অর্ডিনারি আইটি https://www.ordinaryit.com/2021/04/9th-class-assignment.html

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বিজ্ঞান, বাংলা, ইংরেজি সমাধান

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বা নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বিজ্ঞান বা ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বিজ্ঞান সমাধান খুঁজছেন? ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বাংলা সমাধান বা নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সমাধান দেখুন।


নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর বা নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর চাচ্ছেন? যেকোন সমাধান পেতে পড়তে থাকুন আমাদের পোস্ট আর জেনে নিন আপনার প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর-

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ | এসাইনমেন্ট কি?

আমরা বর্তমান প্রজন্মের প্রায় সবাই এই এসাইনমেন্ট কথাটির সাথে কম বেশি পরিচিত। বর্তমানে স্কুল বা বিদ্যালয়ে এমনকি কলেজেও আমরা প্রায়ই দেখে থাকি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরণের বাসার কাজ দেওয়া হয় যেগুলো হতে পারে একক ভাবে অথবা দলগত ভাবে সম্পাদন করার জন্য। এসব কাজ অনেক সময় বইয়ের মধ্যেই থাকে সামাধান আবার অনেক সময় নিজের বুদ্ধি এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হয়। তখন প্রয়োজন হয় নানা রকম পারিপার্শ্বিক সাহায্যের।

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ | নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর

এই সমস্ত কাজ দলগত ভাবে বা একক ভাবে সম্পাদন করে তা শিক্ষকের নিকট সুসজ্জিত করে একটা খসড়া কপি জমা দেওয়া হয়। শিক্ষক এই কপিটিকে পরবর্তীতে মূল্যায়ন করেন এবং এর ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি মার্কিং করেন। পরীক্ষার ফলাফলের সময় জানা যায় এসাইনমেন্ট এর ফলাফল। মূলত শিক্ষার্থীদের মেধার মূল্যায়ন এবং সৃজনশীলতা নির্ণয়ের মাধ্যম হিসেবে এই ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১-কে বেছে নেওয়া হয়েছে।

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ এবং দেশের করোনা পরিস্থিতি

গত বছরের ৮ ই মার্চ দেশে করোনা রোগী সনাক্ত এবং ১৮ ই মার্চ সর্বপ্রথম রোগীর মৃত্যু নিশ্চিত করণ হওয়ার পর থেকেই সবার মনে আতকং শুরু হয়। এর পরবর্তীতে দেশে ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয় যা ৬৬ দিন পর্যন্ত অব্যহত ছিল। পরে ১লা জুন আবার দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরতে শুরু করে।
৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ | নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর
দেশ স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরতে শুরু করলেও সরকার কোন রকমের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। বরং বারবার সিদ্ধান্ত নিতে যেয়েও শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে সরকার পিছিয়ে গেছে। এরূপ একটা পরিস্থিতে লাইফ রিস্ক নিয়ে শিক্ষার্থীদের কোন বিপদে না ফেলে সরকার তাদের জন্য ঘরোয়া ভাবেই পড়ালেখার মধ্যে রাখার জন্য বিভিন্ন উদ্দ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্দ্যোগের একটি হলো ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ লেখা।
 

বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী ডঃ দিপু মণি ৩০ মার্চ স্কুল এবং ঈদের পর ২৪ মে থেকে বাকি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা দিলেও করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হন তিনি। ফলে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে না আসা পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কবে খোলা হবে বা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বিষয়ক কোন সিদ্ধান্তই সরকার এখনই দিতে পারছে না। এজন্য আমাদের আরো অপেক্ষা করতে হবে।

নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বিজ্ঞান | ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১

৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের জন্য প্রতি সপ্তাহে ২টি বিষয়ের উপর এসাইনমেন্ট প্রদান করা হবে। এসাইনমেন্ট শেষ করে তা জমা দেওয়া পর পরের সপ্তাহের জন্য আবার এসাইনমেন্ট প্রশ্ন দেওয়া হবে এবং তা শিক্ষার্থীদের সংগ্রহ করতে হবে। এরপর তা সমাধান করে পুনরায় তা জমা দিতে হবে। এভাবে নবম শ্রেণীর এসাইনমেন্ট সম্পন্ন করা হবে।

