OrdinaryITPostAd

ফাইভারে অর্ডার ডেলিভারি টাইম বাড়ানোর সঠিক নিয়ম

 ফাইভারে ফেক বায়ার বোঝার ১০টি উপায় ফাইভারে অর্ডার ডেলিভারি টাইম বাড়ানোর সঠিক নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান? তবে আপনি একদম ঠিক জায়গায় এসেছেন। কেননা আজকে আমি আমার সম্পূর্ণ আর্টিকেলটিতে এই বিষয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিস্তারিত আলোচনা করব। তাই বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

ফাইভারে-অর্ডার-ডেলিভারি-টাইম-বাড়ানোর-সঠিক-নিয়ম
বর্তমানে অনেকেই এই বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে জানে না। তাই আপনিও যদি এই বিষয়ে জানতে চান তবে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ে নিন। আশা করি আমার এই আর্টিকেলটি পড়ে উপকৃত হবেন।

পেজ সূচিপত্রঃ ফাইভারে অর্ডার ডেলিভারি টাইম বাড়ানোর সঠিক নিয়ম

ফাইভারে অর্ডার ডেলিভারি টাইম বাড়ানোর সঠিক নিয়ম

ফাইভারে অর্ডার ডেলিভারি টাইম বাড়ানোর সঠিক নিয়ম হলো ভয় না পেয়ে সরাসরি বায়ারের সাথে প্রফেশনাল আলোচনার মাধ্যমে সময় বাড়ানো। যখন আপনি কোনো প্রজেক্ট হাতে নেন তখন সময়সীমা মেনে কাজ জমা দেওয়া আপনার প্রধান কাজ। তবে কোনো কারনে যদি নির্দিষ্ট সময়ে কাজ জমা দেওয়া সম্ভব না হয় তবে দ্রুত বায়ারকে জানানো প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

