OrdinaryITPostAd

দীর্ঘ দিন বাইক বন্ধ থাকলে যেসব সমস্যা হতে পারে

 কম টাকায় সেরা কিছু ড্রোন ক‍্যামেরার তালিকাদীর্ঘ দিন বাইক বন্ধ থাকলে যেসব সমস্যা হতে পারে। আমরা অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে বাইক বন্ধ রেখে দিই কাজ কামে ব্যস্ত থাকি এজন্য বাইক চালানোর সময় পাইনা তাদের জন্য এই আর্টিকেলটি।
দীর্ঘ-দিন-বাইক-বন্ধ-থাকলে-যেসব-সমস্যা-হতে-পারে
আমরা অনেকেই আছি যারা কাজে ব্যস্ত থাকি বা বাইক চালানোর সময় পাইনা দীর্ঘ দিন বাইক বন্ধ থাকলে যেসব সমস্যা হতে পারে তা নিয়ে আমরা এই আর্টিকেলে সমস্ত বিষয়গুলো জানতে পারবো মনোযোগ সহকারে আর্টিকেলটি পড়ুন এবং আপনার সমস্যার সমাধান করুন।

পেজ সূচিপত্রঃ দীর্ঘ দিন বাইক বন্ধ থাকলে যেসব সমস্যা হতে পারে

দীর্ঘ দিন বাইক বন্ধ থাকলে যেসব সমস্যা হতে পারে 

দীর্ঘ দিন বাইক বন্ধ থাকলে যেসব সমস্যা হতে পারে এই কথাটা আমরা অনেকেই হালকা ভাবে নিই। ভাবি বাইক তো বন্ধই আছে সমস্যা আবার কী। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টা ঠিক উল্টো। বাইক দীর্ঘ সময় না চালালে ভেতরে ভেতরে অনেক কিছু নষ্ট হতে শুরু করে যেটা বাইরে থেকে বোঝাও যায় না।সবচেয়ে আগে যে সমস্যাটা দেখা দেয় সেটা হলো ব্যাটারি। বাইক বন্ধ থাকলেও ব্যাটারি পুরোপুরি চুপ করে থাকে না। অল্প অল্প করে চার্জ খরচ হতে থাকে। কয়েক সপ্তাহ বা মাস পরে দেখা যায় চাবি ঘোরালেও সেল্ফ কাজ করছে না। তখন অনেকেই ভাবেন বাইক একদম নষ্ট হয়ে গেছে। আসলে সমস্যা শুধু ব্যাটারিতেই থাকে।

এরপর আসে স্টার্ট নেওয়ার ঝামেলা। অনেক দিন বাইক না চললে ইঞ্জিন ঠিক মতো জাগতে চায় না। কয়েকবার কিক বা সেল্ফ দেওয়ার পরেও ইঞ্জিন ধরতে চায় না। এতে মানুষ বিরক্ত হয়ে পড়ে। আবার জোর করে বারবার স্টার্ট দিতে গেলে অন্য অংশেও চাপ পড়ে।আরেকটা সাধারণ সমস্যা হলো পেট্রোল। ট্যাংকে পেট্রোল পড়ে থাকলে সেটা আর আগের মতো ভালো থাকে না। পেট্রোল ঘন হয়ে যায় বাইকের ভেতরে ঠিকভাবে যেতে পারে না। তখন বাইক স্টার্ট নিতে আরও কষ্ট হয়।

ব্যাটারি ডেড হয়ে যাওয়ার সমস্যা

বাইক দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকলে যেটা সবচেয়ে আগে ঝামেলা করে সেটা হলো ব্যাটারি। অনেকেই ভাবেন বাইক বন্ধ থাকলে ব্যাটারিও ঠিকঠাক থাকবে কিন্তু আসলে বিষয়টা তেমন না। বাইক না চালালেও ব্যাটারির ভেতরে ধীরে ধীরে চার্জ কমতে থাকে। এক সময় এমন হয় চাবি ঘোরালে লাইট জ্বলে না সেল্ফ তো দূরের কথা কিছুই সাড়া দেয় না।এই সমস্যাটা বেশি হয় যখন বাইক এক মাস দুই মাস বা তারও বেশি সময় পড়ে থাকে। বিশেষ করে শীতের সময় ব্যাটারি আরও দুর্বল হয়ে যায়। তখন হঠাৎ দরকারে বাইক বের করতে গেলে বিপদে পড়তে হয়। অনেক চাপ দিয়ে কিক মারলেও ইঞ্জিন জ্বলে না। তখন মানুষ ভাবে বড় কোনো সমস্যা হয়েছে কিন্তু বেশিরভাগ সময় দোষটা শুধু ব্যাটারিরই।