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ | নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর

এ সম্পর্কিত যাযবতীয় তথ্য পাবেন সরকারের শিক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট dshe.gov.bd এ। চলুন তাহলে এবার দেরি না করে দেখে নেওয়া যাক ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বিজ্ঞান, বাংলা এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সমাধান। 

২০২১ সালের ৯ম শ্রেণির ১ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয়েছে গত ১৬ মার্চ ২০২১ তারিখে।

নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বিজ্ঞান | ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বিজ্ঞান সমাধান

বৃহস্পতিবার প্রমার আম্মু চাল, ডাল, উদ্ভিজ্জভোজ্য তেল, সবজি এবং মাংস মিশিয়ে খিচুড়ি রান্না করলেন। বিকেলে প্রমা পেয়ারে খেতে খেতে তার আব্বুকে বললো যে কাল তারা বাইরে বেড়াতে যাবে এবং বাইরে খাবে। কথামত শুক্রবারে তারা বাইরে গিয়ে দুপুরে ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, সফট ড্রিংক এবং বিকেলে বার্গার খেলো।
ক) প্রমার গৃহীত খাবারগুলোর মধ্যে কোন খাবারটি ভিটামিন E সমৃদ্ধ?
খ) উল্লেখিত খাবারগুলোর মধ্যে কোন খাবার উদ্ভিজ্জ উৎস ও কোন কোন খাবার প্রাণিজ উৎস থেকে পাওয়া তা ছকের মাধ্যমে দেখাও।
গ) বৃহস্পতিবার প্রমার গৃহীত খাবারের একটি সুষম খাদ্য পিরামিড এঁকে উপস্থাপন কর?
ঘ) প্রমার স্বাস্থ্য রক্ষায় কোন দিনের খাবারটি অধিকত সহায়ক? যুক্তিসহকারে বিশ্লেষণ কর।

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ | নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর

উত্তরঃ
ক) সব রকম উদ্ভিজ্জ ভােজ্য তেলে ভিটামিন E পাওয়া যায়। উল্লিখিত প্ৰমার গৃহীত খাবার গুলাের মধ্যে উদ্ভিজ্জ ভােজ্য তেল জাতীয় খাবারটি ভিটামিন E সমৃদ্ধ।

খ) উল্লিখিত খাবারগুলাের মধ্যে যে খাবার উদ্ভিজ্জ উৎস এবং যে যে খাবার প্রাণীজ উৎস থেকে পাওয়া যায় তা ছকের মাধ্যমে দেখানাে হলােঃ

উদ্ভিজ্জ উৎস

প্রাণীজ উৎস

শ্বেতসার/ শর্করাঃ চালডালউদ্ভিজ্জ তেল এবং সবজি

গ্লাইকোজেনঃ পশু  পাখি জাতীয় উপাদান যেমন- মুরগীকবুতর প্রভৃতি  প্রাণীর মাংসে গ্লাইকোজেন নামক শর্করা থাকে


গ) সুষম খাদ্যের পিরামিড নিচে দেওয়া হলো-
 
আমরা জানি যে, প্রতিটি খাদ্য গুনাগুন অনুসারে থাকে এবং যে খাদ্য গ্রহণ করলে দেহে কাজকর্মের জন্য উপযুক্ত পরিমাণ শক্তি বা ক্যালোরি সমান ভাবে একই খাবারে পাওয়া যায় তাকে সুষম খাদ্য বলে। উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রমার গৃহীত খাবার ও সুষম খাদ্যের মধ্যে পড়ে।
অন্যদিকে, স্নেহ ও চর্বি জাতীয় খাদ্য কে সাজালো যে কাল্পনিক পিরামিড তৈরি হয় তাকে সুষম খাদ্য পিরামিড বলে। এই পিরামিড এর দিকে তাকালে যেকোন ধরনের খাদ্য উপাদান একটি সম্পূর্ণ খাদ্যে রয়েছে বা একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য কতটুকু খেতে তার একটা ধারণা পাওয়া যায়।