শুরুতে আমাদেরকে ফাইভারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট গুগলে সার্চ করে বের করতে হবে। তারপর সেখানে প্রবেশ করে ডান দিকে নিচে একটি অপশন দেখতে পারবেন যেখানে লেখা আছে support। সেখানে দুইটা অপশন দেখতে পারবেন একটা হল FAQs আর আরেকটা হল resolution center। এই দুইটার মধ্যে resolution center অপশনে ক্লিক করতে হবে। 
ফাইভারে-অর্ডার-ডেলিভারি-টাইম-বাড়ানোর-সঠিক-নিয়ম
তারপর আপনাকে সে অপশনের ভিতর প্রবেশ করাবে। সেখানে একটা অপশন দেখতে পারবেন যার তিনটা পয়েন্ট থাকবে। তার মধ্য থেকে আপনাকে extend the delivery time অপশনে ক্লিক করতে হবে। করার পরে অটোমেটিক আরো কয়েকটা অপশন চলে আসবে সামনে। 
ফাইভারে-অর্ডার-ডেলিভারি-টাইম-বাড়ানোর-সঠিক-নিয়ম
ছবিতে দেওয়া কয়েকটি অপশনের মধ্যে আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে others নামক অপশনে। সেখানে ক্লিক করলে আপনি একটা বার দেখতে পারবেন যেখানে লিখে কন্টিনিউ করতে হবে। 
ফাইভারে-অর্ডার-ডেলিভারি-টাইম-বাড়ানোর-সঠিক-নিয়ম
সেখানে আপনাকে আপনার উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে সময় চাওয়ার জন্য একটা ছোট মেসেজ লিখতে হবে। তারপর নিচে দেওয়া বাটন continue অপশনে ক্লিক করতে হবে। 
ফাইভারে-অর্ডার-ডেলিভারি-টাইম-বাড়ানোর-সঠিক-নিয়ম
তারপরে আরেকটি ইন্টারফেস আসবে যেখানে আপনার লেখা থাকবে extend delivery time এবং তার নিচে সময়ের জন্য একটি ঘর থাকবে যেখানে আপনি কতদিন সময় নিবেন সেটা সিলেক্ট করতে পারবেন। আর তার নিচে আরেকটি ঘর দেখতে পারবেন যেখানে আপনাকে আপনার বায়ারের সাথে কথা বলার জন্য একটা ছোট নোট লিখতে হবে। তারপরে নিচে দেওয়া বাটন send এ ক্লিক করতে হবে।
ফাইভারে-অর্ডার-ডেলিভারি-টাইম-বাড়ানোর-সঠিক-নিয়ম
ঠিক তার পরপরি আরেকটা ইন্টারফেস আসবে যেখানে লেখা থাকবে request submitted। তখন আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার রিকোয়েস্টটা বায়ারের কাছে পাঠানোর জন্য সাবমিট করা হয়ে গেছে।
ফাইভারে-অর্ডার-ডেলিভারি-টাইম-বাড়ানোর-সঠিক-নিয়ম
তারপরে একবার রিফ্রেস করার পরে দেখতে পারবেন request open নামে একটি অপশন। যার নিচে লেখা থাকবে view request। আপনাকে সেখানে সরাসরি ক্লিক করতে হবে। তাহলে আপনি জানতে পারবেন যে আপনার দেওয়া মেসেজ কিভাবে করে বায়ারের কাছে গেছে। 
ফাইভারে-অর্ডার-ডেলিভারি-টাইম-বাড়ানোর-সঠিক-নিয়ম
ছবিতে দেওয়া যে ইন্টারফেস এসেছে সেখানে আপনি কত দিন সময় নিয়েছেন এবং কি কারণ দেখিয়েছেন বায়ারের কাছে সেটা ভালোমতো দেখতে পারবেন। পরবর্তীতে যদি আপনি মনে করেন যে এই রিকোয়েস্টটা ডিলিট করে দিবেন তাহলে নিচে দেওয়া বাটন আছে Withdraw request। সেখানে ক্লিক করলে আপনার রিকোয়েস্ট টা বরাবর ডিলিট হয়ে যাবে। এভাবে করে আপনি আপনার ডেলিভারি টাইম বাড়াতে পারবেন ফাইভারে।
ফাইভারে-অর্ডার-ডেলিভারি-টাইম-বাড়ানোর-সঠিক-নিয়ম
সবসময় মনে রাখবেন ডেলিভারি টাইম বাড়ানোর অনুরোধ কেবল তখনই করা উচিত যখন সেটি একদম অনিবার্য। বারবার এই ধরনের অনুরোধ করা আপনার প্রোফাইলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই কাজ নেওয়ার সময় নিজের সক্ষমতা যাচাই করে ডেডলাইন সেট করা জরুরি। তবে আমার মতে জরুরি প্রয়োজনে সঠিক পদ্ধতিতে আবেদন করলে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই বায়াররা বিষয়টি ভালোভাবে গ্রহণ করেন।

ফ্রিল্যান্সিংয়ে ডেডলাইনের চূড়ান্ত গুরুত্ব

ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে ডেডলাইন বা নির্দিষ্ট সময়সীমা হলো আপনার পুরো ক্যারিয়ারের ভিত্তি। আপনি যখন কোনো কাজ নির্দিষ্ট সময়ে জমা দেন তখন ক্লায়েন্ট আপনার ওপর আস্থা রাখতে শুরু করেন। সময়নিষ্ঠতা আপনার কাজের মানকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে। আমি দেখেছি অনেক ফ্রিল্যান্সার কাজের চাপে পড়ে ডেডলাইনের গুরুত্ব ভুলে যান। যা পরবর্তীতে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় বলে আমার ধারণা। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার প্রবণতা আপনার ব্যক্তিগত টাইম ম্যানেজমেন্ট দক্ষতাও বাড়িয়ে দেয়। এটি শুধু বায়ারকে খুশি করে না বরং আপনাকে আরও বেশি প্রোডাক্টিভ করে তোলে।
ফ্রিল্যান্সিংয়ে-ডেডলাইনের-চূড়ান্ত-গুরুত্ব
আপনি যদি সময়মতো কাজ শেষ করতে অভ্যস্ত হন তাহলে খুব দ্রুত আপনি ফাইভারে লেভেল বা র‍্যাঙ্ক অর্জন করতে পারবেন। আমি মনে করি এটি আপনার কাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাবের প্রতিফলন ঘটায়। এছাড়া সময়মতো কাজ জমা দেওয়া আপনার পোর্টফোলিওকে সমৃদ্ধ করে। বায়ার যখন ফিডব্যাক দেন তখন ডেলিভারি টাইম বা অন টাইম ডেলিভারি একটি বড় প্রভাব ফেলে। এই সূচকটি ভালো থাকলে সার্চ রেজাল্টে আপনার গিগের অবস্থান অনেক উপরে থাকে। তাই ডেডলাইনকে সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন এবং সময়ের সাথে আপোষ করবেন না। তাই আমি বলব ফাইভারে অর্ডার ডেলিভারি টাইম বাড়ানোর সঠিক নিয়ম সম্পর্কে আমাদের সকলের জেনে রাখা উচিত।

