অর্ডিনারি আইটি https://www.ordinaryit.com/2022/04/ramjan-offer.html

রমজানের সবচেয়ে বড় অফার - রামাদানের সবচেয়ে বড় ফজিলত

রমজানের সবচেয়ে বড় অফার কোনটি ও রামাদানের সবচেয়ে বড় ফজিলত কোনটি তা আমরা অনেকেই জানিনা।রমজানের সবচেয়ে বড় অফার কোনটি এই প্রশ্নেরই সমাধান আমরা আজ করব। এছাড়াও রামাদানের সবচেয়ে বড় ফজিলত কোনটি তা নিয়ে আলোচনা করব।

চলুন আর দেরি না করে দেখে নেই রমজানের সবচেয়ে বড় অফার কোনটি ও রামাদানের সবচেয়ে বড় ফজিলত কোনটি?

পেজ সূচিপত্রঃ রমজানের সবচেয়ে বড় অফার কোনটি - রামাদানের সবচেয়ে বড় ফজিলত কোনটি

রমজানের সবচেয়ে বড় অফার কোনটি?

রমজান মাস হলো আরবি ১২ মাসের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মাস। এই মাসের ওসিলায় মহান আল্লাহ্‌ পাক আমাদের সকলের জীবনের সকল গুনাহ সমূহ মাফ করে দিন। রমজানের সবচেয়ে বড় অফার হল জান্নাত। প্রতি বছর একবার করে আসে বরকতময় এই মাসটি। রমজান হল পবিত্র আল কুরআন অবতরণ, তাকওয়া অর্জন ও রহমত বর্ষণের মাস। আমাদের এই মাসে বেশী বেশী করে আমল করতে হবে। এবং পাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে ও সঠিকভাবে নামাজ, রোজা পালন করতে ও আল্লাহর ইবাদত করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ রোজা রেখে ইঞ্জেকশন নেওয়া যাবে কি?

যেভাবে আমরা রমজান মাসকে ভালো কাজে লাগাতে পারি-

  • প্রতিদিন নিয়ম করে অর্থ বুঝে পবিত্র আল কোরআন পাঠ করা,
  • প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ সঠিকভাবে আদায় করা, ছেলেদের জামাতের সাথে আদায় করা।
  • তারাবির নামাজ হল সুন্নাতে মুআক্কাদা আইন। তাই প্রতিদিন তারাবির নামাজ আদায় করা, ছেলেদের জামায়াতে গিয়ে রোজ তারাবীহ নামাজ পড়া।
  • রমজান মাসে কম ঘুমানোর চেষ্টা করা ও বেশী বেশী ইস্তেগফার, দোয়া-দূরুদ পাঠ করা। রাতে তাহাজ্জুদ পড়া ও আল্লাহর দরবারে কান্না কাটি করা।
  • প্রতিদিন একজন হলেও ইফতার করানোর চেষ্টা করা, গরীব-দুঃখী, অসহায়, মুসাফিরদের যথা সম্ভব সাহায্যে সহযোগিতা করা।
  • এই মাসে সকল ধরণের পাপ কাজ, গালিগালাজ, হিংসা-বিদ্বেষ, লোকের সমালোচনা করা থেকে নিজেকে দূরে রাখা। সকলকে ক্ষমা করা, এবং সকলের সাথে ভালো ব্যবহার করা।
  • সগিরা - কবিরা, ছোট-বড় সকল ধরণের গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করা। নফল-মুস্তাহাব-সুন্নাত সহ ইত্যাদি সকল আমল বেশী বেশী করে করা।

রমজান মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত | রমজানের সবচেয়ে বড় অফার কোনটি

রোজা ফারসি শব্দ যার আরবি অর্থ সাওম এবং সাওম এর বহুবচন সিয়াম। সাওম ও সিয়ামের বাংলা অর্থ বিরত থাকা। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার, পাপকাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখাকে সিয়াম বা সাওম বা রোজা বলে। রমজান মাস রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আসে তাই এই মাস অন্যান্য মাসের থেকে অধিক মর্যাদাপূর্ণ। এবং এই মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত অত্যাধিক।

রমজান মাস আসলে মহানবী (সাঃ) সাহাবাদের উদ্দেশ্যে এভাবে বলতেন-

أتاكم رمضان شهر مبارك

‘তোমাদের দরজায় বরকতময় মাস রমজান এসেছে।’

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) পবিত্র কোরআন মাজীদে রমজান মাসের বিশেষ ফজিলত বর্ণনা করেছেন এবং সেখানে বলেছেন-

হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা রাখা ফরজ করা হয়েছে। যেভাবে তোমাদের আগের লোকদের (নবি-রাসুলের উম্মতের) ওপর ফরজ করা হয়েছিল। যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পার।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৩)

প্রত্যেক মানুষের উচিত রমজান মাসে ফরজ নামাজ, রোজা, তারাবীহ, তাহাজ্জুদ, কোরআন পাঠ করা ও বেশি বেশি দূয়া-দূরূদ করা ও জিকির করা।

পবিত্র রমজান মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে কিছু হাদিসে উল্লেখ আছে-