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ | নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর

ঘ) প্রমার স্বাস্থ্য রক্ষায় বৃহস্পতিবার রান্না করা খাবার অধিকতর সহায়ক। কারণ ঐ দিনের রান্না করা খাবারের প্রয়োজন শর্করা ও আমিষের পরিমাণ বিদ্যমান আছে। কিন্তু প্রমা পরেরদিন বাইরে বেড়াতে গিয়ে যে খাবারগুলো গ্রহণ করেছে তা ফাস্টফুড বা জাংক ফুড এর আওতাভুক্ত। কারণ হচ্ছে এটি এমন এক ধরনের খাবার যা স্বাস্থ্যগত উপাদান এর পরিবর্তে মুখরোচক স্বাদের জন্য উৎপাদন করা হয়। 
 
এগুলো খেতে খুব সুস্বাদু মনে হতে পারে কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই এই খাবার শরীরের জন্য ভালো নয় বরং ক্ষতিকরও বটে। আবার সুস্বাদু করার জন্য এতে প্রায় অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ থাকে যেগুলো অস্বাস্থ্যকর।  ফাস্টফুডে সাধারণত প্রচুর পরিমাণে প্রাণীজ চর্বি ও চিনি থাকে।  বার্গার, চিকেন পিজ্জা, কেক কিংবা ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন এ উচ্চমাত্রায় প্রাণীর চর্বি থাকে। 

নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর | ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১

সফট ড্রিংস কোকাকোলার মত গ্যাসীয় পানিতে অতিরিক্ত চিনি দ্রবীভূত করা থাকে। যা হার্ট এটাকের বা ফেইলর এর ঝুকি বাড়ায়। আবার ফাস্টফুডে আমাদের জন্য দরকারি ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের অভাব রয়েছে। ফাস্টফুড খাওয়ার কারণে উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েদের দেহ কম বয়সেই স্থূলকায় হয়ে পড়ে। তাই এ ধরনের খাবারের চেয়ে প্রাকৃতিক সজীব খাবার স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো।

অর্থাৎ বলা যায় যে, প্রমার স্বাস্থ্য রক্ষায় প্রথম দিনের গৃহীত খাবারটি পরের দিনের খাবারের তুলনায় অধিকতর সহায়ক এবং স্বাস্থ্যপোযোগী।
 
                                  -------------------------------------------------------

শিক্ষার্থী হিসেবে তোমার ২৪ ঘন্টার একটি রুটিন তৈরী কর এবং সেখানে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উপস্থাপন কর।
ক) তিনবেলার খাবার, টিফিন ও বিকালের নাস্তা
খ) বিশ্রাম (ঘুম) ও শরীর চর্চা
গ) সারাদিনের কার্যাবলী (পড়ালেখা, ঘরের কাজ, বাইরের কাজ ইত্যাদি)
ঘ) খেলাধুলা (বাড়িতে)
ঙ) প্রার্থণা
চ) অবসর

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ | নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর

উত্তরঃ

 

সময়

 

সারাদিনের কাজ

০৫:৩০ – ০৬:০০ টা

ফজরের নামাজ

০৬:০০ – ০৯:০০ টা

বাংলা এবং ইংরেজি পড়া (২য় ও ১ম পত্র)

০৯:০০ – ১০:০০ টা

সকালের নাস্তা এবং সল্প বিরতি

১০:০০ – ১১:৩০ টা

গণিত

১১:৩০ – ১২:৩০ টা

বাসার ও অন্যান্য কাজ

১২:৩০ – ০২:০০ টা

গোসল, নামাজ, দুপুরের খাওয়া

০২:০০ – ০৫:০০ টা

বিশ্রাম বা ঘুম

০৫:০০ – ০৬:৩০ টা

খেলাধুলা, নামাজ, পারিবারিক গল্প

০৬:৩০ – ০৭:১৫ টা

মাগরিবের নামাজ এবং নাস্তা

০৭:১৫ – ০৯:০০ টা

নিজ নিজ বিভাগের অন্যান্য বিষয় পড়া

০৯:০০ – ১০:০০ টা

নামাজ এবং রাতের খাবার

১০:০০ – ১১:০০ টা

যে যে বিষয়ে কম পড়া আছে সেগুলো পুনরায় পড়া

১১:০০ – ০৫:৩০ টা

ঘুম

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বাংলা সমাধান  |  ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১