অর্ডার দেরি হওয়ার সাধারণ কারণসমূহ

অর্ডার বিলম্ব হওয়ার অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে। যার কিছু আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকে আবার কিছু থাকে না। কারিগরি ত্রুটি যেমন বিদ্যুৎ বা ইন্টারনেটের সমস্যা একটি বড় কারণ। আবার অনেক সময় প্রজেক্টের রিকোয়ারমেন্ট বুঝতে দেরি হলেও ডেলিভারি পিছিয়ে যায়। প্রযুক্তিগত সমস্যাগুলো সবসময় আমাদের হাতে থাকে না। তবে সেগুলোর জন্য প্রস্তুতির অভাব থাকলে তা আপনার ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য হতে পারে বলে আমি মনে করি। ব্যক্তিগত অসুস্থতা বা জরুরি পারিবারিক সমস্যার কারণেও কাজের গতি কমে যেতে পারে। যা বায়ারের মনে খারাপ প্রভাব ফেলে।
তবে অনেক সময় বায়ারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ফাইল বা তথ্য দিতে দেরি হওয়ার ফলে পুরো প্রজেক্টের সময়সীমা এলোমেলো হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে ধৈর্য হারালে চলবে না। নিজের সমস্যাগুলো গুছিয়ে নিয়ে দ্রুত বায়ারকে জানানোই সেরা সমাধান হিসেবে আমি জানি। প্রজেক্টের শুরুতে কাজের ব্যাপ্তি বা স্কোপ ঠিকমতো বিশ্লেষণ না করার কারণেও সমস্যা হয়। অনেক ফ্রিল্যান্সার কাজের জটিলতা আন্দাজ করতে না পেরে খুব কম সময়ের মধ্যে ডেডলাইন সেট করে ফেলেন। আমি মনে করি এ ধরনের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের প্রজেক্টে আরও সতর্ক থাকা উচিত। কাজের সঠিক পরিকল্পনা থাকলে বিলম্ব হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।

বায়ারের সাথে পেশাদার যোগাযোগ

পেশাদার যোগাযোগ হলো ফ্রিল্যান্সিংয়ের মেরুদণ্ড। বায়ারের সাথে কথা বলার সময় সবসময় নম্র ও মার্জিত ভাষা ব্যবহার করা উচিত। আপনার কোনো সমস্যার কথা বায়ারকে জানানোর সময় এমনভাবে উপস্থাপন করুন যাতে তারা বুঝতে পারেন যে আপনি তাদের কাজের বিষয়ে সচেতন। আপনার কথার মধ্যে যেন সততা ফুটে ওঠে। এটি বায়ারের মনে আপনার প্রতি সম্মান বৃদ্ধি করবে বলে আমি মনে করি। কখনোই অস্পষ্ট কথা বলবেন না। আপনার যদি সত্যি বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হয় তবে ঠিক কতদিন সময় লাগবে তা নির্দিষ্ট করে বলুন। এতে বায়ারের পরিকল্পনা করতে সুবিধা হয়।

