অর্ডিনারি আইটি https://www.ordinaryit.com/2021/11/Dua-Reply.html

কেউ দোয়া করলে উত্তরে কি বলতে হয় জেনে নিন

সবাই যখন দোয়া করে তখন আপনি দোয়া করলে উত্তরে কি বলবেন? কেউ দোয়া করলে উত্তরে কি বলতে হয় অনেকের কাছে অজানা। এই পোস্টে আপনি জানতে পারবেন কখন কোন দোয়া বলতে হয় এবং কেউ দোয়া করলে উত্তরে কি বলতে হয়। দোয়া করলে উত্তরে কি বলতে হয় জানার জন্য পোস্টটি পড়ুন এবং আমাদের সাথে থাকুন। 

কখন কি দোয়া বলতে হয় এবং কোন কোন দোয়া করলে উত্তরে কি বলতে হয় তা জেনে নিন। 

বিস্তারিত পড়ার আগে সূচি পত্র দেখে নিনঃ 

মাশআল্লাহ’ বলতে হয় কখন -  মাশাল্লাহ এর প্রতিউত্তরে কি বলতে হয় - কেউ দোয়া করলে উত্তরে কি বলতে হয়

যখন কেউ আপনার কোনো কিছু দেখে যেমন আপনা কিছুতে সফল হয়েছেন অথবা আপনার কোনো জিনিস দেখে আরেকজনের ভালো লাগলো মাশআল্লাহ বলবে তখন আপনি এই দোয়া করলে উত্তরে আলহামদুলিল্লাহ অথবা সুবহান আল্লাহ অথবা জাজাকাল্লাহ খাইরান বলুন। ‘মাশআল্লাহ’ এর অর্থ হলো আল্লাহ তায়ালার প্রতি প্রশংসা করলাম। আর সুবহান আল্লাহ , আলহামদুলিল্লাহ অথবা জাজাকাল্লাহ খাইরান বলার মাধ্যমে আপনি ও আল্লাহ এর নিকট প্রশংসা করলেন কেননা এটি আল্লাহ নেয়ামত তাই প্রশংসা আল্লাহ তায়ালা পাওয়ার যোগ্য। 

‘আলহামদুলিল্লাহ’ এর প্রতি উত্তরে কি বলতে হয় - দোয়া করলে উত্তরে কি বলতে হয়

কোনো ভালো সংবাদ শুনলে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতে হয়। কোনো কাজে সফলতা আসলে  ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতে হয়। আলহামদুলিল্লাহ অর্থ হলো আল্লাহ এর প্রশংসা করা। অর্থ্যাত সকল প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার নিকট। কেউ আলহামদুলিল্লাহ  বললে কোনো জবা দিতে হয়না তবে একটা ক্ষেত্রে একটু ভিন্নতা রয়েছে। কেউ যদি হাঁচি দেয় তখন যে হাঁচি দিচ্ছে সে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলবে আর তখন যদি আশে পাশে থাকে তাহলে সে ‘ইয়ার হামুকাল্লাহ’ বলবে।

‘ইন্নালিল্লাহ’ এর প্রতি উত্তরে কি বলতে হয় - দোয়া করলে জবাবে কি বলতে হয়

অনেকে ভেবে থাকেন শুধু মৃত্যু সংবাদ শুনলে ‘ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইনালিল্লাহ্র রাজিউন’ পরতে হয়। কিন্তু আসলে ব্যাপারটা সেরকম নয়। আল্লাহ মাঝে মাঝে বান্দার পরীক্ষা নেয়ার জন্য বিভিন্ন রকম কঠিন সময়ের মধ্যে ফেলেন। কঠিন বিপদে আপদে আল্লাহকে মনে করার জন্য ‘ইন্নালিল্লাহ’ পড়তে হয়। কিন্তু ‘ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহির রাজিউন’ এর উত্তরে কি বলতে হয় সে ব্যাপারে এখও সঠিকভাবে জানা যায়নি। 

কেউ ‘ইনশা আল্লাহ’ বললে কি বলতে হয় - কেউ দোয়া করলে উত্তরে কি বলতে হয় 

আপনি যখন কোনো কাজ ভবিষ্যতে করবেন বলে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করছেন অথবা আপনি কারো  কাছে কোন কাজের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হচ্ছেন তখন’ ইনশা আল্লাহ’ বলবেন। এর উত্তরে কিছু বলতে হয় না।