‘বই পড়া’ শিরোনামে প্রবন্ধটির আলােকে শিক্ষার্থীরা অনুচ্ছেদটি রচনা করবে। প্রয়ােজনে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি’ বই থেকে অনুচ্ছেদ লেখার নিয়ম জেনে নিবে।
বিষয়বস্তুঃ ‘স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব
 
উত্তরঃ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে লব্ধ শিক্ষা পূর্ণাঙ্গ নয় বলে ব্যাপকভাবে বই পড়া দরকার। যথার্থ শিক্ষিত হতে হলে মনের প্রসার দরকার। তার জন্য বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে। অন্যদিকে বই-ই হচ্ছে মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ আর পাশাপাশি শ্রেষ্ঠ বন্ধুও বটে। এটি এমন বন্ধু যার সাথে পার্থিব কোনাে সম্পদের তুলনা হতে পারে না। একদিন হয়তাে পার্থিব সব সম্পদ বিনষ্ট হয়ে যাবে, কিন্তু একটি ভালাে বই থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান কখনাে নিঃশেষ হবেনা, বরং তা চিরকাল জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখবে অন্তরে।

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বাংলা | নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর

লেখক বলেছেন, সুশিক্ষিত লােক মাত্রই স্বশিক্ষিত। আমাদের পাঠচর্চায় অনভ্যাস যে শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটির জন্য ঘটছে তা সহজেই লক্ষণীয়। আর্থিক অনটনের কারণে অর্থকরী নয় এমন সবকিছুই এদেশে অনর্থক বলে বিবেচনা করা হয়। সেজন্য বই পড়ার প্রতি লােকের অনীহা দেখা যায়। অর্থাৎ আমাদের উদ্দেশ্য হতে হবে জ্ঞানার্জন করা।

ব্যায়াম যেমন আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখে তেমনি বই পড়ার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের মনকে সুস্থ ও আনন্দিত রাখতে পারি। একটি ভালাে বই মানুষের মনশ্চক্ষু যেমন খুলে দেয়, তেমনি জ্ঞান ও বুদ্ধি কে প্রসারিত ও বিকশিত করে মনের ভিতর আলাে জ্বালাতে সাহায্য করে।

আবার, সাহিত্যচর্চা হচ্ছে শিক্ষার সর্ব প্রধান অঙ্গ। আর সাহিত্য চর্চা করার জন্যই আমাদের বই পড়তে হবে। তাই, স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম।

নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সমাধান  |  ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১

নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সমাধান বা ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ এর শিক্ষার্থীদের হজন্য এর সমস্ত সমধান নিয়ে আমরা অরডিনারি আইটির পক্ষ থেকে সবসময় তৎপর আছি। তাই দেরি না করে চলুন দেখে নিই

কাজ সম্পাদনাঃ
১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৭০ সাল বাংলাদেশের ইতিহাস বিনির্মানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন কিছু সময়। এর মাঝে কোন সালের ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে অধিকতর প্রেরণা যুগিয়েছিল বলে তুমি মনে কর? যুক্তিসহ তোমার মতামত তুলে ধর।

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ ইংরেজি | নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর

উত্তরঃ
১৯৫২, ১৯৬৬,১৯৭০ সালগুলাের সাথে সম্পর্কিত ঘটনাগুলি নিম্বে ধারাবাহিক ভাবে উল্লেখ করা হলােঃ

১৯৫২ সাল (ভাষা আন্দোলন)

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান গঠনের পর পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিবিদরাই পাকিস্তান সরকারের প্রাধান্য পায়। পাকিস্তান সরকার ঠিক করে উর্দু ভাষাকে সমগ্র পাকিস্তানের জাতীয় ভাষা করা হবে, যদিও পূর্ব পাকিস্তানে উর্দু ভাষার চল ছিলাে খুবই কম। পূর্ব পাকিস্তানের বাংলা ভাষাভাষী মানুষ (যারা সংখ্যার বিচারে সমগ্র পাকিস্তানে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিলেন) এই সিদ্ধান্তকে মােটেই  মেনে নিতে চায়নি।
 