ফাইভারের রেজুলেশন সেন্টার ব্যবহার

ফাইভারের রেজুলেশন সেন্টার হলো বায়ার এবং সেলারের মধ্যকার সব জটিলতা সমাধানের একটি অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম। ডেলিভারি টাইম বাড়ানোর জন্য রেজুলেশন সেন্টার ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও সঠিক উপায়। এখানে গিয়ে Extend delivery date অপশনটি সিলেক্ট করার মাধ্যমে আপনি আপনার বায়ারকে একটি অফার পাঠাতে পারেন। এই অপশনটি ব্যবহারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো বায়ার যদি আপনার অফারটি এক্সেপ্ট করেন তবে আপনার অর্ডারের ডেডলাইন অটোমেটিক আপডেট হয়ে যাবে। যা আপনার কাজের ক্ষেত্রে অনেকটাই  সাহায্য করে থাকে বলে আমি মনে করি। 

এতে করে ফাইভারের সিস্টেমে কোনো ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার সুযোগ থাকে না। আমার মতে এটি সম্পূর্ণ প্রফেশনাল একটি পদ্ধতি যা আপনার প্রোফাইলের হেলথ বা রেটিংকে সুরক্ষিত রাখে। রেজুলেশন সেন্টারে যখন আপনি রিকোয়েস্ট পাঠান তখন অবশ্যই বায়ারের সাথে ইনবক্সেও বিষয়টি নিয়ে কথা বলে নিন। বায়ারকে জানান যে আপনি রেজুলেশন সেন্টারের মাধ্যমে রিকোয়েস্টটি পাঠিয়েছেন। এই সমন্বয় বায়ারের মনে আস্থার জন্ম দেয় এবং তারা সহজেই আপনার রিকোয়েস্টটি অনুমোদন করতে রাজি হয়ে যান। তাই আমি বলব ফাইভারে অর্ডার ডেলিভারি টাইম বাড়ানোর সঠিক নিয়ম সম্পর্কে আমাদের সকলের জেনে রাখা উচিত।

সময় বাড়ানোর আবেদন পদ্ধতি

প্রজেক্টের মাঝে বা শুরুতে যদি বুঝতে পারেন যে সময় লাগবে। তবে দ্রুত জানিয়ে দেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। আপনার দ্রুত সাড়া দেওয়া বায়ারের কাছে আপনার গুরুত্ব বাড়িয়ে দেয় বলে আমি মনে করি। আবেদনের ভাষা সহজ রাখুন যাতে বায়ার দ্রুত বুঝতে পারেন। আপনি কি কি কাজ সম্পন্ন করেছেন এবং কি কি বাকি আছে তার একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা দিতে পারেন। এটি বায়ারের বিরক্তি কমিয়ে আপনাকে সহায়তা করবে বলে আমি মনে করি। সঠিক পদ্ধতিতে আবেদন করলে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে না এবং প্রজেক্ট সুষ্ঠুভাবে সমাপ্ত হয়।

প্রজেক্টের গুণমান নিশ্চিতকরণ

আমার মতে যদি আপনি প্রমাণ করতে পারেন যে বাড়তি সময়ের বিনিময়ে আপনি প্রজেক্টের ভ্যালু বাড়াতে পারছেন তবে ভাই বায়ার আনন্দেই সময় দেবেন। গুণগত মান বৃদ্ধিই আপনার সফলতার চাবিকাঠি। সবশেষে আমি বলব কাজ জমা দেওয়ার আগে রিভিশন দিন। তাড়াহুড়োয় কাজ করলে অনেক ছোটখাটো ভুল থেকে যায়। সময় বাড়িয়ে নিয়ে সেই সময়টুকুতে নিজের কাজকে নিখুঁত করে তুলুন। প্রজেক্ট ডেলিভারির সময় বায়ার যখন সন্তুষ্ট হন তখন রিভিশন দেওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। তাহলে দেখবেন বায়ার আপনাকে পুনরায় কাজ দেওয়ার আগ্রহ দেখাবেন।