আরেকটা ব্যাপার হলো পুরনো ব্যাটারি হলে এই সমস্যা আরও দ্রুত দেখা দেয়। বাইক চালানো বন্ধ থাকলে ব্যাটারি ঠিকভাবে চার্জ নেওয়ার সুযোগ পায় না। ফলে ভেতরের শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় জাম্প দিয়ে স্টার্ট নিলেও কিছুদিন পর আবার একই অবস্থা হয়।এই ঝামেলা এড়াতে সপ্তাহে অন্তত একবার বাইক স্টার্ট দেওয়া ভালো। একটু চালাতে পারলে আরও ভালো। যদি চালানো সম্ভব না হয় তাহলে অন্তত ইঞ্জিন চালু করে কিছুক্ষণ রেখে দেওয়া উচিত। তাতে ব্যাটারির অবস্থা অনেকটা ঠিক থাকে। ব্যাটারির দিকে একটু খেয়াল রাখলেই এই সমস্যাটা সহজেই এড়ানো যায়।

বাইক স্টার্ট নিতে দেরি হওয়া

বাইক দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে আরেকটা সাধারণ সমস্যা হলো স্টার্ট নিতে দেরি হওয়া। অনেক সময় চাবি ঘোরালেও ইঞ্জিন ধীরগতিতে জ্বলে, বা একবারে ঠিকমতো স্টার্ট নেয় না। এটা বেশি ঘটে তখন যখন বাইক বেশ কিছুদিন ব্যবহার হয়নি।কারণ হলো ইঞ্জিনের অংশগুলো কিছুটা শুকিয়ে বা শক্ত হয়ে যায়। এছাড়াও ফুয়েল লাইন বা কার্বুরেটরের ভিতরে পেট্রোল একটু শুকিয়ে বা জমে থাকতে পারে। তাই চেষ্টার পরেও ইঞ্জিন ঠিকমতো ধরতে চায় না। অনেক সময় অনেকবার কিক বা সেল্ফ দিতে হয় তবেই শুরু হয়।
দীর্ঘ-দিন-বাইক-বন্ধ-থাকলে-যেসব-সমস্যা-হতে-পারে
এই দেরি শুধু স্টার্টে বিরক্তি দেয় না বরং ইঞ্জিনের ক্ষয়ও বাড়াতে পারে। বিশেষ করে যখন আপনি হঠাৎ কোথাও যাওয়ার জন্য বাইক ব্যবহার করতে চান। তাই এটা মাথায় রাখলে ভালো।সমাধান সহজ বাইক বন্ধ থাকলেও মাঝে মাঝে স্টার্ট দিন কয়েক মিনিট চালান। এতে ইঞ্জিন অংশগুলো নরম থাকে পেট্রোল ঠিকভাবে চলে এবং স্টার্ট নেওয়ায় আর দেরি হয় না। এমনটা নিয়ম করে করলে দীর্ঘদিন বন্ধ রাখলেও বাইক ঠিক মতো কাজ করবে।

কার্বুরেটর বা তেলের লাইনে ব্লক হওয়া

বাইক দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে সবচেয়ে বিরক্তিকর সমস্যা হলো স্টার্ট নিতে দেরি হওয়া। অনেক সময় চাবি ঘোরালেও একবারে ইঞ্জিন ধরে না। কখনও আবার অনেকবার কিক দিতে হয় বা সেল্ফ চাপলেও সাড়া আসে ধীরে। এটা সাধারণ ব্যাপার বিশেষ করে যখন বাইক কয়েক সপ্তাহ বা মাস ব্যবহার হয়নি।কারণ হলো ইঞ্জিনের অংশগুলো কিছুটা শক্ত হয়ে যায়। এছাড়া ফুয়েল লাইন বা কার্বুরেটরের ভিতরে পেট্রোল শুকিয়ে বা জমে থাকে। ফলে জ্বালানি ঠিকমতো ইঞ্জিনে পৌঁছায় না। অনেক সময় মনে হয় সমস্যা বড় কিন্তু বেশিরভাগ সময় শুধুই এই কারণে।

এটি এড়ানোর সহজ উপায় হলো মাঝে মাঝে বাইক চালানো। সপ্তাহে অন্তত একবার স্টার্ট দেওয়া কয়েক মিনিট হালকা করে চালানো এতে অংশগুলো নরম থাকে জ্বালানি ঠিকভাবে পৌঁছায় এবং স্টার্ট নিতে দেরি হয় না।নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি আমি একবার বাইক দুই মাস বন্ধ রেখেছিলাম। প্রথমবার চাবি ঘোরাতে গেলেই ইঞ্জিন একেবারেই ধরল না। কয়বার চেষ্টা করার পর স্টার্ট হলো তারপর সপ্তাহে একবার চালু করা শুরু করলে সমস্যা আর হলো না। তাই আমি এখন নিয়ম করে এমনটা করি।

