AI ব্যবহার না করেও কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়ার কৌশল
২০টি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং শেখার প্রতিষ্ঠানAI ব্যবহার না করেও কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়ার কৌশল নিয়ে আজকে আমরা এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে জানবো। বর্তমান সময়ে AI এর ব্যবহার বেড়েই চলেছে যে কারণে AI এর ব্যবহার করে বিভিন্ন সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়।
আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা জানব কিভাবে AI এর ব্যবহার না করেও কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়া যায় এবং এর সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের কৌশল সম্পর্কে জানব। AI ব্যবহার না করেও কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়ার কৌশল নিয়ে জেনে নেই।
পেইজ সূচিপত্রঃ AI ব্যবহার না করেও কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়ার কৌশল
- AI ব্যবহার না করেও কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়ার কৌশল
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার না করার জন্য শিক্ষার্থীদের কিভাবে বোঝানো যায়?
- সমস্ত সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে?
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য 10 20 70 নিয়ম?
- কন্টেন্ট তৈরির জন্য সেরা এআই কোনটি?
- লেখার সময় এআই এড়ানোর উপায়?
- Chatgpt এর চেয়ে ভালো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আছে কি?
- এআই কি সোশ্যাল মিডিয়া দখল করবে?
- কিভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা যায়?
- শেষ বিশ্লেষণঃ লেখকের মন্তব্য
AI ব্যবহার না করেও কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়ার কৌশল
AI ব্যবহার না করেও কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়ার কৌশল নিয়ে জানা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, AI ব্যবহার না করে কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়ার কৌশল আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সাধারণত AI এর ব্যবহার করে কনটেন্ট লেখার মাধ্যমে যার ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। মূলত এই সকল সমস্যাগুলি সমাধানের উদ্দেশ্যেই AI এর ব্যবহার না করে কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়ার বিভিন্ন ধরনের কৌশল সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত ভাবে জানবো। চলুন প্রত্যেকটি বিষয় বিস্তারিত ভাবে ধাপে ধাপে শিখি।
আরো পড়ুনঃ ফ্রিল্যান্সিং শিখে প্রতিমাসে ৫০০০০ টাকা
তথ্যবহুল কনটেন্ট লেখাঃ AI এর ব্যবহার করে কনটেন্ট লেখার মাধ্যমে কনটেন্টগুলো তথ্যবহুল হলেও তা মানুষের ব্যবহার উপযোগী হয়ে ওঠেনা। AI এর ব্যবহার করে কনটেন্ট বানালে তা পড়তে ভালো লাগে না এবং মানুষ এতে স্বাচ্ছন্দ্যতা বোধ করে না। তাই অবশ্যই কনটেন্ট দেখার সময় তথ্যবহুল কনটেন্ট হচ্ছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এবং যথাযথ তথ্যগুলি প্রদানের মাধ্যমে কনটেন্ট গুলি তৈরি করতে হবে।
কনটেন্ট গুলো ইমোশনাল এবং বাস্তবধর্মী করে তৈরি করাঃ সাধারণত AI এর ব্যবহার কনটেন্ট গুলো কখনো বাস্তবধর্মী হয়ে ওঠে না। এবং AI এর ব্যবহার করে কনটেন্ট বানালে তা কখনো মানুষের ইমোশনের মত হয় না। সে কারণে অভিজ্ঞ ব্যক্তির যারা অনেকদিন থেকে ব্লগিংয়ের সাথে যুক্ত তারা AI এর ব্যবহার না করে কনটেন্ট বানানোর জন্য পরামর্শ দেয়।
কনটেন্ট এর মাঝে সত্য এবং সঠিক তথ্য উপস্থাপন করাঃ আমাদের মাঝে অনেকেই রয়েছে যারা কনটেন্ট ও সত্য এবং সঠিক তথ্য উপস্থাপন করে না। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মোকাবেলা হতে হয়। তাই গ্রাহকের আস্থা অর্জনের জন্য হলেও কনটেন্ট এর মাঝে সত্য এবং সঠিক তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। এর মাধ্যমে আপনাকে সবাই বিশ্বাস করবে এবং আপনার গ্রাহক সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকবে।
গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী কনটেন্ট বাড়ানোর চেষ্টা করাঃ সাধারণত আমাদের মাঝে অনেকেই রয়েছে যারা গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী কন্টেন্ট বাড়ানোর চেষ্টা করে। যারা গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী কন্টেন্ট বানানোর চেষ্টা করে তারা ভালো কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে বিবেচিত হয়। এবং যখন আপনি গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী কনটেন্ট তৈরি করবেন তখন গ্রাহকরা আপনার ওয়েবসাইটে বেশি সময় কাটাবে এবং ইনকামের পরিমাণ দিন দিন বাড়তে থাকবে।।
এআই ব্যবহার না করে বৈজ্ঞানিক তথ্যের উপর ভিত্তি করে কন্টেন্ট লেখাঃ সাধারণত বর্তমান সময়ে মানুষেরা বৈজ্ঞানিক তথ্যের উপর ভিত্তি করে কনটেন্ট চাই। এজন্য আপনারা সব সময় চেষ্টা করবেন বৈজ্ঞানিক তথ্যের উপর ভিত্তি করে কনটেন্ট লেখা এবং সঠিক এবং সত্য তথ্য উপস্থাপন করা। সাধারণত এআই ব্যবহারের মাধ্যমে কনটেন্ট গুলো আর মানুষের মত হয় না যা পড়তে কখনো কেউ স্বাচ্ছন্দতা বোধ করে না। এক্ষেত্রে সকলের বিশ্বাস এবং আস্থা স্থাপনের জন্য হলেও বৈজ্ঞানিক তথ্যের উপর ভিত্তি করে কনটেন্ট প্রদান করুন ভালো ফলাফল পাবেন।
AI ব্যবহার না করেও কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়ার কৌশল আমাদের সকলের মাঝে AI ব্যবহার না করে কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়ার কৌশল এর গুরুত্ব নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করবে। যা একটি কনটেন্ট ক্রিয়েটর জগতে সুন্দর জীবন গঠনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে যখন একজন মানুষ সঠিক তথ্য প্রদান করে কন্টেন্ট বানাবে। এই কনটেন্ট সবাই পড়ার মাধ্যমে উপকৃত হবে যার ফলে এটি সকলের মাঝে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সাহায্য করে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার না করার জন্য শিক্ষার্থীদের কিভাবে বোঝানো যায়
বর্তমান সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দিন দিন মেনে চলেছে। কৃত্রিম বুদ্ধমত্তা ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান দিন দিন কমতে থাকছে। শিক্ষার তারা এখন নতুন নতুন বিষয় আবিষ্কার করতে পারে না মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের কারণে। তাই শিক্ষার্থীদের কে বোঝাতে হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার না করার জন্য।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেমন আমাদের কাজ কে সহজ করে দিয়েছে ঠিক তেমন ভাবে আমাদের জ্ঞানের পরিধিকে কমিয়ে দিয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান দিন দিন কমতে থাকছে এবং নতুন কোন সৃজনশীলতা বাড়তে পারছে না। তাই মূলত শিক্ষার্থীদেরকে বুঝাতে হবে তারা যেন খুব বেশি পরিমাণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার না করে এবং তাদের জ্ঞানের প্রতি যত্ন নেয়।
সমস্ত সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে
সমস্ত সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম বিভিন্ন ভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে থাকে। বর্তমান মানুষ না মূলত সময়ে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে থাকে। এই সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশি রোমাঞ্চকর করার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা হয়। যার মাধ্যমে আমরা সবাই সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলোতেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে থাকি।
