলে আপনারা জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল এ বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারবেন।

জাতীয় চার নেতার নাম কি?

জাতীয় চার নেতা এ কথাটি আমরা অনেকেই শুনে থাকব কিন্তু আমাদের এই জাতীয় চার নেতা কে কে ছিলেন সে সম্পর্কে আমরা বেশিরভাগ মানুষই জানিনা। জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল? তা জানার আগে জাতীয় চার নেতার নাম জেনে নিয়ে চলুন।

১। সাবেক উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম

২। সাবেক বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ

৩। ক্যাপ্টেন মনসুর আলী

৪। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসনাত মোঃ কামরুজ্জামান

জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল

সাধারণত অনেক মানুষ জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল এ প্রশ্নটি করে থাকে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জাতীয় চার নেতার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তারা শুরু থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সাথে অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে সবসময় অতপ্রত ভাবে জড়িত ছিল। তারা সব সময় বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যখন বঙ্গবন্ধু সহ তার পরিবারকে হত্যা করার পরে বাংলাদেশের পরিস্থিতি খুবই খারাপ হতে শুরু করে। বাংলাদেশের কোন জায়গাতেও পরিস্থিতি ভাল ছিলনা। বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাংলাদেশের জাতীয় চার নেতা কে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সরকারের হেফাজতে পাঠানো হয়।

এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সকল কার্যক্রমে তারা সহযোগিতা করতেন। প্রথমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয় যেন বাংলাদেশ রাজনীতি মুখ থুবড়ে পড়ে। এরপরে জাতীয় চার নেতাকে জেলখানায় আবদ্ধ করা হয়। এবং তাদেরকে হত্যা করার একমাত্র মূল কারণ হলো বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করার জন্য।

যদি জাতীয় চার নেতা বাংলাদেশে ফিরে এসে আবার সরকার গঠিত করতে পারত এরকম কিছু সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশের শত্রুরা এটি কখনই চাইনি। এজন্য তারা চেয়েছিল যেন তাদের পথের কাঁটা অর্থাৎ বাংলাদেশের জাতীয় চার নেতা তাদের পথ থেকে সরে যাই। কারণ জাতীয় চার নেতার হাত ধরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিল এবং সরকার আবার নতুন করে পথচলা শুরু করে।

তারা যদি বেঁচে থাকতো তাহলে বাংলাদেশের রাজনীতি আবার সক্রিয় হয়ে উঠত তাই কৌশলে প্রথমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয় এরপরে তাদেরকে জেলের ভেতরে প্রবেশ করানো হয় যাতে বাংলাদেশের জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হতে পারে। এরপর একদিন সুযোগ বুঝে বাংলাদেশের জাতীয় চার নেতা কে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

জাতীয় চার নেতার জীবনী

প্রিয় বন্ধুরা উপরের আলোচনায় আমরা জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল এ বিষয়ে সম্পর্কে আপনাদের জানিয়েছি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব ছিল এই চার নেতা। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর নির্মমভাবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তাদের হত্যা করা হয়। তো চলুন জাতীয় চার নেতার জীবনী সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা জেনে নেই।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদঃ

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ ১৯২৫ সালে গাজীপুরের জেলারকাপাসিয়া থানার দরদরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেছিলেন ১৯৫৩ সালে। তিনি ১৯৬৪ সালে কারাবন্দি অবস্থায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে আইন শাস্ত্রের ডিগ্রি লাভ করেছিলেন।

বর্তমানের বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অর্থাৎ পূর্বের পূর্ববাংলা ছাত্রলীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ। তিনি ১৯৪৮ সালে এ সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি অন্যতম একজন সদস্য ছিলেন এবং সেখানে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। এর পরে তিনি ১৯৫৩ - ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত ঢাকা জেলার আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

১৯৬৬ সালের তাজউদ্দিন আহমেদ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। এরপরে আমরা সকলেই জানি যে তিনি ১৯৭১ সালে গঠিত মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে তিনি অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আরো পড়ুনঃ স্বাধীনতা দিবসের বক্তব্য - স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জাতীয় তিন নেতার সাথে তাজউদ্দিন আহমেদকে নির্মমভাবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয়েছিল। এই ছিল বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

সাবেক উপ রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামঃ

সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক উপরাষ্ট্রপতি তিনি ১৯২৫ সালে কিশোরগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৪৭ সালে সৈয়দ নজরুল ইসলাম এম এ অর্জন করেছিলেন এবং ১৯৫৩ সালে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। এর পরে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম ১৯৫৭ সালে তার নিজস্ব জেলা ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর তিনি ধীরে ধীরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আরও বিশ্বস্ত হওয়ার ফলে ১৯৬৬-৬৯ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