 
পূর্ব পাকিস্তানে বাংলাভাষার সম-মর্যাদার দাবীতে শুরু হয়। আন্দোলন। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর খাজা নাজিমুদ্দিন জানান যে পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে। এই ঘােষণার ফলে আন্দোলন আরাে জোরদার হয়ে ওঠে। পলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে মিটিং-মিছিল। ইত্যাদি বে-আইনি ঘােষণা করে। ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে এই আদেশ অমান্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর অনেক ছাত্র ও আরাে কিছু রাজনৈতিক কর্মীরা মিলে একটি  মিছিল শুরু করেন। মিছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ-এর কাছে এলে পুলিশ মিছিলের উপর গুলি চালায়।

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় | নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর

গুলিতে নিহত হন আব্দুস সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার, শফিউর রহমান সহ আরাে অনেকে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সারা পূর্ব। পাকিস্তানে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে ও তীব্র আকার ধারন করে। অবশেষে পাকিস্তান সরকার বাধ্য হয় বাংলা ও উর্দু ভাষাকে সমমর্যাদা দিতে।

এই ভাবে গড়ে উঠে ভাষা সংগ্রাম এবং যার পরবর্তীরূপ হিসেবে আমরা পেয়েছি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা।

১৯৬৬ সাল (ছয় দফা)

১৯৬৬ সালে সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক ৬ দফা। ঐতিহাসিক ৬ দফার প্রবক্তা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পূর্ব । বাংলার জনগণের প্রতি পাকিস্তান রাষ্ট্রের চরম বৈষম্যমূলক আচরণ ও অবহেলার বিরুদ্ধে আন্দোলন ও সংগ্রাম সুস্পষ্ট রূপ লাভ করে ছয় দফার স্বায়ত্তশাসনের দাবিনামায়। ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহােরে অনুষ্ঠিত বিরােধী দলসমূহের এক। সম্মেলনে যােগদান করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান। সেখানে তিনি সংবাদ সম্মেলন করে পূর্ব সেখানে তিনি সংবাদ সম্মেলন করে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য ছয় দফা দাবি তুলে ধরেন। দফাগুলাে হলােঃ

১ম দফাঃ লাহাের প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানের জন্য সত্যিকার অর্থে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। সরকার হবে সংসদীয় পদ্ধতির। সর্বজনীন ভােটাধিকারের ভিত্তিতে সকল প্রাপ্ত বয়স্কের ভােটে জাতীয় ও প্রাদেশিক আইনসভাগুলাে গঠিত হবে।

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ ইংরেজি | নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর

২য় দফাঃ যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের হাতে থাকবে দেশরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়। অবশিষ্ট সকল বিষয় প্রদেশের হাতে থাকবে ।

৩য় দফাঃ দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজ বিনিময়যােগ্য মুদ্রা চালু থাকবে অথবা দেশের দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে। তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা ও মূলধন অন্য অঞ্চলে পাচার হতে না পারে।

৪র্থ দফাঃ সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে তবে কেন্দ্রিয় সরকারের ব্যয় নির্বাহের জন্য আদায় কৃত অর্থের একটি অংশ কেন্দ্রিয় সরকার পাবে ।

৫ম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্যি ও বৈদেশিক মুদ্রার উপর প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা থাকবে। সকল প্রকার বৈদেশিক চুক্তি ও সহযােগিতার ব্যাপারে প্রাদেশিক সরকার দায়িত্ব পালন করবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা যুক্তিযুক্ত হারে উভয় সরকার কর্তৃক মেটানাে হবে।

৬ষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য আঞ্চলিক সরকারগুলাে স্বীয় কর্তৃত্বাধীন আধা সামরিক বাহিনী (প্যারা মিলিশিয়া) গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে।

