OrdinaryITPostAd

পনেরশো টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার

সেরা স্মার্টফোন গ্যাজেট সম্পর্কে আলোচনা

পনেরশো টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার এ বিষয়টি জানতে হলে আজকের লেখাটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ডিভাইস এর পরিণত হয়েছে আমাদের জীবনে কারণ এটি ফোনে কথা বলার পদ্ধতিকে আরও সহজ করে দিয়েছে।

পনেরশো-টাকার-নিচে-কোন-ব্লুটুথ-কলিং-সাউন্ড-ক্লিয়ার

এখন কোন ফোন আসলে মোবাইল বের করে কথা বলার প্রয়োজন পড়ে না। বরং এই ডিভাইসটির মাধ্যমে খুব সহজেই কানে লাগানো অবস্থাতেই ফোন যদি পকেটে থাকে তারপরেও কথা বলা যায়। এছাড়াও এতে বিনোদনের মাত্রাকে অন্য পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। 

পেজ সূচিপত্রঃপনেরশো টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার

পনেরশো টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার

বর্তমানে ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড সিস্টেম সম্পর্কিত হেডফোনগুলো খুবই জনপ্রিয়। শুধু প্রয়োজনেই নয়, আধুনিকতা ও জীবনযাত্রাকে সহজ করার জন্য প্রায় সবাই এই হেডফোন গুলো ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু নামকরা ব্র্যান্ডের হেডফোনের দাম অনেক বেশি যা প্রায় তিন থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে পড়ে যায়। কিন্তু ১৫০০ টাকার মধ্যেও অনেক সুন্দর হেডফোনগুলো কিনতে পাওয়া যায় যা নয়েজ ক্যান্সলেশন, অডিও কোয়ালিটি এবং কলিং সিস্টেম হিসেবে বেশ ভালো কার্যকর।

বর্তমানে Hoco এর হেডফোন প্রজন্মের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এছাড়াও Hailou HQ5 Plus হেডফোনটি পনেরশো টাকার মধ্যে খুবই ভালো কাজ করে। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়া বর্তমানে একটি হেডফোন যার মার্কেট প্রাইজ এক হাজার টাকা যার নাম হচ্ছে ক্যাট হেডফোন যেটি এখন খুব ভাইরাল। এছাড়াও m10 টি ডব্লিউ এস ইয়ার বার্ডস হিসেবে বেশ জনপ্রিয় এবং দাম হিসেবে নাগালের মধ্যে। এছাড়াও Mortola Wireless Headphone Escape 220 হেডফোনটি পনেরশো টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

এছাড়াও রয়েছে Oraimo OHP-317,JBL TUNE 500 হেডফোনগুলোর ব্লুটুথ কার্যক্ষমতা পাঁচেরও বেশি যা মোবাইলের সাথে সংযোগ হতে খুবই সুবিধা হয়। বাজারে আরও লোকাল হেডফোন পাওয়া যায় যেগুলো দাম ১ হাজার টাকার মধ্যেই। কিন্তু বাজেটের মধ্যে ব্র্যান্ডের হেডফোন এগুলো খুবই ভালো এবং কার্যকরী। এইসব ব্রান্ডের হেডফোনের সাথে এক থেকে দুই মাসের ওয়ারেন্টি প্রদান করা হয়। এসব হেডফোনগুলো ব্যাটারি ক্ষমতা এক দিনের থেকেও অনেক বেশি থাকে।

ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড সিস্টেম কি

ব্লুটুথ হচ্ছে এমন একটি ডিভাইস যেটি হেডফোনের সাথে মোবাইলকে সংযোগ প্রদান করে এবং এর মাধ্যমে মোবাইলের কাজ যেমন গান শোনা, ফোনে কথা বলা ইত্যাদি এগুলো হেডফোনের মাধ্যমে করা যায়। মূলত ডিভাইসের নিজস্ব স্পিকার ও মাইক্রোফোন সুবিধার জন্য অডিও তারবিহীন মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারে যার জন্য ফোন ধরার প্রয়োজন পড়ে না। সাধারণত খুবই ব্যস্ত কাজের মধ্যে বা গাড়ি চালানোর সময় ফোন ধরার প্রয়োজন পড়ে না।

