OrdinaryITPostAd

বাজেট ১৫০০ টাকায় কোন পাওয়ারব্যাংক ফোন নষ্ট করে না

 বাজেট ১৫০০ টাকায় কোন পাওয়ারব্যাংক ফোন নষ্ট করে না এই প্রশ্নটি আজকাল প্রায় প্রতিটি সচেতন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর মনে জাগে। কারণ সস্তা দামে পাওয়া পাওয়ার ব্যাংক পরবর্তীতে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারির জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।

বাজেট-১৫০০-টাকায়-কোন-পাওয়ারব্যাংক-ফোন-নষ্ট-করে-না

কিন্তু চিন্তার কোন কারণ নেই। কারণ সঠিক তথ্য ও মানদন্ড জানা থাকলে আপনি সহজে নিরাপদ টেকসই এবং কার্যকরী পাওয়ার ব্যাংক বেছে নিতে পারবেন। পাওয়ার ব্যাংক বেছে নেওয়ার জন্য কৌশল আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব।

পেজ সূচিপত্রঃ বাজেট ১৫০০ টাকায় কোন পাওয়ারব্যাংক ফোন নষ্ট করে না

বাজেট ১৫০০ টাকায় কোন পাওয়ারব্যাংক ফোন নষ্ট করে না

বাজেট ১৫০০ টাকায় কোন পাওয়ারব্যাংক ফোন নষ্ট করে না এই প্রশ্নটির উত্তর বর্তমানে অনেকেই জানার চেষ্টা করেন। কারণ বাজারে অনেক সস্তা পাওয়ার ব্যাংকে দেখতে সুন্দর হলেও ভিতরে লুকিয়ে থাকে ফোনে ব্যাটারির জন্য ভয়ংকর সব ঝুঁকি। তবে চিন্তার কোন কারণ নেই। কারণ সঠিক তথ্য ও মানদন্ড জানা থাকলে, আপনি সহজেই বেছে নিতে পারবেন। একটি ভাল পাওয়ার ব্যাংক যা আপনার ফোনকে নিরাপদে চার্জ দেবে এবং দীর্ঘস্থায়ী করবে। প্রথমে জেনে নিন একটি পাওয়ার ব্যাংক ফোন নষ্ট করে না। 

তার মূল চাবিকাঠি হলো বিল্ট ইন সুরক্ষা ব্যবস্থা। একটু ভালো পাওয়ার ব্যাংকে অবশ্যই ওভার সার্চ প্রটেকশন, শর্ট সার্কিট প্রোটেকশন, ওভার হিটিং প্রোটেকশন এবং হোল টেস্ট প্রটেকশন থাকতে হবে। এই প্রযুক্তি গুলো পাওয়ার ব্যাংকের সার্কিট বোর্ডে থাকলে তা আপনার ফোনে কোন ক্ষতিকর অতিরিক্ত কারেন্ট পাঠাবে না। আপনি যখন সস্তা দামে পাওয়ার ব্যাংক খুজবেন, তখন পণ্যের ডিটেলস এর মাল্টি প্রটেকশন বা সেফটি সার্কিট শব্দ গুলো খুঁজে দেখুন। 

আরো পড়ুনঃ পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ল্যাগ কমানোর নিয়ম

এই বাজেটে আপনার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ এবং বিশ্বস্ত অপশন গুলো হলো কিছু নির্দিষ্ট ব্রান্ডের পাওয়ার ব্যাংক ফিলিপস, রিয়েল মি এবং এমব্রেন এই পাওয়ার ব্যাংক গুলোর মূল্য সীমার মধ্যে উল্লেখযোগ্য। কিন্তু মডেল অফার করে বিশেষ করে এমব্রেনের ১০ হাজার এমএএইচ মডেল গুলোতে ডুয়াল আউটপুট প্রটেকশন এবং ভালো মানের সেল ব্যবহার করা হয়। যা ফোনের জন্য নিরাপদ।

