Ordinary IT https://www.ordinaryit.com/2019/09/where-not-to-keep-mobile-phone.html

শরীরের যে ১০টি স্থানে মোবাইল ফোন রাখা উচিৎ নয়

বিশ্ব প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে । তেমনি ভাবে প্রযুক্তি দিনের পর দিন উন্নত হচ্ছে । মানব জাতিও তার বিপরিত নয় । যুগ ও প্রযুক্তির সাথে তাল মেলাতেগিয়ে মানুষ দিন দিন প্রযুক্তি নির্ভরশীল হচ্ছে । এমন একটি প্রযুক্তি যা গোটা বিশ্ব তারা মানুষের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে ।আমরা আমাদের নিত্য দিনের সঙ্গি স্মার্ট ফোনের কথা বলছি । সকালের ঘুম ভাঙ্গার পর থেকে শুরু করে রাতে ঘুমানোর পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত স্মার্ট ফোন আমাদের নিত্য দিনের সাথি । প্রযুক্তি যেমন মানব জাতীর উন্নয়নের জন্য বা মানব জাতির জীবনকে আরো সহজ করার জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করছে । তেমনি ভাবে এই প্রযুক্তি আমাদের বিপদের মুখেও ঠেলে দিচ্ছে । যা মানব জাতীর জন্য বড় হুমকির কারন হয়ে দাড়াতে পারে । তাই এসোব বিষয় আগে থেকে জেনে রাখা উচিত যে, কোন ১০টি বিপদ জনক জায়গায় ফোন রাখা উচিৎ নয়।

পেছনের পকেটে ফোন রাখা

প্রথমে আলোচনা করা যাক পিছনের পকেটে ফোন রাখার বিষয়ে । অনেকে অবহেলা বসত বা ভুল কওে প্যান্টের পিছনের পকেটে ফোন রেখে থাকেন । এই অবস্থায় ভুলবসত কোথাও বসে পড়লে ফোনের টাচ ফেঁটে যেতে পারে । এমন কী নষ্ট হয়ে যেতে পারে মূল্যবান ডিসপ্লেটিও। বর্তমানে র্স্মাট ফোন গুলোর ডিসপ্লে রিপ্লেসমেন্ট খরচ ৫০% এর ও বেশি খরচ পড়ে ।বর্তমান স্মার্ট ফোন সমূহ স্মুথ হওয়ার কারনে ফোনটি পেছনের পকেট থেকে কখন চুরি হয়ে যাবে তা বোঝা প্রায় অসম্ভব ।প্রতি নিয়ত স্মার্ট ফোন ব্যবহারের ফলে শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যাথার প্রকোপ দেখা দিতে পারে । যেমন : ঘাড়,হাঁটু এবং পেটে ব্যথা

সামনের পকেটে ফোন রাখা

সামনের প্যান্টের পকেটের ফোন রাখা বেশিরভাগ পুরুষ মানুষ তাদের স্মার্টফোন সামনের প্যান্টের পকেটে রেখে থাকেন। কেননা তারা মেয়েদের মত  ক্যারি ব্যাগ ব্যবহার করেন না। তাই তারা সামনের পকেট স্মার্টফোন রাখায় স্বচ্ছন্দবোধ করেন। কিন্তু পুরুষরা অজান্তেই  এ বিষয়টি না জেনে ভুল করে থাকেন UNIVERSITY OF EXETER এর গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে যা পুরুষ জাতির চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।গবেষণায় জানা গিয়েছে  যে স্মার্টফোন হতে সৃষ্ট ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন এর ফলে  শুক্রাণুর গুণগতমান ও পরিমাণের উপর খারাপ প্রতিক্রিয়া দেখায়, যা  পুরুষদের জন্য বড় হুমকির।এভাবে তারা বাবা হওয়ার ক্ষমতা দিন দিন হারিয়ে ফেলেত পারে।তাই এখন থেকেই এই বিষয় নিয়ে সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত।

ব্রা এর মধ্যে ফোন রাখা

বিশেষ করে মেয়েরা  অনেকে অধিক নিরাপত্তাজনিত বা কৌতুহল বশবর্তী হয়ে ব্রা এর ভিতরে ফোন রেখে থাকেন। হয়তবা তারা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন না। কিন্তু এ বিষয়টি মহিলা জাতির জন্য অধিক বিপদজনক।কারণ ব্রা এর ভিতরে ফোন রাখার ফলে  সেই ফোন রেডিয়েশনের প্রভাব স্তন ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।তাই এ বিষয়টি মেয়েদের অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে।