ইঞ্জিন অয়েল ঘন হয়ে যাওয়া

বাইক দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে ইঞ্জিন অয়েল ঘন হয়ে যাওয়া একটা সাধারণ সমস্যা। অনেক সময় বাইক চালানো বন্ধ রাখলে অয়েল নিচে বসে যায় এবং ঘন হয়ে যায়। এতে স্টার্ট নেওয়া কষ্ট হয় এবং ইঞ্জিনে চাপ পড়ে। অয়েল যখন ঘন হয় তখন তা ঠিকমতো সব অংশে পৌঁছায় না এবং ঘষা বেশি হয়। ফলে চালানোর সময় শব্দ বেশি হয় এবং কিছু অংশে ক্ষয়ও বাড়ে।এই সমস্যা এড়াতে মাঝেমধ্যে বাইক চালানো জরুরি। কয়েক মিনিট হলেও চালালে অয়েল সব অংশে ঠিকঠাক চলে এবং ঘন হওয়া কমে।

যদি বাইক বন্ধ রাখতেই হয় তাহলে অয়েল ঠিক আছে কি না তা চেক করা উচিত। কখনও কখনও পুরনো অয়েল পরিবর্তন করাই ভালো। তাতে ইঞ্জিন ভালো থাকে এবং চালানোর সময় ঝামেলা কম হয়।
আমি একবার বাইক কয়েক মাস বন্ধ রেখেছিলাম প্রথমবার চালু করতে গিয়ে অনেকবার চেষ্টা করতে হয়েছে ইঞ্জিন সঠিকভাবে ধরেনি তখন বুঝতে পেরেছিলাম অয়েল একটু ঘন হয়ে গেছে। তারপর নিয়ম করে মাঝে মাঝে চালানো শুরু করেছি আর এখন আর এমন সমস্যা হয় না।দীর্ঘ দিন বাইক বন্ধ থাকলে যেসব সমস্যা হতে পারে আশা করি বিষয়গুলো বুঝতে পারছেন। 

টায়ারের হাওয়া কমে যাওয়া বা বসে যাওয়া

বাইক দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে টায়ারের হাওয়া কমে যাওয়া বা বসে যাওয়া খুব সাধারণ একটা সমস্যা। যখন বাইক এক জায়গায় দীর্ঘ সময় থাকে তখন টায়ার ধীরে ধীরে হাওয়া হারায়। অনেক সময় দেখা যায় টায়ারের এক পাশ চ্যাপ্টা হয়ে যায়। এতে চালানোর সময় বাইক স্থির থাকে না বা গতি ঠিকমতো ধরে না।
টায়ারের হাওয়া কমে গেলে বাইক চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। বিশেষ করে রাস্তার উপর উঠে গেলে কম চাপযুক্ত টায়ার ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও দীর্ঘদিন বসে থাকা টায়ার চাপে শক্ত হয় না এবং এর আকার পরিবর্তন হয়।

এই সমস্যা এড়াতে নিয়মিত হাওয়া চেক করা দরকার। সপ্তাহে একবার হলেও টায়ারের হাওয়া পরীক্ষা করা ভালো। প্রয়োজন হলে হাওয়া বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। বাইক বন্ধ রাখলেও যদি টায়ার হালকা হলেও নরম থাকে তাহলে চালানোর সময় সুবিধা হয়।একটা ছোট টিপস হলো বাইক কিছু সময় হালকা করে সরিয়ে রাখা। এতে টায়ার সব জায়গায় সমান চাপ অনুভব করে এবং চ্যাপ্টা হওয়া কমে। টায়ারের যত্ন নিলে বাইক দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলেও চালানোর সময় কোনো ঝামেলা হয় না।

ব্রেক শক্ত হয়ে যাওয়া বা আটকে যাওয়া

বাইক দীর্ঘদিন বন্ধ রাখলে ব্রেক শক্ত হয়ে যাওয়া বা আটকে যাওয়া খুব সাধারণ সমস্যা। যখন বাইক দীর্ঘ সময় ব্যবহার হয় না তখন ডিস্ক বা ড্রামের উপর ধুলো জমে যায়। অনেক সময় মরিচা ধরতে পারে। ফলে ব্রেক চাপ দিলে শক্ত লাগে বা ঠিকমতো কাজ করে না।ব্রেক যখন আটকে যায় তখন বাইক চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। বিশেষ করে হঠাৎ ব্রেক দিতে গেলে থামতে সমস্যা হয়। এছাড়াও বন্ধ থাকা সময় ব্রেক প্যাডের সঙ্গে ডিস্ক বা ড্রাম একদম ঠিকঠাক মেলায় না। এতে চালানোর সময় জোরে চেপে ধরলে শব্দ হয় এবং অংশ ক্ষয় হতে পারে।