ফোন নষ্ট করে না এমন পাওয়ার ব্যাংকের মূল বৈশিষ্ট্য

একটি নিরাপদ পাওয়ার ব্যাংকের মৌলিক বৈশিষ্ট্য গুলো চিন্তা করা খুবই জরুরী। একটি ভালো পাওয়ার ব্যাংক অবশ্যই সার্কিট প্রটেকশন সুবিধা সমৃদ্ধ হতে হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ওভার সার্চ প্রটেকশন, শর্ট সার্কিট প্রটেকশন, ওভার কারেন্ট প্রটেকশন, ওভার ডিসচার্জ প্রটেকশন এবং ওভার হিটিং প্রটেকশন। এই প্রটেকশন মেকানিজম গুলো পাওয়ার ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সার্কিট বোর্ডে ইমপ্লিমেন্ট এর থাকে এবং আপনার ফোনের ব্যাটারিতে কোন অতিরিক্ত চার্জ বা তাপ না গড়াতে সাহায্য করে। 

যখন আপনি কম বাজেটে একটি পাওয়ার ব্যাংক খুঁজছেন। তখন পণ্যের ডিটেইলস বা বক্সে এই প্রটেকশন ফিচার গুলো উল্লেখ আছে কিনা তা অবশ্যই দেখে নেবেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর আউটপুট কারেন্ট এবং ভোল্টেজের স্থিতিশীলতা একটি আদর্শ পাওয়ার ব্যাংক পাস ভোল্ট আউটপুট দিতে সক্ষম হয়। অনেক সস্তা পাওয়ার ব্যাংকে ভোল্টেজ ফ্লাকচুয়েট করে। যার ফোনের চার্জিং আইসির জন্য ক্ষতিকর তাই একটি মানসম্মত পাওয়ার ব্যাংকে ভোল্টেজ রেগুলেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কেন সস্তা পাওয়ার ব্যাংক ফোনের ক্ষতি করে 

অনেক কম দামের পাওয়ার ব্যাংক ফোনের ব্যাটারি এবং সার্কিটের জন্য হুমকি স্বরূপ হয়ে দাঁড়ায়। প্রথম এবং প্রধান কারণ হলো নিম্নমানের বা রিকন্ডিশন সেল ব্যবহার। কিছু অসাধু নির্মাতা পুরনো ল্যাপটপ বা অন্যান্য ডিভাইস থেকে খুলে নেওয়া ব্যবহৃত সেল গুলো পুনরায় ব্যবহার করে সস্তা পাওয়ার ব্যাংক তৈরি করা। এই সেল গুলোর ক্যাপাসিটি আসল থাকে না এবং এগুলো খুব দ্রুত ডিগ্রেড হয়। এমনকি ফুটে যাওয়া বা লীগ করার আশঙ্কাও থাকে। একটি রিকন্ডিশন সেলের অভ্যন্তরীণ রেজিস্ট্যান্স বেশি থাকে। 

ফলে চার্জ দেওয়ার সময় বেশি তাপ উৎপন্ন হয়। যা ফোনের ব্যাটারির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। দ্বিতীয় কারণ হলো প্রটেকশন সার্কিটের অনুপস্থিতি বা নিম্নমানের সার্কিট। একটি মানহীন পাওয়ার ব্যাংক খুব সহজেই ওভার সার্চ, ওভার হিট বা শর্ট সার্কিট এর শিকার হতে পারে। যখন আপনার ফোন চার্জিং সম্পন্ন হয়। তখন একটি স্মার্টফোন বা ভালো পাওয়ার ব্যাংক চার্জিং বন্ধ করে দেয়। কিন্তু সস্তা পাওয়ার ব্যাংকে এই ইন্টেলিজেন্ট সার্কিট না থাকায়, তা ফোনে ক্রমাগত কারেন্ট পাঠাতেই থাকে। এর ফলে ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হয় এবং এর আয়ু কমে যায।

নিরাপদ পাওয়ার ব্যাংক ব্যবসায়ের সুনির্দিষ্ট মানদন্ড 

সস্তায় কোন পাওয়ার ব্যাংক গুলো ফোন নষ্ট করে না তা নির্বাচন করতে হলে আপনাকে কিছু ক্লিয়ার মানদন্ড অনুসরণ করতে হবে। প্রথম এবং প্রধান মানদন্ড হল আউটপুট পর্ট ও পাওয়ার। আপনার ফোনটি যদি ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে, তাহলে পাওয়ার ব্যাংকটি ও সেই প্রযুক্তি সাপোর্ট করছে কিনা দেখুন। এই বাজেটে ১০ হাজার এমএএইচ ক্যাপাসিটির পাওয়ার ব্যাংকে একটি ৫ ভোল্ট আউটপুট পোর্ট  থাকা উচিত। কিছু পাওয়ার ব্যাংক এর ডুয়াল পোর্ট থাকে যেটি আরো ভালো কারণ। 