বায়ারের আস্থা অর্জন প্রক্রিয়া

বায়ারের আস্থা অর্জন করতে হলে স্বচ্ছতা বজায় রাখা সবচেয়ে জরুরি। প্রজেক্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিয়মিত আপডেট দিন। বায়ার যেন মনে না করেন যে আপনি কাজ করছেন না। নিয়মিত যোগাযোগ আপনার প্রোফাইলকে অন্যদের থেকে এগিয়ে রাখে এবং একটি শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তোলে। আপনার কাজের প্রতি বায়ারের কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে দ্রুত উত্তর দিন। বায়ারের মতামতকে সম্মান করুন এবং সে অনুযায়ী কাজ পরিবর্তন করুন। আপনার ভালো আচরণ বায়ারকে বারবার আপনার কাছে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে যা দীর্ঘমেয়াদী আয়ের উৎস হতে পারে বলে আমি মনে করি ।
তাই আমি বলব বায়ারের চাহিদাকে নিজের কাজের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন। অনেক সময় বায়ারের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একে পেশাদার পর্যায়ে রাখুন। তাদের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিন। বায়ার যখন বুঝতে পারেন যে আপনি তার প্রজেক্টকে নিজের প্রজেক্টের মতোই গুরুত্ব দিচ্ছেন তখন ছোটখাটো ভুল বা ডেলিভারিতে দেরি হলে তারা তা ক্ষমা করে দেন। কেননা পেশাদারিত্বই আস্থার মূল ভিত্তি। তাই আমি বলব ফাইভারে অর্ডার ডেলিভারি টাইম বাড়ানোর সঠিক নিয়ম সম্পর্কে আমাদের সকলের জেনে রাখা উচিত। কারণ এতে কাজে মান তুলনামুলক ভাবে অনেক ভালো হয়।

ডেডলাইন মিসের মারাত্মক কুফল

ডেডলাইন মিস করা ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এটি আপনার প্রোফাইলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফাইভারের অ্যালগরিদম নিয়মিত ডেডলাইন মিস করা ফ্রিল্যান্সারদের গিগগুলো সার্চের পেছনের সারিতে সরিয়ে দেয়। দেখবেন এর ফলে আপনার নতুন কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় এবং আয় কমে যায়। বায়ারের পক্ষ থেকে খারাপ ফিডব্যাক পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ আমার মনে হয় বায়ার আপনার উপর তার বিশ্বাস পুরোপুরি না হারালেও কিছুটা অবিশ্বাস করে থাকে। যা আপনার কাজের ক্ষেত্রে একটি খারাপ প্রভাব ফেলে।
ডেডলাইন-মিসের-মারাত্মক-কুফল
একটি খারাপ ফিডব্যাক আপনার প্রোফাইলের রেটিং কমিয়ে দেয়। যা নতুন ক্লায়েন্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া অর্ডারের পেমেন্ট পাওয়ার ক্ষেত্রেও জটিলতা হতে পারে যদি বায়ার অসন্তুষ্ট হন। আপনার সব পরিশ্রম তখন বিফলে যেতে পারে বলে আমি মনে করি। বারবার ডেডলাইন মিস করলে আপনার অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে সাসপেন্ড বা ব্যান হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই যেকোনো অবস্থাতেই নিজের সময়ের প্রতি যত্নশীল হোন। কাজের চাপ সামলাতে না পারলে নতুন অর্ডার নেওয়া বন্ধ রাখুন। কিন্তু পুরনো অর্ডারগুলো দায়িত্ব নিয়ে শেষ করুন। সময়নিষ্ঠতাই আপনার সেরা সম্পদ বলে আমি মনে করি।

শেষ মন্তব্য

ফাইভারে অর্ডার ডেলিভারি টাইম বাড়ানোর সঠিক নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমে আপনি আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারকে আরও সুরক্ষিত ও পেশাদার করতে পারেন। ডেলিভারি সময় বাড়ানোর প্রয়োজন হওয়া মানেই আপনি ব্যর্থ নন বরং এটি প্রমাণ করে যে আপনি আপনার কাজের মানের সাথে আপোষ করতে রাজি নন। সুতরাং ভাই মনে রাখবেন এই ফিচারটি কেবল জরুরি পরিস্থিতিতেই ব্যবহার করা প্রয়োজন। আমি মনে করি সঠিক পরিকল্পনা ও যোগাযোগের মাধ্যমে আপনি যেকোনো বাধা জয় করতে পারবেন। 260435

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url