পনেরশো-টাকার-নিচে-কোন-ব্লুটুথ-কলিং-সাউন্ড-ক্লিয়ার

স্মার্ট ওয়াচের মধ্যেও ব্লুটুথ রয়েছে যার জন্য কে ফোন দিল বা কোন টেক্সট আসলো কিনা এই ধরনের নোটিফিকেশন যাচাই করা জনিত সহ প্রাথমিক অনেক কাজ এই ডিভাইসের মাধ্যমে করা যায়। তখন ছোট ছোট কাজের জন্য ফোন ধরার প্রয়োজন পড়ে না। বর্তমানে এই ব্লুটুথ সিস্টেম যুক্ত ডিভাইস ভীষণ জনপ্রিয় হচ্ছে। এটি জীবনযাত্রাকে আরো সহজ করে দিচ্ছে। দেখা যাচ্ছে অনেক ভিড় এলাকায় থাকলে মোবাইল বের করলে চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই সিস্টেম যুক্ত করা থাকলে মোবাইল বের না করেই ফোন ধরা যায়।

নয়েজ ক্যান্সলেশন কি

পনেরশো টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার জানতে হলে আগে এটা জানতে হবে যে এই নয়েজ ক্যান্সলেশন এর মাধ্যমে কি সুবিধা পাওয়া যায়। এটি এমন একটি সিস্টেম যেখানে কোন ধরনের অপ্রয়োজনীয় বা অবাঞ্চিত শব্দ থাকলেও এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সে শব্দটি দূর হয়ে যায় যার জন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ অডিও বা মিটিং করার সময় শব্দ দূষণের মুখোমুখি হতে হয় না। শব্দ দূষণ রোধ করার জন্য এটি একটি কার্যকরী প্রক্রিয়া যেগুলো বিভিন্ন হেডফোন, এয়ার বার্ডস এগুলোতে থাকে।

আরও পড়ুনঃ ওয়াইফাই ছাড়া সিসিটিভি কানেক্ট করার উপায় কি

সাধারণত ডিভাইসের ভেতরে যে মাইক্রোফোন থাকে সেটি বাহিরের পরিবেশের কোন অবাঞ্চিত আওয়াজ আছে কিনা সেগুলো শুনে। তারপর তার বিরুদ্ধে একটি বিপরীত তরঙ্গ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে যার কারণে বাইরে থেকে আসা শব্দের তরঙ্গ এবং এই বিপরীত তরঙ্গ একসাথে মিলে মিশে এটাকে প্রশমিত বা বাতিল করে যার জন্য অডিও উপভোগ করার সময় বাহিরের থেকে কোন আওয়াজ পাওয়া যায় না। বর্তমানে এই সিস্টেমটি ও বেশ তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় হচ্ছে।

কোন ব্র্যান্ডের হেডফোনের রিভিউ অনেক ভালো

পনেরশো টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার সেটা সম্পর্কে জানলাম কিন্তু এসব হেডফোনের রিভিউ কেমন এবং সাধারণ মানুষ ব্যবহার করে তাদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি কেমন সে সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। কারণ কোন অন্য কেনার আগে অবশ্যই সেই পণ্যের রিভিউ যাচাই-বাছাই করে নিলে টাকা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। পনেরশো টাকার মধ্যে hoco ও hailou এর হেডফোন বেশ জনপ্রিয় এবং রিভিউ বেশ ভালো। এছাড়াও রয়েছে realme,JBL,M19 TWS, এবং P47 wireless headphone।

এসব হেডফোনগুলো বর্তমান বাজারেও বেশ জনপ্রিয় বিশেষ করে দারাজ নামের অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এই হেডফোনগুলো প্রচুর পাওয়া যায় এবং মানুষ খুব ভালো পরিমাণের সাড়া দেয় এইসব হেডফোন ক্রয়ের জন্য। বিশেষ করে এই hoco হেডফোন এবং P47 এর ওয়ারলেস হেডফোন ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করে বেশ ভালো অভিজ্ঞতা হয়েছে এবং দামটিও নাগালের মধ্যেই। তাই সাশ্রয়ের মধ্যে দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা পেতে চাইলে এসব হেডফোন একবার ব্যবহার করে নেওয়া উচিত।