বাজেট-১৫০০-টাকায়-কোন-পাওয়ারব্যাংক-ফোন-নষ্ট-করে-না

আপনি দুটি ডিভাইস একসাথে চার্জ করতে পারবেন এবং উচ্চ কারেন্টের পোর্ট টি দিয়ে ফোন দ্রুত চার্জ করবেন। ক্যাপাসিটি এবং রেটেড ক্যাপাসিটি পনেরশো টাকার মধ্যে আপনি সাধারণত ১০ হাজার এম এ এইচ থেকে ১২ হাজার এম্প পর্যন্ত ক্যাপাসিটির পাওয়ার ব্যাংক পাবেন। কিন্তু মনে রাখবেন রেটেড ক্যাপাসিটি সব সময় রিয়েল ক্যাপাসিটির চেয়ে বেশি থাকে। একটি ভালো পাওয়ার ব্যাংক তার রেটেড ক্যাপাসিডের ৬০ থেকে ৭০% আউটপুট দিতে পারে। 

বাজেট ১৫০০ টাকায় প্রস্তাবিত কিছু নিরাপদ মডেল 

আমরা এখন কিছু নির্দিষ্ট মডেলের নাম উল্লেখ করবো। যা বাংলাদেশে বাজারের সহজলভ্য এবং বেশ ভালো সুরক্ষা ফিচার সরবরাহ করে। প্রথম প্রস্তাব হলো এমব্রেন দশ হাজার এম এএইচ মডেল। এমব্রেন তাদের ফোনে বেশ ভাল কোয়ালিটির সেল এবং সার্কিট ব্যবহার করে। তাদের ১০০০০ এমএএস মডেলটিতে ডুয়াল আউটপুট সেকশন এবং মেটাল বডি থাকে। যা তা দ্রুত সরিয়ে দিতে সাহায্য করে থাকে। এটি ১৫০০ টাকার কমেই পাওয়া যায় এবং ব্যবহারকারী রিভিউ বেশ ইতিবাচক দিয়ে থাকে।

দ্বিতীয় প্রস্তাব হলো রিয়েলমি পাওয়ার ব্যাংক রিয়েলমি তাদের ১০ হাজার এমএএস মডেলটি একটি প্রতিযোগিতা মূলক দামে নিয়ে আসে। যাতে ১৮ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট আছে। রিয়েলমি ব্র্যান্ড হিসেবে মোবাইল অ্যাক্সেসরিজে ভালো পরিচিত। তাই তাদের পাওয়ার ব্যাঙ্কেও সেই বিশ্বাসযোগ্যতা পাওয়া যায়। আরেকটি বিকল্প হিসেবে ফিলিপস লিথিয়াম পলিমার পাওয়ার ব্যাংক এর কথা বলাই যায়। ফিলিপস একটি আন্তর্জাতিক ও বিশ্বস্ত ব্রান্ড এবং তারা লিথিয়াম পলিমার সেল ব্যবহার করে। যা অধিক নিরাপদ। তাদের ডিজাইনটা সাধারণত কম্প্যাক্ট এবং হালকা হয়।

পাওয়ার ব্যাংক কেনার সময় যেসব জিনিস ধোকা দেওয়া হয়

আপনাকে কিছু প্রচলিত মার্কেটিং কৌশল বা ধোকা সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। প্রথম এবং সবচেয়ে বড় ধোকাটি হলো অতিরিক্ত ক্যাপাসিটর প্রলোভন। আপনি হয়তো ২০ হাজার এমএএইচ বা তার বেশি ক্যাপাসিটির পাওয়ার ব্যাংক মাত্র ১৫০০ টাকায় দেখতে পারেন। মনে রাখবেন এটা প্রায় অসম্ভব। আসল ক্যাপাসিটি হয়তো এর এক চতুর্থ অংশ হবে না। কারণ ভালো কোয়ালিটির সেল এবং সার্কিটের দামি অনেক বেশি। 

তাই অস্বাভাবিক ভাবে বেশি ক্যাপাসিড এর দাবি করা পাওয়ার ব্যাংক এড়িয়ে চলুন।দ্বিতীয় ধোকা হলো সেমসাং এর মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের নাম করে নকল পাওয়ার ব্যাংক বাজারে ভরপুর পাওয়া যায়। এগুলো দেখতে একদম আসলের মত হলেও ভিতরে থাকে নিম্নমানের যন্ত্রাংশ। ক্রয় করার সময় অথেন্টিকেশন স্টিকার কিউআর কোড এবং ব্র্যান্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সিরিয়াল নাম্বার চেক করার মাধ্যমে আসল নকল সনাক্ত করুন। 