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন- রমজান মাসে আসমানের দরজাগুলো খুলে দেওয়া ও দোযখের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, ও শয়তানকে বন্দী করে রাখা হয়। (বুখারী, মুসলিম)

আরেক হাদিসে এসেছে হযরত সাহ্ল ইবনে সা'দ (রাঃ) বলেছেন, মহানবী (সাঃ) এরশাদ করেন- বেহেশতের ৮টি দরজা আছে। যার মধ্যে ১টি দরজার নাম রাইয়ান। সেই দরজা দিয়ে শুধুমাত্র রোজাদার ব্যাক্তি প্রবেশ করতে পারবে তাছাড়া আর কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। (বুখারী, মুসলিম)

রমজান মাসের বৈশিষ্ট্যে-

  • রমজান মাসের ফরজ রোজাসমূহ পালন করা,
  • পবিত্র আল কুরআন নাজিলের মাস,
  • শয়তানকে শৃঙ্খাবদ্ধ করা্র মাস,
  • জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া্র মাস,
  • জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া্র মাস,
  • দোয়া সমূহ কবুল করার মাস,
  • সৎ কাজের প্রতিদান পাওয়া্র মাস,
  • পবিত্র লাইলাতুল কদরের মাস,
  • রোজাদারদের বিশেষ সম্মান পাওয়া্র মাস,
  • জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার মাস,
  • ক্ষমা প্রার্থনা করার মাস,
  • হজের সমান সওয়াব পাওয়ার মাস।

রমজান মাসের ফরজ রোজাসমূহ পালন করা

আরবি বছরের অন্যতম মাস হলো রমজান মাস। এই মাসের রোজাসমূহ পালন করা প্রত্যেক ব্যাক্তির জন্য ফরয করা হয়েছে। এই সম্পর্কে পবিত্র আল কোরআনে বলা হয়েছে-

فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ
‘কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৫)

পবিত্র আল কুরআন নাজিলের মাস | রমজানের সবচেয়ে বড় অফার কোনটি

পবিত্র আল কুরআন এই পবিত্র রমজান মাসেই নাজিল করা হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসের লাইলাতুল কদরের রাতে মহান আল্লাহ্‌ পাক আমাদের নবীর উম্মতদের জীবন পরিচালনা করার গাইড হিসেবে মহাগ্রন্থ পবিত্র আল কোরআন নাজিল করেছেন। পবিত্র আল কোরআনের একাধিক আয়াতে বলা হয়েছে- 

- شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِيَ أُنزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَاتٍ مِّنَ الْهُدَى وَالْفُرْقَانِ
রমজান মাস-ই হল সেই মাস; যেই মাসে নাজিল করা হয়েছে পবিত্র আল কুরআন। যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৫)

 وَالْكِتَابِ الْمُبِينِ - إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُّبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنذِرِينَ
শপথ সুস্পষ্ট (কুরআনের) কিতাবের। আমি একে নাজিল করেছি এক বরকতময় রাতে। নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী।’ (সুরা দুখান : আয়াত ২-৩)

إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ
‘আমি কুরআনকে নাজিল করেছি পবিত্র শবে-কদরের রাতে।’ (সুরা কদর : আয়াত ১)

শয়তানকে শৃঙ্খাবদ্ধ করার মাস

মহান আল্লাহ্‌ পাক এই পবিত্র রমজান মাসে ইবলিস শয়তানকে আটকে বা আবদ্ধ করে রাখে। তাই এই মাসকে শয়তানকে শৃঙ্খাবদ্ধ করা্র মাস বলে।

জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া্র মাস

পবিত্র রমজান মাসে জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া ও জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়। এবং ইবলিস শয়তানকে শৃঙ্খাবদ্ধ করে রাখা হয়। এ সম্পর্কে হাদিসে আছে-
হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যখন রমজান আসে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় আর জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের আবদ্ধ করে রাখা হয়।’ (বুখারি, মুসলিম)

দোয়া সমূহ কবুল করার মাস | রমজানের সবচেয়ে বড় অফার কোনটি

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, মহান আল্লাহ্‌ পাক রমজান মাসে প্রত্যেক বান্দার করা দোয়া সমূহ কবুল করে নেন। (মুসনাদে আহামদ)

সৎ কাজের প্রতিদান পাওয়া্র মাস

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন- ‘যে ব্যক্তি রমজান মাসে কোনো একটি নফল ইবাদত করল, সে যেন অন্য মাসের একটি ফরজ আদায় করল। আর রমজানে যে ব্যক্তি একটি ফরজ আদায় করল, সে যেন অন্য মাসের ৭০টি ফরজ আদায় করল।’ (ইবনে খুজায়মা) অর্থাৎ, রমজান মাসে ভালো কাজের প্রতিদান বহুগুন বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

পবিত্র লাইলাতুল কদরের মাস

রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের মধ্যে বিজোড় রাত গুলোর মধ্যে যেকোন একদিন পবিত্র লাইলাতুল কদরের রাত। আল্লাহ্‌ পাক বলেছেন তোমরা রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের বিজোড় রাত গুলোতে লাইলাতুল কদরের সন্ধান কর। কারণ এই রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম। এই রাতেই পবিত্র আল কোরআন নাজিল করা হয়েছে। আল্লাহ্‌ পাক বলেন- 