১৫০০ টাকার নিচে এসব হেডফোনের পারফরম্যান্স কেমন

ব্যক্তিগতভাবে সাশ্রয়ের মধ্যে হেডফোন কিনলে মোটামুটি ভালোই পারফরম্যান্স দেয় কিন্তু তিন থেকে চার হাজার টাকা দামের হেডফোনের সাথে পারফরম্যান্স তুলনা করাটা ভুল। হেডফোনের সাউন্ড কোয়ালিটি এবং নয়েজ ক্যান্সলেশন সিস্টেম ভালো থাকলেও দামের কারণে ব্যাটারি কার্যক্ষমতাতে একটু পার্থক্য দেখা যায়। এছাড়াও দামি হেডফোনগুলোতে কিছু প্রিমিয়াম ফিচার থাকে যার জন্য এই সাশ্রয়ের মধ্যে হেডফোনের ক্ষেত্রে পার্থক্য দেখা যায়। এছাড়াও এই পনেরশো টাকার নিচের হেডফোন গুলার বডি প্লাস্টিক ধরনের হয়।

তবে এদের ব্যাটারি কার্যক্ষমতা দানের তুলনায় ভালই হয় যেমন গড়ে পাঁচ থেকে আট ঘন্টা পাওয়া যায়। এছাড়াও এদের ব্লুটুথ কানেক্টিভিটিও বেশ ভালো। তবে নির্দিষ্ট একটি সীমার মধ্যে থাকতে হয় কারণ এসব হেডফোনগুলো দূরবর্তী সীমা পর্যন্ত কভার করতে পারে না। তবে দামের নাগালের মধ্যে এসব হেডফোন খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। তবে মাঝেমধ্যে কিছুটা সংযোগের সমস্যা এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে অডিওর মান ও ব্যাটারি কার্যক্ষমতা একটু কমতে শুরু করে।

সেরা ব্লুটুথ অডিও কোয়ালিটি পাওয়ার উপায়

অনেক তো জানলাম যে পনেরশো টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার এবং এদের রিভিউ ও পারফরম্যান্স কেমন কিন্তু সেরা ব্লুটুথ অডিও কোয়ালিটি পেতে গেলে কি কি সেটিংস ও ডিভাইসের উৎস ও মেশিনের সম্পর্কে জানতে হবে। এটা মূলত তাদের জন্য যারা অডিও কোয়ালিটি একদম প্রিমিয়াম মানের চায়। যারা নিজের ডিভাইসের মধ্যে কাস্টমাইজেশন এই ব্যাপারটা ভীষণ পছন্দ করে এটা তাদের জন্য ভালো হবে। ভালো অডিও কোয়ালিটি পাওয়ার জন্য উন্নত করে যেমন ভালো মানের অডিও সোর্স ব্যবহার করতে হবে।

পনেরশো-টাকার-নিচে-কোন-ব্লুটুথ-কলিং-সাউন্ড-ক্লিয়ার

এছাড়াও মোবাইলের সেটিংস অপশনে গিয়েও ব্লুটুথ কোডেক পরিবর্তন করে দেখতে হবে। এছাড়াও ফোনের সেটিংসে গিয়ে মিউজিক অ্যাপ এর মধ্যে ইকুলাইজার সেটিং নামের একটি অপশন রয়েছে সেখানে সাউন্ড এডজাস্ট করে সেটি প্রোফাইল নিজের মতন করে সাজিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

এছাড়াও কম্পিউটারে ঠিক করতে গেলে সেটির সাউন্ড সেটিংস এ গিয়ে ব্লুটুথ হেডফোন কে ডিফল্ট সেটিংস হিসেবে সেট করে নিতে হবে। বাজারে বা বিভিন্ন অনলাইন পেজে এসব অডিও ডিভাইসের অনেক কাস্টমাইজেশন ফিচার পাওয়া যায় সেগুলো ক্রয় করে নেওয়া যেতে পারে।

হেডফোন নাকি এয়ারপড-কোনটি ভালো

সত্যি বলতে হেডফোন এবং এয়ারপড দুইটাই ভালো। তবে ব্যবহারের উপরে নির্ভর করে যে কোনটা বেশি প্রয়োজন এবং উপযুক্ত। কারণ হেডফোন বড় দুইটা বাস থাকার কারণে এটার সাউন্ড কোয়ালিটি অনেক ভালো হয় এবং কথা বলার জন্য হেডফোন অনেক ভালো। সাধারণত কল সেন্টারে এবং গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে হেডফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়। নয়েজ ক্যান্সলেশনের জন্য হেডফোন খুবই কার্যকর এবং এটির ব্যাটারির কার্যক্ষমতা অনেক ভালো।