আরো পড়ুনঃ ইউটিউব শর্টস থেকে ইনকাম না আসার ১০ টা আসল কারণ

আরেকটি প্রচারিত কৌশল হলো কভার অথবা বডির মোটা ও চকচকে উপস্থাপনা। অনেক পাওয়ার ব্যাংকের বাহিরের অংশটা খুব মজবুত ও আকর্ষণীয় দেখালেও তার অভ্যন্তরীণ ইলেকট্রনিক্স খুবই নিম্নমানের হতে পারে। ওজন দিয়েও কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। খুব হালকা পাওয়ার ব্যাংকে সাধারণত ছোট কভার বা খালি জায়গা বেশি থাকে। তাই এইসব পাওয়ার ব্যাংক কেনা থেকে বিরত থাকুন। 

পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি ও ভুল ধারণা 

বাজেট ১৫০০ টাকায় কোন পাওয়ারব্যাংক ফোন নষ্ট করে না এই প্রশ্নের উত্তর জানার পাশাপাশি একটি নিরাপদ পাওয়ার ব্যাংক এর সঠিকভাবে ব্যবহার করার নিয়ম জানাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় দামী এবং ভালো মানের পাওয়ার ব্যাংক গুলো ভুল ব্যবহারের কারণে ফোনের ক্ষতি করতে পারে। প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হল সর্বদা ভালো মানের এবং কমপক্ষে দুই এম্পিয়ার আউটপুট দেওয়া কেবল ব্যবহার করুন। পাওয়ার ব্যাংকের সাথে যে কেবলটি দেওয়া থাকে, সেটি ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।

বাজেট-১৫০০-টাকায়-কোন-পাওয়ারব্যাংক-ফোন-নষ্ট-করে-না

যদি সেটি নষ্ট হয়, তাহলে ভালো ব্র্যান্ডের একটি শর্ট এবং পুরো কেবল কিনে ব্যবহার করুন এবং পাতলা ক্যাবলে ভোল্টেজ ড্রপ হয়। বেশি গরম করতে পারে সম্পূর্ণ কর চার্জ ২০% এর নিচে নামার আগেই আবার চার্জে লাগানো উচিত। চার্জিং করার সময় পাওয়ার ব্যাংক এবং ফোন উভয়কে বায়ো চলাচল করে এমন খোলা স্থানে রাখুন। বিছানার নিচে বালিশের নিচে বা গাড়ির ড্যাশ বোর্ডে রেখে চার্জ দিলে অতিরিক্ত তাপ জমে যেতে পারে। যা সেলের জন্য খুবই বিপদজনক।

কিভাবে বুঝবেন আপনার পাওয়ার ব্যাংক ফোনের জন্য নিরাপদ নয় 

সস্তায় পাওয়ার ব্যাংক ফোন নষ্ট করে না তা নির্বাচন করার পরও প্রাপ্ত পণ্যটি সত্যি নিরাপদ কিনা তা যাচাই করার কিছু সহজ লক্ষণ আছে। প্রথম এবং স্পষ্ট লক্ষণ হল অস্বাভাবিকভাবে গরম হয়ে যাওয়া। পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহার করার সময় কিছুটা গরম হওয়া স্বাভাবিক। বিশেষ করে ফাস্ট চার্জিং এর সময়। কিন্তু যদি এটি এতটাই গরম হয় যে হাতে ধরে রাখতে কষ্ট হয় বা পোরার অনুভূতি আসে। তাহলে তাৎক্ষণিক ভাবে ব্যবহার বন্ধ করে দিন। ফোনের ব্যাটারি কেও অতি গরম করতে পারে। 

আরেকটি লক্ষণ হল চার্জ ধরে রাখতে না পারা। নতুন পাওয়ার ব্যাংকটি যদি চার্জ দেওয়ার পর খুব দ্রুত নিজে থেকে ডিসচার্জ হয়ে যায়। তাহলে এর সেল গুলো অকার্যকর বা পুরনো হতে পারে। দেশে আবার নামতেছে বা চার্জিং চলে যাওয়ার পরেও ফোনের ব্যাটারি প্রায় একই অবস্থায় থাকে। তাহলে বুঝতে হবে পাওয়ার ব্যাংকটির আউটপুট ঠিক নেই। ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকে বিভ্রান্ত করতে পারে।

