OrdinaryITPostAd

রোজা রেখে ব্রাশ করার নিয়ম - রোজাদার ব্যক্তির করনীয়

আপনি কি রোজা রেখে ব্রাশ করা যাবে কি যাবে না এসব বিষয় নিয়ে জানতে চাচ্ছেন তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য। কেননা আজকের আর্টিকেলটিতে রোজা রেখে ব্রাশ করা যাবে কি যাবে না এবং রোজা রেখে ওযু করার নিয়ম ইত্যাদি বিষয়গুলো আলোচনা করা হবে। তাই রোজা রেখে ব্রাশ করা যাবে কি যাবে না সে সম্পর্কে জানতে আমাদের আর্টিকেল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন।
রোজা রেখে ব্রাশ করা
নিচে আপনাদের জন্য রোজা রেখে ব্রাশ করা, রোজা রেখে ওযু করার নিয়ম এবং রমজানে করনীয় ও বর্জনীয় কি ইত্যাদি বিষয়গুলো ধাপে ধাপে আলোচনা করা হয়েছে। যেখান থেকে আপনারা খুব সহজেই রোজা রেখে ব্রাশ করার বিষয়টি জানতে পারবেন। তাই দেরি না করে এখনই জেনে নিন রোজা রেখে ব্রাশ করা যাবে কি যাবে না সে সম্পর্কে।

পেজ সূচিপত্রঃ রোজা রেখে ব্রাশ করা

রোজা রেখে ওযু করার নিয়ম

রোজা রেখে ওযু করার নিয়ম সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে হবে। আমরা রোজা রাখলাম কিন্তু অজু করতে যেয়ে একটু ভুলের কারণে আমাদের রোজা ভেঙ্গে যেতে পারে। তাই অবশ্যই রোজা রেখে ওযু করার নিয়ম সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকতে হবে। চলুন তাহলে রোজা রেখে অজু করার নিয়ম সম্পর্কে সঠিক ধারণা জেনে নিন।
রোজা রেখে অজু করার নিয়ম হচ্ছে আপনি নাকে ও মুখে পানি দেওয়ার সময় অতি সতর্কতা বজায় রাখবেন। কেননা নাকে আমাদের ছিদ্র থাকে যার ভেতর দিয়ে আমাদের পেটে পানি প্রবেশ করতে পারে। তাই ওযু করার সময় যদি আমরা খুব জোরে করে নাকে পানি দি বা খুব বেশি পরিমাণে পানি দেই তাহলে সেটি আমাদের পেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই সেদিকে সতর্ক রেখে অজু করতে হবে।

আবার মুখের ভেতর পানি নিয়ে গড়গড়ি করার সময় অতি সতর্কতা বজায় রাখতে হবে। আপনি যদি মুখের ভেতর পানি নিয়ে গড়গড়ি করতে চান তাহলে খুব অল্প পরিমাণে নিয়ে হালকা করে ফেলে দিতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় আপনি অল্প পানি নিয়ে একটু কুলি করে ওযু টা সেরে নিলে। তাহলে পেটের ভেতরে পানি যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। আর রোজা ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

রমজানে করনীয় ও বর্জনীয় কি

রমজান মাস হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস। রমজান মাসের শুধু না খেয়ে থাকলেই রোজা হয়ে যায় না। রমজানে করণীয় ও বর্জনীয় রয়েছো অনেক। তাই প্রত্যেক মুসলমান ব্যক্তিকে রমজানে করনীয় ও বর্জনীয় কি সে সম্পর্কে অবশ্যই জানতে হবে। চলুন তাহলে রমজানে করনীয় ও বর্জনীয় কি কি তা জেনে নিন।
রমজানে করণীয় হচ্ছে রমজান মাসের ৩০ টি রোজা ঠিকঠাকভাবে আদায় করা। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার পাশাপাশি তারাবির নামাজগুলো আদায় করা। মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করা এবং মিথ্যা কথা না বলা। বেশি বেশি আমল করা। রমজানে বেশি বেশি নফল ইবাদত গুলো আদায় করতে পারেন। এছাড়াও রমজানে গরীব-দুঃখীদের দান সদকা করা। 