আরও পড়ুনঃ মোটরসাইকেল চুরি ঠেকানোর জন্য সেরা বাইক সিকিউরিটি লক

অন্যদিকে এয়ারপোড সুবিধা হচ্ছে এটি সহজেই বহন করা যায়। কোন অতিরিক্ত জায়গা নেয় না এবং যেকোনো জায়গায় সহজেই বহন করে নেওয়া যায়। তরুণ প্রজন্মের কাছে এই এয়ারপড ভীষণভাবে জনপ্রিয়। এছাড়াও ব্লুটুথ সংযোগ স্থাপনের জন্য এটি বেশ কার্যকর ও সহজেই এর ক্যাসিং এর মাধ্যমে দ্রুত চার্জ করানো যায়। কাউকে উপহার দেওয়ার জন্য এয়ারপড হতে পারে ভালো সামগ্রি।

ভালো হেডফোন চেনার উপায় কি

পনেরশো টাকার মধ্যে বেশ অনেক ভালো ভালো হেডফোন পাওয়া যায়। তারপরেও নিজের পছন্দের মত হেডফোন কিনতে হলে কিছু দিক অবশ্যই বিবেচনা করে নিতে হবে।পনেরশো টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার এটা জানার পাশাপাশি আরো কিছু দিক রয়েছে যেগুলো বিবেচনায় নিতে হবে। যেমন হেডফোনের বিল্ড কোয়ালিটি কেমন, ব্লুটুথ এর ফ্রিকুয়েন্সি কেমন, ব্যাটারি লাইফ কেমন, নয়েজ ক্যান্সলেশন সিস্টেমটা কতটা কার্যকর ইত্যাদি এই দিকগুলো ভালোভাবে দেখতে হবে।

এছাড়াও খেয়াল রাখতে হবে যে হেডফোনটি বহন করা কতটা সহজ এবং এটি ব্যবহারে কতটি আরাম দেয়। অনেক কম দামি হেডফোন রয়েছে যেগুলো সাউন্ড কোয়ালিটি এতটাই খারাপ যে পরে এর জন্য মাথা ঘুরে মাথা ব্যথা করে। তাই সেই সব যাচাই-বাছাই করে হেডফোনটি নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়াও হেডফোন নিজের পছন্দমত কাস্টমাইজ করে নেওয়া যেতে পারে। অবশ্য হেডফোন কেনার আগে দেখে নিবেন যে এটি কানের সাথে ভালোভাবে ফিট হচ্ছে কিনা।

হেডফোন নষ্ট হয়ে গেলে কি করবেন

হেডফোন নষ্ট হয়ে গেলে তা ফেলে দেওয়ার পূর্বে বা সার্ভিসিং করার পূর্বে একটু নিজেও দেখে সেটা বাসায় ঠিক করে নেওয়া যেতে পারে। প্রথমেই হেডফোনে কোন সমস্যা হলে আগে দেখতে হবে সমস্যাটা কোথায় তার নাকি বার্ডস এ। তার ঢিলে হয়ে যাওয়া ছিড়ে যাওয়া ও বার্ডস ভেঙে যাওয়া সাপেক্ষে এটি কচতেপ ও আঠা দিয়ে লাগিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এছাড়াও সংযোগ স্থাপনের পরে হেডফোনের জ্যা কে কোন সমস্যা আছে কিনা সেটা একবার যাচাই করে নিতে হবে। প্রয়োজনে ফোন রিস্টার্ট করে নেওয়া যেতে পারে।

লেখক এর মন্তব্য

পনেরশো টাকার নিচে কোন ব্লুটুথ কলিং সাউন্ড ক্লিয়ার এটা সম্পর্কে অনেক বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। সমস্ত দিক বিবেচনা করে এবং মার্কেটে কোন হেডফোনের চাহিদা কেমন সে সম্পর্কে বিশ্লেষণ করে এবং উল্লেখিত দিকগুলো বিবেচনায় নিয়ে একটা ভালো হেডফোন ক্রয় করা যেতে পারে। তবে অবশ্যই উচ্চমাত্রায় শব্দ ব্যবহার করে অডিও না শোনাই স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। এ বিষয়টার দিকেও আমাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে।22222

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url