OrdinaryITPostAd

রমজানের ফজীলতের তাৎপর্য - রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস

আসসালামু আলাইকুম! আপনি কি রমজানের ফজীলত ও রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস সম্পর্কে জানেন? এই পোস্টে রমজানের ফজীলত ও রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস সম্পর্কে জানতে পারবেন। তাই রমজানের ফজীলত ও রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস সম্পর্কে জানতে পোস্টটি পড়ুন। 

এছাড়াও রমজানের হাদীস ও রমজানের ফজিলত আল কাউসার এবং রমজানের ফজিলত ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। পাশাপাশি মাহে রমজানের ফজিলত ও গুরুত্ব এবং রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব pdf ও পবিত্র মাহে রমজানের ফজিলত ও তাৎপর্য সম্পর্কেও জানতে পারবেন। যারা রমজানের ফজীলত ও রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস সহ অন্যান্য বিষয়ে জানতে চান তাদের জন্য পোস্টটি গুরুত্বপূর্ণ। তো চলুন রমজানের ফজীলত ও রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস সহ অন্যান্য বিষয় সম্পর্কিত পোস্টটি শুরু করি।

সূচিপত্র: রমজানের ফজীলত - রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস

রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস - রমজানের হাদীস 

মুসলিম জাতির জন্য রমজান মাস অধিক ফজিলত এর মাস। রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস রয়েছে অধিক। অধিকাংশ লোকেরাই রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস গুলো জানে না। তাই যারা রমজানের হাদীস কিংবা রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস গুলো সম্পর্কে অবগত নয় তাদের জন্য এই পাঠটি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের প্রত্যেকেরই জেনে রাখা দরকার রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস গুলো। কেননা রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস থেকে অনেক কিছু শিখা যায়। চলুন জেনে নিই রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস বা রমজানের হাদীস। 

রমজান হলো অত্যন্ত ফজিলতের মাস। এই মাস সম্পর্কে বিভিন্ন হাদীসে বিভিন্ন ব্যাখ্যা এসেছে। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) এর প্রিয় সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন, রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেন, যখন রমজান মাস আসে আসমানের দরজা গুলো খুলে দেওয়া হয় ও দোজখের দরজা গুলো বন্ধ করা হয়, আর শয়তানদের কে শৃঙ্খলিত করা হয়। (বুখারী, মুসলিম)। অপর হাদিসে এসেছে, হজরত আবু সাইদ (রা.) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে বান্দা আল্লাহর পথে একটি মাত্র রোজা রাখবে, তার বিনিময়ে সে বান্দা কে আল্লাহ জাহান্নাম থেকে ৭০ বছরের পথ পরিমাণ দূরত্বে রাখবেন। (বুখারি, হাদিস: ২৮৪০)। 

এছাড়াও আরো অনেক হাদীস রয়েছে। অতএব আমরা চেষ্টা করবো এই ফরজ রোজা গুলো নিয়মানুসারে পালন করার ও গুন্নাহ থেকে বিরত থাকার। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস সম্পর্কে। এছাড়া রমজানের ফজিলত আল কাউসার সম্পর্কে জানতে পরবর্তী অংশটি পড়ুন। 

রমজানের ফজিলত আল কাউসার

রমজান এমন একটা মাস যে মাস অন্যান্য মাস থেকেও অধিক ফজিলতপূর্ণ। এই মাসে ফজিলতের কোনো শেষ নেই। রমজানের ফজিলত আল কাউসার নিয়ে বিভিন্ন হাদীসে ব্যাখ্যা এসেছে। সূরা আল কাউসার অত্যন্ত ফজিলতময় একটি সূরা। তাই বেশি বেশি এই দোয়াটি পাঠ করলে আল্লাহ অধিক রহমত করবে। তাই যখনই অবসর সময় পাবেন তখনই উচিত এই সূরাটি পাঠ করে নেওয়া। তাহলে এই মাসে অত্যন্ত সওয়াবের অধিকারী হবেন ইন শা আল্লাহ। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। এছাড়া মাহে রমজানের ফজিলত ও গুরুত্ব এবং রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব pdf সম্পর্কে জানতে পরবর্তী অংশটি পড়ুন। 

মাহে রমজানের ফজিলত ও গুরুত্ব - রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব pdf