এক্ষেত্রে সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের অপশন প্রদান করা হয়েছে। যার মাধ্যমে মানুষ সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলোতেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে থাকে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে যখন একজন মানুষ সঠিক তথ্য প্রদান করে কনটেন্ট বানাবে। এই কনটেন্ট সবাই পড়ার মাধ্যমে উপকৃত হবে যার ফলে এটি সকলের মাঝে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সাহায্য করে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য ১০ ২০ ৭০ নিয়ম
সাধারণত গুগল থেকে রিসার্চ করে দেখা যায় যে আপনাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা জানতে চান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য ১০ ২০ ৭০ নিয়ম। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য ১০ ২০ ৭০ নিয়ম বর্তমান সময়ে অন্যতম একটি জনপ্রিয় নিয়ম। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য ১০ ২০ ৭০ নিয়ম বলতে বোঝানো হয়েছে এক্ষেত্রে সমাধানের ১০% হল অ্যালগরিদম নিজেই অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য ১০ ২০ ৭০ নিয়ম এর মডেল দ্বারা বোঝানো হয়েছে যেকোনো ধরনের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ১০% অ্যালগরিদম নিজেই এটি সমাধান করে থাকে।
এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য ১০ ২০ ৭০ নিয়ম এর ক্ষেত্রে ২০% ডেটা এবং প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর সাথে সম্পর্কিত। অর্থাৎ এর দ্বারা বোঝানো হয়েছে ২০ শতাংশ এবং প্রযুক্তিগত কাঠামো ব্যবহার করা হয়। এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য ১০ ২০ ৭০ নিয়ম এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ, ৭০%, মানুষ, সংস্কৃতি এবং পরিবর্তন ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত। আর তাদের দ্বারা বোঝানো হয়েছে সত্তর শতাংশ যা মানুষের প্রয়োজনের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়।
কন্টেন্ট তৈরির জন্য সেরা এআই কোনটি
আপনাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা জানতে চান কনটেন্ট তৈরির জন্য সেরা এআই কোনটি। কন্টেন্ট তৈরির জন্য বিভিন্ন ধরনের এআই রয়েছে। এক্ষেত্রে কন্টেন্ট তৈরির জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন ধরনের এআই ব্যবহার করে থাকে। এই এ আই গুলো ব্যবহারের মাধ্যমে তোরা সহজে কনটেন্ট তৈরি করতে পারে। এক্ষেত্রে কন্টেন্ট তৈরির জন্য সেরা এআই হচ্ছে চ্যাটজিপিটি।
মূলত বর্তমান সময়ে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে অনেকেই কনটেন্ট তৈরি করে থাকে এআই এর ব্যবহার এর মাধ্যমে। সাধারণত AI এর ব্যবহার করে কনটেন্ট লেখার মাধ্যমে যার ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। মূলত এই সকল সমস্যাগুলি সমাধানের উদ্দেশ্যেই AI এর ব্যবহার না করে কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়া।
লেখার সময় এআই এড়ানোর উপায়?
লেখার সময় এআই এড়ানোর বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি রয়েছে। যে উপায় গুলো ব্যবহার এর মাধ্যমে আপনারা আপনাদের লেখাকে এআই থেকে এড়ানোর উপায় হিসেবে কাজ করতে পারেন। তার মধ্যে অন্যতম উপায় হচ্ছে, নিজেই কনটেন্ট পড়ে ইডিট করা। অন্যতম কারণ হচ্ছে সাধারণত এহাই দ্বারা কনটেন্ট কখনো মানুষের ব্যবহার উপযোগী হয় না।
লেখার সময় এআই ব্যবহৃত কনটেন্টগুলো সব সময় রোবটিক আকার ধারণ করে। যার ফলে মানুষরা পড়তে স্বচ্ছন্দতাবোধ করেনা। এই জন্য লেখার সময় এআই এড়ানোর উপায় গুলো জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই জন্য লেখার সময় এআই এড়ানোর উপায় হিসেবে আপনারা নিজেরা কন্টেন্ট পড়ে সে কনটেন্টগুলোকে এডিট করার মাধ্যমে এআই এড়ানো যেতে পারে।
Chatgpt এর চেয়ে ভালো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আছে কি
বর্তমান সময়ে Chatgpt এর চেয়ে ভালো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আছে কি না এটা এমন একটি বিষয় যা আমাদের মাঝে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে বিভিন্ন দিক দিয়ে প্রভাবিত করে থাকে। যা আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। Chatgpt এর চেয়ে ভালো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আছে কি এটা অনেকেরই প্রস্ন।