ভ্রমণ ও দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য টিপস 

আপনি একটি পাওয়ার ব্যাংক কেনার পর তা ভ্রমনে বা দৈনন্দিন জীবনে কিভাবে সর্বোত্তম ব্যবহার করবেন সেটি জানাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম টিপসই হল ভ্রমণের সময় পাওয়ার ব্যাংকের শক্ত কোন ক্যাশ বা আলাদা পকেটে রাখুন। চাবি, কয়েন বা অন্য কোন ধাতব বস্তুর সাথে পাওয়ার ব্যাংক রাখবেন না। কারণ এই বস্তু গুলো পাওয়ার ব্যাংকের পোর্ট বা বডি সাথে লাগলে শর্ট সার্কিট হতে পারে। বিমান ভ্রমণের সময় পাওয়ার ব্যাংক অবশ্যই হ্যান্ড ব্যাগে রাখতে হয়। লাগেজে নয়। ১০ হাজার এম এএইচ পর্যন্ত ক্যাপাসিটির পাওয়ার ব্যাংক সাধারণত বিমানের নেওয়ার অনুমতি থাকে। 

আরো পড়ুনঃ উইন্ডোজ ১১ এর নতুন ৮টি ফিচার সম্পর্কে জানুন

তবে এ নির্দিষ্ট এয়ারলাইনে নিয়ম আগে থেকে জেনে নিন। কোন ধরনের পাওয়ার ব্যাংক আপনি নিতে পারবেন। দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য পাওয়ার ব্যাংক থেকে প্রচন্ড রোধ বা গরম পরিবেশ থেকে দূরে রাখুন। উচ্চ তাপমাত্রা লিথিয়াম সেল এর শত্রু। দ্বিতীয় নিয়মিত পাওয়ার ব্যাংক পরিষ্কার করুন। কিছুদিন পরপর একটি শুকনো নরম কাপড় দিয়ে পাওয়ার ব্যাংকের বডি এবং চার্জিং পোর্ট গুলো মুছে নিন। ধুলাবালি জমে গিয়ে চার্জিং কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে এবং ভিতরে ঢুকে সমস্যা তৈরি করতে পারে। 

শেষ কথাঃ বাজেট ১৫০০ টাকায় কোন পাওয়ারব্যাংক ফোন নষ্ট করে না 

বাজেট ১৫০০ টাকায় কোন পাওয়ারব্যাংক ফোন নষ্ট করে না এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করেছি। আশা করি এখন আপনার কাছে স্পষ্ট হয়েছে যে এই বাজেটে নিরাপদ পাওয়ার ব্যাংক কেনা কোন দুরূহ কাজ নয়। শুধু প্রয়োজন সঠিক জ্ঞান এবং একটু সচেতনতা। একটি ভালো পাওয়ার ব্যাংক কোন একক ব্র্যান্ডের নামের সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি একটি গুণের সমষ্টি। পাওয়ার ব্যাংক এর মধ্যে থাকতে হবে গুণগত শেল, মাল্টি লেয়ার সুরক্ষা, সার্কিট স্থিতিশীল আউটপুট, বিশ্বস্ত ব্রান্ডের ওয়ারেন্টি এবং ইতিবাচক ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা। 

মনে রাখবেন সবচেয়ে সস্তা অপশনটি সব সময় সেরা বা নিরাপদ নয়। কখনো কখনো ১৫০০ টাকার বদলে ১৩০০-১৪০০ টাকা দিয়ে যদি একটি ভালো ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট পাওয়া যায়, তাহলে সেটি অবশ্যই বেছে নিবেন। কিন্তু সেই সামান্য বেশি ইনভেস্টমেন্ট আপনার হাজার হাজার টাকার স্মার্টফোনকে সুরক্ষিত রাখবে। আপনার ফোনের ব্যাটারি এবং অভ্যন্তরীণ সার্কিটের দাম পাওয়ার ব্যাংক এর চেয়ে বহুগুণ বেশি। তাই পাওয়ার ব্যাংক এর ক্ষেত্রে কখনোই কম্প্রোমাইজ করবেন না। আপনার স্মার্টফোন এবং আপনার নিরাপত্তা সুরক্ষিত থাকুক। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url