وَالْكِتَابِ الْمُبِينِ - إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُّبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنذِرِينَ
শপথ সুস্পষ্ট (কুরআনের) কিতাবের। আমি একে নাজিল করেছি এক বরকতময় রাতে। নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী।’ (সুরা দুখান : আয়াত ২-৩)

- إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ- وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ - لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ - تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمْرٍ - سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ
‘আমি কুরআনকে নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরে। আপনি কি জানেন কি লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে। এটা নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। সুরা কদর : আয়াত ১-৫)

রোজাদারদের বিশেষ সম্মান পাওয়ার মাস

রমজান মাসে যেই ব্যাক্তি ফরজ রোজা সমূহ পালন করে, মহান আল্লাহ্‌ তায়ালা তাদের বিশেষ সম্মানে সম্মানিত করবেন। জান্নাতের ৮টি দরজার মধ্যে একটি দরজা শুধু মাত্র রোজাদার ব্যাক্তিদের জন্যই নির্ধারিত করা আছে। যেখান দিয়ে শুধু রোজাদার ব্যাক্তিই প্রবেশ করবে, এবং তার নাম রাইয়ান। কিয়ামতের দিনে ঘোষনা করা হবে- 
রোজাদারগণ কোথায়? তখন তারা দাঁড়াবে। তারা ব্যতিত এ দরজা দিয়ে অন্য কেউ প্রবেশ করবে না। তারা জান্নাতে প্রবেশের পর সে দরজা বন্ধ করে দেয়া হবে। আর কেউ তাতে প্রবেশের সুযোগ পাবে না।’ (বুখারি)

জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার মাস | রমজানের সবচেয়ে বড় অফার কোনটি

মহান আল্লাহ্‌ তায়ালা রমজান মাসকে ৩টি ভাগে ভাগ করেছেন। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত। নাজাত হল রমজানের শেষ ১০ দিন। এই ১০ দিন হল জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাস। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন-
‘আল্লাহ তাআলা (রমজান মাসের) প্রতি রাত ও দিনে অনেক মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তির ঘোষণা করেন এবং প্রতিটি রাত ও দিনের বেলায় প্রত্যেক মুসলমানের দোয়া ‘মোনাজাত’ কবুল হয়ে থাকে।’ (মুসনাদে আহামদ)

ক্ষমা প্রার্থনা করার মাস

রমজান মাস হল আল্লাহ্‌ তায়ালার কাছে থেকে ক্ষমা পাওয়ার মাস। বিশ্বনবী মহাম্মদ (সাঃ) ৩ প্রকার ব্যাক্তির ব্যাপারে বলেছেন- 
  • ‘ওই ব্যক্তির নাক ধূলায় ধুসরিত হোক, যার সামনে আমার আলোচনা হলো; কিন্তু সে আমার প্রতি দরূপ পড়লো না।
  • ওই ব্যক্তির নাম ধূলায় ধুসরিত হোক, যার কাছে রমজান মাস এসে চলে গেল; অথচ তার পাপগুলো ক্ষমা করিয়ে নিতে পারল না।
  • ওই ব্যক্তির নাক ধূলায় ধুসরিত হোক, যে তার বৃদ্ধ বাবা-মাকে পেল; কিন্তু তাদের মধ্যমে জান্নাত আদায় করতে পারল না।’ (তিরমিজি)

হজের সমান সওয়াব পাওয়ার মাস

রমজান মাসে হজ্জ আদায় করা ফরজ হজ্জ আদায়ের সওয়াব পাওয়া যায়। মহান আল্লাহ্‌ তায়ালা বছরের অন্যান্য দিন থেকে রমজান মাসের ওমরাহ্‌ হজ্জের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। মহানবী (সাঃ) বলেছেন- 
‘রমজান মাসের ওমরাহ আমার সঙ্গে হজ আদায় করার সমতুল্য।’ (বুখারি)
- মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে এক নারী এসে জিজ্ঞাসা করল- কোন ইবাদত আপনার সঙ্গী হয়ে হজ্জ করার সমতুল্য সাওয়াব পাওয়া যায়? উত্তরে তিনি বললেন, ‘রমজান মাসে ওমরাহ করা।’ (আবু দাউদ)

শেষ কথাঃ রমজানের সবচেয়ে বড় অফার কোনটি - রামাদানের সবচেয়ে বড় ফজিলত কোনটি

বন্ধুরা, আজ আমরা রমজানের সবচেয়ে বড় অফার কোনটি ও রামাদানের সবচেয়ে বড় ফজিলত কোনটি তা নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের এই পোস্টে রমজানের সবচেয়ে বড় অফার কোনটি ও রামাদানের সবচেয়ে বড় ফজিলত কোনটি নিয়ে সকল তথ্য বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। 
আশাকরি, আমাদের এই রমজানের সবচেয়ে বড় অফার কোনটি ও রামাদানের সবচেয়ে বড় ফজিলত কোনটি পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগবে। ধন্যবাদ।

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?