বর্তমান সময়ে Chatgpt এর চেয়ে ভালো এমন অনেক ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আছে। যার মাধ্যমে Chatgpt এর চেয়ে ভালো ভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করা যায়। তবে আমাদের সকলের কাছেই Chatgpt সবচেয়ে জনপ্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হিসেবে বিবেচিত। যদিও গুগল জেমিনি, ক্লড এআই এবং পারপ্লেক্সিটি এআই-এর মতো বিভিন্ন ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলগুলি চ্যাটার্জিপিটি এর মত কাজ করে যাচ্ছে।
এআই কি সোশ্যাল মিডিয়া দখল করবে
সাধারণত গুগল থেকে রিসার্চ করে দেখা যায় যে আপনাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা জানতে চান এআই কি সোশ্যাল মিডিয়া দখল করবে। এ আই মূলত মানুষের চেয়ে বেশি স্পর্শকাতর হয়ে থাকে। মানুষের চেয়ে ভালোভাবে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য এআই খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আই মূলত সঠিকভাবে তথ্য প্রদানের জন্য সবাই মনে করে এ আই সোশ্যাল মিডিয়াকে দখল করে ফেলবে।
কিন্তু এআই খুব বেশি রোবটিক হওয়ার কারণে অনেকেই এআইয়ের থেকে মুখ সরিয়ে নিচ্ছে। সাধারণত এআই এর মাঝে ইমোশনের কোন ছাপ নেই যে কারণে কখনোই সামাজিক মিডিয়াকে দখল করতে পারবে না বলে অনেকেই মনে করে। কিন্তু মানুষ যেভাবে এআই ব্যবহার করে এবং ব্যবহার এর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে যার ফলে আশঙ্কা করা হয় এআই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিকে ছাড়িয়া যাবে।
কিভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা যায়
মূলত বিভিন্ন ধরনের উপায় এর মাধ্যমে কিভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা যায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার অন্যতম উপায় হচ্ছে মানুষকে বোঝানো। মানুষ যখন বুঝতে সক্ষম হবে এআই ব্যবহার করার ফলে তাদের সৃজনশীলতা কমে যাচ্ছে এবং নতুন নতুন বুদ্ধি বের করতে সমস্যা হচ্ছে। তখন তারা নিজে থেকে এই ব্যবহার হতেও নিরুৎসাহিত হবে।
আরো পড়ুনঃ সেরা ১৫টি ফ্রিল্যান্সিং শেখার প্রতিষ্ঠান
মানুষকে বৈজ্ঞানিক তথ্যের উপর ভিত্তি করে ব্যবহার করা থেকে নিরুৎসাহিত হওয়ার জন্য বোঝালে মানুষকে এআই ব্যবহার থেকে নিরুদসাহিত করাটা সম্ভব হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার অন্যতম উপায় হচ্ছে বুদ্ধি ভিত্তিক কাজ করানো। মানুষ যখন নিজের নিজের মাথা খাটিয়ে নতুন নতুন সদস্য গুলি সমাধান করবে তখন এ আই ব্যবহার তে নিরুৎসাহিত হবে।
শেষ বিশ্লেষণঃ লেখকের মন্তব্য
AI ব্যবহার না করেও কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়ার কৌশল গুলো ছাড়াও এআই ব্যবহার এর বিভিন্ন ধরনের বিষয় সম্পর্কে আজকের আর্টিকেল এর মাধ্যমে আমরা জেনেছি। এ আই মূলত আমাদের জীবনে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে থাকে। এ আই ব্যবহার করার যেমন সুবিধে রয়েছে ঠিক তেমন অসুবিধা রয়েছে। এক্ষেত্রে আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা সমগ্র ধারণাটি পেয়েছি। এক্ষেত্রে আমরা জেনেছি AI ব্যবহার না করেও কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়ার বিভিন্ন ধরনের কৌশল সম্পর্কে।
যা আমাদের ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারকে সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করবে। তাহলে, আজকে আর্টিকেল এর মাধ্যমে আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অর্থাৎ AI ব্যবহার না করেও কনটেন্ট লিখে ক্লায়েন্ট পাওয়ার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত ভাবে জেনে নিলাম, যা আমাদের জ্ঞানের পরিধিকে বাড়াতে সাহায্য করবে। এতক্ষণ সময় নিয়ে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন আপনার সুস্থতা কামনা করি। 250729




অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url