‘জাজাকা আল্লাহ’ এর উত্তরে কি বলতে হয় - কেউ দোয়া করলে জবাবে কি বলতে হয়

জাজাক আল্লাহ ব্যবহার করা হয় কারো প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য। কেউ জাজাকা আল্লাহ বললে তার উত্তরে বলতে হয় ‘হাইয়্যাকা’ আল্লাহ’।

‘ফি আমানিল্লাহ’ এর প্রতি উত্তরে কি বলতে হয় -দোয়া করলে উত্তরে কি বলতে হয় 

কেউ বিদায় চাইলে অথবা দোয়া চাইলে ফি আমানিল্লাহ বলতে হয়। এর মাধ্যমে বুঝিয়ে দেয়া তোমার নিরাপত্তা আল্লাহ এর নিকট সমপর্ণ করলাম।  ‘ফি আমানিল্লাহ’ এর প্রতিউত্তর কিছু বলতে হয় না। 

কেউ দোয়া করলে উত্তরে কি বলতে হয় - দোয়া করলে এর বিপরীতে কি বলতে  হয়

আপনি যদি একজন মুসলিম হয়ে থাকেন তাহলে আপনার উচিত জীবনের সর্ব কাজে আল্লাহ এর নিকট শরণাপন্ন হওয়া। আল্লাহ এর ইবাদাত করা। কেননা এত সুন্দর পৃথিবী এবং এই পৃথিবীকে বসবাসযোগ্য করে তোলার জন্য আল্লাহ তায়ালা সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। আর আমাদেরকে দিয়েছেন এই সুন্দর ভুবন।  আপনি এখন যে অবস্থাতেই রয়েছেন সেটা ভালো হোক কিংবা মন্দ সবকিছু আল্লাহ এর ইশারাই হচ্ছে কেননা একমাত্র উনিই জানেন আমাদের জন্য কোনটা ভালো আর কোনটা মন্দ। কারো সাথে দেখা হলে অথবা কোনো কিছু দেখতে ভালো লাগলে সবসময় আল্লাহকে মনে করতে হবে। কেউ দোয়া করলে উত্তরে কিছু বলতে হয়। এখন অনেকের অজানা দোয়া করলে উত্তরে কি বলতে হয় তা। দোয়া করলে উত্তরে কি বলতে হয় জানতে এই পোস্টটি পড়ুন এবং আমাদের সাথে থাকুন।   

আপনি যদি এখন কোনো খারাপ অবস্থায় থেকে থাকেন তাহলে মনে রাখবেন আল্লাহ এর নিকট আপনার জন্য এই সাময়িক কষ্টের তুলনায় আরো অনেক ভালো কিছু অপেক্ষা করছে। তাই হতাশ হবেন। আল্লাহকে স্মরণ করুন। আল্লাহ এর কাছে শুকরিয়া আদায় করুন। বিপদে আপদে আল্লাহ এর ইবাদাত করুন। প্রত্যেক মুহুর্তে আল্লাহকে স্মরণ করার জন্য আপনাকে প্রত্যেক মুহুর্তে ইবাদাত করতে হবে। দোয়া করতে হবে। যেকোন কাজের শুরু করতে হবে আল্লাহর এর নাম করে। কাজের শুরু করতে হবে ‘ বিসমিল্লাহ’ বলে।  কাজটিতে সফলতা আসলে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলুন। সফলতা না আসলেও ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলুন। কেননা এই বিফলতার পেছনে নিশ্চয় ভালো কিছুই অপেক্ষা করছে। 

আল্লাহর বান্দা হিসেবে প্রতিনিয়ত তাঁর ইবাদাত করার একজন মুসলিম হিসেবে নৈতিক দায়িত্ব। প্রতিনিয়ত ইবাদাত করা সম্ভব তখনই যখন আপনি প্রতি মুহুর্তে , প্রতিটি কাজের মাধ্যমে আল্লাহকে মনেকরবেন। কিভাবে আল্লাহকে কাজের মাধ্যমে স্মরণ করবেন তাঁর কিছু নমুনা এই পোস্টে দেয়া হয়েছে। আশা করি আপনারা উপকৃত হবেন। এসব দোয়ার মাধ্যমে সবসময় আল্লাহ এর ইবাদাতের চেষ্টা করবেন। ‘গুড মর্নিং’। ‘গুড নাইট’ , ‘ধন্যবাদ’ , ‘স্বাগতম’ এর পরিবর্তে আল্লাহ নাম স্মরণ করুন সবসময়। আল্লাহ এর প্রতি শুকরিয়া আদায় করুন প্রতিটি কাজের মাধ্যমে। কারো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট সেকশনে জানাবেন।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?