OrdinaryITPostAd

১০০+ কুরবানির ঈদের SMS - কোরবানির ঈদের বয়ান

ঈদ মানে আনন্দ ঈদ মানে খুশি, আর এই খুশি আমরা বন্ধু-বান্ধবের মাঝে শেয়ার করতে ভালোবাসি। তাইতো ইদের সময় বন্ধু বান্ধবের মাঝে এসএমএস আদান-প্রদান হয়ে থাকে। নিচে কুরবানির ঈদের এস এম এস শেয়ার করা হবে এবং কুরবানির ঈদের বয়ান সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

পেজ সূচিপত্রঃ কুরবানির ঈদের এস এম এস - কুরবানির ঈদের বয়ান ১০০+

কুরবানির ঈদের এস এম এস - কুরবানির ঈদের বয়ানঃ ভূমিকা

নিচে কুরবানির ঈদের এস এম এস ও কুরবানির ঈদের বয়ান নিয়ে আলোচনা করা হবে। এসএমএস আদান প্রদান করা হলো বন্ধু-বান্ধবের মাঝে খুবই সাধারণ একটি ব্যাপার। আর এ কারণেই ঈদের সময় এসএমএস আদান-প্রদানের মাত্র বহুগুণ বেড়ে যায়। অনেকেই কুরবানির ঈদের এস এম এস গুলো অনুসন্ধান করে। কেননা অন্যান্যদের চেয়ে যদি আপনার কুরবানির ঈদের এস এম এস টি আকর্ষণীয় হয় অবশ্যই এটি আপনার ব্যক্তিত্বের উপর প্রভাব ফেলবে।

তাইতো আপনার জন্য সবচেয়ে সুন্দর এবং আকর্ষণীয় কুরবানির ঈদের এস এম এস গুলো নিচে শেয়ার করা হলো। নিচে বর্ণিত এসএমএসগুলো মধ্য থেকে আপনি আপনার পছন্দের এসএমএসটি বেছে নিতে পারেন। এবং সে এসএমএসটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।

কুরবানির ঈদের বয়ান সম্পর্কেও নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। চলুন দেখে নেয়া যাক কুরবানির ঈদের এস এম এস বা কুরবানির ঈদের বয়ান গুলো।

কুরবানির ঈদের এস এম এস - কুরবানির ঈদের বয়ান (১-১০)

আকাশে উঠলো বাঁকা চাঁদ, তোমায় দিলাম ঈদের দাওয়াত। আসতে যদি নাও পারো, ঈদের দাওয়াত গ্রহন করো। ঈদ মোবারক। 

ঈদ মানে আনন্দ ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে অভিমান ভালোবাসাবাসি। ভুলে যাওয়া মুছে দেওয়া গ্লানি, ঈদ মানে মুছে দেওয়া দু চোখের পানি। ঈদ মোবারক

আনন্দের এই দিনে, লাগলো দোলা মনে। আবার এলো ঈদ, তাই দু চোখে নাই নিঁদ। ঈদ মোবারক

নীল আকাশে উঠলো আবার ঈদের চাঁদ, তোমায় দিলাম ঈদের দাওয়াত। ঈদ মোবারক। 

ঈদের দাওয়াত রইলো বন্ধু আসবে আমার বাড়ি, আসতে না হয় পাঠিয়ে দেবো ৩ চাকার গাড়ি। ঈদ মোবারক। 

নীলাভ আকাশ সুন্দর দিন, দাওয়াত রইল ঈদের দিন। ঈদ মোবারক। 

ঈদ এলো ঈদ এলো ওই দেখো ভাই, ঈদের দিনের দাওয়াত তোমাকে জানাই। ঈদ মোবারক।

ঈদের মতো আনন্দময় হোক তোমার জীবন, এই কামনাই করি সারাক্ষণ। ঈদ মোবারক।

ঈদ মানে চাওয়া ঈদ মানে ভালোবাসা, ঈদ মানে হাসি ঈদ মানে খুশি একটু কাছে আসা। ঈদ মোবারক।

ঈদের দিনে বন্ধু বিনে কেমনে একা রই, ঈদ তো চলে এলো বন্ধু, তুমি এলে কই। ঈদ মোবারক।

কুরবানির ঈদের এস এম এস - কুরবানির ঈদের বয়ান (১১-২০)

ঈদ এলো ঈদ এলো বন্ধু ভুইলো না, ঈদের দাওয়াত দিলে কিন্তু আসতে ভুইলো না। ঈদ মোবারক।

ঈদের দিনে তোমায় বন্ধু দিলাম নিমন্ত্রণ; আসবে কিন্তু, না আসিলে খারাপ করবো মন। ঈদ মোবারক।