আর রমজান মাসে বর্জনীয় কাজগুলো হচ্ছে যেগুলো আপনার অভ্যাসে রয়েছে কিন্তু ইসলাম পরিপন্থী কাজ। যেমন রমজানে মানুষকে গালাগালি করা ঠিক না, আপনি যদি রোজা নাও রাখেন তবুও রোজাদার ব্যক্তির সাথে দুর্ব্যবহার করাও ঠিক না।

রোজা রেখে ব্রাশ করা

রোজা রেখে ব্রাশ করা যাবে কি যাবে না এ নিয়ে অনেকের মনে অনেক ধরনের প্রশ্ন জেগে থাকে। আজকে আপনাদের এ বিষয়ে একদম ক্লিয়ার ধারণা দিয়ে দেওয়া হবে যে রোজা রেখে ব্রাশ করা যাবে কি যাবে না। রোজা রেখে ব্রাশ করা নিয়ে সমস্যা যেখানে তা হচ্ছে পেস্ট দিয়ে ব্রাশ করার সময় যদি মুখের ভেতর থেকে কোন ভাবে পেটে চলে যায় সেটা। 
এখন আপনি যদি অতি সতর্কের সাথে টুথপেস্ট দিয়ে ব্রাশ করেন এবং সেই টুথপেস্ট অথবা পানি কোনটাই যদি আপনার পেটের ভেতরে না যায় তাহলে আপনার সেয়ান অবশ্যই ভাঙ্গ হবে না। এক্ষেত্রে আপনি টুথপেস্ট দিয়ে ব্রাশ করতেই পারেন কোন সমস্যা নাই। তবে আপনাকে অতি সতর্ক থাকতে হবে যেন টুথপেস্ট অথবা পানি কোন কিছুই পেটের ভেতরে না যায়।

রোজা রেখে ব্রাশ করলে কি হয়

রোজা রেখে ব্রাশ করলে কি হয় সে সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। রোজা রেখে ব্রাশ করলে হয় কি অনেকেই ভুল করে বা দুর্ঘটনা বাসতো টুথপেস্ট খেয়ে ফেলে। বা সতর্কতা না থাকার কারণে টুথপেস্ট পেটের ভিতরে চলে যায়। তবে সে ক্ষেত্রে কেউ যদি সতর্কতার সাথে ব্রাশ করে তাহলে অবশ্যই ব্রাশ করা যাবে এক্ষেত্রে কোন নিষেধ নেই। কিন্তু ব্রাশ করার ক্ষেত্রে অতি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে যেন টুথপেস্ট অথবা পানি কোন কিছুই পেটের ভেতরে না যায়। আশা করি রোজা রেখে ব্রাশ করলে কি হয় তা জানতে পেরেছেন। এবার চলুন রোজাদার ব্যক্তির করনীয় কি জেনে নিন।

রোজাদার ব্যক্তির করনীয়

একজন রোজাদার ব্যক্তির অনেক কিছু করণীয় থাকে। রোজাদার ব্যক্তির করনীয় ভুলের মধ্যে কিছু প্রধান করণীয় হচ্ছে রোজা থাকা অবস্থায় তাকে বেশি বেশি ইস্তেগফার পাঠ করতে হবে। আল্লাহর কাছে বেশি বেশি মাফ চাইতে হবে। বেশি বেশি আমল করতে হবে। আর রোজা থাকা অবস্থায় কোন মতে কোন ধরনের খারাপ কাজ করা যাবে না। নিজের চোখকে হেফাজতে রাখতে হবে, নিজের নফসকে হেফাজতে রাখতে হবে।

আশা করি আজকের আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েছেন এবং রোজা রেখে ব্রাশ করা বিষয়টি বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। আর্টিকেলটিতে রোজা রেখে ব্রাশ করা ছাড়াও রোজাদার ব্যক্তির করনীয়, রোজা রেখে ব্রাশ করলে কি হয় ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনারা জানতে পেরেছেন। আশা করি এ সকল তথ্যগুলো আপনাদের অনেক উপকারে আসবে। তাই এ ধরনের তথ্য বেশি বেশি জানতে ও পড়তে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন, ধন্যবাদ। 21021.

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url