কোমরের পকেটে ফোন রাখা

সপ্তম নম্বর কোমরের পকেটের ফোন রাখা অনেকেই কোমরের পকেটের জ্যাকেটের পকেটে ফোন রেখে থাকেন।এর প্রভাবে আমাদের দেহের হাড়ের খনিজ ঘনত্ব  বা খনিজের পরিমাণ বনডেন সিটি এর সঙ্গে ফোনের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন এর সঙ্গে নেগেটিভ প্রতিক্রিয়া প্রেরণ করে থাকে। যার ফানি হাড়ের বনডেন সিটি কমতে থাকে।

চামড়ার সংস্পর্শে ফোন রাখা

সরাসরি চামড়ার সংস্পর্শে ফোন রাখা।ফলে টস্যিুটি চামড়ার প্রদাহ হয়। সাম্প্রতকি গবষেণায় দখোনো হয়ছেে যে চামড়ার কাছে একটি মোবাইল ফোন রাখা হ'ল শ্বতের্বণ, কান, চোয়াল বা হাত, যা সাধারণত মোবাইল ফোন র্ডামাটাইটসি নামে পরচিতি।

Charging অবস্থায় কানে ফোন রেখে কথা বলা

অনেককে ফোনে কথা বলতে বলতে চার্জ শেষ হয়ে যায় তারপরও ফোন চার্জে লাগিয়ে কথা বলতে থাকে।আবার কেউ কেউ ফোনে চার্জ শেষ হওয়ার ভয় ফোন চার্জিং অবস্থায় কথা বলতে থাকেন।এটা বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে  চার্জিং অবস্থায় কথা বলার সময় ফোন বিস্ফোরিত হতে পারে। তাই এই অবস্থায় কথা বলা থেকে বিরত থাকাই উত্তম।

প্রচন্ড ঠান্ডা স্থানে

ঠান্ডা স্থানে  ফোন রাখার ফলে ফোনের সার্কিট সমূহ  damage হয় যেতে পারে ।তাছাড়া ফোনের ব্যাটারি ক্যাপাসিটি কমে যেতে পারে। ফলে চাজিং ব্যাকআপ কমে যাবে।

গরম স্থানে ফোন রাখা

ফোনকে গরম স্থানে রাখা উচিত নয় প্রচন্ড  গরমের দিনে সরাসরি সূর্যের নিচে ফোন রাখা রাখা উচিত নয় তাছাড়া গরমের  দিনে গাড়ির ভিতরে বা সরাসরি সূর্যের তাপে ফোন রাখা উচিত নয় এতে ফোন প্রচন্ড গরমে  ওভার হিট হয় বিস্ফোরিত করতে পারে জানলা দিয়ে সূর্যের আলো প্রবেশ করা অবস্থায় সূর্যের আলোতে ফোন রাখা উচিত নয়  এতে স্মার্টফোনের ব্যয়বহুল skin t নষ্ট হয়ে যেতে পারে

বালিশের নিচে  বা পাশে ফোন রাখা

অনেকে ঘুমানোর আগে বালিশের নিচে ফোন রেখে ঘুমিয়ে  থাকেন অনেকে কোন কল sms অথবা কোন নোটিফিকেশন আসলে টের পাওয়ার জন্য ফোনকে বালিশের নিচে বা বালিশের  পাশে রাখেন। আবার অনেকে গভীর রাত জেগে ফোনে কাজ করে থাকেন কাজ করতে করতে ফোন অফ না করে তারা কখন যে ঘুমিয়ে পড়ে তারা নিজেও বুঝতে পারেনা ।কিন্তু ফোন  সক্রিয় অবস্থায় থাকে যার ফলে ফোনের  ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন এরফলে মস্তিষ্কের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া শুরু করে।যার ফলে স্বাভাবিক ঘুম নষ্ট হয়ে যেতে পারে,মাথাব্যথার প্রকোপ বাড়তে পারে,স্বাভাবিক ঘুমের ব্যাঘাত হলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যেতে পারে।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

সর্বশেষ আপডেটেড অফার পেতে চান?

অর্ডিনারি আইটি কী?