ওই দেখো ঈদের সকলেই বলে, বন্ধু বিনে ঈদে যাবে সব বিফলে। তোমায় দিলাম দাওয়াত আসতে কিন্তু ভুলনা। ঈদের দাওয়াত ঈদ মোবারক।

ঈদের দিনে সবাই মিলে, করবো আনন্দ, মজা ; তাইতো তোমায় দিলাম দাওয়াত না আসলে পাবে সাজা।ঈদ মোবারক বন্ধুু।

খুব করে তোমায় পড়ছে মনে, এবারের ঈদ কাটাবো কিভাবে তোমায় বিনে। তাইতো তোমায় দিলাম দাওয়াত চলে এসো, ঈদের দিনে পাশে থেকে আমায় ভালোবেসো। 

কোথায় আমার প্রানের বন্ধু কোথায় আমার জান, তোমায় ছাড়া ঈদের দিনে মন ভেঙ্গে হবে খান খান। 

বন্ধু তোমায় দিলাম দাওয়াত আসবে অবশ্যই, ঈদের দিনে তোমায় ছাড়া কেমনে একা রই। ঈদ মোবারক।

টাকা নয়, বাড়ি নয়, নয় জমিজমা; তুমি শুধু আসবে ঈদে এই কামনা। ঈদ মোবারক।

-এসো বন্ধু এসো তুমি, করোনা অভিমান; তুমি না আসলে এ ঈদে, আনন্দ হবে ম্লান। ঈদ মোবারক।

কুরবানির ঈদের এস এম এস - কুরবানির ঈদের বয়ান (২১-৩০)

বন্ধু তুমি আইলায়না, এমন খুশির দিনে; সকল খুশি হয়ে হয়ে ম্লান হয়ে যায় বন্ধু তুমি বিনে। ঈদ মোবারক।

পবিত্র ঈদের দিনে, তোমায় দিলাম দাওয়াত; আসবে জানি অবশ্যই হাতে রাখবে হাত। ঈদ মোবারক।

কেমনে দাওয়াত দিতে হয় তাও জানিনা, কিন্তু তুমি বন্ধু আসতে ভুলোনা। ঈদ মোবারক।

পাখি নয় উড়ে যাব তোমার কাছে, দাওয়াত দিলাম তাই এসএমএসে। ঈদ মোবারক।

কোনখানে তে থাকো বন্ধু, বেড়াও কোথায় ঘুরে; মেসেজ দিলাম চলে এসো নেব আপন করে। ঈদের দাওয়াত রইলো ঈদ মোবারক।

হায় হায় কয় কি রে, ঈদ এলো বন্ধু এখনো এলো না রে। ঈদ মোবারক চলে এসো বন্ধু।

আনন্দময় মুহূর্তগুলো, কাটুক থেমে থেমে; সারাবছর তোমার তরে, ঈদ আসুক নেমে। ঈদ মোবারক।

কোরবানির ঈদ এলো আবার বছর ঘুরে, আবার তোমায় দাওয়াত দিলাম বড়ই যত্ন করে। ঈদ মোবারক।

কুরবানির ঈদের এস এম এস - কুরবানির ঈদের বয়ান (৩১-৪০)

ঈদ মোবারক, পবিত্র ঈদুল আযহার অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা। 

আবার পবিত্র ঈদ-উল-আযহা ফিরে আসলো আমাদের মাঝে, আমরা সকলেই ঈদ-উল-আযহা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে আমাদের বাকি জীবন পরিচালনা করব। ঈদুল আযহার যে শিক্ষা শিক্ষা থেকে আমরা শিক্ষা গ্রহণ করে, আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হব।

ঈদের আনন্দে, সকলেই যেন আনন্দিত হতে পারে আপনি আপনার অবস্থান থেকে সেটি নিশ্চিত করুন।

ঈদ হলো সকলের জন্য, তাই ঈদের দিনে আপনার কোরবানির কিছু অংশ যারা অসহায় আছে তাদের কাছে পৌঁছে দিন।

আপনার কুরবানীর একটি অংশ আপনি গরীব দুঃখীদের নিকট পৌঁছিয়ে দিবেন। মনে রাখবেন আপনি যদি দিচ্ছেন এটি আপনার অনুদান নয়, এটি তাদের হক।

আমরা অনেকেই কুরবানীর দিনে অপচয় করি। এটা মুসলিম হিসেবে কখনোই আমাদের করা উচিত নয়। বরঞ্চ এই টাকাটা কাউকে দান করলে সে তার পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পারবে।

ঈদের দিনে অনেকেই অবৈধ মোজ মাস্তিতে ডুবে থাকে। মুসলমান হিসেবে আমরা কখনোই করবো না।

ঈদের আনন্দের ও একটি মাত্রা রয়েছে আমরা কখনোই এই মাত্রা ছাড়িয়ে যাব না। 

কুরবানির ঈদের এস এম এস - কুরবানির ঈদের বয়ান (৪১-৫০)