ছয় দফা কর্মসূচির মূল আবেদন ছিল পূর্ব পাকিস্তান শুধু একটি প্রদেশ নয় বরং একটি স্বতন্ত্র স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল । সকল প্রকার শােষণ ও বঞ্চনার অবসান ঘটানােই ছিল এর লক্ষ্য।

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বাংলা | নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর

১৯৭০ (নির্বাচন)

অশান্ত রাজনৈতিক পরিবেশে ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ জেনারেল ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং সমগ্র পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন। জাতির উদ্দেশে এক বেতার ভাষণে তিনি ১৯৭০ সালের ৫ই অক্টোবর সর্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে পাকিস্তানের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা প্রদান করেন।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি রাজনৈতিক দলসমূহ

জাতীয় পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর। প্রাদেশিক পরিষদসমূহের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯ ডিসেম্বর। নির্বাচনে ২৪টি রাজনৈতিক দল এবং বেশ কিছু স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলগুলোর মধ্যে  উল্লেখযোগ্য হচ্ছে আওয়ামী লীগ, পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পি.পি.পি), ন্যাপ (ওয়ালী খান), মুসলিম লীগের বিভিন্ন গ্রুপ, জামায়াত-ই-ইসলামী, জমিয়তে উলামা-ই-ইসলাম, জমিয়তে উলামা-ই-পাকিস্তান, নিজামে ইসলাম, পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টি (পি.ডি.পি) ইত্যাদি।

ফলাফল

নির্বাচনী ফলাফলনির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায, জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন (৭টি মহিলা আসনসহ) লাভ করে। জাতীয় পরিষদের ৩১৩টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন পেয়ে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পায়। জাতীয় পরিষদে পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দকৃত ১৪৪টি আসনের মধ্যে ৮৮টি আসন লাভ করে ভূট্টোর পিপলস পার্টি। প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৮৮টি আসন লাভ করে। প্রদত্ত ভোটের ৮৯ ভাগ পায় দলটি। আওয়ামী লীগ সংরক্ষিত ১০টি মহিলা আসন সহ নির্বাচনে ৩১০টি আসনের মধ্যে সর্বমোট ২৯৮টি আসনলাভ করে।

১৯৭০ এর নির্বাচনের গুরুত্ব

১৯৭০ এর নির্বাচনের গুরুত্ব অপরিসীম। এর ফলে পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী বিপাকে পড়ে যায়। শেখ মুজিব তথা বাঙ্গালির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর ছাড়া আর কোন পথ খোলা ছিল না। নিম্নে ১৯৭০ এর নির্বাচনের  গুরুত্ব বর্ণনা করা হল-

(১) নির্বাচনের মধ ̈দিয়ে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের জয় হয়েছে। কারণ আওয়ামী লীগের বিজয় ছিল বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদেরই বিজয়।

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বাংলা | নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর

(২) জনগণ ছয়দফা প্রশ্নে আওয়ামী লীগকে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে। নির্বাচনে জয়লাভ করেআওয়ামী লীগের ছয় দফা থেকে সরে আসার পথ খোলা ছিল না।

(৩) এই নির্বাচনের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে যায়, পাকিস্তান ভৌগোলিক কারণে কার্যত বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেননা পাকিস্তানের  কোন রাজনৈতিক দল বা নেতার পাকিস্তনের দু’অংশে গ্রহণযোগ ̈তা ছিল না।

অতএব, দেখা যাচ্ছে যে, তৎকালীন সময়ের ১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৭০ সাল গুলো বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক গুরুত্বপুর্ণ অধ্যায় বহণ করে। এসব সালে একটি দেশ জন্মের জন্য যেসকল গুরুত্বপূর্ন ইতিহাস থাকে সেসব সমস্ত ইতিহাস এসব সালের মধ্যেই আছে।

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বিজ্ঞান | নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর

অতএব, দেখা যাচ্ছে যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রকাশিত বিভিন্ন কার্যকলাপের মধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য নেওয়া এই ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ বা নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট উত্তর বা নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর অনেক উপকারী একটি উদ্দ্যোগ।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?