এই সমস্যা এড়াতে মাঝে মাঝে ব্রেক ব্যবহার করা দরকার। বাইক চালানো সম্ভব না হলেও ব্রেক হালকা চাপ দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। এছাড়াও ব্রেকের ওপর জমে থাকা ধুলো বা মরিচা মুছে ফেললে ভালো হয়।ছোট টিপস হলো ব্রেকের লিকুইড নিয়মিত পরীক্ষা করা। লিকুইড ঠিক থাকলে ব্রেক ভালো থাকে এবং শক্ত হওয়ার সমস্যা কমে। ব্রেকের যত্ন নিলে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পরও বাইক চালাতে কোনো সমস্যা হয় না।

চেইনে মরিচা ও শুকিয়ে যাওয়া

বাইক দীর্ঘদিন বন্ধ রাখলে চেইনে মরিচা ধরে এবং চেইন শুকিয়ে যায়। অনেক সময় বাইক এক জায়গায় দীর্ঘ সময় থাকলে চেইনের তেল শুকিয়ে যায় এবং ধাতব অংশে মরিচা দেখা দেয়। এতে চেইন নরমভাবে ঘোরে না এবং চালানোর সময় শব্দ হয়।চেইন ঠিকমতো লুব্রিকেট না থাকলে ঘষা বেশি হয় এবং চেইনের জীবনকাল কমে যায়। অনেক সময় চেইন শক্ত হয়ে গেলে গিয়ার পরিবর্তন করতেও কষ্ট হয়। এমন অবস্থায় চালানোর সময় বাইকের পারফরম্যান্স কমে এবং কিছু অংশে ক্ষয়ও বাড়ে।
দীর্ঘ-দিন-বাইক-বন্ধ-থাকলে-যেসব-সমস্যা-হতে-পারে
সমাধান হলো চেইনের নিয়মিত যত্ন নেওয়া। মাঝেমধ্যে চেইন লুব্রিকেট করা ধুলো মুছে ফেলা এবং মরিচা ধরা অংশ পরিষ্কার করা খুবই দরকার। দীর্ঘদিন বন্ধ রাখলেও যদি চেইন তেল থাকে এবং পরিষ্কার থাকে তাহলে চালানোর সময় ঝামেলা কম হয়।ছোট টিপস হলো বাইক চালানোর আগে চেইন একবার ঘোরানো। এতে তেল সব জায়গায় ছড়িয়ে যায় এবং চেইন নরম থাকে। চেইনের যত্ন নিলে দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পরও বাইক চালানো অনেক সহজ হয় এবং সমস্যাও কমে।

শেষ কথাঃ দীর্ঘ দিন বাইক বন্ধ থাকলে যেসব সমস্যা হতে পারে

দীর্ঘ সময় বাইক বন্ধ রাখলে অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা হলো ব্যাটারি ডেড হয়ে যাওয়া। অনেক সময় চাবি ঘোরালেও সেল্ফ কাজ করে না। এরপর আসে স্টার্ট নিতে দেরি হওয়া। ইঞ্জিন ঠিকমতো ধরতে চায় না এবং কয়েকবার চেষ্টা করতে হয়। ট্যাংকে পেট্রোল থাকলেও কিছুদিন না চললে তা ঘন হয়ে যায়। এতে জ্বালানি ঠিকমতো যায় না এবং স্টার্ট আরও কষ্ট হয়।কার্বুরেটর বা তেলের লাইনে ব্লক তৈরি হতে পারে। পেট্রোল শুকিয়ে বা জমে গেলে ইঞ্জিন ঠিকভাবে কাজ করে না। এছাড়াও ইঞ্জিন অয়েল দীর্ঘ সময় না চললে ঘন হয়ে যায়। এতে অংশগুলো নরম থাকে না এবং চাপ পড়ে।

টায়ারও একইভাবে সমস্যার মধ্যে পড়ে। হাওয়া কমে যায় বা এক পাশে চ্যাপ্টা হয়ে যায়। ব্রেক শক্ত হয়ে যেতে পারে। ধুলো বা মরিচা জমলে ঠিকমতো কাজ করে না। চেইন শুকিয়ে বা মরিচা ধরে। লুব্রিকেট না থাকলে ঘষা বেশি হয়।এই সব সমস্যা এড়াতে নিয়মিত বাইক চালানো স্টার্ট দেওয়া এবং ছোটখাটো যত্ন নেওয়া জরুরি। ব্যাটারি টায়ার ব্রেক ও চেইনের দিকে খেয়াল রাখলেই দীর্ঘদিন বন্ধ রাখলেও বাইক চালাতে কোনো ঝামেলা হয় না। ছোট্ট নিয়ম মানলেই বাইক ভালো থাকে এবং চলার সময় নিরাপদ থাকে। job id 251126

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url