ঈদ মানে শুধু নিজে আনন্দ করা নয়, ঈদ মানে হল আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়া। 

ঈদ কারো জন্য খুশির মুহূর্ত আবার কারো জন্য দুঃখের কারণ যেন না হয়। আশেপাশে যারা অসহায় রয়েছে তাদেরকে সাহায্য করি, ঈদের খুশি তাদের মাঝেও ছড়িয়ে দেই।

আপনি নিজের জন্য যা পছন্দ করবেন, দান করার ক্ষেত্রে ঠিক সেই জিনিসটাই দান করবেন। কোরবানি ঈদের আত্মত্যাগের শিক্ষা আমাদেরকে এমনটি শেখায়।

লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে, লাখ টাকা দিয়ে গরু কুরবানী দেয়ার চেয়ে, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ছোট্ট একটি বকরি কোরবানি দেয়া অনেক শ্রেয়।
ভোগে সুখ নাই ত্যাগেই সুখ, এটাই হচ্ছে কোরবানি ঈদের মর্মকথা।

অন্যের মুখে হাসি ফোটানো, কতটা আনন্দের কাজ, তা শুধু সেই জানে যে নিজের আনন্দ অপরের সাথে ভাগাভাগি করে নেয়।

অহংকার করে, গরিব-দুঃখীদের হেও প্রতিপন্ন করে, তাদেরকে ছোট মনে করে করে বড় বড় কুরবানী দেয়ার মাঝে কোন লাভ নেই।

সহযোগিতা ও সহমর্মিতা কোরবানি ঈদের অন্যতম শিক্ষা। 

কুরবানির ঈদের এস এম এস - কুরবানির ঈদের বয়ান (৫১-৬০)

লোক দেখানোর জন্য কুরবানী দেওয়া, আর কোরবানির না দেয়ার মাঝে কোন পার্থক্য নেই।

লোক দেখানো কোরবানি দেওয়া মানে, গোশতের বন্দোবস্ত করা। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা নয়।

আল্লাহ কখনই কোরবানির গোশত গ্রহণ করেন না, তিনি শুধু মানুষের মনের উদ্দেশ্য কে গ্রহণ করেন।

গরীব দুঃখীকে কুরবানীর গোশত বিতরণ করা মানে হলো, তাদের মাঝে আনন্দ বিতরণ করা।

আপনার কোরবানি তখন আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য হবে যখন আপনি শুধুমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যেই কোরবানি করবেন।

বাড়িতে কাজের লোক, অন্তত ঈদের দিন যেন তারা আপনার মুখের দিকে চেয়ে না থাকে। তাদের উপযুক্ত সম্মান ও সম্মানীটুকু প্রদান করবেন।

আপনি আজ অনেক টাকার মালিক, তাই বলে কি কোনোদিন ফকির পারেন না, আচ্ছা ধরে নিলাম আপনি কোনদিন ফকির হবেন না, কিন্তু মৃত্যু কি এড়াতে পারবেন। সুতরাং সবকিছু ভেবেচিন্তে করুন।

কোরবানি ঈদ মানে শুধু গোশত খাওয়া নয়, কোরবানি মনে হলো আত্মত্যাগ করা।

আপনার তখনোই গ্রহণযোগ্য হবে, যখন আপনি হালাল টাকা দিয়ে সঠিক নিয়তে কোরবানি করবেন।

কুরবানির ঈদের এস এম এস - কুরবানির ঈদের বয়ান (৬১-৭০)

অবৈধ উপায়ে অর্জনকৃত লাখ টাকার কোরবানির চেয়ে, বৈধ টাকা দিয়ে একটি ছাগল কুরবানী দেওয়া অতি উত্তম।

কুরবানীর শিক্ষা হলো, পশু কোরবানির পাশাপাশি নিজের মনের পশুকে কোরবানি দেওয়া।

যে ব্যক্তি কোরবানি ঈদ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে না, সে বড়ই হতভাগা।

কোরবানির ঈদ মানে হলো, গরিবের হক তাদের নিকট পৌঁছিয়ে দিয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটানো।

আপনার সম্পদে গরিবের হক রয়েছে, সেই হোক তাদেরকে যথাযথভাবে প্রদান করুন। আর এটাই হল কোরবানি ঈদের বড় শিক্ষা।

কোরবানি করার পর সব মাংস ফ্রিজে রেখে বছর ভরে খাওয়া কোরবানির শিক্ষা নয়।

কোরবানির দিন কোরবানি করার আগে কোন কিছু না খেয়ে, কোরবানির গোশত দিয়ে সকালের খাবার খাওয়া অধিক সওয়াবের কাজ।