রমজান মাস আসলেই যেন চারিদিকে খুচির বন্যা বয়ে যায়। এটি হলো মুসলিম উম্মাহর জন্য শান্তির মাসে৷ তাই এই মাস সম্পর্কে আমাদের জেনে রাখতে হবে রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব pdf সম্পর্কে। মাহে রমজানের ফজিলত ও গুরুত্ব হলো এটি এমন একটা মাস যে মাসে বান্দার দোয়া অধিক কবুল হয়। কেননা আল্লাহ রোজাদার এর দোয়া বেশি কবুল করে। তাই এই মাসে সাওম পালনের পাশাপাশি নিজেকে সকল গুন্নাহ থেকে পানাহ দিতে হবে। অধিক হারে ইবাদত করতে হবে। নিজের পূর্বেের গুন্নাহর জন্য ক্ষমা চাইতে হবে মন থেকে। এছাড়াও যারা মৃত্যুবরণ করেছে তাদের জন্যও দোয়া করতে হবে, ইত্যাদি। 
আমাদের প্রত্যেক কে মাথায় রাখতে হবে এই মাস টি যাতে কোনো ভাবেই অবহেলায় না কাটে। যেভাবেই হোক নিজেকে ইবাদতে মগ্ন রাখার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি কোরআনে খতম দিবেন বেশি বেশি। তাহলেই আল্লাহ আপনার সকল চাওয়া পূরণ করে দিবে ইন শা আল্লাহ। নিশ্চয়ই এই বিষয়ে অবগত হয়েছেন। এছাড়া রমজানের ফজিলত ও করণীয় - রমজানের ফজীলত জানতে সম্পূর্ণ পোস্ট এর সাথে থাকুন।

রমজানের ফজিলত ও করণীয় - রমজানের ফজীলত

রমজান মাসে অসংখ্য ফজীলত রয়েছে যেগুলোর কিছু নিয়ম রয়েছে। রমজানের ফজীলত সম্পর্কে আপনারা ইতিমধ্যে অবগত হয়েছেন। রমজানের ফজীলত গুলো কিভাবে আদায় করবেন কিংবা রমজানের ফজিলত ও করণীয় কি সে সম্পর্কে এই পাঠে আমরা জানবো। চলুন রমজানের ফজীলত গুলোর জন্য করণীয় সম্পর্কে জেনে নিই।
  • রমজান মাস হলো ক্ষমা চাওয়ার উত্তম মাস। মাস জাহান্নাম থেকে নাজাত লাভের মাস। বেশি করে ইবাদত ও ইস্তেগফার এর মাধ্যমে মুক্তির পরওয়ানা লাভ করার এই মাসটাই হলো অন্যতম।
  • আখেরাত পাওয়ার অন্যতম মাস হলো এই মাস। এই মাসে যে যত সওয়াবের কাজ করবে তার আমলনামা দ্বিগুণ হারে বাড়বে।
  • এই মাসে অধিক হারে কুরআন তিলাওয়াত করা দরকার। কেননা এতে আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হয়।
  • রমজানে গরীব দুঃখীদের ইফতার ও সেহেরীর ব্যবস্থা করলে আল্লাহ খুশি হন ও এর পরিনামে আল্লাহ পুরস্কিত করবেন। 
  • এই মাসে সকলা পাপাচার ও জুলুম থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে, ইত্যাদি। 

পবিত্র মাহে রমজানের ফজিলত ও তাৎপর্য - রমজানের ফজীলত  

আরবি মাসসমূহের নবম মাস হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। পবিত্র মাহে রমজানের ফজিলত ও তাৎপর্য সম্পর্কে সবার জেনে রাখা দরকার। কেননা এটি এমন এক মাস যে মাসে পৃথিবী থেকে পাপাচার সহ বিভিন্ন হারাম কাজ কমে আসে। রোজা ফরজ হয় দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে। এ সম্পর্কে কুরআনে সুরা বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াতে বর্ণিত আছে, "হে মুমিনগণ! তোমাদের প্রতি রোজা ফরজ করা হয়েছে যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের প্রতি, যাতে তোমরা আল্লাহভীরু হতে পারো, পরহেজগার হতে পারো।"
এখান থেকে আমরা ধারণা পায় যে, রোজা এসেছে আমাদের গুন্নাহ গুলো পরিশুদ্ধ করার জন্য, নিজেকে পাপাশার থেকে মুক্ত রাখার জন্য, জুলুম ও হারাম থেকে বিরত থাকার জন্য, বান্দা কে আল্লাহ'র পথে পরিচালিত করার জন্য, ইত্যাদি। তাই আমাদের এই রোজার মাসকে সহীহ শুদ্ধ ভাবে পালন করতে হবে। আর প্রতিটি রোজা যেন রাখতে পারি সেজন্য আল্লাহ'র কাছে বেশি বেশি দোয়া করতে হবে। আশা করি আপনারা পবিত্র মাহে রমজানের ফজিলত ও তাৎপর্য এবং রমজানের ফজীলত  সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন। 18801

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url