এরপরে ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তখন সৈয়দ নজরুল ইসলাম আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৭১ সালের গঠিত মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালন করেছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। এরপরে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরে তিনি বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জাতীয় তিন নেতার সাথে সৈয়দ নজরুল ইসলাম কেও হত্যা করেছিলেন। তাই তিনি বাংলাদেশের 4 জাতীয় নেতার মধ্যে অন্যতম একজন।

ক্যাপ্টেন মনসুর আলীঃ

বাংলাদেশের জাতীয় চার নেতার মধ্যে ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ছিলেন অন্যতম একজন। ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ১৯১৯ সালে সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৪৫ সালে ক্যাপ্টেন মনসুর আলী অর্থনীতি থেকে এমএ পাস করেন। এর পরে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে আস্তে আস্তে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করার। ১৯৪৬ সাল থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত তিনি পাবনা জেলা মুসলিম লীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৫১ সালে তিনি আওয়ামী লীগ মুসলিম লীগে যোগ দেন। তিনি ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং নির্বাচনে পাবনা-১ আসনের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সাথে লড়াই করেন। এতে ক্যাপ্টেন মনসুর আলী জয়লাভ করেছিলেন।

১৯৭১ সালে গঠিত বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন ক্যাপ্টেন মনসুর আলী। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবসের অন্যান্য 3 জাতীয় নেতার সাথে তাকেও হত্যা করা হয়েছিল।

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হায়াত মোহাম্মদ কামরুজ্জামানঃ

বাংলাদেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন আবুল হায়াত মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। এবং তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম একজন নেতা ছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অবস্থায় তিনি অস্থায়ী সরকারের স্বরাষ্ট্র কৃষি এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আবুল হায়াত মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এর জন্ম ১৯২৩ সালে বাংলাদেশের নাটোর জেলা।

আবুল হায়াত মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নগরী রাজশাহী শহরের কলেজিয়েট স্কুলে পড়াশোনা শুরু করেন। এরপরে ১৯৪৪ সালে রাজশাহী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এর পরে তিনি কলকাতায় উচ্চশিক্ষার জন্য চলে যান সেখানে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ১৯৪৬ সালে অর্থনীতিতে অনার্স পাস করেন।

কামরুজ্জামান পারিবারিকভাবেই রাজনৈতিক সচেতনতা ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি মুসলিম ছাত্রলীগের রাজশাহী জেলা শাখার সম্পাদক ছিলেন। ১৯৪৩-১৯৪৫ সাল পর্যন্ত তিনি মুসলিম ছাত্রলীগের নির্বাচিত সভাপতি হন। ১৯৫৬ সালে আবুল হায়াত মোঃ কামরুজ্জামান আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।

আরো পড়ুনঃ কিভাবে ফেসবুক মার্কেটিং করতে হয় - মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং

এ পরবর্তী বছরগুলোতে তিনি অতপ্রোতভাবে ধীরে ধীরে রাজনীতিতে আরো বেশি প্রসার বিস্তার করতে শুরু করেন। ১৯৭১ সালের গঠিত মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, কৃষি এবং ত্রাণ ও পূর্ণবাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শেষ হওয়ার পরে ১৯৭২-১৯৭৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কামরুজ্জামান।

১৯৭৫ সালের নতুন মন্ত্রিসভায় কামরুজ্জামান শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। এর পরেই ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর বাংলাদেশের অন্যান্য 3 জন এর সাথে আবুল হায়াত মোঃ কামরুজ্জামান কে হত্যা করা হয়েছিল। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় চার নেতার মধ্যে অন্যতম একজন।

জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল - জাতীয় চার নেতার জীবনীঃ উপসংহার

প্রিয় বন্ধুরা জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল? জাতীয় চার নেতার জীবনী সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি আপনি আমাদের এই আর্টিকেল থেকে জাতীয় চার নেতা কেন জেলে ছিল এর সাথে আরও অনেকগুলো বিষয় জানতে পেরেছেন। আপনাকে এই তথ্যগুলো জানাতে পেরে আমরা সত্যিই অনেক আনন্দিত। আপনার ও আপনার পরিবারের সুস্থতা কামনা করে আজকের মত এখানেই শেষ করছি ধন্যবাদ। ২০৮৭৬

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url