কোরবানি করার পরও পশুর চামড়া অবশ্যই আপনাকে যথা যোগ্য ব্যক্তিকে দান করতে হবে।

কুরবানির ঈদের এস এম এস - কুরবানির ঈদের বয়ান (৭১-৮০)

যেই ব্যক্তির কুরবানী করার সামর্থ্য নেই সে যদি কোরবানি ঈদের চাঁদ উঠার পর হাতের নখ, গোঁফ, চুল ইত্যাদি না কেটে, যদি কোরবানির পরে কাটে তাহলে সে কোরবানির সওয়াব পাবে।

কোরবানির প্রধান শিক্ষা হলো আত্মত্যাগের মাধ্যমে অন্যকে সাহায্য করা।

আপনার কুরবানিতো হলেই গ্রহণযোগ্য হবে যখন আপনি সঠিক নিয়তে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে কোরবানি করবেন।

কেউ যদি কোরবানির গরুর গোস্ত পরিমাপ করে, কোরবানির পশু ক্রয় করে। তাহলে তার কোরবানি কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না।

কোরবানি করতে হবে ইব্রাহিম আলাই সাল্লাম এর কোরবানির মত।

নিজের মনের পশুকে কোরবানি করাই হলো সবচেয়ে বড় কোরবানি।

সারা বছরের নিজে লালন-পালন করে পশু কোরবানি দেওয়ার সর্বোত্তম।

কোরবানির পশু অবশ্যই নিখুঁত হতে হবে, খুঁত যুক্ত পশু কোরবানি করা বৈধ নয়। 

কুরবানির ঈদের এস এম এস - কুরবানির ঈদের বয়ান (৮১-৯০)

মনের কামনা, মনের বাসনা সবাই যাবে ভেস্তে, যদি ঈদের দিনে তোমার দেরি হয় আসতে।

ঈদের দাওয়াত রইলো বন্ধু আসবে অবশ্যই, না এসে পারবে না জানি নিশ্চয়ই। ঈদ মোবারক।

হয়তো বন্ধু তোমায় আর ডাকবো না কোনদিন, শুধু দাওয়াত নিয়ো ঈদের দিন।

পবিত্র ঈদের দিনে, তোমায় দিলাম দাওয়াত; আসবে জানি অবশ্যই হাতে রাখবে হাত। ঈদ মোবারক।

ভুল হলে ক্ষমা করো, তবু থেকো না দুরে; ঈদের দিন আসবে তুমি অনেক ভোরে।

তুমি না থাকলে কাছে ঈদ কেমন কাটে, তাইতো তোমায় দিলাম দাওয়াত আসছে মোদের বাটে।

মেঘ নই উড়ে যাব বন্ধু তোমার কাছে, এসএমএস পাঠিয়ে দিলাম যা ছিল আমার কাছে। ঈদ মোবারক ঈদের দিনের দাওয়াত।

হই হই রই রই, ঈদের দিন আসলো ঐ। বন্ধু তুমি কই, চলে এসো তোমার অপেক্ষায় রই।

ভোর হলো দোর খোলো, ওই দেখ ঈদ এলো। আর থেকো না দুরে ঈদের দাওয়াত বন্ধু ঈদ মোবারক।

কুরবানির ঈদের এস এম এস - কুরবানির ঈদের বয়ান (৯১-১০০)

নাও নেই নেই তরী, আছে শুধু এসএমএস; দাওয়াত দিলাম গ্রহণ করো ভালো থেকো বেশ। ঈদ মোবারক।

নোটন নোটন পায়রাগুলি ঝোটন বেঁধেছে, বছর ঘুরে আবার দেখো ঈদ এসেছে। ঈদ মোবারক ঈদের দাওয়াত রইলো বন্ধু।

আগডুম বাগডুম ঘোড়াডুম সাজে, ঈদ কিভাবে কাটাবো তুমি না আসলে আমাদের মাঝে।

মেঘের কোলে রোদ হেসেছে বাদল গেছে টুটি, ঈদের মধ্যে আসবে অবশ্যই বাঁধবো মোরা জুটি।

ঈদের মতো আনন্দময় হোক তোমার জীবন, এই কামনাই করি সারাক্ষণ। ঈদ মোবারক।
আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে, ঈদে তুমি না আসিলে আনন্দ কি থাকে।

আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা, ঈদের দাওয়াত দিলাম অবশ্যই আসবা। ঈদ মোবারক।

হাট্টিমাটিম টিম, তুমি আসবে ঈদের দিন। ঈদের দাওয়াত রইল বন্ধু ঈদ মোবারক।

আমাদের ছোট গাঁয়ে ছোট ছোট ঘর, ঈদের দিনেও তুমি আসবেনা করবে আমায় পর। ঈদের দাওয়াত রইল বন্ধু ঈদ মোবারক।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url